ফায়ার লাইসেন্স
আমার প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অনলাইনের নামে সরকারী ফি ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ করতে হয় ১৩৩২৮ টাকা।আর ঘুষ দিতে হয় ৯১৭২ টাকা।মোট-২০৫০০ টাকা খরচ হয়।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অনলাইনের নামে সরকারী ফি ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ করতে হয় ১৩৩২৮ টাকা।আর ঘুষ দিতে হয় ৯১৭২ টাকা।মোট-২০৫০০ টাকা খরচ হয়।
অভিযোগের বিষয়: নামজারি/ট্রান্সফারের জন্য ঘুষ দাবি আমি পার্বতীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আমার বাবার নামে থাকা জমি, বাবার করে দেওয়া রেজিস্ট্রি দলিলের ভিত্তিতে আমরা ৪ ভাইয়ের নামে নামজারি/ট্রান্সফার করার জন্য যোগাযোগ করি। তারিখ ৭/৮/২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে এই কাজের জন্য ৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি ও খরচ দিতে রাজি আছি। কিন্তু নামজারি/ট্রান্সফারের কাজ করে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
এসবি অফিসার আমার ভ্যারিফিকেশন ফরম পূরণ করার পর আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে বলে অন্যদের কাছ থেকে আরও বেশী নিয়েছি।আমি ১৫০০ টাকা দিলে উনি প্রত্যাখান করে তারপর আমি ১৮০০ টাকা দেই।
আইডি কার্ডের বিষয়ে সরকারিভাবে ফ্রি হলেও উনারা আমার থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন সেনাসদস্য। বেতন বহির্ভূত বিভিন্ন প্রাপ্য বিল, যেমন টিএ/ডিএ ও বৈদেশিক মিশনের বিল পাস করাতে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘুষ দিতে বাধ্য হতে হয়। নিজের ন্যায্য প্রাপ্য পেতে যদি ঘুষ দিতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সেনাবাহিনীর মতো একটি সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠানে যদি এমন অনিয়ম থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন—তা সহজেই অনুমেয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিল পাসের প্রক্রিয়াকে ঘুষমুক্ত ও স্বচ্ছ করা হোক।
তুমি আমার বাড়ির খাজনা প্রথমবারের মতো দিতে গিয়েছিলাম, তখন বলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে পরে অনেক ঘুরার পরে 10000 টাকার বিনিময়ে সে ১৩০ টাকার খাজনা আমাকে কেটে দেয়, ঠিকানা, ঝিটকা ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
আমি আমার পে ফিক্সেশন করতে গেলে টাকা চেয়েছিল। বলল চা নাস্তার টাকা দিতে হবে। এটা ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
কলকারখানা অফিস থেকে দেবার লাইসেন্স নবায়ন ফি বাবদ পরিশোধ ৩০০ টাকা আর ঘুষ দিতে হয় ৪৭০০ টাকা মোট -৫০০০ টাকা। পরিশোধ করলাম।
Without money Brta table not Moving
অগ্রহনি ব্যাংকে ডিপিএস কররে গিয়েছে ২ টা একাউন্ট খোলার জন্য সেখানে আমার কাছে ১০০০ টাকা চেয়েছে তাই আমি চলে আসলাম
রোগীকে নিজতলা থেকে দ্বিতীয় তলায় তুলার জন্য হুইল চেয়ার দিতে রাজি হয় নাই। ২৫০ টাকা দাবি করে।
আমার জমির নামজারি করতে করতে গিয়েছিলাম ভাঙ্গুড়া পৌর ভূমি অফিসে, সেখানে 19000 টাকা ঘুস দাবি করে, কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে শেষমেষ 13000 টাকা দিয়ে নামজারি করেছি।
খাজনা বাবদ আমার হয়েছিল ১২০ টাকা। এখন সেটা অনলাইনে করেছে ১৪৭৯৬ টাকা।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে পুলিশকে টাকা দিতে হয়েছে। না হলে লেইট হবে সময় লাগবে বলে।।বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন বাবদ ২৬০০ টাকা নিয়েছে। ওনি বলল ভেরিফিকেশন করতে ৩০০০ টাকা সরকারি ফী লাগে। আমি অনেক বুঝালাম। তারপরেও ২৬০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নামজারি করতে,টাকা বেশী নিতে বাহিরে,তাদের কম্পিওটার দোকানের সাথে সব কিছু জমা দিলে,সুন্দর মত করে দিবে।বলছে।
আমাকে ডেকে নিয়ে বলে আপনার লাইসেন্স তারা তারি আসবে, তার জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে আমি এক্সাম পাশ করার পর ও।
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
One VAT officer demand 5 lac. I proposed 30k but he denied.
extra 1500 tk dite hoice