bank loan
ami bank loan apply kori krisi bank amake bola holo 1 lac e amake 5000tk dite hobe ami 4000tk paid koro
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ami bank loan apply kori krisi bank amake bola holo 1 lac e amake 5000tk dite hobe ami 4000tk paid koro
এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমি আমার চাকরির বেতন করার জন জেলা একাউন্টস অফিসে যাই।যাওয়ার পর বিস্তারিত শোনার পর সেখানকার অডিটর আমার কাছে সার্ভিস বুক চেয়ে নিলেন এবং ১০০০ টাকা এনেছি কি না জিজ্ঞেস করলেন? আমি জানতাম না,বেতন পাওয়ার জন্যও টাকা ঘুষ দিতে হয়। পরে সেখান থেকে বের হয়ে পরিচিত কলিগদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারি ১০০০টাকা না দিলে আমি সারাজীবনে ও বেতন তুলতে পারবো না। কি আর করার অগত্যা ১০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আইবাসে বেতন করলাম। জেলা একাউন্টস অফিস, জামালপুর।
আমি একজন প্রবাসী। দেশে গিয়ে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের জন্মতারিখে অমিল থাকায় আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়। প্রায় এক মাস ঘুরেও সমাধান পাইনি। শেষ পর্যন্ত অফিসপ্রধানকে সব খুলে বললে তিনি কোনো সহানুভূতি না দেখিয়ে বলেন, “যেভাবেই হোক জন্মনিবন্ধন ঠিক করে আনেন, তা ছাড়া উপায় নেই। বারবার এখানে ভিড় করবেন না।” বারবার অফিসে আসার কারনে, এক আনসার সদস্য আমার অসহায়ত্ব দেখে একজনের নম্বর দেন। ফোন করলে তিনি বলেন, ২০ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে। পরদিন টাকা দেওয়ার পর তিনি ফোনে কথা বলে দেন এবং আগের নিয়মেই ফাইল জমা দিতে বলেন। অবাক হয়ে দেখি, যারা আগে ফাইল দেখেই ফিরিয়ে দিত, এবার তারা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সব টেবিল পার করে ফাইল গ্রহণ করল। এই হলো অবস্থা ভাই
আমার কাজিন কাতারে থাকে। সে একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বানাতে বলেছিল। আমি যখন থানায় এটা বানাতে যাই, তখন ঐ থানার যিনি উক্ত কাজের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করে বলেন এই কাজ হবে না। যদি বানাতে চান ১০০০০ টাকা দিতে হবে। পরে ৮০০০ টাকা দিয়ে বানাতে বাধ্য হই। এমনকি উক্ত ক্লিয়ারেন্স আনতে গেলে তিনি আবার ২০০ টাকা আদায় করেন।
টাকা ছাড়া তারা কাজ করে না এবং টাকা দিয়ে কাজ করেছিলাম তারা কাজটা বাড়তি করে দিয়েছে যাতে আমি পরবর্তী ক্লাসটা করার জন্য আবার যায় এবং তারা আমার কাছ থেকে আমার টাকা নিতে পারে
এটা ২০২১ সালের ঘটনা আমি আমার ভাগনের জন্য একটা পাসপোর্ট বানাতে দেই।চকরিয়া থানার পুলিশ ভেরিফাই করতে আসে আসার পর মোটর সাইকেল থেকে নামেও নাই বলতেছে থানায় আসো। থানায় যাওয়ার পর বলে ৮০০০ লাগবে। আমি আমার দু:সম্পর্কের এক মামা কে দিয়ে ৫০০০ টাকায় রফাদফা করি।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর গাজীপুরের অফিস প্রধান গত ৩ মাস আগে আমাদের শ্রীপুরের কারখানায় পরিদর্শনে নতুন পরিদর্শকসহ এসে ৩০,০০০ টাকা দাবি করে। তখন দিতে অপারগ হলে তিনি অফিসে দেখা করতে বলেন। অফিসে গেলে তিনি বলেন টাকা দিতে হবে তা না হলে তিনি পরবর্তী নবায়ন দিবেন না এবং তাকে তিন মাস পরপর ৪০,০০০ করে দিতে হবে। উপায় না দেখে আমার কারখানার স্বার্থে তাকে আমি তখন ৩০,০০০ হাজার দেই এবং ৩ মাস পর পর ২০,০০০ করে দিতে রাজি হই বাধ্য হয়ে। গতকয়েকদিন আগে তিনি পুনরায় ৩ মাস পার হওয়ায় টাকা চাইলে আমার কারখানার অবস্তা খারাপ বলি। তিনি কিছু শুনতে চান না। তার টাকা দিয়ে যেতে বলেন।
প্রথমে আমার এক ছোট ভাই থানা থেকে কল দিয়ে বলছে তোমার পাসপোর্ট ভেরিফাই করার জন্য যাবতীয় কাগজগুলো থানায় নিয়ে আসো। পরে ছোট ভাই আমাকে নিয়ে থানায় যায়,সকাল ১১ টার সময় থানায় গিয়েছি তবুও ডিউটি অফিসার তার ডেস্কে আসে নি যেখানে সকাল ৯ টায় থাকার কথা। কাগজ গুলো দেওয়ার পর ২০০০ টাকা দাবি করলে সাথে সাথেই আমি অ্যাকশনে চলে যায়। তুমুল বাকবিতন্ডায় অন্যন্যা পুলিশগন ও সেই রুমে উপস্থিত হয়, তারা তখন অনেক ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল বাট আমি কোনো ভয় না পেয়ে তুমুল ঝগড়া করে, এক টাকাও ঘুষ না দিয়ে চলে আসি
পারিবারিক সম্পত্তি তার একটা বন্টন নামা দলিল করবে এই দলিলের জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসার গুলশান এবং তার দালাল 25 লাখ টাকা দাবি করে এই টাকায় ওপারগতা প্রকাশ করলে দলিলটি বিভিন্ন অজুহাতে রেজিস্ট্রি করতে ধনিয়া প্রকাশ করে
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। কাগজ পত্র জমা দিয়ে গিয়ে বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হয়।পরবর্তী আনসার সদস্য বললো বাড়তি ১৫০০ টাকা দেন একদিনেই হয়ে যাবে। যদিও টাকা দেয় নি।
আমি আমার বাবার ক্রয়কৃত জমির খসজনা পরিশোধ করে অনলাইন করতে গেলে ১৫০০০ টাকা গুস লাগবে বলে,,,৫০০০ টাকা পরিশোধ করে তার পরে আমি সেবাটি নি,,, সুবর্নচর চরক্লার্ক ভুমি অফিস, নোয়াখালী।
চাকরি এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল, বাসায় এসে বলে শহর থেকে আসতে তাদের অনেক খরচ হয়েছে, এটা তারা তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করেছে, এখন যদি তাদের দাবীকৃত অর্থ না দেওয়া হয় তাহলে রিপোর্ট পাঠাবে না।
আমাদের ছেলের পাসপোর্ট করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তার জন্ম নিবন্ধন করার প্রয়োজন হয়েছিল। এ সময় আমরা জানতে পারি যে, আমাদের অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের নাম ভুলভাবে দেওয়া হয়েছে। তাই ছেলের জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আগে আমাদের নিজেদের জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়ে। আমরা সাধারণ প্রক্রিয়ায় জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্য চেষ্টা করি। কিন্তু বারবার বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। একাধিকবার চেষ্টা করেও আমরা কোনো সমাধান পাইনি। এতে আমাদের প্রচণ্ড হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে একজনের মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা চুক্তিতে আমাদের জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করানোর ব্যবস্থা করি। আমাদের মনে হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি ও ভোগান্তি
পাসপোর্ট করতে গিয়েছি যাওয়ার পরে আমার নামে কোন ভুল না থাকার পরও বলতেছে সে নামে ভুল আছে। বলতেছে সব ঠিক করে দেবো ৮হাজার টাকা লাগবে
যে কোনো প্রয়োজনে থানায় গিয়েছি প্রতারণার বিষয়ক একটি সেবা নেওয়ার জন্য। ওরা তো আমাকে সাত-পাঁচ বুঝালো। যাক, অবশেষে আমার একটা জিডি নেওয়ার জন্য সম্মত হলো। জিডি লিখাও হলো। এখন জিডি লিখে ১,০০০ টাকা দাবি করে বসলো, যা আসলে বিনা পয়সায় করা উচিৎ ছিল। লজ্জায়ও পড়ে গেলাম, আবার একটু আশ্চর্যও হলাম। এখনো কি এইসব চলে থানায়? আমার কাছে ১,০০০ টাকা না থাকার কারণে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম। এখন এই ৫০০ টাকা কম দেওয়ার কারণে হয়ত আমার জিডি নিয়ে এরা আর মাথা ঘামাচ্ছে না। আল্লাহ এদের বিচার করুন।
আমার বাবার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য অনেক দপ্তরে দপ্তরে যেতে হয়েছে টাকাও দিতে হয়েছে, আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করতো এই টাকার জন্য বন বিভাগের অফিসে বন বিভাগে এজি অফিসে সব জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে, নগদ এক লক্ষ টাকার উপরে দেওয়া হয়েছে,
আমার দোকানের অবস্থান সরকার মেট্রোরেলের ডিসিশন করার জন্য নিয়ে নেয় আমাকে কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়, সেই টাকা উত্তোলন করার জন্য আমরা ঢাকায় পুরান ঢাকার ডিসি অফিসে যাই, উনারা সকল কাগজপত্র যাচাই করে আমাদেরকে সরকারি চেক দেয়, কিন্তু তাদেরকে মিনিমাম তিন হাজার বা ৫ হাজার টাকার কম দিলে চেক দিতে চায় না।
প্রতিমাসে ভ্যাট প্রদান করার পর এগুলো অনলাইনে সাবমিট করা লাগে। আমরা নিজেরা সাবমিট করতে গেলে ওনারা দেখি আমাদের আইডি থেকে ব্লক করে রাখছে। সাবমিট করার জন্য ১০ হাজার টাকা লেগেছে।
জমি নামজারি কারতে গেলে তারা বলে দলিলে হাল দাগ উল্লেখ নাই তাই নাম জারি হবে না। কিন্তু ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে ১ দিনের ভিতর করে দিবে।
আমার চার বছরের সরকারি বেতনের বকেয়া টাকার বিলকরে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে তুলতে গেলে তারা নানা তালবাহানা শুরুকরে।পরে সরাসরি বলে যে ঘুষ না দিলে টাকা তুলা যাবেনা এবং ৪০০০০দাবি করে।পরে বাধ্য হয়ে ২৭৫০০ টাকা দিয়ে বকেয়া বেতন উত্তোলন করি।