পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শুরু ৫০০ তারপরে ৪০০
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শুরু ৫০০ তারপরে ৪০০
SFC(N) এ প্রত্যেক জন নাবিকের TA/DA এর টাকা নিতে হলে ১০% থেকে ২০% টাকা ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে তারা চেক পাঠায় না। আমি ঘুষ না দেয়ায় আমার ১৭০০০ টাকা পাই নাই। তাদের কাছে এ বিষয়ে খোজ নিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছ তাদের সবার সাথে যোগাযোগ করে আসতে বলে। যোগাযোগ এর অর্থ সবাই মিলে টাকা তুলে একজন তাদের দিতে হয়। দিলে ওই বিল ভাউচারে যারা আছে সবার চেক পাঠায়। আর যোগাযোগ (অর্থাৎ সবাই মিলে টাকা তুলে না দিলে) চেক পাঠায় না।
পাসপোর্ট অফিসে গেলাম, কাগজপত্র জমা দিলাম, বলল আজকে ছবি ও বায়োমেট্রিক হবে না। এক আনসার সদস্য বলল ১৫০০ দিলে আজকেই করে দেওয়া যাবে। আমি না করেই চলে এসেছি।
আমার পিতার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য পিতার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম তাদের মধ্যে থেকে একজন আনসার সদস্য ১৫০০ টাকা দাবি করেছে না হলে পাসপোর্ট হবে না আমি ১০০০ দিতে চাইলে বলে যে যে স্যার কাগজপত্র চেক করেছে সে ১০০০ নিবে
Income tax certificate newar jonne harrass korche onek, then rude behaviour and 100 tk ghush nise, tao somoy moto kaj kore dey ni
পাসপোর্ট অফিসের কম্পিউটারের দোকানিরা মুল অফিসার যিনি সই করে পাঠায় যার কারণে ছবি তোলা যায় পরবর্তীতে। তার সাথে যুক্ত কাগজ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। এভাবে অনেক মানুষের থেকে ঘুস নেয় । ইনাদেরকে চেনাতে অফিসের গার্ড হেল্প করে।
Jomi joriper jonno 800000 taka gus cheyeche
আমার জমি খারিজ কাতে গিয়ে ছিলাম মেট জমির পরিমাপ ৪ শতাংশ সে আমার থেকে ৩০০০ দাবি করে
থানা শিক্ষা অফিসে তারা প্রতি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা চায়, এটা নাকি তাঁদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাওয়ার ভাড়া, এই টাকা তাঁদের সরকার দেয় না। সরকারের দেওয়ার কথাও না কারণ এটা সংশোধন থানা শিক্ষা অফিসার নিজেই করবেন, এই সার্টিফিকেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনদিনই যায় না। আমি টাকা দেইনাই বইলা আমারটা ১০ মাস ঘুরাইসে, যা কিনা ১ মাসেই করা সম্ভব ছিল।
মালিক এর মৃত্যুর পর তার ভাই জালিয়াতি করে আমদের জমি (মঝিনা গ্রাম) বিক্রি করে ফেলায় গত দেড় বছর আগে নারায়ণগঞ্জ এর রূপগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে মিসকেস করা হয় তখন সেখানের দায়িত্বরত কর্মচারীরা জানাই 20000 টাকা দিলে তারা আমদের কেস দ্রুত সমাধান করে দিবে কিন্তু ঘুষ না দেয়ায় তারা কোনো সমাধানে যায় নি এখন ও তারা সেই টাকা দাবি করে এবং শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেয় ।
ছাগলের পিপিআর ভ্যাকছিন নিতে গেছেলাম চৌগাছা পশু হাস্পাতালে গিয়ে দেখি পিপিআর ভ্যাকছিন নাই! পরে টাকা দিলে বলে আছে! তাও আমার ১০ টাকা মাত্র।
The police officer EKTA FIR KORAR JONNO GIYECHILAM ABOUT GETTING THREATS FROM SOME LOCAL GUNDAS . JKHN ONAR ROOM E GELAM TKHN UNI EKTA NETAR THEKE GHUSH NICCHILEN . AND AMI JKHN AMR TA BOLLAM UNI BOLLEN 3 LACKS LAGBE TAHOLE KAJ HOYE JABE. TARPOR AMI ONNO EKJONER SHAHOJJO NEI.
অনলাইন আবেদন সহ উল্লিখিত যাবতীয় সব ডকুমেন্টস নিয়ে যাওয়ার পরও বার বার ভুল ধরতে থাকে, বলে বাইরে কম্পিউটারের দোকানে ঠিক করে আনেন। কি ঠিক করতে হবে জিগ্যেস করলে বলে ওরা(কম্পিউটারের দোকান) পারে, ওদের কাছে যান। বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলে ১৫০০ টাকা চায়। তখন বুঝে গেলাম কাহিনি। এরপর সরাসরি পরিচালকের রুমে গেলে কাগজ যাচাই করে পাশ করে দেয়।
notun jomir kajogpotro registered kora
আমার জমির ওয়ার্কিং খতিয়ান দরকার পরে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে তারা বলে এটা সরকারিভাবে দেওয়া যাবে না। কিন্তু অন্যভাবে দেওয়া যাবে এটার জন্য 6000 টাকা দাবি করে, আমি পরে সেটা প্রত্যাখান করেছি।
ঘুষ ছাড়া পরীক্ষা দিছি। লিখিত পাস করি সর্বোচ্চ নাম্বারে। ভাইবাতে ফেল করায় দেয়। পরপর দুই বার একই ভাবে ফেল। রাগে আর লাইসেন্সই করিনি।
নতুন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য এড্রেস ভুল ছিল তাই পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি দিতে রাজি হই নাই রিকোয়েস্ট করছি পরে ফ্রিতে করে দিছে অনেক রিকুয়েস্ট করার পর অনেকক্ষণ বসে ছিলাম
এটা একটু বেসরকারি নার্সিং কলেজ। এটি ফরিদপুরের সদরের মধ্যে অবস্থিত নাম রেজওয়ান মোল্লা নার্সিং কলেজ। ভর্তি হওয়ার সময় তারা বলেছিল টোটাল খরচ হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। কিন্তু ইন্টার্নী শেষ করে টোটাল খরচ হয়ে যায় চার লাখ টাকা। সর্বশেষ যে দুর্নীতিটা লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকারের নির্ধারিত ফি মাত্র ২ হাজার টাকা। আশপাশের অন্য কলেজগুলাই ২৫০০-৩ হাজার টাকায় কাজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই হসপিটাল এ ১২ হাজার টাকা নিয়েছে। কাউকে বলে কোন সাহায্য পাচ্ছি না। কিছুদিন আগে আমরা অনেক প্রতিরোধ করি, একটা ঘটনা বলি কিছুদিন আগে ইন্টারনি করার জন্য ফরিদপুরের নামিদামি সব কলেজে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা করে নিয়েছে। এই কলেজ ১২০০০ টাকা চায় তখন আমরা প্রতিবাদ করি বিভিন্ন জায়গায় এদের বিরুদ্ধে নালিশ জানায়। ১৮ হাজার দিতে চe
নতুন পাসপোর্ট করানোর জন্য সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও কোনো কাগজ জমা নিতে চায়নাই, এর পর এভাবে ২-৩ দিন ঘুরানোর পরে পাশেই থাকা ডিসি অফিসে আমি এবং আমার পরিবার জয়পুরহাটের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে বিষয় টি নিয়ে যাই এবং কথা বলি। উনি সকল কাগজ দেখে কল করে বলে দেন যে, পেপারস এ সমস্যা না থাকার পরেও কেন নেওয়ার হচ্ছে না? যিনি নিতে রাজী ছিলেন না, বলেন যে সে নিবেন পেপারস গুলি। পরবর্তি তে উনার কাছে গেলে গার্ডেকে দিয়ে আমাদের থেকে ১৫,০০০ টাকার ঘুষ নেন। পরে পেপারস নিয়ে বলেন, যেখানেই যান ৩ দিন আগে টাকাটা ছারলে ৩ দিন আগেই পাসপোর্ট পেতেন। ঘটনা টি ২০২০-২১ সালের দিকে।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস এ গেলেই আপনার তথ্যের সমস্যার শেষ নেই । তবে সামনের গেট এ দাঁড়িয়ে থাকা বিসিএস ক্যাডার মানে আনসার গুলো কে ২হাজার টাকা দিলে সব তথ্য সঠিক হয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মধ্যে এই আনসার গুলো আপনাকে ডাকবে তারপর সমস্যা সমাধান করে দিবে । ঘুষের পরিমাণ ২ হাজার থেকে শুরু । যার যত বড় সমস্যা তার অঙ্কটা বেশি । ধন্যবাদ বিসিএস ক্যাডার আনসার ভাই ।