পেনশন
আমার পেনশনের টাকা আটকে দিয়েছিলো। টাকা না দিলে পেনশন হিসেবে গড়মিল হবে বলে হুমকি দেয়। এই ঘটনা ঘটে সামরিক বাহিনীতে (বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট) । এইটা দিতে হয় এবং এখনও চলছে। ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে বসে সেনা সদস্যের কাছ থেকে নিচ্ছে।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার পেনশনের টাকা আটকে দিয়েছিলো। টাকা না দিলে পেনশন হিসেবে গড়মিল হবে বলে হুমকি দেয়। এই ঘটনা ঘটে সামরিক বাহিনীতে (বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট) । এইটা দিতে হয় এবং এখনও চলছে। ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে বসে সেনা সদস্যের কাছ থেকে নিচ্ছে।
পাসপোর্ট অফিসের লুকাচুরি খেলা আমি কিছুটা বুঝতে পারছি , একটু পর পর তাদের সার্ভার থাকেনা, যার কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়, ফেস ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য যদি বসে না থাকতে না চান তার ব্যাবস্থা আছে অফলাইনে কাজ করে দিবে আমি একটু বোকা তাই তাদের সিস্টাম বুঝিনি এজন্য আমার সারাদিন বসে থেকে কাজ করে নিয়ে আসতে হয়েছে, আবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়ে আবার সার্ভার সমস্যা, যাইহোক সার্ভার আসারপরে পাসপোর্ট সংগ্রহ করি , এখন ভিসার আবেদন করতে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট NFC কাজ করে না সেখানে বলে ২০০০ টাকা দিতে দিলে ঠিক করা যাবে আমি বাধ্য হয়ে দেই কিন্তু দুক্ষের বিষয় আমার ই-পাসপোর্ট NFC রিড করে না
আমি এক মসজিদের ইমাম ,আমার মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর গণশিক্ষার কেন্দ্র আনার জন্য উপজেলায় আবেদন করি । কেন্দ্র আনার ব্যাপারে দুই ধাপে নয় হাজার টাকা নেয়। আমার কেন্দ্রের বয়স দুই মাস উপজেলা থেকে এক মাসের বেতন চাইছে
আমার বাবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত অবস্থায় মারা যান। বাবার পেনশনের টাকা তোলার জন্য নিজ জেলা ব্রাক্ষনবাড়িয়ার বিভিন্ন অফিসে ঘুরে আমাকে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় (প্রাথমিক শিক্ষা)- চট্রগাম(নন্দন কানন), যেতে হয়। সেখানে পেনশনের কাজ ক্লিয়ার করে দেয়ার জন্য অফিস থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। আমার কাছে ১০ হাজার টাকা না থাকায় আমি কান্নায় ভেঙ্গে পরি। আমাকে জানানো হয় টাকা না দিলে কাজ হবে না। আমি বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা ক্যাশ প্রদান করি এবং বাকি ৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাব বলে রাজি হই। প্রবর্তিতে বিকাশে বাকি ৫ হাজার টাকা পাঠানোর পর আমার কাজ করে দেয়া হয়।
রিনিও পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, ভিবিন্ন কারন দেখিয়ে ৩৫০০ টাকা চেয়েছিলো,প্রথমে দেইনি,আবার সপ্তাহ খানেক পর যোগাযোগ করলে তারা বলেছিলো আগামি সপ্তাহে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাইয়েন।তারপর সপ্তাহ খানেক পর মুবাইল থেকে চেক দিয়ে দেখলাম আগে যেমন ছিলো তেমন অবস্থাতেই পেন্ডিং এ আছে।তার পর অফিসে গেলাম,যাওয়া পর বলতেছে বাসার কারেন্ট বিলের কাগজ লাগবে,পিতা মাতার চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে ইত্যাদি।শেষে অপারগ হয়ে পাশের দোকানে নাকি এধরনের সমস্যা সমাধান করা হয়,এই কথা শনে দোকানে গেলাম,তারা চাইলো ৩৫০০ টাকা, উপায় না দেখে ৩০০০দিয়ে করাতে বাধ্য হয়েছি,fuck Bangladeshi system 🖕
বাসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে চাইলে জাস্ট কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়।এটাই নাকি কাগজ! আর কিছুই লাগে না। এভাবেই নাকি হয়ে যায়। তারাও কোনো শব্দ করে না।
আমি দালাল এর মাধ্যমে জমি খারিজ করার জন্য দিয়েছিলাম কিন্তু জমির সরকারি খারিজ মূল্য ১১০০ টাকা হলেও এগারো হাজার টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে । আমি যেনে বুঝেই দালাল আর অনলাইন করতে টাকা দিতে রাজি আছি কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা কেন টাকা খাবে তারা তো সরকারি বেতন গ্রহণ করে । দালাল + কম্পিউটার করতে = 2500 সরকারি ফী = 1100 সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ = 7400
২০১৪ সালে প্রথম বারের মত ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করি। পুরো প্রসেস শেষ হবার পরে অদ্ভুত এক ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হই, যেইদিন বায়োমেট্রিকের জন্য ফিংগারপ্রিন্ট আর ছবি তুলতে যাই। ছবি তোলা শেষ হলে, আমাকে এক কাউন্টারে পাঠানো হয়, হাতে লেখা একটা স্লিপ দিয়ে। সেখানে যাওয়ার পরে কাউন্টারের ভদ্রলোক হাত থেকে স্লিপ নিয়ে বলে, "২০০ টাকা দেন।" আমি কিছু জিজ্ঞেস না করেই দিয়ে দেই। সে এরপরে আমার হাতে ধরায় দেয়, দুইটা ২০ টাকা দামের লটারীর টিকেট (সেটারও অলরেডি ড্র শেষ হয়ে গিয়েছে এমন এক্সপায়ার্ড টিকেট)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "এইটা কী দিলেন? লটারীর টিকেট আমি কেনো নিবো? তারউপর এটার ড্র হয়ে গেছে মাস দুয়েক আগে"। আমাকে উনি বললো, "ভাই, ঝামেলা করেন না, আমরা ছোট চাকরী করি।" সেই অফিসে প্রতিদিন কম করে হলেও ৫০০০ মানুষ যায়।
আমার শান্তি বিনোদন ভাতা করার জন্য বলা হলে ব্যক্তিটি আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হইনি।
২০২০ সালের শুরুর দিকে করোনাকালীন সময়ে আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমাদের পাঁচ বোন ও মায়ের নামে জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে আমাদেরকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।উক্ত হেবা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে হাটহাজারী সাব-রেজিস্ট্র অফিসে ৭০০০০/- প্রদান করতে হয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম। ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছিলাম। এর জন্য ঘুষ গুনতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ঘুষ দিয়েও কোন লাভ হয় নাই। কারণ সে লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্সটা এখনো হাতে পায়নি। ঘটনাটি ২০২৩ সালে মার্চ মাসের ঘটনা । ড্রাইভিং লাইসেন্স আমার বাড়িতে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনো পায়নি। আর কতদিন আমাকে এই অপেক্ষায় থাকতে হবে
জমির একটা কাজ করার জন্য আমার বাবা এবং চাচা গেছিলো তারা ১৫০০০ টাকা দাবি করে কাজটি দ্রুত করে দেয়ার জন্য অথচ তাদের বেতন হয় আমাদের ট্যাক্সের টাকায় এভাবেই চলছে আমাদের দেশ প্রতিটি এ ঘুষ বানিজ্য চলে
জমির নামজারী করার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। নয়তো দলিলে বিভিন্ন বানানের ভুল বলে আবেদন বাতিল করে দেয়। তো আমাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারী করাতে হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন জন্য জেদ্দা পাসপোর্ট অফিসে যায়। তারা আমাকে বলে গত পাঁচ বছর আগে ভূলে দুইটি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছে যা আপনি একটি ব্যবহার করতেছেন অন্যটি আমাদের অফিসে পড়ে আছে অনেক বছর। আমার কি করতে হবে।তখন তারা বলে একটা cancel করতে হবে তাহলে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হবে। তখন আমি আবেদন করি cancel করার জন্য। অনেক দিন হয় কিন্তু হয়নি। অফিসে গেলে বলে ৪০০০ সৌদি রিয়াল লাগবে। আমার একামা নবায়ন হচ্ছে না পাসপোর্ট জন্য। তখন আমি বাধ্য হয়ে ৩০০০ রিয়াল দিয়ে cancel করি পরে আমি নতুন পাসপোর্ট পায়।
প্রত্যেক মাসে সিরাজগঞ্জ জেলা বেলকুচি উপজেলা বিদ্যুৎ লিখতে এসে , যে মিটারে ফ্রিজ চলে দুইটা ফ্যান চলে তার কাছ থেকেই প্রত্যেক মাসে ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে নেয়, টাকা না দিলে তার পরের মাসে বিদ্যুৎ বিল ডাবল আসে, যদি বলি এই প্রবলেম কেন তাহলে বলে যে মিটার নষ্ট হয়েছে অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে,,, আমার কাছে এগুলো সব তথ্য প্রমাণ ভিডিও আছে,,,
প্রতি বছর আমাদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়, তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়েছে। গত বছর ঘুষ নিত ২০,০০০/- বিশ হাজার টাকা করে নবায়ন করার সময় এই বছর ঘুষের পরিমাণ বাড়িয়ে ২৫,০০০/- করেছে। আমাকে বাধ্য করা হয়েছে পঁচিশ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য যদি ময়মনসিংহ কলকারখানার DIG কে টাকা না দেই তাহলে লাইসেন্স নবায়ন হবে না। ময়মনসিংহের সকল কারখানা থেকে এই ডিআইজি সবার উপর জুলুম করে প্রতি বছর এভাবে ঘুষ নেই। ঘুষ না দিলে দিলে কারখানার নামে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিবে এ রকম হুমকি দিয়ে ঘুষ আদায় করে। শুধু তাই নয় প্রতি ঈদে কারখানায় এসে বোনাস সরুপ বিশ হাজার করে পার লাইসেন্স এ ঘুষ নিবে উনি যেভাবে অত্যাচার শুরু করেছে মনে হচ্ছে অচিরেই উনার জন্য ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দিতে হবে🥲
আউটডোর ডাঃ দেখানোর টিকেট দাম দশ টাকা কিন্তু কোন কথা ছাড়া নিচ্ছে বিশ টাকা, দৈনিক ৫/৬ হাজার রোগী আসলে ৫০/৬০ হাজার টাকা,আর রোগীকে ট্রলি করে যে কোন ওয়ার্ডে নিলে ১০০ টাকার উপরে দিতে হয়,যদি তদন্ত করা হয় সরকারি হাসপাতালে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দ্বারা হয়রানির শিকার হয় তা বেরিয়ে আসবে।
নাম জারি করতে ২০ হাজার লাগবো তাই আর নামজারি করতে পারলাম না।।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহকারী শিক্ষকদের বদলি বিষয়ে দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা দাবি করছে। এই লেনদেনের সাথে দলীয় নেতা কর্মী জড়িত আছে এবং উপজেলা বদলি কমিটি জড়িত আছে।
ফ্যামিলি সার্টিফিকেট আনার জন্য গিয়েছিলাম,খরচ এর জন্য ২৫০ টাকা দাবি করে,অথচ এটা আমার জন্য কোনো ফি লাগে না ।