জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য
জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর ২৪ নং ওয়ার্ডের, তেজগাঁও দাবি করেন ডিসি সাক্ষরের জন্য জনপ্রতি ১০০০। দুই জনের জন্য ২০০০।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর ২৪ নং ওয়ার্ডের, তেজগাঁও দাবি করেন ডিসি সাক্ষরের জন্য জনপ্রতি ১০০০। দুই জনের জন্য ২০০০।
জমির নামজারি , রেকর্ড সংশোধন, খাজনা পরিশোধ ইত্যাদি কাজ এর জন্য মূল টাকার বাইরে বাড়তি আর 1 Lac টাকা দাবি করেছে
মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল রিপোর্ট সাবমিট করেছিল, উত্তর দেয়ায় এবং তাদের ডিমান্ড ফুলফিল না করায় আমাদের প্রতিষ্ঠান তাদের আরো বিরাগ বাজন হয়ে যায়। কোম্পানীর সকল বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়, ৭০ লাখ টাকা ঘুস দাবি করে জামেলার কথা চিন্তা করে অবশেষে ২২ লাখ টাকায় রফা হয়, যদি অন্য একটি ঘটনায় কয়েক মাস আগে ওই অফিসার চাকরী হারিয়েছেন বলে শুনেছি।
২ নং বড় উঠান ্উনিয়ন পরিষদের সচিব, জালিয়াতির মাধ্যমে জম্ম ও মৃত্যু সনদ তৈরি করে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে।এখন আমি ওয়ারিশ সনদ কনতে গেলে বলে যে এখানে আরও ওয়ারিশ আছে। অথছ আমার সকল কাগজপত্র সঠিক আছে। এখন বলতেছে ঐ জম্ম ও মৃত্যুসনদ বাতিল করে ওয়াারশ সনদ দিবে,যদি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দি।আমি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি
আমি নামজারি করতে পরামর্শ করতে গেলে ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে বলে।
জেলা একাউন্ট অফিস,যেখানে সকল সরকারী কর্মচারীদের বেতন নিয়ে কাজ করে,এই জেলায় নতুন কেও জয়েন করলে তাদের কাছে টাকা ছাড়া কোন পেপারস সাবমিট হয় না,দিনের পর পর দিন ফাইল আটকে রাখে,টাকা দিলে তাড়াতাড়ি বেতন প্রদান করে,এমন কি কেও বদলী হলে শেষ বেতনের প্রতয়ন দিতে চায় না,কিছু করতে গেলে টাকা
ড্রাইভিং টেস্ট পরীক্ষা দেওয়ার পর বললো আপনি ফেইল করেছেন। টাকা না দিলে পাশ হবে না।
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এর সকল সার্ভে অফিসে জাহাজের সার্ভে রেনু ও মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশন ও বেক্রসিং এর জন্য ঘুষ দিতে হয় ৫-২০ হাজার পরযন্ত প্রতিটা ডকুমেন্ট আপডেট করার জন্য
সরকারি চাকুরী হবার পরে বেতন চালু করতে হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দেবার পরে বেতন চালু করে।
ভুমিসেবা আমি একটা নামজারি খতিয়ান ভাঙা তে যায় দায়িত্বরত অফিস আমাকে কাছে ১০০০০ টাকা চাই। যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকা বেশি না।
এপ্লিকেশন সবকিছু ঠিক ছিল তবুও জমা নিবে না কারণ ঘুষ দিতে হবে
ঘটনা টা ২০২৪ সালে। তখন আমি আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য অনলাইনে সব তথ্য সম্পুর্ন করে ডকুমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিস বাহ্মণবাড়িয়া তে যাই, সেখানকার দায়িত্বরত অফিসার ১ম চেকিং দিয়ে বলে আমার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে তার পর পরে নিয়ে যায় আবার আরেকদিন একই অফিসারের কাছে সম্পুর্ন ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে বলে পিতা মাতার অনলাইন ভেরিফিকেশন লাগবে, দেন পরে আমি আমার পরিচিত একজন দালাল কে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পর আরো অতিরিক্ত ৩৫০০ টাকা দিয়ে গেলে আমার কাজ টা কমপ্লিট হয়। অথচ ১মে দালালের মাধ্যমে টাকা না দেওয়াতে ২ বার হয়রানি হতে হয়েছে, এই কষ্ট টা এখনো মনে পড়ে?
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসারদের বদলির জন্য অযাচিতভাবে বিভিন্ন ফর্মে টাকা দাবি করা হয়। দুইটা চক্র সেখানে সক্রিয়। টাকা না দিলে কোন পদায়ন হয় না। এই কাজটা মূলত খামারবাড়ি, ঢাকা হেড অফিসে হয়ে থাকে।
আমি ২ টা খতিয়ান নামজারি জন্য আবেদন করি, প্রথম টি আমার বাবার নামে , সেটার জন্য ৭হাজার দাবি করলো, ২য় টা আমার নামে ,২য় টা অনলাইনে আবেদন করি কিন্ত আবেদন বাতিল করে দিলো বললো তহশীলদার সাথে দেখা করিনি কেন ,পরে আবার করি সেটাও এসি ল্যান্ডকে দিয়া বাতিল করতে চাইলো, আমি উপরস্থ কর্মকর্তাকে জানাইলে সেটা করে দে । আমাকে খতিয়ানের জন্য ৩মাস পর্যন্ত হয়রানি করলো । টাকা দেইনি কেন ?
জন্ম নিবন্ধনের নামের একটি বিরামচিহ্ন সংশোধন করার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভাতে কর্মরত ব্যাক্তিরা আমার থেকে ২৫০০ টাকা চায়। কিন্তু দেশের বাড়ি বা গ্রামের বাড়ির (কালুখালী উপজেলা, রাজবাড়ী) কারো জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংক্রান্ত সমস্যা তারা ৫০০ টাকার বিনিময়ে সমাধান করে থাকে। এই অর্থ কি ঘুষ নয় তা আমার প্রশ্ন। ধন্যবাদ।
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।
বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সরকারি কর্মচারীদের একটি দাপ্তরিক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, এবং এটি লিখন, মূল্যায়ন বা প্রতিস্বাক্ষরের জন্য কোনো ফি বা চার্জ নেই। এটি স্বাক্ষরের জন্য অর্থ (যেমন প্রতি এসিআর-এ ৫০০ টাকা) দাবি বা গ্রহণ করা অবৈধ স্পিড মানি এবং বাংলাদেশ সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ঘুষের শামিল। সেবাগ্রহীতারা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে কোনো খরচ ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এসিআর প্রতিস্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অধিকার রাখেন। অথচ এর জন্য ২০২৫ সালের ACR পেতে জন প্রতি ৫০০ টাকা খরচ হয়।
টাকা দিলাম পেয়ে গেলাম। আমার মনে হয় ওরা বেতন পায় না। এই টাকা জন্য হা করে থাকে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এর জরুরী বিভাগে আমাকে দুটি রক্তের পরিক্ষা দেওয়া হয়। আমি বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা বাড়তি দেই এবং রসিদ ছাড়া। কারন আমার জরুরী সেবার জন্য রিপোর্ট দরকার।