ডেলিভারি পেশেন্ট
ঘটনাটি অনেকদিন আগের,, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আমার বোনের একটি কন্যা সন্তান হয়,, সন্তান জন্মদানের পরে নার্স রা ঘুষ দাবি করে,, দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরে দিতে বাধ্য হই।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঘটনাটি অনেকদিন আগের,, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আমার বোনের একটি কন্যা সন্তান হয়,, সন্তান জন্মদানের পরে নার্স রা ঘুষ দাবি করে,, দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরে দিতে বাধ্য হই।
একটা ইমপোর্ট ডকুমেন্ট, যেখানে একটা আইটেম উল্লেখ করা হয়েছে। কাস্টম অফিসার এটার ক্যাটালগ দাবি করেছিল। কিন্তু মূলত এই ক্যাটালগটা সহজে হয় না, কারণ এটা এমন কিছু কিছু অংশ বাইরে থেকে কিনে তারপর একসাথে করা হয়। অফিসার দাবি করছে এটা ডিউটি দিতে হবে যার মূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মত। আবার ইমপোর্টার এই পণ্যটি শুল্কমুক্ত হিসেবে পায়। কোনভাবে কাস্টমার অফিসার কে বোঝানো যাচ্ছে না যে, যেভাবে ক্যাটালগ চাচ্ছে সেভাবে হয় না। তবে উনাকে একটা ক্যাটালগ বানিয়ে দিয়েছিল কিন্তু সেটাও মেনে নিচ্ছে না। যার কারণে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল।
২০২৫ সালের জুন মাসে পাসপোর্ট তৈরির জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা কাগজপত্র আনতে বলে। আর যদি বাইরে তাদের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি তাহলে শুধু নিজের এল আইডি কার্ড দিয়ে আবেদন করলেই হয়ে যাবে এইদিকে বাইরের কম্পিউটারের দোকানে সরকারি ফি থেকে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করা হচ্ছিল অন্যথায় তা যদি না করি আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক লেট হতে পারে এইগুলা বলে।পরে কাজটি দ্রুত করার জন্য কম্পিউটারের দোকান থেকেই করি
বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঠিকানা: গ্রাম/রাস্তা: বোগদইড়, বোগদইড়, ডাকঘর: বোগদইড় হাট–৫২২৬, কাহারোল, দিনাজপুর। বিষয়: SSC পরীক্ষার টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করা, অর্থ দাবি এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে গোপনীয় অভিযোগ। জনাব/জনাবা, আমি বগদইড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার সঙ্গে বিদ্যালয়ে গুরুতর অনিয়ম করা হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার অভিযোগ অনুযায়ী, SSC-এর টেস্ট পরীক্ষায় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে। পরবর্তীতে আমাকে বলা হয় যে, টেস্ট পরীক্ষায় পাস না করলে SSC পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে টেস্ট পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দাবি করা হয়েছে বলে
গত কয়েক মাস আগে ফুটবল খেলে আমার পায়ে সমস্যা হয়েছিল, তারপর সন্দেহজনক আমি সরকারি হসপিটালে যায় x-ray করার জন্য, সরকারি ফি হচ্ছে ২০০ টাকা, আরো ৪০ জনের মতন আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম তাদের লিমিট বলে শেষ বলতেছে,পরে সবাই চলে যাওয়ার পর আমি তাকে ১০০ টাকা দেই পরে ওই লোক আমাকে সিরিয়াল দিয়ে দেয়,আমার কথা হচ্ছে লিমিট শেষ হলে আমার সিরিয়ালটা আসলো কোথায় থেকে 😅 সরকারি হসপিটালের প্রত্যেকটা জায়গা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।
মা বাবার নাম আমার আইডি কার্ডের সাথে একটু বানান ভুল ছিল তাই তাদেরকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
গাড়ির নাম্বার প্লেট এর জন্য, সরকারি অফিসে দালাল বসে কাজ করে এটা আমার ভিষণ খারাপ লেগেছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৳12000 পেয়েছে
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং চাকরি নবায়নের জন্য আমি সহ আমার সহকর্মীদের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ঘুষ চাই না দিলে চাকরি থেকে বের করে দিবে এমন কথা আমাদেরকে বলেছে তাই আমরা বাধ্য হয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে দিছি।
If you want birth certificate then you have to pay extra money.For making them happy.
মুক্তিযোদ্ধা লোন নিতে গিয়েছিলাম বাবাকে সাথে নিয়ে সোনালী ব্যাংকে,সেখানে ম্যানেজার ১২০০০/- না দিলে লোন পাবেন না,এই টাকাটা লাগবেই,জিজ্ঞাসা করলাম কেন লাগবে? উনার উত্তর হলো মিস্টি খাবে।
প্রথমে জমি খারিজ করতে ৪০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল পরবর্তীতে খারিজ করে খারিজ বলা হয় জমির মৌজার মাঠ পর্চা ভুল হয়েছে এখন 3500 টাকা দিলে সংশোধন করা সম্ভব
বছরের শুরুতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বই বিতরণের সময় প্রত্যেক স্কুল থেকে ৪০০ টাকা কৌশলে টিও নিয়েছেন।
ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা ভুল আছে । সেটা সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়েও কোন ফায়সালা আসেনি তখন অফিসের একজনের সঙ্গে পার্সোনাল ভাবে কথা বললে সে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে
২০১৯ সালে কলেজের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি, কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে , টাকা না দিলে বেতনের আবেদনের ফাইল রিজেক্ট করার হুমকি দেয় ,আমাকে চাপে ফেলে টাকা আদায় করে।
জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। অনেক ঘুরাঘুরি করেও তারা আমার কাজ করে দেয় না। পরে তারা আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে। বলে যে এই টাকা দিলে খজনা হবে না দিলে হবে না। অনেক কথা বলার পর 50000 টাকায় রাজি হয়েছে। এবং শেষে 50000 টাকা নেওয়ার পর আমাকে মাত্র 500 টাকার রশিদ প্রদান করে। অফিসের কাছে একটি কম্পিউটারের দোকান আছে ওনাকে 100000 টাকার কথা যখন জানালাম তিনি আমাকে আস্বাস প্রদান করে। এবং হেল্প করার কথা বলে। পরে তিনি আমাকে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং আমার হয়ে অফিসে অনেক কথা বলে ঘুষের পরিমান 50000 টাকা করলো। এবং এই কাজের জন্য তিনি আমার কছে 10000 টাকা চাইলেন। কোভাবেই মানতেছিলনা পরে তাকে 9000 টাকা দেই। পরে জানতে পারলাম দোকানদার ওদের সাথে শেয়ার আছে। আমার সামনে সুধু অভিনয় করলো।
নামজারি করতে ৩০হাজার টাকা ছেয়েছিলো।পরে তা ৬০০০ + ২ বছর অফিডে আসা যাওয়া করে কোনমতে পার হয়েছি। কিন্তু আমি তাদের মতো করে তেমন কোন ঘুষ না দেয়ায় আমাকে প্রায় ১০০০০ +হাজার টাকা + জরিমানা প্রায় ৯ হাজার টাকা সহ মোট ১৯০০০ হাজার টাকার বকেয়া দেখানো হয়েছে। যতো রশিদই দেখিয়েছি একবার এক চুতা দেখায়। ইবেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ইউনোর কাছে পর্যন্ত ভূমি কর মওকুপের আবেদন করেছি। আমলাদের কাছে গেলেই তারা বাকপটুগীরি দেখায়। রিতিমতো তেক্ত বিরক্ত হয়ে গেছি।আর ভসলো লাগেনা। মনে চায় ইচ্ছে মতো শায়েস্তা করি।পিয়ন থেকে ইউনো।কেওই গুষ থেকে বিরতনা।এটার জন্য শক্তিশালি এবং সৎ ও ন্যয়বান ব্যক্তি প্রয়োজন।
আমি যখন মালয়েশিয়াতে পড়তে যাই, তখন কর্তব্যরত ইমিগ্রেশন অফিসার কোনো কিছু ছাড়াই আমার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি তাদেরকে দেই, কোনো ঝামেলা হবে এটা আমি চাই না। তাই তাদেরকে দিয়ে আমি মালয়েশিয়া যাই।
বাংলাদেশের ঠিকাদারি ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগগুলোতে (যেমন: গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (RHD), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) প্রভৃতি) দুর্নীতি এবং অনিয়ম একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। ঠিকাদার, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং অসাধু প্রকৌশলীদের ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের কারণে সরকারের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও সময় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং কাজের গুণগত মান নিম্নমুখী হয়। অনেক সময় প্রকল্পের শুরুতেই কাজের আসল পরিমাণের চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রাক্কলন বা এস্টিমেট তৈরি করা হয়, যাতে পছন্দের ঠিকাদারকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া যায়। ঠিকাদারি খাতে বিল পাস, বরাদ্দ বাড়ানো বা নতুন কাজ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে (যেমন ২% থেকে ১০% ) ঘুস দিতে হয়
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সরকারি ভাবে দেয়া হয়। কিছু কাজ জমা দিতে হয় আমি দিয়ে ছি। চেয়ারম্যান বলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি। আমি এবং আমার বউ চাকরি করি Echotex. Echotex থেকে সেই কাজ টা করে দিয়েছে। Echotex কোন রকর টাকা নেয় নি অথচ চেয়ারম্যান ৩০০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু টাকা আর ফেরত দেয় না।