মোবাইল ফোন উদ্ধারের পর পুলিশ টাকা নিয়েছে।
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার ফোন হারিয়ে যাওয়ায় আমি একটি জিডি করি। তারপর ফোন পাওয়া গেলে, একটা নাম্বার থেকে কল দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। থানায় ফোন আনতে গিয়ে দেখি, ফোন করা ব্যক্তি টি একজন পুলিশ ওই থানার। টাকা নেয়,তারপর ফোন হস্তান্তর করে।
আমার জন্ম নিবন্ধন ভুল লিপিবদ্ধ হয়েছিল সেটি কারেকশন করার জন্য চেয়ারম্যান অফিসে যাই কিন্তু অফিসের সচিব মহোদয় বলেন এটা কারেকশন হবে না ১৫ হাজার টাকা দিলে কারেকশন হবে এটা অনলাইন খরচ আমি তা প্রত্যাখ্যান করি এভাবে প্রতিদিন হাজারো মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সচিব এর সাথে চেয়ারম্যান ও তথ্য সেবা কেন্দ্র জড়িত এবং এলাকার যারা রাজনীতিবিদ তারাও জড়িত তাদেরকে এর থেকে ভাগ দেওয়া হয়।
বিষয়: নান্দাইল নির্বাচন অফিসে NID সেবা নিয়ে অভিযোগ স্যার, নান্দাইল উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন NID করার ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি এবং দালালের মাধ্যমে দ্রুত সেবা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণভাবে ফাইল জমা দিতে গেলে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফাইল ফেরত দেওয়া হয়। আবার ফাইল জমা নেওয়ার পরও অনেককে প্রায় ১–দেড় মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে ছবি ও ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য। অথচ অভিযোগ রয়েছে, দালালের মাধ্যমে অফিসের স্টাফদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে ছবি/ফিঙ্গার এবং ২–৩ দিনের মধ্যে NID পাওয়ার সুযোগ মিলছে। বিষয়টি সত্য কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
দূর্ঘটনার পর হাসপাতালে গিয়েছিলাম কোন ঔষধ তাঁরা দেননি বরং সেলাই করার পর ১০০০ টাকা দাবি করেন। সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়
এন আইডি ভুল সংশোধন করতে ৫০.০০০পঞাশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি ।
শেরে বাংলা নগর গণপর্ত বিভাগ-২, ঢাকা। পেনশন ভোগীর ফাইলে এই কাগজ, ঐ কাগজ নাই অর্থাৎ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে এমনভাবে বিষয়টা উপস্থাপন করে যাতে পেনশন সহ আনুষাঙ্গিক টাকা পাওয়া যেন সম্ভবই না। তারপর, বিভাগীয় অফিস, সার্কেল অফিস, এজি অফিস এসবের খরচা হবে বলে পেনশনের সকল দায়িত্ব পেনশন ভোগী বা তার সদস্যদেরকে দিয়ে দেয়। মানে কৌশলে টাকা দাবির বিষয়টা সামনে আনে। হ্যা সরাসরি না বলে অবস্থাটা সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে। এমনটা যেন রীতি হয়ে গেছে। অফিসের এমন আচরন সবাই যেন মেনে নিয়ের চাকুরি জীবনের শেষে ঘুষ দিয়ে পেমশন নিতে হবে,,, এটাই নিয়ম।
আমার সব কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও নয় ছয় বুঝিয়ে ঘুষ নিছে, তা মহিলা মানুষ,ঘুষ খোর দের চাকরি চ্যুত করা হোক
আমি পাসপোর্ট করেছি আমার লেপটপ দিয়ে, টাকা দিসি বিকাশের মাদ্দমে, তারপরও আরো বেস্তি টাকা দিতে হয়েছে নয়তো আমার পাসপোর্ট করতে দিবে না বল্লেন
ভূমি অফিসে অফিসার থেকে শুরু করে সবাই ঘোষ খায় সমান্য কাজের জন্য ৫৫০০ টাকা দিসি আজকে বলে আসো ২০০ দিতে খাতায় এনট্রি করবে বলে
পাসপোর্ট তৈরি করতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট এর কাগজপতির দ্রুত সাবমিট করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করেন তারা বলেন এই টাকা পরিশোধ করলে আপনার দ্রুত কাগজ পাতি কমপ্লিট করা হবে। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ মোটা অংকের কিছু টাকা দান করেন সেটা আমরা দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করি তারপরও বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিতে হয়। এরপরে সেখান থেকে পরবর্তী সব কিছু কমপ্লিট হওয়ার পরে রাজশাহী ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে সেখানে ৫০০ টাকা দাবি করেন তাছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট করা সম্ভব নয় সেখানে সেই টাকা পরিশোধ করার পরে সবকিছু ওকে হলো
কানুনগো প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাকা চাইছে।
সে নম্বর পএ উঠিয়ে দিবে বিনিময়ে ১০০০ টাকা দেয়া লাগবে কলেজের দপ্তরি আগে নাম ছিল সরকারি পল্লবী কলেজ পূবে না Gov Bangabandhu vollege
আমার থেকে ১০০০০ টাকা নিছে একটা প্রিপেইড মিটার নামানোর জন্য একটা মিটার নামাযে কি ১০ হাজার টাকা লাগে
কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ভুল ধরে রিজেক্ট করছিলো, পরে বলছে ১৫০০০ টাকা দিলে আবেদন ফর্ম জমা নিবে।
ফিংগার নেবার সময় পার্টির কাছ থেকে ৫০০০/- দাবী করে নইলে নাকি রেজিষ্ট্রেশন ক্যান্সেল হবে। অনেক মূলামুলি করে ৩,৫০০/- দফারফা হলো, টাকা কি জন্য নিল জানা নেই
আমি আমার মারে হাসপাতালে গিয়েছিলাম একটা জিতের জন্য ৫০০ টাকা দিয়েছি
শরীরের রক্ত চোষা আরেক নাম আউটসোর্সিং চাকরি! এটি সাধারণত ১/২ বছরের হয়।চাকরি তে যোগ দেওয়ার সময় ২ লাখ টা দিতে হয়।আমাদের বেতন থাকে প্রতি মাসে ১৭,০০০ টাকা।আমাদের চাকরির বেতন প্রতি মাসে হয় না,৬/৮ মাসে একবারে হয়।যখন বেতন হয় তখন এর থেকে ৩ হাজার করে দিতে হয়।আবার এর মাঝে চাকরির সময় শেষ হয়ে যায়।তখন আবার ২ লাখ! বিষয় টা এমন হয়, ১ বছরে ৪ লাখ টাকা দিতে হয়,২ লাখ টাকার জন্য! সরকার অনেক কথাই বলে আমাদের নিয়ে, কিন্তু বাস্তবতা টা ভিন্ন। (এর সাথে প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী, সিভিল সার্জন সবাই এর সাথে জড়িত।) আমার মনে হয় আমাদের যারা আউটসোর্সিং চাকরি করে এদের শরীর রক্ত মনে হয় অনেক মিষ্টি হয়,তাই সবাই পান করে।
Ami SAIC Professional Training Center (SPTC), Mirpur-13,Dhaka te Gov er Project a Driving Sekhar jonno Apply kori... Amk select korar por amk call er maddhome pothome 2500tk cay , than boli amr kace ato tk nai er por 1500 last 1000tk manage kore ese join korte bole.. ami Direct na kore dei... Amr kace Call Record o ace...
এই টাকা না দিলে আমার সংশোধিত এস্টিমিটি ঢাকা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর হেড অফিসের সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক চেক করার ভয় দেখানো হয়। আমি বাধ্য হয়ে এই টাকা পরিশোধ করি। আমার খুবই কষ্ট লাগলো। মানুষ গড়ার কারিগর বিদ্যালয় তৈরি করতে আমারা ঠিকাদারগণ ক্লান্ত পরিশ্রম করে কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদের পিসি না পেলে আমাদের এস্টিমেট কর্তন করে কর্তন করে। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
এটা প্রায় ২ বছর আগের ঘটনা। আমি পাসপোর্ট করতে যাই, আমার সকল প্রয়োজনীয় কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত দেয়া হয়। বলা হয় স্মার্ট এনআইডি কার্ড এর ভেরিফাই কাগজ উপজেলা থেকে নিয়ে আসতে হবে, কিন্তু পাসপোর্ট বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমা দেওয়া কাগজের তালিকার ভেতর এটার কোন নাম উল্লেখ নেই। যার ফলে কাগজ জমা না দিয়ে আমি চলে আসতে লাগি। তখন গেটে ডিউটিতে থাকা আনসার আমাকে ডাক দিয়ে বলে জমা নিয়েছে কি, আমি বল্লাম না, এই সমস্যা। তখন সে বলে এটা এনেও লাভ নেই আবার অন্য কিছুর জন্য ফেরত দিবে, তার থেকে ১৫০০ টাকা দিন, আর কিছু লাগবে না। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিলে সেই আনসার কাগজের উপরে একটা দাগ দিয়ে আমাকে ডিরেক্ট ফিংগার দিতে পাঠিয়ে দিলো। কাগজ আর কোন প্রকার যাচাই করার প্রয়োজন পরলো না।