রেললাইন যাওয়া টাকা উত্তোলনের জন্য
রেলওয়ে যাওয়া জমির টাকা উত্তোলনের জন্য সর্বমোট ১২% চেয়েছিল
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
রেলওয়ে যাওয়া জমির টাকা উত্তোলনের জন্য সর্বমোট ১২% চেয়েছিল
খাজনা রশিদ সহ যাবতীয় কাগজ থাকা সত্ত্বেও চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকার দাবী ভূমি প্রধান সহকারীর
টাকা চাইছে আমার টা কোনো দালালের মাধঢমে করা ছিল না নিজের টা নিজে করছি তাই ভুল ধরে টাকা চাইছে ২০০০ আমি দেইনি।
লিফট ম্যান,রোগীর সেবার বিনিময়ে টাকা চায়।
আমার আম্মার বয়স ৬৫ প্লাস তো বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে গেছিলাম। পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ চাইছিল।
Tex er jonno notice dise Er por ami gesi Ami jawar por 350000lac tk dabi korse Er pore ami ase porsi
নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী সদস্য বলে সরাসরি কোন টাকা চায় না। কিন্তু ডকুমেন্ট দলিলাদি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আবেদন খারিজ করা হয়। খারিজের কারণ জানতে গেলে একেক সময় একেক কারণ দেখিয়ে দেওয়া হয়। কোন পরামর্শ চাইলে অসহযোগিতা এবং দুর্ব্যবহার করা হয়।
আমি একজনের নামে জিডি করতে গেছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাকে যে পরিমানের আচার করছে সে পরিমানের মানুষের সাথে বলাই কঠিন।আমি চিন্তা করি পুলিশ সাধারণত মানুষের ভেট টাকা বেতন পায় তার এরকম ব্যবহার করার কারন কি? জিডি তো করতে পারলাম নাহ ১৫০০০ হাজার জরিমানা দিয়ে আসতে হয়েছে। আমার বাড়ি থেকে ক্যাশ ও ফোনে নগদ থেকে ২৭০০০ চুরি গেছে যে নাম্বার টাকা গেছে তার নামে জিডি কিন্তু বিচার তো নাই ১৫০০০ হাজার নিয়ে পকেট ভরায়। কিন্তু আমি বলি আমি মানুষের দোখানে কষ্ট করে একটু অর্থ জোগাড় ওই পরিমানে তো টাকা এই সমাজের মানুষ জন্য ও বিচার পেলাম নাহ
Amar choto Vai er sob papers thik thakly passport office niccilo na, jokhon Dalal diye joma dilo tkn niye nilo .
নামজারি করতে আমরা জানি ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু সেখানে কি হয় না নানান কাগজের সমস্যা এটা সেটা বইলা তারা সবকিছু ঠিক কইরা দিবে এগুলা বলে ৮000 টাকা নেয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকটা খাতই ঘুষের প্রস্তাব বেশি থাকে ভূমি অফিস সরকারি সবখাতে পাসপোর্ট অফিস
আমি মানিকগঞ্জের ঝিটকা থেকে বলছি, এখানে পীর পূজারী মাজার ব্যবসায়ী, যারা সমাজ পরিচালনা করে, এবং সমাজের খারাপ ছেলেদের দিয়ে নেশাদার দ্রব্য দিয়ে খারাপ পথে পরিচালনা করে এবং প্রতিনিয়তই সমাজে যারা ভালো ব্যক্তি তাদেরকে এই খারাপ মানুষ দিয়ে হয়রানি করে এবং নানা ভাবে অত্যাচার করে থাকে, এবং কি প্রশাসন ও তাদের কথাই চলে, এটা শুধু চিৎকার গল্প, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রায় সব জায়গায় এরকমই চলে
নতুন একাউন্ট খোলার সময় আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি না দেওয়াই আমার ফাইল এই টেবিল ওই টেবিল করতে করতে দুপুর একটা বাজে এবং পরে বলে আজকে হবে না তিনদিন পরে আসেন আমি ঢাকাতে চাকরি করি ঐদিন ছিল বৃহস্পতিবার আমার ঢাকা তো অফিস ছিল শনিবার নতুন প্রাইভেট জব করি পরের দিন শুক্রবার তাই আমার পক্ষে তিন দিন অপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না পরে বিষয়টি আমি ওখানকার ম্যানেজারকে বলি পরে তিনি ওদের সাথে কথা বলে পরে আমি একাউন্টটা খুলে এবং আমার টাকা ওই একাউন্টে রাখতে পারি এর জন্য আমার প্রায় আড়াইটা বেজে গিয়েছিল
ঘুষ দাবির রিপোর্ট ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় দায়েরকৃত ৪টি ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য আদালত থেকে আদেশ প্রদান করা হলেও প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত ৪টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা/তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদীপক্ষের নিকট মোট ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। দাবি করা টাকা প্রদান না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত করা হচ্ছে। এদিকে মামলার আসামিরা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং এর সুযোগ নিয়ে মামলার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও এক বছর ধরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখি
খুনের মামলায় খুনি আসামিকে গ্রেফতার না করিয়া তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করার মিথ্যা বাহানা করতিছে।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য গেলে, এক গাদা কাগজ চায়, একপর্যায়ে ১০০০ টাকা হলে কাজ হবে বলে জানায়। আমি করাই নাই।
আমি একজন মেয়ে মানুষ। বাবা বেচে নেই। জমি নিয়ে বিরোধ এজন্য লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করতে গেলে তারা অনেক ব্যস্ততা দেখানোর পর আমার কথা শুনে একটা আবেদন ফরম নিয়ে আমার ঠিকানা এবং বিবাদীদের ঠিকানা লিখে। এরপর অফিস সহায়ক'কে জারিকারক এবং কম্পিউটার অপারেটর বলে চা নাস্তার টাকা নিতে৷ আমি জিজ্ঞেস করি কত টাকা? অফিস সহায়ক বলে, কেউ ৫০০-১০০০টাকাও দেয়। আপনার ইচ্ছা যা দেন৷ আমি কেবল ২০০টাকা দেই। তারপর জারিকারক বিবাদীদের কাছে নোটিশ পৌছে দিতে গেলে আমার থেকে ৫০০টাকা নেয় ১ম বৈঠকের দিন। হাজিরায় নাম লেখার সময় আরেকজন অফিস সহায়ক ২০০টাকা হাজিরার জন্য চায়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই। সিভিল জজ স্যার ১ম বৈঠকের পর তদন্ত করতে দেয় জারিকারক'কে., উনি তদন্ত করতে এসে ১০০০৳ দাবি করে। আমি দেয় নি। আজ ৪মাস প্রতিবেদন জমা দেয়নি উনি😭
আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দরকার ছিল। পাথরঘাটার থানা পুলিশ এর কাছে গেলে সেখান থেকে বলে ৪০০০ টাকা দরকার। দিয়ে চলে আসলাম ১৫ দিন পরে যেতে বলল। তারপর ১৫দিন পরে গেলে বলে কাগজ আসে নাই আপনার জরুরি দরকার হলে বরগুনা জেলা প্রশাসক থেকে নিয়া আসেন। গেলাম সেখানে আমার নাম ঠিকানা বলার পর বললো হে আসছে আপনার কাগজ। চা ওানি খাওয়ার টাকা দেন। জিজ্ঞেস করলাম কত বললো ১০০০। তো কি আর করার টাকা টেবিলের নিচ দিয়া দেও উপর কাগজ নিয়া যায়। যেমন বললো ঠিক তেমন করে ১০০০ দিয়া কাগজ নিয়া চলে আসলাম । এইরকম কত যে গুশ দিয়ে হিসাব রাখি নাই। লিস্ট করলে অনেক বড় লম্বা লিস্ট হবে ধন্যবাদ সাইটটি খোলার জন্য
10 শতাংশ অকৃষি খাস জমি লীজ এর জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করে৷ টাকা দিলেই বেবস্তা হয়ে যাবে অফিস এর একজন বলছে। এসিল্যান্ড না থাকায় আর যাচাই করা যায় নি বিষয় টি।
SSC পরিক্ষার সাটিফিকেট নিতে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন নোয়াখালী কবির হাট উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
জমির নামজারি করার জন্য নায়েব সরাসরি তার অফিসে ডেকে ৪৭৫ শতাংশ জমির জন্য ৭ লক্ষ টাকা দাবি করেন। তাং দিতে অস্বীকার করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেন।