বাসার অনুমোদন
ময়মনসিংহ পৌর সিটিতে ৯ শতাংশ জায়গায় ১৩ তলা অনুমোদনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ময়মনসিংহ পৌর সিটিতে ৯ শতাংশ জায়গায় ১৩ তলা অনুমোদনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে।
দালালের মাধ্যমে জমির সীমানা সঠিক নাই বলে অবৈধ অর্থ দাবি করে
বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোড এ ট্রেড বৃদ্ধিকরার জন্য ২ বার অবেদন করে পাইনি।প্রথম ২বার পরিদর্শন টিম এসে ভিজিট করে তারা সন্তষজনক রিপোর্ট দেয়। কিন্তু টাকা না দেয়ায় তা বাতিল করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ লক্ষ টাকা দারি করলে ২ লক্ষটাকায় রফাদফা হয়।
আমার নিজের বসত বাড়ী আমার ঘর ভেঙে গাছ কেটে জোরপূর্ব ঘর নির্মাণ করে আমি এসিলেন্ট এর কাছে অভিযোগ করলে তিনে দুই পক্ষকে ডাকেন যখন আমাদের মিটিং চলে তখন স্থানীয় বিএনপি এর নেতারাও উপস্থিত থাকেন এসিল্যান্ড সাহেব আমাদেরকে কোন সমাধান না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন ওরা আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিছে তোমরা যদি আমাকে এক লক্ষ টাকা দাও আমি বিষয়টা সমাধান করে দিব না হইলে তোমরা এই এলাকাতে আমার অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে পারবো না। আমি থানায় অভিযোগ করতে গেলে থানার কর্মকর্তা অভিযোগ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় এবং বলে বিএনপি'র কোন বড় এক নেতার এ ব্যাপারে অভিযোগ করা আছে তাই তারা অভিযোগ নিতে পারবে না
আমার পার্শ্ববর্তী ওয়াল ঘেঁষে ভবন নির্মাণ নকশা অনুমোদন বিহীন করলে আমি পৌরসভার প্রশাসক কে বারংবার অভিযোগ করি। আমাকে কতৃপক্ষ বলেছেন অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে আমি অর্থ না দেওয়ায় আমার বাবার সময়ের ভবন অবৈধ,। সেই ভবন নকশা বিহীন । অভিযোগের দেড় বছর পর জানলাম
আমি মেডিকেল দিয়েছিলাম সকাল ৯টায়,, রিপোর্ট বলে দুই দিন পরে দিবে, আমার দরকার আর্জেন্ট, বলে ৫০০ দেন আজকের মধ্যে দিব,
আমাকে একটি মিথ্যা মামলায় আসামিপক্ষ রাজনৈতিক ক্ষোভে মামলার প্রথম আসামি আমার নাম লিস্টে দিয়েছে। মামলার তদন্ত অফিসার যানে যে, আমি নির্দোষ এবং এই মামলার সাথে আমি সংযুক্ত নই, তারপরও বিভিন্ন ভাবে আমাকে ভয় ভীতি দেখাতে থাকে, এমনকি আমার বাসায় রাত ২:০০ টার দিকে এসেও আমার পরিবার এর লোকের সাথে সাক্ষাৎ করে বাবাকে থানায় যোগাযোগ করতে বলে। এভাবে একদিন, দুইদিন, তিনদিন যোগাযোগ করতেই থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ৫০০০ টাকা তাকে দিয়ে খুশি করে। আসল মজার ব্যাপার হলো এই টাকায় সে খুশি হয়নি, তাই চার্টশিটে আমার নাম দিবে বলে বাবাকে জানিয়ে দেয়। তার হয়তো আরো টাকা দরকার কিন্তু আমিতো নির্দোষ তাহলে কেন আমি তাকে টাকা দিব?
আমার ওয়ারেশ সুত্রে পাওয়া জমি নাম খারিজ করতে যাই কিন্তু কেউ ৫ হাজার টাকার কমে করে দেয়নি। সবাই বলেছে আপনি একা একাই করেন পারলে। আমি করতে গেলে তহসশিল অফিসের সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে ৫০০০ টাকা একজনকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছি।
সরাসরি 1200 টাকার নামজারি ভোগান্তি ছাড়া 5000 টাকায় করে দেবে বলে 5000 নিয়েছে
নামজারি আবেদন। আমি শুনানি তারিখে সকল কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত থাকার পরও আবেদনটি না মঞ্জুর করা হল। কারণ হিসেবে দেখালো আমি শুনানিতে উপস্থিত হয়নি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ হওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল বি আর টি এর কর্মকর্তাদের ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও লাইসেন্স করার জন্য দিতে হয়েছিল সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পোস্টটি দেওয়া লাগছে
আমার যায়গা দখল করেছে বা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়েছিলাম, মামলা নেয়নি, অভিযোগ সত্য মিথ্যা যাচাই করতে এসে অন্যায়কারীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে ওটাকে আর আমলে নেয়নি বা মামলা নেয়নি, বা জিডিও নেয়নি, তার পরে বিভিন্ন সময়ে থানায় যাওয়ার পরে বা 2/1 বার 2 জন পুলিশ সিভিলে আসছে শুধু টাকা আমাদের কাছ থেকেও খেয়েছে আবার অন্যায়কারীর কাছ থেকেও খেয়েছে। তার পরে আর সামনের দিকে আগাইনি।
My father went to pay water bill, but the government officer took the bill and did not sibmit it to the bank, he stole the money. But my father had the bill paid receipt, so he later took it to the government office and they said they will look into it
সরকারি রেট ৫৮০০টাকার মত কম বশি হতে পারে কিনতু পাসপোর্ট অফিসে আসে পাশে ে কম্পিউটার দোকান গুলো আছে তারা সব কিছু ঐ দোকান থেকে ম্যানেজকরে । ৯০০০হাজার বা ব্যেক্তি বেশি নেয়। ওরে দোকানগুলোর সাথে কর্মচারী কর্মকর্তাদের জোকস সাজেশন এইগুলা হয়। দোকান থেকে সবকিছু কমপ্লিট করার পরে ফিঙ্গার দিলে আজকে জেগে হলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে আর নরমাল ভাবে করতে গেলে অনেক কিছু দয়া করে আইল ফের অধ্যায় এটা নাই ওটা নাই
আমাদের পরিবারের জমি রেললাইন এর জন্য সরকার অধিগ্রহণ করেছে। তো সেটার টাকা তুলতে গিয়ে সকল কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৪ পার্সেন্ট টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে। এটা নিয়ে অনেক ঘোরার পর বুঝে যাই যে এটা থেকে বাচার তেমন কোন উপায় নাই। এক দালাল এর মাধ্যমে তাদেরকে ৩ পার্সেন্ট (২,৭০,০০০) এ কাজ সম্পন্ন করি
লাইসেন্স পরীক্ষা, ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়া পরে পাশ করেছি তারপরও অফিসিয়াল কাজ বাবদ টাকা দাবি করেন। ২০১৮ সালের ঘটনা।
জমির নামজারি করার জন্য সরকারি ফি ১১০০ টাকা, কাগজপত্র ঠিক থাকলে ও বলে না দিলে সময় লাগবে ভুল হবে, অফিসে আউটসোর্সিংয়ে রাখা লোক দিয়েই টাকা নেওয়া হয় তাদের খরচ বাবদ।
নিজের নামে দলীল কৃত, দলীলের মুল কপি সংগ্রহ করতে গেলে ২০০০/ দাবি করে।
Jome namjhari korar jonno office theke 20000 tk chaice
নতুন চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরও নেগেটিভ রিপোর্টের ভয় দেখিয়ে ৩০০০ টাকা দাবি করে। চাকরি হারানোর ভয়ে ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই