এপিপি অনুযায়ী কাজ পাওয়া
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলীর (লোকো) দপ্তরে কর্মরত একজন লোকোমাস্টার কাজ করে, যার কাছে এপিপি অনুযায়ী আইটেম বেসিস কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা দিবে এই মর্মে উক্ত টাকা দাবী করে।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলীর (লোকো) দপ্তরে কর্মরত একজন লোকোমাস্টার কাজ করে, যার কাছে এপিপি অনুযায়ী আইটেম বেসিস কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা দিবে এই মর্মে উক্ত টাকা দাবী করে।
২০২২ এ দিরাই থানায় পুলিশ ভেরিফাই এ ফাইল আসলে ২০০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমরা তা প্রত্তাখান করি এবং চাকরি পাইনি
SI নাকি টাকা ছাড়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে না, আমি নিজে টাকা দিতে না পেরে, কিস্তি দিয়ে ফোন নিছি, তার দাম ছিল ১৪,০০০ হাজার টাকা। এখন নাকি এই ফোন উদ্ধার করতে লাগবে ২০০০ টাকা, কিন্তু ওরা নাকি এটা শিউর না যে, টাকা দেওয়ার পরেও ফোন উদ্ধার করতে পারবে। মগের মুল্লুক নাকি। পরে আল্লাহ ওয়াস্তে ফোনের মায়া ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।
আমার জমির দলিল এ নাম ভুল ছিল। এখন কোর্ট থেকে রায় দিছে আমার পক্ষে। এখন নাম পরিবর্তন করতে ১২০০০৳ লাগবে
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তারা সরকারি ফি বাবদ ৮৫০০ টাকা ছাড়াও আরও ৬৫০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করে । নাহলে তারা পাসপোর্ট বানায় দিবে না । তারা নিজেরা কথা বলেন না , ওখানে অবস্থান করা দালাল দিয়ে কথা বলায় এবং সেই সাথে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে আরও ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করে বসেন যে আপনার বাসায় না গিয়েই শুধু এখানে থেকেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হবে।
আনোয়ারা উপজেলা ভূমি অফিসে একটি নামজারি জন্য ২০০০০০টাকা দাবি করছেন AC LAND মহোদয় । অফিস থেকে বের হওয়ার পর সব লোক বলে নতুন AC land বিশাল খাদক।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য কম্পিউটার অপারেটর সহ ওসি ও টাকা নেয়। টাকা ছাড়া কাজ করতে চায় না।
নেপাল/ইন্ডিয়া/পাকিস্তান থেকে শ্রমিক আসে ১ লক্ষ থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে,তাও যে কাজ বলে ওই কাজেই আসে ডাইরেক্ট কোম্পানিতে অথচ বাংলাদেশ থেকে আসে সর্বনিম্ন ৪ লাখ সর্বোচ্চ ৭ লাখ তাও উপযুক্ত কাগজ দেয় না আকামা দেয় না কাজ দেয় না কতো হয়রানি সরকার কি এসব দেখেনা।
আসসালামু আলাইকুম। আমি —, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার একজন বাংলাদেশের নাগরিক। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)–এর জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আবেদন করি। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট ও বৈধ কারণ উল্লেখ না করেই আমার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। বিষয়টি আমাকে অত্যন্ত হতাশ ও উদ্বিগ্ন করেছে। এরপর একটি দালাল চক্র আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং দাবি করে যে, তারা ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার এনআইডির বয়স সংশোধন করে দিতে পারবে। অথচ আইন অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র থাকলে শুধুমাত্র সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়েই এনআইডির তথ্য সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে। এমন অবস্থায় সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি করা এবং অবৈধভাবে অর্থ দাবি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক
টাকা ছাড়া নামজারির আবেদন করায় খারিজ করে দিয়েছে।
আমি আমার খরগোশ নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ডাক্তার দের যারা হেল্প করেন তারা আমার কাছে ১০০ টাকা চান।
রাস্তা অতিক্রম এর সময় সার্জেন্ট সিগনাল দেয়।দাড়ানোর পর লাইসেন্স আছে কিনা জিজ্ঞেস করে।সব আছে বলার পরে দেখতে চায়।দেখাই।সব ঠিক থাকার পরেও বলছে সাইলেন্সার আপনি বাইরে থেকে লাগাইছেন।আমি বললাম এইটা কোম্পানির থেকে দেয়া।fzsv3 আরেকটা বাইক দাড় করাই চেক করেন কিন্তু উনি মানতে রাজি না।পরে বলে ৩০০০ টাকার মামলা হবে।পাশের এক সার্জেন্ট এর সোর্স টাইপ হবে।বলে যে ১০০০ দিয়া দেন সাইডে যাই নইলে বাইক নি যাবে থানায়।আমি বলি আমার কোনো পার্টস অবৈধ না।আমি দেবো না।পরে বলি ঠিক আছে আপনি মামলা দেন। রিসিট দেন। আমি কোর্টে যাবো এখনই।পরে বাকবিতন্ডা করে অনেক্ষন। পরে অন্য বাইকার দের ডাকলে।তাদের সাথে কথা বলে ছেড়ে দেয়।এদের কাছে টাকা ছাড়া আর কিছুই নাই।অযথাই হয়রানি
জমি নামজারি করতে গেছিলাম। জমি মাত্র ২২ শতক।
PECE CERTIFICATE CORRECTION korate gesilam. Just Ekta signature er jonno 500 tk chaisilo. Ami 50 tk ase just bolsi dite parbo na. Pore r ney nai.
বিকাশে ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছিলাম
আমার দাদি আমাদের ৩ ভাই কে জমি লিখে দিসে ৬ বসর আগে, দলিল লেখক ৭ হাজার টাকা নিজে নামজারীর জন্য, ২ বার এপলাই করে পারে নাই এখন কাগজ ফেরত দেয়া দিসে , এই কাগজ নেয়া এখন র নামজারী করতে পারছি না। কি কোবো ভাই, এসি ল্যান্ড কোনো সমাধান দেয় না
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শুরু ৫০০ তারপরে ৪০০
আমার জমি খারিজ কাতে গিয়ে ছিলাম মেট জমির পরিমাপ ৪ শতাংশ সে আমার থেকে ৩০০০ দাবি করে
আমার পিতার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য পিতার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম তাদের মধ্যে থেকে একজন আনসার সদস্য ১৫০০ টাকা দাবি করেছে না হলে পাসপোর্ট হবে না আমি ১০০০ দিতে চাইলে বলে যে যে স্যার কাগজপত্র চেক করেছে সে ১০০০ নিবে
আমার বাবা-মায়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। NID নম্বরের তথ্যে অসঙ্গতি দেখিয়ে বারবার ঘোরানো, আবার নতুন করে টাকা দিয়ে আবেদন করতে বলা এবং শেষ পর্যন্ত একজন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ইউনিফর্ম/পরিচয়পত্র ছাড়া একজন বাইরে দেখা করে টাকা নেন। এছাড়া অফিসের বাইরের দালালরাও টাকা নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট পেলেও পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল বেশ হয়রানিমূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ।