ভূমির খারিজ
জমির খারিজ করতে সরকারি টাকা লাগে ১১৭০ টাকা। আমার কাছ থেকে ঘুষ নিচে সাত হাজার টাকা।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমির খারিজ করতে সরকারি টাকা লাগে ১১৭০ টাকা। আমার কাছ থেকে ঘুষ নিচে সাত হাজার টাকা।
বাজারে জুয়া খেলা দিয়ে তাকে বাজারে কমিটির আর থানায় দিয়ে তাকে ঘুম
গ্রাছুইটি টাকা উত্তলন,ramganj ag office, year 2024
আমার পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্থায়ী ঠিকানার ইউনিয়ন পাওয়া যাচ্ছিলো না সার্ভারে এরপর আমি পাশের ইউনিয়নের নাম দিয়ে দেই, কয়েকদিন পরে যখন পাসপোর্ট জমা দিতে যাই তখন পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং বলে "আপনি খুজে পাননি এতে আমি কি করবো?" আমি তাঁকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করি কিন্তু সে কিছুতেই শুনতে চাচ্ছেনা এবং এক পর্যায়ে সে বলে আপনি বাহিরে যান এরপর আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে চলে আসি এবং ঠিক ওই সময়ে এক দালাল এসে আমার সমস্যার কথা শুনে বলে সে এটা ঠিক করে দিতে পারবে এরপর তাঁর কথা অনুযায়ী আমি ৬০০০টাকা দিলাম এরপর কয়েকদিন পর ঠিক সেই কর্মকর্তা আমার সমস্যা সমাধান করে দিলো কোনো খারাপ ব্যাবহার ও করলো না আগের মতো।
জাতীয় পরিচয়পত্রের বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য নাগরিকত্বের সনদ প্রয়োজন ছিলো। উত্তরা ৬ নং সেক্টরে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশনে ৫/৬ তলায় একটি পিওন চাচা বলে ৫০০ টাকা না দিলে ১ বছরেও কাজটি করা সম্ভব নয়। অফিসারের সাথে কথা বলতে গেলে সে ইশারায় বলে দেয় যে টাকা ছাড়া কাজ না করতে। অথচ, ৫ মিনিটের কাজটির জন্য বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজটি করতে হয়।
আমি আমার বাবার এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য, গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসের একজন অফিস সহকারীর, আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা চায় সংশোধন করার জন্য, অনেক কথাবার্তা বলার পর তিনি ৩৫ হাজার টাকা রাজি হয়।
Income tax office blocked my bank account with an alegetion of pending tax. to release the blockade i paid the 6000 taka as GUSH
ড্রাইভিং এ পাশ করি তবুও ইচ্চজে করে ফেইল ফেলিয়ে দেয়
আনলাইনে আমার এলাকার পোষ্টকোড নাথাকার কারনে আমি আমার উপজেলা সদরের পোষ্টকোড দিয়েছিলাম কিন্তু তারা সেটা মানে নাই, যখন তাদের টাকা দিলাম তারা সেটাই জমা নিল এবং আমার পাসপোর্টে বর্তমানে উপজেলা সদরের পোস্টকোড টি রয়েছে তাহলে আমার টাকা লাগলো কেন।
আমার গাড়ির কাগজ, ব্যাংক এর রশিদ সব কিছু ঠিক থাকার পরের বলে ১০০০/- টাকা লাগবে নয়তো আগামী সপ্তাহে আসবেন, বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে আমার কাজ সারতে হয়েছে। সব গুলো জানোয়ার এর মতো ব্যবহার টাকা দিলে তবেই তাদের হাত চলে।
সাধারণত একটি ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার প্রত্যয়নের মূল্য ওয়েবসাইটে দেখায় ২০-৩০ টাকা সেই জায়গায় চেয়ারম্যানের অনুরোধে ডিজিটাল সেন্টারে সেই প্রত্যয়নের মূল্য হয়ে যায় ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত। আমি নিজে যখন প্রত্যয়নের ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যয়নের জন্য আবেদন বা ডাউনলোড করতে যাই তখন সেই সার্ভিসটি বন্ধ করে রাখে ওয়েবসাইটের নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ। কারণ তারা জানে আমরা যদি ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যয়নের জন্য আবেদন বা ডাউনলোড করি তাহলে চেয়ারম্যান কর্তৃক পরিচালিত ডিজিটাল সেন্টার বা কসাইখানা ৩০০-৫০০ টাকা নিতে পারবেনা। এখন আমার প্রশ্ন হলো ২০-৩০ টাকার কাজ কেন ২০০-৫০০ টাকা?
পাসপোর্ট এর অনলাইন আবেদন করে জমা দেয়ার জন্য গিয়েছিলাম। প্রথম দিন ২ টার পরে স্যার নাই চলে গেছেন। পরের দিন অনেক লম্বা ভীড়। বিশাল লম্বা সিরিয়ালের মাঝেই অনেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে চলে গেছে অল্প সময়ে।পাশের দোকানদার নিজেও বলতেছে যারা আগে এসেছে এখনো দিতে পারে নাই। ভিতরে কয়েকজনকে বলতে শুনলাম টাকা দিয়ে নাকি দ্রুত কাজ করা যায়।দুইজন লোক বলল দালাল ছাড়া নিজে নিজে করলে তারা বিভিন্ন কারন দেখি আটকে দেয়। এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে আর একবার দেখলাম তিনটার পরে একটি ছেলে এসেছে তাকে বলতেছে এখন আর কাজ হবে না সে বলল অনেক অনেক দূর থেকে এসেছি আগামীকাল পরীক্ষা আছে।তখন ওইখানের একজন কর্মকর্তা থাকে এক পাশে নিয়ে কি জানি বলল কানে কানে তখন ছেলেটি পকেট থেকে টাকা বের করে দিল। আমি পাসপোর্ট করতে পারিনি।দালালের মাধ্যমে করলে
তদন্তের নামে ১০ হাজার পরে রিপোর্টের জন্য ১০ হাজার ফাইলপর জন্য ৫ হাজার।
আমারে এক্স ২ টাইগার মডেল পিকআপ রয়েছে, যা নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহ বিভাগের মুক্তাগাছার উপর দিয়ে চলাচল করে। শ্যামগঞ্জ ফাড়ি, ময়মনসিংহ ট্রাফিক মোড়ে মুক্তাগাছা প্রতিটি জায়গাতেই ১০০০ থেকে ৫০০ টাকা করে প্রতি মাসে মান্থলি টাকা দিতে হয়। অন্যথায় অন্যায় ভাবে মামলা দিয়ে দেয়।
বিএড স্কেলের জন্য ফাইল অনলাইনে সাবমিট করার পর। উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ না করলে তারা ফাইল সেন্ট্রাল প্রোগ্রামারের নিকট ফাইল সেন্ড করবে না। কোন একটি ভুল কারণ দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করা হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসে দেখা করতে গেলে তিনি সরাসরি ৫০০০ টাকা দাবি করেন। এবং অধ্যক্ষের মাধ্যমে পুনরায় যোগাযোগ করতে বলেন। পরবর্তীতে আমি ২০০০ টাকা দিয়ে ফাইল সেন্ড করিয়ে নেই।
Vai food office gula bad disen kno. Food office hosse main ghuser jayga. Oms tcb kavikha lsd etc sob ghuse cole
মিউটেশন এর জন্য ঘুষ না দিলে কাজ হয় না
আমি জমি/ বাড়ির খাজনা নিয়ে জাই পরিশোধ করার জন্য কিন্তু আমি অফিসার কে জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা কাজ না আসছে উনি বললেন ৫ হাজার টাকা আমি বললাম আমি এত টাকা নিয়ে আসি নাই আপনি ২ হাজার টাকা জমা করে আমাকে কাজনার রশিদ দিন উনি ২ হাজার টাকা নিলেন ঠিক কিন্তু আমাকে রশিদ এ লিখে দিলেন মাত্র ৩০০ টাকা এই ভাবে সরকার এর হাজার হাজার টাকা তারা মেরে খাচ্ছে।
বিদ্যুৎ সেবা নিতে গিয়ে,অফিসের একজম এর সাথে কথা বলি,সেই ভাই আমাকে বিদ্যুৎ এর কাজ করে দিবে বলে ২ লাখ টাকা দাবি করে,পরে আমাকে ১,৮০,০০০/ টাকা দিয়ে কাজটা করে দেয়।
আমি আর আমার আব্বা গিয়েছিলাম জমির কর পরিশোধ করার জন্য যাওয়ার পর আমাদের কাগজ পত্র যাচাবাচায় করার পর অফিস থেকে বাহির হয়ে সাইটে গিয়ে বলে ৪০ হাজার টাকা রাগবে । শুনে আমরাতো অবাক অনেক দর কসাকশি করে সর্বশেষ ২০ হাজার টাকায় তিনি রাজি হয় । তার পরে যখন সরকারি চালান কাটে তখন দেখি চালানে লেখা আছে ১২ হাজার টাকা । বাকি ৮ হাজার টাকা তিনি অতিরিক্ত ঘুষ নিয়েছিল তাও খুব গোপনে ।