পাসপোর্ট
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।
19,073 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।
আমার জন্ম নিবন্ধন এর সাথে আরেকজনের জন্য নিবন্ধন অনলাইনে পৃষ্ঠায় দেখাচ্ছে ,যখন আমি জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে অনলাইনে সার্চ দেই | আমি সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সত্যায়িত করা আবেদনপত্র নিয়ে ঢাকায় জন্ম নিবন্ধন হেড অফিসে দিয়েছিলাম |সেখানে যে আবেদনপত্র জমা নেয় , তার ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ, সে আমার কাজ সমাধান করিনি বরং সে আমার কাছে টাকা দাবি করেছিল আমি এখন পর্যন্ত সমাধান পাইনি |
টাকা দিলাম পেয়ে গেলাম। আমার মনে হয় ওরা বেতন পায় না। এই টাকা জন্য হা করে থাকে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এর জরুরী বিভাগে আমাকে দুটি রক্তের পরিক্ষা দেওয়া হয়। আমি বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা বাড়তি দেই এবং রসিদ ছাড়া। কারন আমার জরুরী সেবার জন্য রিপোর্ট দরকার।
To expedite the delivery of my son’s NID, I had to pay the requested amount at the Election Commission office on R. K. Mission Road.
Amar NID te amar date of birth wrong. Amar birth certificate, Passport, driving license bd, driving license Qatar, Qatar ID, shob jaigai date of correct, only NID te wrong. Unara bollo 20000tk dile thik kore debe
আমি ম্যামলা করছিলাম,আমাকে পালটা মিথ্যা মামলা দেয়,শাজাহানপুর থানা পুলিশ 2000 টাকা দাবি করে না দেওয়ায় খিপ্ত হয়ে বলে, মাথা গরম হইলে 2 লাখ দিয়ে ও পার পাবি না,পরে মিথ্যা মামলা কোটে পাঠায়, পরে জামিন নেওয়া লাগছে আমার
আমার এন আই ডি কার্ডের সাথে বাবার নামের কিছু পার্থক্য। যেমন ইউসুফ এ-র যায়গায় ইছুব। চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়ন পত্র জমা দিতে হয়েছে। পরে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিয়েছে।
আমার জমি পরিমাণ ৪৬ শতাংশ।যা আমার সঠিক দলিল ও ফাইনালের আগের পর্চাতে, এবং দখলে বিদ্যমান। কোন ধরনের অন্যদের দাবি বা কোন সমস্যা নেই।ফাইনাল করার ১ মাস আগে ভুমি অফিসে ডাকা হয়।সেখানে নতুন নকশা দেখিয়ে বলা হয় আমার জমির পরিমাণ মাত্র ৩১ শতাংশ।যা অন্য মালিকের দলিল ও দখল জমি থেকে কেটে দিয়ে আমার নামে করে দিতে চায় । তখন আমি আমার দলিল ও পর্চা দেখাতে চাইলে সেগুলো দেখতে অসিকৃতি জানায় এবং অন্যজনের জমি আমার করতে ১০.০০০ টাকা ঘুষ চায়। ঐ টাকা না দিতে পারায় তারা ঐ সমস্যার সমাধান করে নাই।
ami amar familyr 4 joner e passport er form submisssion korte jai , kintu passport office er counter e joma debar por ora bole vul ase hobe na, pore office er bahire computer dokan e gele ora bole 4x2000 total 8000 tk lagbe, pore oderke 8000 tk dei ora natun kore form fillup kore, jate amar nid no vul boshai, kintu office tokhon oi vul take r dhore na ebong receive kore, echara police verication e ro 8000 tk lage,
গাড়িটি আমার নামে না থাকায়। তিনি গাড়িটা আটক করতে চেয়েছিলেন। গাড়িটি আমি কিস্তিতে করাই করি। আমার কিস্তি পরিষদ না হওয়া পর্যন্ত গাড়িটি আমার নামে আসবে না। আমি যেহেতু রাইড শেয়ার করি করি। এ অবস্থায় আমার গাড়িতে আটকে গেলে আমার পরিবার পথে বসে যাবে। সেজন্য আমি পুরো টাকা পরিশোধ করে । গাড়ি ছাড়িয়ে নেই। আমার অভিযোগ হচ্ছে বাংলাদেশ কেন কিস্তিতে গাড়ি বিক্রি করা হয়। যদি কিস্তিতে গাড়ি বিক্রি করে তাহলে কোম্পানির নামে গাড়ি থাকলে সেটা কেন সরাসরি গ্রাহকদের হয়রানি করবে?
আমাদের জমিতে ৮৩ সালে কেনা ছিল। ৯২ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিষদ করা ছিল। ১৯৯৬ সালে বাবা মারা গিয়েছে। আমরা ভাইবোনেরা তখন ছোট ছিলাম। ২০১০ সালে যখন সিটির জরিপ হয় তখন, উপস্থিত না থাকার কারণে নামজারি করা সম্পন্ন হয়নি। তাই নাম জারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম বাড্ডা। প্রথমে তারা বলে যে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করতে হবে। এরপর শেষ আরএসএস এসে সব খতিয়ান যাচাই-বাছাই করে, বলে যে নামজারি করা সম্ভব, শতাংশ প্রতি তিন লাখ টাকা করে পড়বে।
বোন পানিতে পড়ে মারা যায়। হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় পোস্টমর্টেম করার জন্য। ওই পোস্টমর্টেম না করার জন্য পুলিশ বিভিন্ন তথ্য নেয় এবং ওসি উপস্থিত নাই বলে আমাদের দেরি করাতে থাকে। কিছুক্ষণ দেরি করানোর পরে ৩০০০ টাকা থানার গেইটের সামনে দিয়ে যেতে বলে। পরে দিয়ে আসলাম।
আমি কিশোরগঞ্জ এর এসপি অফিসে চাকরীর কাগজ ভেরিফিকেশনের জন্য যাই। সেখানে গেলে একজন এসআই আমার থেকে আমার বাড়ির সব তথ্য যাচাই করেন, সব ঠিক ছিলো আমার। পরবর্তীতে আমার এলাকায় ওনি গোপনে গিয়ে এসব তথ্যের তদন্ত করবেন বলেন আমাকে। আমি ওনাকে সালাম দিয়ে যেইমাত্র ওনার রুম থেকে বের হবো, তখনি ওনি হাসি দিয়ে আমাকে ডাক দিলেন, বললেন চা - পানের খরচ দিয়ে যান। আমি কিছু না ভেবেই আমার মা থেকে ৫০০ টাকা এনে ওনার হাতে দিলাম এই ভয়ে যে, ওনি যদি আমার তদন্তে ভেজাল করে এজন্য। পরে সেখান থেকে চলে আসি।
আদালতের সকল কার্যক্রম। যেমন : মামলা দিন দেওয়ার জন্য বা হাজিরা বা সময়ের দরখাস্ত জমা দিতে গেলে ১০০-২০০ টাকা। আদালতে স্বাক্ষী জবানবন্দী প্রদান করলে সেরেস্তাদার, কর্মচারীদের ৫০-১০০ টাকা। কব্জা মামলার টাকা জমা দিতে গেলে সরকার নির্ধারিত চালান নিজেরা করলে হবে না। আদালতের কর্মচারীদেরকে ২০০-৩০০ টাকা দিয়ে করতে হবে। আর উচ্চ মহলের দূর্নীতির কথা নাই বা বললাম।
সর্বসাকূল্যে ১২০০০৳ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায় না। সরাসরি অফিস কর্মকর্তারা এটি করে থাকে
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
ঢাকা কোতোয়ালি থানার পুলিশ আমার বাসা থেকে ডাকাতি করে,এবং আমাকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করে। এই বিষয়ে বিচার চেয়ে মামলা করার পর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের আদেশে সঠিক তদন্তের জন্য ঘুষ চায় পিবিআইয়ের এএসপি।
কিছুদিন হলো উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে আগে যারা টিউবওয়েল পেয়েছিল তাদের ফিল্টার দিতেছে। এই টিউবওয়েলগুলো কেউই টাকা ছাড়া পায় নাই বাধ্য হয়ে আমি ৬০০০০ টাকা দিয়ে নিয়েছিলাম। এইবার যখন ফিল্টার দিবে সে সরাসরি ১০০০০ (দশ হাজার টাকা) দাবি করে। সবশেষ টাকা না দিয়ে কোন ভাবেই ফিল্টার না দিলে ৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি আমার বড় মায়ের ক্যান্সার রুগের সরকারি আর্থিক সহায়তার জন্য চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা সমাজ সেবা অফিস এর আবেদনের ফরম জমা দিতে যায়।অনেক হয়রানি ও খারাপ মন্তব্য, ঝারি দিয়ে শেষমেশ জমা নেয় এবং ৫০০৳ দাবি করে। না দিতে চাইলে ফাইল জমা নেয় না।সর্বশেষ দিতে বাধ্য হয়। ঘুস ছাড়াও বিশেষকরে রুগীদের সাথে বাজে ব্যহারে সকলে খুবই হয়রানির শিখার আমি নিজেও ভুক্তভোগী 🥲💔