নামজারি
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এর সকল সার্ভে অফিসে জাহাজের সার্ভে রেনু ও মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশন ও বেক্রসিং এর জন্য ঘুষ দিতে হয় ৫-২০ হাজার পরযন্ত প্রতিটা ডকুমেন্ট আপডেট করার জন্য
সরকারি চাকুরী হবার পরে বেতন চালু করতে হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দেবার পরে বেতন চালু করে।
ভুমিসেবা আমি একটা নামজারি খতিয়ান ভাঙা তে যায় দায়িত্বরত অফিস আমাকে কাছে ১০০০০ টাকা চাই। যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকা বেশি না।
এপ্লিকেশন সবকিছু ঠিক ছিল তবুও জমা নিবে না কারণ ঘুষ দিতে হবে
ঘটনা টা ২০২৪ সালে। তখন আমি আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য অনলাইনে সব তথ্য সম্পুর্ন করে ডকুমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিস বাহ্মণবাড়িয়া তে যাই, সেখানকার দায়িত্বরত অফিসার ১ম চেকিং দিয়ে বলে আমার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে তার পর পরে নিয়ে যায় আবার আরেকদিন একই অফিসারের কাছে সম্পুর্ন ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে বলে পিতা মাতার অনলাইন ভেরিফিকেশন লাগবে, দেন পরে আমি আমার পরিচিত একজন দালাল কে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পর আরো অতিরিক্ত ৩৫০০ টাকা দিয়ে গেলে আমার কাজ টা কমপ্লিট হয়। অথচ ১মে দালালের মাধ্যমে টাকা না দেওয়াতে ২ বার হয়রানি হতে হয়েছে, এই কষ্ট টা এখনো মনে পড়ে?
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসারদের বদলির জন্য অযাচিতভাবে বিভিন্ন ফর্মে টাকা দাবি করা হয়। দুইটা চক্র সেখানে সক্রিয়। টাকা না দিলে কোন পদায়ন হয় না। এই কাজটা মূলত খামারবাড়ি, ঢাকা হেড অফিসে হয়ে থাকে।
আমি ২ টা খতিয়ান নামজারি জন্য আবেদন করি, প্রথম টি আমার বাবার নামে , সেটার জন্য ৭হাজার দাবি করলো, ২য় টা আমার নামে ,২য় টা অনলাইনে আবেদন করি কিন্ত আবেদন বাতিল করে দিলো বললো তহশীলদার সাথে দেখা করিনি কেন ,পরে আবার করি সেটাও এসি ল্যান্ডকে দিয়া বাতিল করতে চাইলো, আমি উপরস্থ কর্মকর্তাকে জানাইলে সেটা করে দে । আমাকে খতিয়ানের জন্য ৩মাস পর্যন্ত হয়রানি করলো । টাকা দেইনি কেন ?
জন্ম নিবন্ধনের নামের একটি বিরামচিহ্ন সংশোধন করার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভাতে কর্মরত ব্যাক্তিরা আমার থেকে ২৫০০ টাকা চায়। কিন্তু দেশের বাড়ি বা গ্রামের বাড়ির (কালুখালী উপজেলা, রাজবাড়ী) কারো জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংক্রান্ত সমস্যা তারা ৫০০ টাকার বিনিময়ে সমাধান করে থাকে। এই অর্থ কি ঘুষ নয় তা আমার প্রশ্ন। ধন্যবাদ।
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।
বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সরকারি কর্মচারীদের একটি দাপ্তরিক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, এবং এটি লিখন, মূল্যায়ন বা প্রতিস্বাক্ষরের জন্য কোনো ফি বা চার্জ নেই। এটি স্বাক্ষরের জন্য অর্থ (যেমন প্রতি এসিআর-এ ৫০০ টাকা) দাবি বা গ্রহণ করা অবৈধ স্পিড মানি এবং বাংলাদেশ সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ঘুষের শামিল। সেবাগ্রহীতারা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে কোনো খরচ ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এসিআর প্রতিস্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অধিকার রাখেন। অথচ এর জন্য ২০২৫ সালের ACR পেতে জন প্রতি ৫০০ টাকা খরচ হয়।
টাকা দিলাম পেয়ে গেলাম। আমার মনে হয় ওরা বেতন পায় না। এই টাকা জন্য হা করে থাকে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এর জরুরী বিভাগে আমাকে দুটি রক্তের পরিক্ষা দেওয়া হয়। আমি বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকা বাড়তি দেই এবং রসিদ ছাড়া। কারন আমার জরুরী সেবার জন্য রিপোর্ট দরকার।
To expedite the delivery of my son’s NID, I had to pay the requested amount at the Election Commission office on R. K. Mission Road.
Amar NID te amar date of birth wrong. Amar birth certificate, Passport, driving license bd, driving license Qatar, Qatar ID, shob jaigai date of correct, only NID te wrong. Unara bollo 20000tk dile thik kore debe
আমি ম্যামলা করছিলাম,আমাকে পালটা মিথ্যা মামলা দেয়,শাজাহানপুর থানা পুলিশ 2000 টাকা দাবি করে না দেওয়ায় খিপ্ত হয়ে বলে, মাথা গরম হইলে 2 লাখ দিয়ে ও পার পাবি না,পরে মিথ্যা মামলা কোটে পাঠায়, পরে জামিন নেওয়া লাগছে আমার
আমার এন আই ডি কার্ডের সাথে বাবার নামের কিছু পার্থক্য। যেমন ইউসুফ এ-র যায়গায় ইছুব। চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়ন পত্র জমা দিতে হয়েছে। পরে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিয়েছে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে ভূমি অফিসে নথি জমা দিয়ে আসার পর ৬ মাস পড়ে ছিল। উল্লেখ্য যে এর মধ্যে বহুবার উক্ত ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। কিন্তু ঘুষের টাকার জন্য নামজারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায়নি। পরে বিরক্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত নামজারি করাতে হয়। তার মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ঘুষ নিয়েছিল অফিস সহকারী, তহশীলদার, কানুনগো, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, শুনানীর সময় আবার অফিস সহকারীর মাধ্যমে এসিল্যান্ডের জন্য টাকা নেয়। সর্বমোট আমার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
ami amar familyr 4 joner e passport er form submisssion korte jai , kintu passport office er counter e joma debar por ora bole vul ase hobe na, pore office er bahire computer dokan e gele ora bole 4x2000 total 8000 tk lagbe, pore oderke 8000 tk dei ora natun kore form fillup kore, jate amar nid no vul boshai, kintu office tokhon oi vul take r dhore na ebong receive kore, echara police verication e ro 8000 tk lage,
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা তে লিখিত পরীক্ষায় পাস করি এবং মৌখিক পরীক্ষা দিতে গেলে চারটা প্রশ্ন করে দুইটা পারি বাকি দুইটা পারেনি পরবর্তীতে আমাকে বলে আপনি অপেক্ষা করেন আবার ডাকা হবে সবার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত ডাকেনি আমি নিজে থেকে রুমে গিয়ে বললাম আমাকে কেন ডাকা হয়নি। পরে বলল আপনার পরীক্ষা একবার হয়েছে পরবর্তীতে আবার পরীক্ষা দিতে হবে আমি বললাম আপনি তো বলেছিলেন যে আমাকে আবার ডাকবেন বাহিরে গিয়ে সবকিছু ভালোমতো শিখতে। কর্তব্যরত বিআরটিএ কর্মকর্তা আমাকে বলে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলেন সমাধান হয়ে যাবে। ওরে বাহিরে আনসারের সাথে কথা বলার পরে আনসার বলল ৩০০০ টাকা দিলে অটোমেটিক পাশ হয়ে যাবে। কোন পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।