ফায়ার লাইসেন্স করতে চাওয়া
ফায়ার লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা নিয়েছে
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফায়ার লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা নিয়েছে
২০২৪ সালে চাকরি পাওয়ার আড়াই বছর পর জিপিএফ খুলতে গেলে হাটহাজারী হিসাবরক্ষণ অফিস এই টাকা নেয়।
আমি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভাগনা ভর্তি করাতে গেলে আমাকে বেশ কয়েকদিন পোড়ানোর পর বলে সিট পাইতে গেলে ১০০০ টাকা দিতে হবে। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার ভাগনাকে সিট দেওয়া হয় ও ভর্তি করানো হয়।
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ১৫,০০০ টাকা চায়। যার জন্য আমি এখন পর্যন্ত তা নবায়ন করতে পারছি না। আশা করছি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। যাতে কোন প্রকার ঘুষ ছাড়া আমার ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে পারি।
৮ হাজার টাকার নিচে নামজারি হবে না অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নাম জারির জন্যে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে এটা হয়েছে ১৬ হাজার টাকা দিতে যাব
ডি সি আর নিতে গিয়ে ২ বছর আগে আবেদন করেছিলাম এবং বলেছিল সময় লাগবে না টাকা টা ও দিয়ে যান আমি কেটে রেখে দিব। সেই টাকা দিয়ে আসলে পার হয়ে যায় ১.৫ বছর। এর মাঝে প্রায় ২৭-২৮ বার তাদের কাছে গিয়েছি। গেলে বলে কাল আস, আজ সার নেই,আজ কাজের চাপ। এই সেই। পরে সারভেয়ার পরিবর্তন হয়ে নতুন সারভেয়ার আসেন এবং সে নতুন করে আবার খেলা শুরু করে দিয়েছে। বলতেছে সব কিছুর নির্ধারিত ফি বেড়েছে। আপনার যে খরচ আসবে তা কমায় লিখে দেব আপনি আমাকে এই টাকা দিবেন এই সেই সাত সতেরো।
মোক্তারের মাধ্যমে বন্টননামা দলিল করার জন্য উপজেলায় গিয়ে সকলে সাক্ষর দেয়। সাক্ষর দিতে গিয়ে পুরা নাম না লেখে পেচিয়ে সাক্ষর করা হয়। তারপর সময়ক্ষেপণের পর শুনায় অফিসার ডিউটির সময় শেষ ও এই সাক্ষর চলবে না। পরে টাকা দাবী করলে দিতে বাধ্য হয়। সাক্ষরের পাশে সকলে পুরো নাম লেখতে বলে। ঘুষ দেওয়ার পর সব ঠিকঠাক। মাশাল্লাহ
আমি ভূমি অফিসে অনলাইনে খাজনা আদায় করার সময়। আমার খাজনা দেওয়ার সফটওয়্যার লক থাকে। এই লক ছুটানোর জন্য ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার কাছে অনৈতিকভাবে কোন সরকারি ফিস ছাড়া জমিপ্রতি ৩০০+৩০০+২০০ টাকা আদায় করে।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা পাস করার জন্য 12000 টাকা চেয়েছিল রংপুর বিআরটিএ অফিসে
নামজারি করাতে গিয়ে টাকা চেয়েছে৷ আমি বাধ্য হয়েছি
আমার ভাগ্নেকে থানায় ধরে নিয়ে যায় পুলিশের একটি প্রতারক চক্র। যাদের কাজ হলো মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে থানায় ধরে নিয়ে অভিভাবকদের কল করে হয়রানি করা ও মোটা অঙ্কের মুক্তি পন দাবি করা। রাত ১০ টচ সময় রাস্তা থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় থানায়, দেন তার বাবাকে কল করে বলে তাকে মোবাইল ছিনতাই করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে। সকালে চালান করে দেওয়া হবে, এবং পরে ভাগ্নেকে বলে ৫ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বল নয়তো তোকে ডাকাতি মামলায় অভিযুক্ত করে চালান করা হবে। যাই হোক পরে আমাদের বড় ধরনের আইনজীবী ও বড় সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় থাকার কারণে তাদের নিয়ে থানায় উপস্থিত হই এবং ভোর চারটার দিকে থানা থেকে তাদের মুক্তকরি কোন প্রকার মুক্তিপন ছাড়াই। কারণ পরবর্তীতে পুলিশ নিজেই প্রতারণা ফাদ পেতে এসব করছে বলে নিউজ করবে বলাতে ছেড়ে দেয় তা
তারা জরুরীভাবে করে দিবে,বিভিন্ন কাগজ চেয়ে হয়রানি করে লোকটি মধ্য বয়স্ক
ব্যাংক লোনের জন্য জমির সার্চ সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম উক্ত অফিসের নকলনবীশ উক্ত পরিমাণ টাকা দাবি করে
Daring licences er junno
টি সি বি লাইসেন্স ইনকুরিতে আসার জন্য ৩০ হাজার করে খোশ দাবি
Ata lagbe seta lagbe dalal dea korse kiso lage ni
এলজিইডি অফিসের তালিকাভুক্তকরণ এর নবায়ন ফি ভ্যাটসহ ২৩০০/- হলেও ৪০০০/- নিয়েছে। অফিস সহকারি ও অফিস সহায়ক , নাটোর সদর অফিস। গতবছর প্রতিবাদ করছিলাম। অনলাইনে ছিলো আবেদন সেজন্যে অফিসে ফাইল ভুল ধরে হ্যারেজমেন্ট করা হয়েছে। এবছর অনলাইনের আবেদন করার সিস্টেম উঠিয়ে দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য। এবছর বাধ্য হয়ে অফিসে গেলে ওরা আগের বছরের প্রতিশোধ স্বরূপ এবছর সবার কাছে এক্সট্রা ৫০০/- ঘুষ নিলেও আমার কাছে এক্সট্রা ১৭০০/- নেয়া হয়। যা আমাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
আমার নামজারি কেসটি বাতিল করে দেয় টাকা না দেওয়ার কারণে, আবার এমন ভাবে টাকা লেনদেন মনে কেউই বুঝবে না এত সুক্ষ্ণভাবে টাকা লেনদেন করছে, ক্ষেত্রবিশেষে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন।
ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসের লোকজন একবার এটা ভুল ধরে একবার ওটা ভুল ধরে শেষে বাইরে দাঁড়ানো দালাল পুলিশকে টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে গেলো ৫ মিনিটের মধ্যে। 2500 টাকা নেয়।
পৈতৃক সম্পদ নামজারি করার জন্য দুইবার আবেদন করেছি। টাকা না দেওয়ায় বাদ তবে টাকা পরিশোধের পর দিন নামজারি হয়ে গেছে। আপনারা এই দূর্নীতি ও ঘুষ থেকে নবীনগরের সকলকে বাচান