শিক্ষক বকেয়া বিল
কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া বিল করতে উনি ৩.৫% টাকা দাবি করেন এবং কলেজের শিক্ষক গন সকলে মিলে টাকা দিয়েছেন।তাছারা প্রত্যেক বিলের পিছনে টাকা দিতে হয়
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া বিল করতে উনি ৩.৫% টাকা দাবি করেন এবং কলেজের শিক্ষক গন সকলে মিলে টাকা দিয়েছেন।তাছারা প্রত্যেক বিলের পিছনে টাকা দিতে হয়
আমি সরকারি ফি প্রদান করেছি ১৫০০ টাকা।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্ন।কিন্তু আমার সব কিছু ঠিক ছিল।পুলিশ আমাকে কল দিয়ে থানায় ডেকেছে।তারপর ৫০০ টাকা পুন্দে দিয়েছে।কিন্তু বেশি চায়নাই।৫০০ ই চেয়েছিল😂
কলকারখানা অধিদপ্তরের ডিআইজি একজন মহিলা পরিদর্শকে একজন এডিশনাল ডিআইজিসহ কারখানা ভিজিটের নাম করে টাকা তোলার জন্য পাঠায়। কারখানায় একেক বার একেক ইন্সপেক্টর আসে। যেই আসে টাকা চায়। এছাড়াও তারা লাইসেন্স করার নামে আমাদের কাছ থেকে ২০,০০০/- দাবি করে। টাকা না দিলে নোটিশ করে । মামলা দেওয়ার কথা বলে।
সিরিয়াল/হোল্ডিং খোলার জন্য আমি ভুমি অফিসে যাই। অফিসের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৪০০ টাকা চাইলে আমি রশিদ দিতে বলি। তাতেই সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির দাগ নং ভুল হয়েছে। পরবর্তীতে আমি আবাও সে অফিসরে কর্মকর্তার কাছে যাই এবং সে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবী করে। আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিই এবং জমির দাগ নং সঠিক করি। আমার খতিয়ানে জমির দাগ নং সঠিক ছিল।
আমার মামলামামলা নাকি খারিজ করে দিবে বাকি আসামি দের জাবিন দিবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
আমি গাড়ি চালাতে পারি তাও আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়, এরপর ৩০০০ টাকার চুক্তিতে পাস করে দেয় দালাল। তেজগাঁও বি আর টি এ ঘটনা।
নামজারি করার সময় টাকা না দিলে হবে না
আমি যখন সার্টিফিকেট তুলতে চাই। ওই কর্মকর্তা আমাকে জিজ্ঞেস করিলেন আপনি কি টাকা দিয়েছেন আমি বললাম কিসের টাকা উনি বললেন যে সার্টিফিকেট নিতে হলে টাকা দিতে হয় টাকা না দিলে এখানে কোন সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না।
গত এক বছর আগে একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ত্রি অফিসে যাই, সব কিছু ওকে করার পর জমির দলিল উঠানো টিকিট যখন দেয় তখন আমার টাকা দেওয়া লাগে, মুহুরি কে জিজ্ঞেস করলাম বলল এটাই নিয়ম আপনি ও দেন, বাধ্য হয়ে দিত হলো।
মানিকগঞ্জ জেলা ধীন হরিরামপুর উপজেলার, বাল্লা ইউনিয়নের অন্তর্গত ২৫ নং ব্যাসদি মৌজায় অবস্থিত আরএস ৩২ নং খতিয়ান। অত্র খতিয়ানে ৯০৯শতক জমি রয়েছে যা আমরা শাম বন্টন মতে দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখল করে আসছি। এখানে কেউ কেউ যথারীতি খাজনা পরিশোধ করে আসছে আবার কারো কারো বকেয়া রয়েছে। সম্প্রতি আমরা মিলিতভাবে বাড়ির খাজনা পরিশোধ করতে চাইলে নায়েক সাহেব হিসেব কষে বলেন খাজনা এসেছে এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। আমরা নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন লোকের দ্বারস্থ হই এবং টাকা কমানোর জন্য আমাদের পূর্ববর্তি খাজনা পরিশোধে রশিদ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার সাথে দর কষাকষি করি। আমাদের বৈধ ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও তিনি না না অজুহাতে কমাবেন না অতঃপর এক দালালের মাধ্যমে ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা কি ৩০০০০ টাকা উৎকোচ দেই এবং পরবর্তীতে তিনি আম
পুলিশের পুলিশ ক্লিয়ারেনস জন্য ৫০০ টাকা নিছে
আমাকে এবং আমার ভাইকে বাড়িতে উঠতে দিচ্ছে না এলাকার সন্ত্রাসীরা।তাই জিডি করে আমার বোন। কিন্তু এই জিডির দায়িত্ব যে অফিসারের কাছে তিনি টাকার জন্য এবং এলাকার সুবিধা বাদি নেতাদের কারনে সঠিক তদন্ত করতেছে না।
টাকা দিলে হবে না দিলে হবে না
Zomi khariz korar zonno gele 20000 taka chai ami dite osikar zanay tai amar kaz hoy ni
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
amar mpo kagoj submit korar jonn
Ami police constable a tikci than exam o valo dici kicu police sir ar raa amr theke tk dabi kore but ajr samorthocilo na tai r job tao holo na ami j সুন্দর exam dici amr job ta ami. Hoyar kotha
আমি সিঙ্গাপুর প্রবাসী। দাঁতের প্রচণ্ড ব্যথার কারণে বাংলাদেশে এসে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাই। নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পরও আমাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং কয়েকদিন ধরে ঘোরানো হয়। পরে একজন ব্যক্তি আমাকে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে যান এবং সেখানে আমার কাছ থেকে ১,৪০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কেন আমাকে ব্যক্তিগত চেম্বারে পাঠানো হলো এবং সেখানে কেন ১,৪০০ টাকা নেওয়া হলো—বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
পেনশন এর কাজ করে দেওয়ার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করা হয়ে ছিল
আমার বাইকের সকল কাগজ ছিল।কিছু না পেয়ে বলে পিছনের যাত্রীর হেলমেট নাই সেটাও ছিল। এরপর সার্জেন্ট সাহেব আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুষ চাই। আমি বলি আমি দিতে পারবো না উনি রেগে গিয়ে আমার নামে ৩ হাজার টাকার একটা হয়রানি মূলক মামলা ডায়ের করে দেয়। এটাই চুতিয়া বাংলাদেশ।