লাইসেন্স
দালাল কে টাকা দিতে হয়েছে।বিনিময়ে ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়া লাগে নি। লাইসেন্স আপনাআপনি হয়ে গেছে।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দালাল কে টাকা দিতে হয়েছে।বিনিময়ে ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়া লাগে নি। লাইসেন্স আপনাআপনি হয়ে গেছে।
২০২২ সালে সরকার ঘোষিত এমপিও অনুযায়ী, একটি দাখিল মাদরাসায় আমার চাকুরি এমপিও করতে প্রতিষ্ঠান প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) আমার কাছে থেকে প্রথমে ৫০০০০ (পঞ্চাশ হাজার টাকা) নেন। পরে আবার ১০০০০০/= (এক লক্ষ টাকা) দাবী করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা নাকি টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। উল্লেখ্য যে তার (প্রধান) চক্র মিলে সকল শিক্ষকের কাছ থেকে এমপিও ছাড়ানোর নামে ১ লক্ষ থেকে তার বেশিও টাকা হাতিয়ে নেন। চাইলে আমি সরাসরি প্রমাণ দিতে পারবো। অর্থাৎ কে কে নিছেন তা লিখে দিতে পারব।
Tk na dewar karone fail dewa hoy, porer bar tk diye pass korsilam
সোনারগাঁও ভূমি অফিস এর নয়েব প্রধান সহকারি উনি আমার কাছে ২০০০০ টাকা চাইছে খারিজ এর জন্য।
আমার কাছে নামজারির জন্য সরকারি দারঝ কিত ১১৭০ টাকা পরিবতে ১০ হাজার টাকা দাবি আমার ভাগিনা নামজারি বাবত আগামী রবিবার ৬/৯/২৬ তাং বাকি টাকা দিয়ে নামজারি কাগজ আনতে হবে
সোজাসুজি বলা হয়েছে এই টাকা দিলে কাজ ধরবে না হলে ৫০ কোটি টাকা কর ধরে এসেসমেন্ট করে দেওয়া হবে। এই টাকা দেওয়ার পরেও ৩৫ লক্ষ টাকা অমূলক কর ধরে দেওয়া হয়েছে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পুলিশ ভেরিফিকেশন্স এর জন্য আমি যখন কুষ্টিয়া ডিএসবি অফিসের থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা আমার কাছে 2000 হাজার টাকা অফিস খরচ হিসাবে দাবি করে।
আমি প্রথমবারের মতো মিউটেশনের (নামজারি) জন্য আবেদন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু অনুমতি পাইনি। একজন দালাল আমাকে বলল যে, তাকে ১৫,০০০ টাকা দিলে সে ব্যবস্থা করে দেবে।
ঢাকা ওমুডকেল কলেজ হাসপাতাল। আমরা যখন রোগী নিয়ে যাই ষ্ট্রেচারে উঠালেই টাকা দিতে হবে ভতী করলে সিট পাওয়া যায় না যদি অপাশেন থাকে সেখানে আর ও ভয়াবহ অবস্থা, রোগী বের হলে ২০০ বা ৫০০ টাকা দিতে হবে না দিলে রোগি দেখতে দেয় না আর ও আছে ডাঃ তো একটা কাগজ দেয় ঔষধের আনার জন্য আবার ডাঃ সহযোগি যারা আছে, তারা আবার লম্বা লিষ্ট ধরে দেয় যেটা তাদের পকেটে যায়। হাসপাতালে মানুষ অসহায় হয়ে যায়,
আমার মা এক জন সরকারী চাকুরীজীবি। তার অবসর গ্রহণ করার পর পেনশনের টাকা তুলার সময় অত্র হাসপাতালের ক্যাশিয়ার কে ৭০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়
সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত কাজের জন্য গেলে ৫০০০ টাকা দাবি করে ইউনিয়ন পরিষদের লোকেরা। পরবর্তীতে প্রতিবাদ জানালেও টাকা না দেওয়ায় কাজটি করা হয়নি। ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সামান্য কাজ যেগুলোর অধিকাংশই ফ্রিতে করে দেওয়ার কথা, তারা সেগুলোতে অধিকহারে ফি নিয়ে থাকে,,ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই করেনা তারা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত, যার ফলে জনগন কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেনা।
আমি দীর্ঘ ১০ বছর প্রবাস কাটিয়ে বাড়িতে কিছু দিন ছিলাম তারপরে আবার প্রবাসে যাওয়ার জন্য উদ্যোগ নেই আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম আমার আগের পুরাতন পাসপোর্ট কিছু ভুল ছিল সংশোধন করতে চেয়েছিলাম। আমি সংশোধনের জন্য আবেদন করি আমার পাসপোর্টটি আটকে দেওয়া হয়, আমার কাছ থেকে চা নাস্তার জন্য আবদার করে টাকা চাওয়া হয় আমি প্রথমে টাকা দেই নাই। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্টটি নিতে হয়েছে।
আমার মা ও আমি ২০১৭ সালে বরিশাল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমাদের পাসপোর্ট করতে যাই। ফাইল জমা দিলে ফরমে ভুল দেখিয়ে ফেরৎ দিয়ে দেয় পাশে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ডেকে তাদের মেসে/ থাকার রুমে নিয়ে যায় এবং ২৪০০ টাকা নিয়ে ঐ একই ফরমে আমাদের ফাইল জমা করে দেয়।
পাসপোট করতে গিয়ে এই টাকা দিতে বাদ্য হয়েছি।
নামজারির আবেদন করতে গেলে সেই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা থাকে বলে সার্ভারে সমস্যা নেট নেই ইত্যাদি। যাদি তাকে 1000 টাকা না দেই তাহলে সেই আবেদন গ্রহন করে না বরং বিভিন্ন অজুহাতে আবেদন খারিজ করে দেয়। আর যখনি 1000 টাকা পরিশোধ করেছি ঠিক তখনি খসরা খতিয়ান প্রস্তুত করে হাসিমুখে বলে যান আপনার কাজ হয়ে গেছে।
পেনশনের এককালীন টাকা উত্তোলন ও মাসিক ভাতা চালুকরণ এর জন্য ১০০০০/- টাকা দাবী করেন হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর, আমি শুরুতে নাকচ করে দেই, পরবর্তীতে তাদের সাথে নেগশিয়েশনে যাই ৫০০০/ টাকার বিনিময়ে এছাড়াও পেনশনারের নিজ অফিস ছিল প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলায় খরচ না হলেও জেলা শিক্ষা অফিস, বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে লাম্প গ্রান্ট, জিপিএফ মঞ্জুর করতেও টাকা ঢালতে হয়েছে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট হতে একজন অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মনোনয়ন নিতে গিয়ে এই ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি গত 2024 সালের মার্চের দিকে। খোদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের জন্য 3000 হাজার, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার 3000 আর ইউএনওর অফিস সহকারী 1500 টাকা নেয় ।
ইচ্ছে করে কর বাড়তি লিখে কমানো জন্য টাকা দাবি করে
নাগরিক সনদের জন্য গেছিলাম তারা দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করেন ১/ সরাসরি কাজ করেন ২/ নির্দিষ্ট দোকানে পাঠানো। সরাসরি মহিলা কাজ করলো ১২০/- টাকা চাইলো কিন্তু কোন রসিদ দিলো না। আরেক কাজে পুরুষ একজন পাঠালো নির্ধারিত দোকানে সেখানে দোকানদার তার মতো রাখলো।
আমি একজন খুচরা ওষুধ ব্যবসায়ী, ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য যাবতীয় কাগজ জমা দিয়েছি জেলা ড্রাগ অফিসে কিন্তু ওখান থেকে ফোন করে আমাকে বলে আপনার লাইসেন্স নিতে ১২০০০৳ দিতে হবে কারণ আপনি নিজে একজন ফার্মাসিস্ট,আর যদি নিজে না হতেন তাহলে ২৫০০০৳ লাগত। আমি বললাম সরকারি ফি তো জমা দিয়েছি বলল এটা বিভিন্ন জনকে দিতে হবে। আমি বললাম এত টাকা আমার কাছে নাই, পরে কথা বলার এক পর্যায়ে বললাম আমার পক্ষে সম্ভব না।