কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর
লেবার অফিসাররা কোনো তথ্য যাচাই ছাড়াই ব্যবসায়ীদের বানোয়াট চিঠি দেয় এবং সবকিছু আইন অনুযায়ী থাকার পরেও কেস করার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করে। এখন আবার অন্যায়ভাবে বেশি অর্থের বিনিময়ে শুক্রবার দোকান খুলতে দিচ্ছে।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লেবার অফিসাররা কোনো তথ্য যাচাই ছাড়াই ব্যবসায়ীদের বানোয়াট চিঠি দেয় এবং সবকিছু আইন অনুযায়ী থাকার পরেও কেস করার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করে। এখন আবার অন্যায়ভাবে বেশি অর্থের বিনিময়ে শুক্রবার দোকান খুলতে দিচ্ছে।
আমার একটি খতিয়ানে অনলাইনে এন্ট্রি দিতে গিয়ে অফিস থেকে ভূল করেছে সেই খতিয়ানটি undp থেকে সংশোধন করে তুলনাকাটীর আইডিতে প্রেরন করা হয় করার কিন্তু সেটা তুলনসকারীর আইডিতে ঝুলে থাকে আমি খতিয়ানটি ছারানোর জন্য গেলে আমার কাছে ২৫০০০/ টাকা দাবী করে অথচ ১ মিনিটেরও কাজ না।।
সাংবাদিক মানে চোরে উপর বাটপারী করে,আপনি থানা,হাসপতাল,ভুমি আফিস,ডিসি অফিস,রেজিস্টার অফিস,,বি আ টি অফিস এমনকি দুদুক অফিসেও কোন অফিস নাই যেখানে সাংবাদিকচাদাঁ না খায়, আপনি দেখবেন আপনার থেকে একটা লোক 500 টাকা নিয়ে আপনার কাজটা করে দিতেছে বা আপনি খুশি মনেই দিতেছেন,দিন শেষে ওই লোকটা থেকে সাংবাদিক যেয়ে একটা অংশ নিয়ে আসতেছে।কিন্তু আজ পযর্ন্ত কোন সাংবাদিক নামে কোন রিপোট হয়েছে? আমি বলবো না। সাংবাদিকরা কয় টাকাই পায় সাংবাদিক বলেন কিন্ত তারা এত টাকা পয়সা পায় কই,কেও এই বিষয়ে কথা বলে না।আমার জানা মতে এক জায়গা থেকে পাচঁ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে কিছু সাংবাদিক,কিন্তু তারা দেয়নাই।কোন অফিসার যদি সত হয় তাহলে দেখবেন সাংবাদিকরা বলেবে সেখানে দুর্নীতি হয়।আর যেখানে দুর্নীতি হয় কিন্ত সাংবাদিক চাদাঁ পায় তারা বলবে ভাল
সরকারি জমি দখল মুক্ত করার জন্য তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এজন্য জমি পুনরায় পরিমাপের জন্য সার্ভেয়ার প্রেরন করা দরকার ছিল । আমি ঘুষ অপার করি নাই আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার সাহস তারা করে নাই । তবে তারা কোন রকমে বাধ্য হয়ে আমাকে সার্ভিস দিয়েছে কিন্তু অনেক ঘুরাইছে । একটি আধা ঘন্টার চিঠি ইস্যু করতে আড়াই মাস ঘুরাইছে
১০/০৬/২০২৬। আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাসানো হবে, বলে ফাডি থানা পুলিশ হুমকি দেয় এবং ৫০০০ টাকা দাবি করে। যা দিতে অস্বীকার করি। ২০০০ টাকা দেই। কিন্তু ৫০০০ টাকা না পাওয়ার আমাকে মামলায় ফাসিয়ে দেওয়া হয়। এবং জেল খেটে মামলার ঘানি টানতেছি।। প্রতিপক্ষ এর কাছ থেকে ৩০০০০ হাজার টাকা পেয়ে আমাকে রাতে ধরে নিয়ে গিয়ে হাজত এ প্রেরণ করে। আমি অস্বহায় এতিম কার কাছে যাব। কারকাছে বিচার চাইব। কিভাবে মামলা থেকে বাঁচব।
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও পাসপোর্ট অফিস আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট আবেদন করি তিনট আমি, আমার বোন ও আমার ভগ্নিপতি । ভগ্নিপতি ব্রেন স্ট্রোক করার কারনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চাইছিলাম দালালের মধ্যে না করাতে প্রায় তিন মাস হয়ে যাচ্ছে এখনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়নি😭 মোট ছয় বার গেলাম তারা বলেন আজকে এটা বানান ভুল এরপর বলে এটা ভুল কিন্তু সমাধান দেইনি টাকা অলরেডি পেমেন্ট করে দিছি এখন বলতেছে এটা আর হবে না কিন্তু পার্শ্বের কম্পিউটারের দোকানদার বলে হবে 2000 টাকা করে লাগবে লাস্ট দর কষাকষি করে 1200 করে 3600 টাকা দরদাম হয়েছে আমি এখনও টাকা দেইনি এদিকে রোগীর খুব সমস্যা প্যারালাইসিস এক হাত ও এক হ্যাঁ অচল বয়স 34
আমি নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। আবেদনের কপি এসি ল্যান্লেড অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসি তারা ১০০০ টাকা নিয়ে ফাইল করে এটা নাম্বার পেলে তোশিল অফিসে পাঠাবে বলেছেন। তহশিল অফিসে ওইখানে কথাবার্তা বলে প্রস্তাব পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলছে। ওইখানে কথা বলতে গেলাম তারা বলতেছে খাস খতিয়ান এর একটা ইস্যু আছে ৮০ হাজার টাকা লাগবে নতুবা করা যাবে না। পরবর্তীতে আবার এসি ল্যান্অড অফিসে গেলাম সেখানে কথা বললাম তারা বলতেছে স্যারদের সাথে কথাবার্তা বলে জানাবে। পরবর্তীতে জানালো যে নেট ৬৫ হাজার টাকা দিতে হবে নাইলে কাজ করতে পারবে না। তারপর আবেদন রিজেক্ট হয়ে গেছে কিছুদিন পরে।
গাছা ভূমি অফিস, গাজীপুর অফিসে অনলাইনে আবেদন করে জমি খারিজ করতে গেছিলাম ৮ শতক জায়গার। ভূমি অফিসের এক লোক আবেদনের কাগজ পত্র বের করে দেখে ১,০০০০০ টাকা দাবি করে। অনুনয়বিনয় করলে ৬০০০০ হাজার বলে যা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিলো না, যার কারণে বাধ্য হয়ে চলে আসি। আজ ৮-৯ মাস হয়ে গেলো আমার খারিজ করতে অসস্তি লাগছে।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। বর্তমানে আমার সিঙ্গাপুরে Class 3 এবং Heavy Vehicle—উভয় ধরনের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে গাড়ি চালানোর বাস্তব অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এসে বিআরটিএ-এর ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় আমাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিআরটিএ-এর নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি এবং নির্ধারিত পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আমার কাছে অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দাবি করা হয় বলে আমি অভিযোগ করছি। আমাকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা প্রদান করলে .....
আমার ব্যক্তিগত জায়গা দখল করে সরকারি রাস্তা তৈরি, সে জায়গায় সরকারের নিয়ম অনুসারে আমার যে অর্থ পাবার কথা অসংখ্য গাছ নষ্ট করার কারণে তার অর্থ আমাকে দেয়া হয়নি যে কারণে আঞ্চলিক জজ কোর্টে মামলা হয় পরবর্তীতে আসামি পক্ষের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঘসির মাধ্যমে আমার মামলাটি ইনজেকশন জারি হওয়ার পরেও বিনা কারণে খারিজ করে দেয়া হয়। এর পিছনে কাবাব শাড়ির লোক ও বিপুল পরিমাণ ঘোষ বাণিজ্য পরিচালিত হয়েছে কিশোরগঞ্জ কোর্ট।
সেসময় পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হতো। দু বছর আগের কথা। তখন ঘুষ দাবি করেছিলো।
নামজারীর জন্য। একবার ১১ জনের নামে নামজারি করেছি। সেটা অনলাইনে দেখা যাচ্ছে না। যে কারনে ১১ জনের নামে আলাদা আলাদা করতে ৮০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি পরে করব বলে চলে এসেছি।
আমার বিরুদ্ধে হুদাই মামলা করা হইছে,,, প্রমাণসহ থানায় দিয়েছি,, কিন্তু কোনো রিপোর্ট আদালতে পাঠানো হয় নাই,, ১২ মাস হয়ে গেছে,এখন হুদাই টাকা দিয়ে মামলা চালাতে হচ্ছে,, আদালতে এই হুদাই মামলা বন্ধ করা হোক,,, ইতি: আমি নিজে একজন সেনাবাহিনীর লোক,
স্টাপের নামে সাধারণ মানুষের সিরিয়াল ব্রেক করে কিছু অসাধু ব্যক্তি বা স্টাপ টাকার বিনিময়ে সেবা দিচ্ছে
চরফ্যাশন কোটে আমার একটি জমি সংক্রান্ত মামলা করেছিলাম কোর্ট থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিলে এক মাসের মধ্যে জমি দলিল অনুযায়ী রিপোর্ট কোর্টে পেশ করার জন্য কিন্তু চরফ্যাশনের সরকারী সার্ভেয়া উক্ত জমি মাপায় বিলম্ব করেন। পরে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উক্ত কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছ থেকে ২০০০০টাকা দাবি করেন। আমি টাকা না দেওয়ায় তিনি উক্ত জমি আর মাপতে যান নি। অপর পক্ষের থেকে টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে রিপোর্ট করেন। চরফ্যাশন ভূমি অফিসে টাকার বিরাট বানিজ্য হয়। উক্ত ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কর্মকর্তারা কিছুিই বুঝেন না। যে খানে যাই সেখানেই টাকা দাবি করে। না দিলে কাজের ক্ষেত্রে কালক্ষেপন করে। সাধারন ভূক্ত ভুগী মানুষ এই সব কর্মকর্তাদের কারনে অতিষ্ট।
আমার বোনের বাচ্চা হয় অপরিপক্ক। শিশুটিকে আইসিইউ তে ভর্তি করাতে গেছিলাম। বলেছিলো সিট নাই। ১০০০ টাকা দিলে সিটের ব্যাবস্থা করে দিতে পারবে। পরে নানা রকম ভয় ভিতি দেখিয়ে সিট নিই।
খাজনা দিতে গেলে অতিথি টাকা দিতে হয়-যেমন রশিদ হবে ২০০০/ দিতে ১০-১২০০০/টাকা
আমি অনলাইনে জমে খারিজ করতে দেওয়ার পরে ভূমি অফিসে গেলাম হোল্ডিং খাতাতে ইনসি করার জন্য কিন্তু তখন সেখানে আমার থেকে দেড়শ টাকা চাই রশিদ দিতে রাজি হয় না পরবর্তীতে আমি সেটাকে না দিয়ে যে চলে আসি
প্রাইমারি স্কুলের বরাদ্দে, স্কুল কতৃপক্ষ কাজ করা সত্তেও সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি। যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, ১০০% কাজ হওয়া সত্ত্বেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে টাকার ভাগ না দেওয়ায় দুই বছর যাবত টাকা আটকে রেখেছে। এবং মহিলা শিক্ষকদের সাথে খারাপ ব্যবহার ও হয়রানি।