শিক্ষক নিয়োগ
খুরশিদ মহল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এখানের গভর্নিং কমিটি ফ্যাসিস্ট আমলের দূর্নীতির আখড়া। শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগে মোটা অঙ্কের ঘোষ নিয়ে থাকে। আমি অন্যত্র চাকরি হওয়ায় ১২০০০ পরিশোধ করেছি। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খুরশিদ মহল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এখানের গভর্নিং কমিটি ফ্যাসিস্ট আমলের দূর্নীতির আখড়া। শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগে মোটা অঙ্কের ঘোষ নিয়ে থাকে। আমি অন্যত্র চাকরি হওয়ায় ১২০০০ পরিশোধ করেছি। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি
ভোটার আইডি সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম, সব ডুকুমেন্ট ঠিক ছিল,৫০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল,দিতে রাজি না হওয়ায় ভুল তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়,সেখানে যাওয়ার পর ঘুষের দাবি করে ১০০০০০ টাকা। নিরুপায় হয়ে আল্লাহর দরবারে বিচার দিয়ে মনকে স্বান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু পরিবারে ৩ সন্তানের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের পথে এই ভোটার আইডি সংশোধন করতে না পেরে।
নামজারি করতে পাঁচ হাজার টাকা লাগে আরো অন্য মানুষের কাছতেকে আরো বেসিও নেয়
আমি সবার মত অন লাইনে পারপোর্ট আবেদন করে কাগজপত্র চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে জাম দিতে গিয়ে ওর বললো কাগজ পত্র সমস্যা আবার আসেন তারপর আবার ঠিক করে যাওয়ার পর বললো সমস্যা তারপর পাসপোর্ট অফিস গেটে এক দালাল ডেকে বললো সমস্যা নাই ৩০০০ টাকা দিবেন করে দিবো। তারের কাগজে সাইন দেয়ার পর যখন জাম দিতে গেলাম তখন সমস্যা না বলে আমালে পাসপোর্ট দেয়।
আমি নিজেই আমার নিজের আমার পাসপোর্ট এর জন্য এপ্লাই করতে সব ডকুমেন্ট নিয়ে জেলার নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই ওইখানে যাওয়ার পরে আমি সিরিয়ালে দাঁড়াই আমাকে সিরিয়াল থেকে বের করে দেয় তখন আমি একটু পুলিশ অফিসারের সাথে কথা বলার পর তাকে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে সে বলে তারপর আমি কথা বলে ১০০০ টাকা দিয়ে সিরিয়ালটি আমাকে সে দিয়ে দেয় দেওয়ার পরে আমার কাজ হয়ে যায় আমি যখন নিজে নিজে এপ্লাই করলাম তখন আমাকে তারা লাইন থেকে বের করে দিলে।
ওই পুলিশ এসআই আমাকে ফোন দিয়ে বলে আপনি আজকের মধ্যে কাগজপত্র আমাদের এই অফিসে পাঠায় দেন না হলে আমি ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে চলে যাব আর আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হয়ে যাবে পরে আমি কাগজপত্র পাঠানোর সাই এবং তিনি আমার কাছে খরচ দাবি করে সে দাবি অনুযায়ী আমার এই টাকা প্রেরণ করতে হয় পনেরশো টাকা
নামজারি করার জন্য ৪০০০০ টাকা ঘুঘ চায় না দিলে কাজ হবে না।এরপর কোনোরকমে ২০০০০ টাকা দিলেও আজ ২০ দিন হয়ে গেছে কাগজ হাতে পাইনাই। ৪০০০০ হাজারই দিতে হবে মনে হয়
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম গতমাসের ১০ তারিখ।১০ তারিখ এই আমাকে টানা ১ সপ্তাহ হয়রানি করে।এই সমস্যা ওই সম্যস্যা। ৮০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে।
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
আমার জানামতে সরকারি ফি 600 টাকা কিন্তু, 1800-2500 টাকা লাগে নকল সইমোহর দলিল নিতে।
এম পি ও ভুক্ত হতে প্রয়োজনীয় কাগজ জেলার পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘুস দিতে হয়েছিল।
টিসিবির ডিলারশিপ এর কাগজ ১৫ হাজার টাকা নগদ দেওয়ার পর কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস থেকে ঢাকা টিসিবি ভবনে আসে আমি আমার কাগজের বিস্তারিত জানতে গেলে তারা ৩ লাখ টাকা দাবি করে, বলে তিন লাখ টাকা দিলে ডিলারশিপ ওয়েবসাইটে উঠায় দিবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, করতে গিয়ে পুলিশ আমাকে বলে খুশি হয়ে কিছু দিয়ে যান, পরে আমি বললাম আমার কাছে তেমন টাকা নাই,বলে যা আছে দিয়ে যান 😄 সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে বললাম বিকাশে দেবো কিনা, উনি ভয় পেয়ে রুমে ডেকে বলল পকেটে যা আছে দেন, পরে ২০০ টাকা ছিল দিয়ে আসলাম। 😄😄
আমি নাটোর পাসপোর্ট আফিসে পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে বিয়ের কাবিন নামা লাগবে বলে আমাকে ফেরত দেয়, পরে আমি যে কম্পিউটার এর দোকানে কাগজ রেডি করেছি তাদের জানাই, তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে কিছু লাগবে না, আমাকে পরের দিন আসতে বলে আমি পরের দিন আসলে ১৫০০ টাকা দেই, তখন তারা আমার কাগজ নিয়ে কি যেন করে, তারপর আমি পাসপোর্ট আফিসে কাগজ জমা দিলে কাবিন নামা ছাড়াই জমা নেয় এবং আমার সমস্ত কাজ হয়। এই রকম ভুক্তভোগী সবাই তারা ঘুষ না দিয়ে গেলে কিছু না কিছু ভুল ধরে এবং হয়রানি করে, তারা কম্পিউটার দোকানের সাথে সিস্টেম করে রেখেছে
একজন সহকারী শিক্ষক থেকে আমি সিনিয়র শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছি। সেখানে ফাইল প্রতি বা শিক্ষক প্রতি ৪০০০ টাকা দাবি করে। আমার স্ত্রী ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আমাদের দুই জনের একই সাথে চাকুরির বয়স ১০ বছর পূর্ন হয়। আমার দুই জন একসাথে উচ্চতর স্কেল পাওয়ার জন্য আবেদন করি। মাধ্যমিক শিক্ষক স্যার কে বলি স্যার আমরা দুই জন স্বামী-স্ত্রী আমাদের দুই টা ৪০০০ টাকায় ছেড়ে দেন । কিন্তু আমার টা উচ্চতর স্কেল হয়ে যায় ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর আমার স্রীর টা এখন পর্যন্ত হয় নাই। তার পর থেকে প্রতি mpo তে ফাইল সাবমিট করলে বার বারই ফাইল ব্যাক করে দেয়।
Income tax office doing an investigation on my tax file. they blocked my bank account, to release the back account i need to pay 6000 taka as GUSH
নামজারি করতে সকল খরচ বাবদ ৪০০০ টাকা দাবি করলে,আমি অফারক হয়ে দিতে হয়েছে,আমি অনেক কষ্ট করে টাকা দিয়েছি।
আমার দাদু মারা গেছে ২ বছর হলো,আমার কাকা ভূমি অফিসে গিয়েছে ওয়ারিস সার্টিফিকেট তোলার জন্য,ঐখানে নিয়েছে প্রায় ৬,০০০/- এখন জমি খারিজ করতে গেলে দেখে যে দাগ নাম্বার ভুল আছে কিন্তু পর্চা ঠিক আছে,দাগনাম্বার ভুলের কারনে জমির খাজনা নেয় না,বলে যে দাগ নাম্বার ঠিক করতে হবে,এখন আমার কাকা একজন মোক্তারের সাথে কথা বলসে এবং ঐ মোক্তার ৩০,০০০/- বিনিময়ে ভুল সংশোধন ও খারিজ করিয়ে দিবে বলসে,এখন আমার কাছে ঐ টাকা টা বেশি মনে হচ্ছে!
আমাদের প্রতিবেশি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা চায়, না দেওয়ার ৭০ শতাংশ জমি (বর্তমান বাজার মূল্য ২ কোটি টাকা) বেদখল দেয়। জমিতে কোনো রকম কাজ করতে দেয় না। তা নিয়ে আমরা অভিযোগ করি কিন্তু পুলিশ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চায় না দেওয়ায় কোনো রকম সেবা দেওয়া হয় নাই আমাদের। পরবর্তীতে মামলা টি কোর্ডটে পাঠানো হয় যা এখনও সমাধান হয় নি। মামলার বর্তমান বয়স ২ বছর। (উল্লেখ্য বাদী ব্যক্তি নিরক্ষর এবং অসহায়)
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ বাণিজ্য একটি পুরনো ঘটনা। তার মধ্যে এসেছে ডিজিটাল মিটার। নতুন মিটার, মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ, মিটার লক খুলা সমস্যাগুলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করা একজন সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভবই না। আর এখানেই গড়ে উঠেছে ঘুষ বাণিজ্যের একটি রমরমা ব্যবসা। একটা নতুন মিটার সংযোগের জন্য কিছু ধাপ অতিক্রম করা লাগে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ধাপগুলো এত কঠিন করে রেখেছে যে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘুষ ছাড়া একটি নতুন মিটার পাওয়া সম্ভব নয়।