পাসপোর্ট নবায়ন
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেছিল,
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেছিল,
আমার বউয়ের পাসপোর্ট করার জন্য বরগুনা সদর অফিসে গিয়েছিলাম। যেহেতু আমি পাসপোর্ট ফরম বাসা থেকে ফিলআপ করে নিয়ে গিয়েছি এতে করে ওনাদের সমস্যা হয়ে গিয়েছে। দুই ঘণ্টা সিরিয়াল ধরে ফিংগার রুমে যাওয়ার পর সেখান থেকে ফরম এ মিডল নাম কেন ফার্স্ট নামের সাথে লিখেছি তাই পাসপোর্ট হবেনা। অথচ পাসপোর্ট অফিস দ্বারা যেভাবে ওয়েবসাইটে বলা আছে সেভাবেই করেছি। পরে গেলাম পরিচালকের রুমে, সেও দেখি একই কথা বলতেছে, পরে বললো বাহিরে কম্পিউটার দোকানে যেতে, সেখানে গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিলে সব ঠিক করে দেবে। বুঝলাম এই ২৫০০ টাকার ভাগ পরিচালকের পকেটে যায়। টাকা না দিয়ে চলে আসলাম। পরিচিত মিডিয়ার বড় ভাইকে দিয়ে পরিচালককে ফোন করলাম, পরে বলল সব ঠিক করে দেবে। বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখল, পরে বলল কাল কে আসেন আজকে সময় নাই
জায়গার নামজারির বিষয় ছিল ভূমি অফিসে, সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে গেলে উনি আমার বাবার কাছে টাকা চান। এবং আমার আব্বা সহজ সরল লেখাপড়া না জানুক। উনি ধাপে ধাপে উনাদেরকে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে যখন উনারা মোটা অংকের একটা টাকা দাবি করেন। তখন আর আমরা তা দিতে পারিনি। তাই আমাদের কাজটি হয়নি উনারা কাগজপত্র যে কোন একটা ঝামেলা লাগিয়ে দিয়ে আমাদের এ বিষয়টা এখন আদালতে আছে। সেই সময় ওনারা চাইলে আমাদের এই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতেন। কিন্তু সহকারী ভূমি অফিসার তা করেননি। আমরা টাকা দিলে হয়তো আমাদের কাজটা হত। মূলত ভূমি অফিসে কিছু দালাল থাকে তাদের সাথে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা মিলে আমাদের এই কাজটা কে জটিল করে তুলেছেন টাকা না দেওয়াতে।
আমার পাসপোর্ট এর এবং এনআইডি কার্ডের দুটিতেই নামের সমস্যা এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্ট বানাতে চাই আমাকে এক লক্ষ টাকা দিতে হবে
পুলিশের ক্লিয়ারেন্স করতে ২০০০ টাকা ঘুস চাওয়া হয়েছে
আমাদের পারিবারিক সমস্যার জন্য আামার ভাবি আমি আমার ভাই, আমার মা এবং আমার ২ চাচা চাচীর নামে কোর্টে মামলা করে। আমরা যথারীতি কোর্টে হাজিরা দিয়ে জাবিন নেই এবং পরের কোর্টে ভাবি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু এর মধ্যে মামলা তদন্তের জন্য ডুমুরিয়া থানায় চলে আসে। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা যথারীতি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বলে আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে অস্বীকার করি।তখন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ২ বছরের বেশি সময়।তারপর আমি না পেরে দুদকে অভিযোগ দেয় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি বুঝতে পেরে আমাকে এবং আমার ভাইকে দায়ী প্রতিবেদন জমা দেয়।
সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন ট্যাপে ফেলে অনলাইন বাবদ এই টাক দিতে হবে। হোল্ডিং এ আজব একটা ভুল দেখায় যা কোন ভুল ই না। অন্য দিলিল আনতে বলে বিভিন্ন বিভ্রান্ত করে তার পরে পাশে থেকে একজন বলল ভাই চা নাস্তা করতে কিছু দেন ঠিক করে দিচ্ছি।
আমি সম্প্রতিক সামান্য পরিমান জমিন কিনে ছিলাম। আমার জমিনের নাম জারী কর দরকার কিন্তু আমি নামজারী করার জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট তহিসলদার আমার সব কাগজ দেখেন অথাৎ জমিনের দলিল,খাজনা রশিদ, পূর্ববতী জমিনের মালিকর নামেও নামজারী দেখেন। দেখে বলেন আপনি এগুলো রেখে যান। পরবর্তিতে আপনাকে জানাবো। যাক আমি সব রেখে চলে আসলাম। কিছুদিন পর যাওয়ার পর তহসিলদারকে পেলাম না। আবার গেলাম তহসিলদার সাথে দেখা করলে তিনি বলেন আজকে ওনি ব্যস্ত আছেন। এই ভাবে অনেক দিন গুরার পর আমি নিরুপাই হয়ে আবার যায় তহসিলদারের কাছে অনেক অপেক্ষার পর ওনি আমাকে বলেন, আপনার কাগজে অনেক সমস্যা আছে যাক আমি ম্যানেজ করবো আপনার কাজ হবো আপনি আমাকে ১২০০০ টাকা দিবেন। আমি বললাম কেন? ওনি বলেন বেশি কথা বলবেন না। অথচ এই কাজে সরকারী খরচ ১১০০-১২০০ টাকা। আমি কি বলব
কাশিনাথপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ।। নতুন সংযোগ গ্রহণের জন্য আমাদের একটা বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমার প্রয়োজন ছিল। সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করতে আসে তাকে দিতে হয় ২০০০ টাকা । **এখানে বলে রাখা ভালো পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরাসরি কারো কাছে টাকা চায় না তারা অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালাল সেট করে রেখেছে যেমন ইলেকট্রিশিয়ান **। তারপর ডিজাইন অনুমোদন হয় অনুমোদন হওয়ার পর আমরা কয়েকজন মিলে অফিসে যাই তখন তারা বলে মালামাল নেই মালামাল আসলে কাজ করা হবে। আবার অফিসে গেলে বিভিন্ন দালাল বলে আপনার কাজটা করে দিব আপনি কত টাকা দিবেন তখন আমরা ৫০০০ টাকা দেয়ার জন্য সম্মত হয় কিন্তু সে বলে কাজ হওয়ার জন্য আরো পাঁচটা ফাইলে স্বাক্ষর হবে সেখানেই প্রায় আট নয় হাজার টাকা খরচ হবে আর......
নাম পরিবর্তন করতে টাকা চেয়েছিলেন
আমার বাবার নামে ভুল ছিল।সেটা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম।বলে টাকা দিলে তারাতাড়ি হবে আর না দীলে লেট হবে।
অনলাইনে সব কিছু পূরণ করে, ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে লাইনে দাঁড়ালে বারবার ফাইলে বিভিন্ন রকম অপ্রয়োজনীয় ত্রুটি ধরে ফাইল রিজেক্ট করে দেয় কিন্তু গোপনে ১৫০০-১৮০০ টাকা করে দিলে তখন কোন ত্রুটি ধরেনা। সাথে সাথে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়।
ঢাকায় বদলি হয়ে পারব কিন্তু ৫০০০০০ টাকা লাগবে
ক্যান্টরমেন্ট ভূমি অফিস আমার কাছে প্রায় ৫ লাখ টাকা দাবি করে নামজারির করার জন্য। আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক আছে। আরও আমাকে হয়রানি করে এবং কি এল.এ কেস নম্বর চায়? কিন্তু আমি ডিসি অফিস, এসি ল্যান্ড অফিস ইত্যাদি জায়গায় ঘুরে আমি এল.এ কেস নম্বর জোগাড় করতে পারি নাই।
গর্ভবতী কাট করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
আসসালামু আলাইকুম ভাই আমি একদিন আমাদের চেয়ারম্যান অফিসে গিয়েছিলাম কাশিনগর কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম মাতৃ সেবার আবেদন করার জন্য তো ওখান থেকে বলেছে যে আপনি সরকারি হসপিটালে যান এখান থেকে একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আসার অফিস থেকে বলেছে যে আপনি ওই হসপিটালে যান ওখানে গেলে একটি সার্টিফিকেট দিবে আপনাকে ফ্রি আমি ওখানে গিয়েছিলাম তা তারা বলতেছে যে আমাকে ২০০ টাকা দেওয়ার জন্য পরে আমার সাথে অনেক বার্গেডিং হয়েছে পরে শেষমেষ আমাকে ২০০ টাকা দিতেই হল ২০০ টাকা দিয়ে আমি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আসছিলাম ওখানে ওষুধও সরকারি ওষুধ তো আমি যতটুকু জানি ফ্রী ওষুধ নিতে হলে নাকি টাকা দিতে হয় ওদেরকে প্লিজ আপনারা একটু দেখবেন বিশেষ করে আমরা প্রবাসীরা একটু বেশি হয়রানি হই
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন কপি জমা/রাখার সময় প্রথমে ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। পরে আপনার সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হওয়ার পর আপনার কাছ থেকে ১,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড,ডিসি আর কাটা বাবদ আড়াই লক্ষ দাবি, এখানে ঘুষ ছাড়া কিছু নেই।সব সরকারি দপ্তর বসে আছেই টাকা নেওয়ার জন্য পবলিক আথবা সরকার থেকে!
২০১৫ সালেরর শেষ দিকের কথা, সেবার বিজ্ঞান বিভাগের থেকে বাগেরহাট জেলায় ৭ জন রিকুট করার সার্কুলারে যোগদান করতে যাই। এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে রিকুট পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক মেডিকেল, লিখিত পরিক্ষা, চুড়ান্ত মেডিকেল সবকিছুতেই ভালো ফলাফল করে টিকে ছিলাম। কিন্তু ভাইবা বোর্ডে রেফারেন্স না থাকার জন্য আমাকে আনফিট করে দেওয়া হয়। আমি তাদের জিগ্যেস করলাম আমার আনফিট হওয়ার কারন কি কোন প্রশ্নইত করলেন না। শুধু নাম আর রোল নাম্বার শুনেই আনফিট সিল মারলেন কেনো। তখন আমাকে বলা হলো বাবা পরের বার আবার চেষ্টা করো। একসাথে ১০ জন করে ভাইবা রুমে ঢুকানো হয়েছিলো। আবার একসাথে ১০ জন করেই বাহির করা হয়েছিলো। যাদের কাগজে ফিট সিল মারা হয়েছিলো। কার মামার রেফারেন্স আছে আবার কারো দলের রেফারেন্স আছে।
প্রায় দশ বছর যাবত ভুমি কর বকেয়া আছে যা পরিমাণ পাঁচ থেকে দশ হাজার টাক হতে পারে। সেটা পরিশোধ করতে গিয়ে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবী করা হয়। আমি কর না দিয়ে ফিরে এসেছিলাম।