দলিল রেজিস্ট্রি
দলিল লেখকের মাধ্যমে সরকারি খরচের সহিত ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দলিল লেখকের মাধ্যমে সরকারি খরচের সহিত ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করার জন্য লার্নার আবেদন করার পর পরীক্ষার ডেট পড়েছিল প্রায় 4 মাস পরে। আমি সশরীরে গিয়ে ডেট এগিয়ে নিতে গেলে ব্যর্থ হই। গেট থেকে বের হলে দালালের দেখা মিললে বলে নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত 5000 টাকা দিলে ডেট ও লাইসেন্স কনফার্ম। আমি শুধু ডেট চাইলে হবে না। অতীব জরুরি হওয়ায় এবং সময় অপচয় ঠেকাতে রাজি হলে 3 দিন পরে ডেট দেয় এবং প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় #ইচ্ছাকৃত ফেল করলেও পাস দেখিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইছি।
আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি বাস কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে আছি ঢাকায় মিরপুরের রাতের বেলা আমাদের গাড়ি একটা ইউ টার্ন এ ঘুরালে ট্রাফিক পুলিশ এসে বলে এখানে গাড়ি ঘুরানো যাবে না তো গাড়ির দরজা খুলতে বলে আমি দরজা খুলে দিলে আমার কাছে কাগজপত্র চাই আমি কাগজপত্র দিলে বলে যে টাকা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে যেতে পরে আমি সাথে সাথে 500 টাকা দিয়ে বলে যাতে হবে না এর পরে এক হাজার টাকা দিয়ে তাও বলে না পরে দুই হাজার টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে।
সরকারি চাকরি হলে, বেতন চালু করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি কিন্তু তবুও সেই কাজটি সঠিকভাবে সমাধান করে দেয়নি
একই সেপ্টেম্বর জমির দলি মিউটেশন করার জন্য ২০২৫হলে সালে একবার বাতিল করে দেয় পরে আবার আবেদন করি তারপর কোনটাকে কাজ করে দেয় ৭০০০ টাকা দেওয়ার পর একদিনে করে দেয়
দলিল ভেরিফাই করতে গিয়েছিলাম!!সময় দিল বিকেল ৪টায়,,সব লিখে দিলাম যেমন দলিল নম্বর,সাল,বিক্রেতা,ক্রেতা সব কিছু সব সকাল ১১টায়!বিকেলে গেলে বলল তা নাকি উনি হারিয়ে ফেলেছেন!যা হোক ৫.৫০ টায় ভেরিফাই করতে পারলাম!!!ঘুষ দিতে হল ১০০০টাকা!!
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে
বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল স্টেশনে ১১০০ টাকা হতে শুরু করে ৩০০০০ টাকা পর্যন্ত,, কেরোসিন তেলের ভাউচার দিয়ে টাকা নেয় অথচ কেরোসিন তেল বাবদ কোন খরচ নাই,, রেলের লস হয় এসব কারনে। দেখার কেউ নেই,, কেন একজন স্টেশন মাস্টার ২০ বা ৩০ হাজার টাকা প্রতি মাসে নিজের পকেটে নিবে।??
টাকা দেইনি বলে তারা উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়েছে
আমি ট্যাক্স দিতে গেলে তারা টেক্স অতিরিক্ত পরিমাণে বলে এবং আমি তাদেরকে সরকারি রেড বললেও তারা আমার কথা শুনে নেই এবং আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে বলেছে যার ফলে আমি আর কোন উপায় না পেয়ে আমাকে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
গেলাম ভুমি অফিসে দাগ নাম্বার বের করতে তখন টাকা চাইলো ৩০০৳ লাগবে - দেখি অনেক লোখ এইভাবে প্রতিদিন পিওন যারা তাদের দৈনিক ইনকাম ১০০০০৳ উপরে।
রাজশাহী জেলার একজন কোন নির্দিষ্ট একটি থানার শিক্ষা অফিসার দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার এমপিও এবং উচ্চতর স্কেলের (আপার স্কেল) ফাইল অধিদপ্তরে পাঠানোর নাম করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ আদায় করে আসছেন। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজের অনুগত কিংবা জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষক বা কর্মচারীকে তিনি ব্যবহার করেন এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক তার কথামতো চলতে চান না, সেখানকার কাউকে কাউকে বিভিন্নভাবে ( কাউন্ড অফ ব্ল্যাকমেইল) করে ঘুষের টাকা তাদের মাধ্যমে অফিসে নিয়ে আসতে বাধ্য করেন। আমার সাথেও অনেকটাই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অধিদপ্তরে এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য আমাকেও প্রায় ৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে (আমার
আগস্ট মাসের ৬ তারিখে আমি একটি নাম জারি আবেদন করেছি সেটা এখনো এক ধাপ ও আগায়নি ।তারা রিসিভ করেছে ওই পর্যন্তই আছে। পরে অনেকের কাছে জানতে পারলাম ঘুষের টাকা ছাড়া তারা কোন নামজারির ফাইল ছাড়ে না। মিনিমাম ২ হাজার টাকা দিলে এসিল্যান্ড অফিসে তারা ফাইল পাঠায় অন্যথায় ওই অফিসেই ফায়ার জমা থাকে। শরীয়তপুর উত্তরমাথা ভূমি অফিস।
ঢাকা ওয়াসার পানির মিটার ডিসপ্লে ঘোলাটে হয়ে যাওয়ায় মিটারের ডিসপ্লে পরিষ্কার করে রিডিং না নিয়ে ওয়াসার মিটার রিডার মিটার প্রতিস্থাপন করতে বলে এবং ১৫০০০.০০ টাকা দাবী করে যার মধ্যে ৯০০০ টাকা নতুন মিটারের দাম বাকি ৬০০০.০০ ঘুষ হিসাবে নেয়।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছি। সেখানে যাওয়ার পরে আমার ১৩০০০ সামথিং টাকা সরকারি ফি ছিলো। আমার কাছে চাওয়া হয়েছে ৩০০০০ টাকা অন্যথায় তারা করে দিতে পারবে না।
জেমন আমার আগের পাসপোটে নাম চিলো mohammod এই নামটা সংখেপে দিতে হবে md আগের পাসপোট টা তারাই করচে আমার আইড়ি কার্ড় দেখে কিন্তু এখন আবার তারাই টাকা চাইতেচে
জমির নাম জারি হয়েছে এখন খাজনা দেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করা হলে ওনারা জানালো খাজনা আড়াই লাখ টাকার মত আসবে তবে এসিল্যান্ড অনলাইনে এপ্রুভ করার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে। হায়রে বাংলাদেশ মশা মারতে কামান লাগানোর অবস্থা।
বনানী ডেসকো অফিস এ নেট মিটারিং এর আবেদন এর জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল ২০২৫ সালে। সেখানকার সুপারডেইন্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এই পরিমান অর্থ দাবি করে সরাসরি
আমি পরে হাত ভেংগে ফেলি পরে পংগু হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখানর পর যখন হাত প্লাস্টার করতে যাই তখন আমাকে বলে ১০০০ টাকা দিতে হবে প্লাস্টার করার জন্য টাকা না দিলে নাকি করবে না তখন আমি কোন উপাই না দেখে টাকা দেই