???
ঈদের দিন ঘুরতে বের হইছি,বগুড়া 7 মাথায় সব গাড়ি পার করে দিচ্ছে আমাকে আটকালো আটকিয়ে বলছে শুপারিশ করার কেও থাকলে ফোন দেও,বললাম গরিব মানুষ স্যার শুপারিশ করার কেউ নেই,বলতিছে মামলা হবে 8000 টাকার,কত দিতে পারবি পরে হাট পা ধরে 500 টাকা দিয়ে আসছি
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঈদের দিন ঘুরতে বের হইছি,বগুড়া 7 মাথায় সব গাড়ি পার করে দিচ্ছে আমাকে আটকালো আটকিয়ে বলছে শুপারিশ করার কেও থাকলে ফোন দেও,বললাম গরিব মানুষ স্যার শুপারিশ করার কেউ নেই,বলতিছে মামলা হবে 8000 টাকার,কত দিতে পারবি পরে হাট পা ধরে 500 টাকা দিয়ে আসছি
আমার চাকরির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জন্য কোটচাঁদপুর SB Branch একজন ২০০০ টাকা নেয়
আমার একটা জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার দলিলটা উনি দেখে আমাকে বিশ হাজার টাকা. দেওয়া জন্য বলছে তারপরেও খারিজ করে দিব বলছে আমাদের বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কোন সরকারি কর্মচারী ৮০% কর্মচারী কাজ করে না ধন্যবাদ আপনাদেরকে এরকম একটা সাইট খোলার জন্য অন্তত আমরা বলতে পারি এখানে
অনলাইন আবেদন করে, যখন পাসপোর্ট অফিস এ যাই ফিঙ্গার দিতে, আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও, হুদই এই দোষ সেই দোষ ধরতে থাকে, এরপর চলে আসার সময়, অফিসের সামনে টং দোকান গুলোর এক লোক বলে যে এত টাকা দিলে আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমিও দেই এবং সত্যি ই কাজ হয়ে যায়।
আমি আমার জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে ভূমি জরিপের অফিসার এর কাছে নতুন ভূমি জরিপের খতিয়ান আনতে যাই। তখন উনি বলে আমার বাড়ির এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে ।এরকম জালকুড়িতে সব মানুষের কাছ থেকে ১০০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা দাবি করে আদায় করেছে। মূলত জালকুড়িতে নতুন জরিপের যতগুলো অফিসার আসছে সবাই এর সাথে জড়িত।
For filing holding TAX for the first time 55% rebate with apile = 15000 Taka After that, last rebate 25% - 8000 Taka Total 23000 taka Dhaka City Corporation Onchol: 3, Mohakhali.
আমি আমার জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং সেটা অনুমোদন করানোর জন্য ভুমি অফিসে যাই তখন আমাক বলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তখন খুব রাগান্বিত হয়ে যাই এবং আমি বলি আমার জমিতে কি সমস্যা আছে যে আপনাকে টাকা দিতে হবে। এর পর আরেক জনের মধ্যস্থতায় ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আবেদন অনুমোদন দেয়।এর পর আমি আমার খাজনা অনলাইনে পেমেন্ট করি।
ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অনেক কষ্টে বউয়ের জন্য একটা টিকিট সংগ্রহ করি। তারপর ১০৫ নাম্বার রুমে যেতে বলে। সেখানে গিয়ে আবার সিরিয়াল দিতে হয়। সিরিয়াল নেয় যে লোকটা সে এত খারাপ ব্যবহার শুরু করে এবং সকাল বেলা যাওয়া সত্ত্বেও ৯০ নাম্বার সিরিয়াল দেয় আর বলে বেলা ১২ টার পরেও ডাক্তার দেখাতে পারবেন না বের করে দেয়। তারপর কিছুক্ষন পর একটা লোক ১০০ টাকা দাবি করে আর বলে সিরিয়াল ৩০ নাম্বারে এনে দিব। তাকে ১০০ টাকা দিলাম আর কোনো সিরিয়াল ছাড়াই আমার বউকে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ করে দিলো। সে প্রতিটি রোগীর সাথেই এমন আচরণ করছিল।
আমি সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করার জন্য আবেদন করি। যেই সেবাটি ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া যায় সেই সেবা আমি ৭২ ঘণ্টা পরও পেলাম না। তারপর নাজিরের সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে ১০০০ টাকা দাবি করে। সহকারীকে ৫০০ টাকা দিলে আমাকে ১ ঘণ্টার মধ্যে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করে দেয়।
নামজারি প্রক্রিয়া দিনের পর দিন পরে ছিল কেও ফাইল ধরেনাই ধল্লা,সিংগাইর মানিকগঞ্জ,
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে কখনো শুনিনাই ঘুষ দেওয়া বাদে কেউ কৃতকার্য হয়। বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট চার্জ এর বাইরে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলো। অনেকের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫০০০+
অফিসের ছোটবাবুর কাছে যেকোন কাজে গেলে খারাপ ব্যাবহার করে। উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের অভিজ্ঞতা একই। পরে টাকার কাজে যতদিন যেতে হয় ততদিন টাকা নেয় না দিলে আবার খারাপ ব্যবহার করে। অনন্যা স্টাফরা ভাল, টাকা পয়সা খায় না ব্যবহারও ভাল।
আমি আমার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য বোলা বিআরটি এ যাই সেখানকার অফিস সহকারী আমার কাছে ৩৫০০ টাকা দাবি করেন পরিখায় পাশ করার জন্য। তার ব্যাবহার ছিল এরকম যে এই টাকা দিয়ে যদি ১ পয়সা হারিও যায় তার পরে কম হবে না
আমি ০৩/০৮/২০২৬ ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও তিলপা পাড়া অফিসে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে দেখলাম অনেক লোক ট্রেড লাইসেন্স রেনিউ করতে বা নবায়ন করতে এসে অফিসের দেয়া ডেট অনুযায়ী দুইবার তিনবার এসোও বারবার ফেরত যাচ্ছে। তারা বলে এখনো হয় নাই পরে আসেন। আবার কাউকে কাউকে দেখলাম সার্ভারের দোহাই দিয়ে বলছে আবার পরে আসতে। আমার জরুরী বিধায় তাদের সাথে কথা বলে অফিসের বাইরে একজন লোক গাছের নীছে দাঁড়ানো থাকে, তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে বললাম ভাই এখন তো সাড়ে দশটা বাজে আমাকে নবায়ন করে করে দেন। সে বলল বিকাল তিনটায় আসেন হয়ে যাবে। ঘুসের টাকা দেয়ার কারণে একদিনেই নবায়ন করে দেয় অথচ যারা ঘুস দেয় নাই তাদেরকে ১০ দিন ১৫ দিন পরে ডেট দিয়ে ঘুরাচ্ছে সার্ভার নষ্ট বা বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। ২/৩ বার না আসতে হয়।
বিএডিসি সেচ প্রকল্পের আওতায় লাইসেন্স করতে গেলে আমাকে ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দীর্ঘ আবেদন আটকে রাখে,,পরবর্তীতে খুঁজো নিতে গেলে উপর মহলের চা পানের খরচ বাবদ আমার থেকে ১৫শ টাকা নেয়।
ফাইল টা জমা নেয় না,কিছু বলাও যায় না এত খারাপ ব্যবহার তাদের,অফিস এর বাইরে যেই কয় টা দোকান আছে সব গুলা দালাল গো দোকান,দালালদের দোকানের মাধ্যমেই টাকা টা অফিস এর লোক পায়। আমার ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর কাজ হইয়া গেসে।
ঘটনা ৩০ এপ্রিল ২০২৩। পাসপোর্ট অফিস জানায়, আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেবে এবং ১০ টাই দিতে সক্ষম না হলে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে বাকি কাগজের সাথে। পরে আমি যাই National Institute of Traumatology and Orthopaedic Rehabilitation এ, যেখানে শুরুতে আমাকে একজন গার্ড ২ ঘণ্টা ঘুরান এই বলে যে এখানে এরকম কোনো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়না । যখন উনি বুঝেন যে আমার অনেক দরকার তখন সাইড এ নিয়ে বলেন ৫k দিলে উনি ব্যাবস্থা করে দিবেন। আর উপায় না পেয়ে ওইদিন তাই করতে হয়েছিল, তবে মনে একটা খটকা থেকেই গেল, সামান্য congenital condition এর জন্য ঘুষ দিয়ে একটি সার্টিফিকেট তোলা লাগলো! এই ছিলো ঘটনা।
খরচাপাতি হিসেবে কিছু দিতে হবে বলেছিল। কিছুক্ষণ দিতে চাইনি। পরে ৫০০ দিলেও মেনে নিচ্ছিলো না। ১০০০ চাচ্ছিল। শেষে আরও ১০০ যোগ করে ৬০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসআই আমাদেরকে পুলিশ অফিসে ডাকলো। আমি, আমার বাবা পুলিশ অফিসে গেলাম। সেই এসআই তিন হাজার টাকা দাবি করল পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য। আমার বাবা একজন অবসর আর্মি পারসন। তার পরিচয় দেওয়ার পরও অনেক তালবাহানা করল শেষ পর্যন্ত তারা ২৬০০ টাকাতে থামল, এবং তারা বলল এই টাকাটা আমার উপরের বস সহ অনেকেই খাবে। যাই হোক এই পাসপোর্টটা আমার অনেক জরুরী ছিল। তাই টাকাটা পরিশোধ করেছিলাম। এই ঘটনাটা আজ থেকে ১০/১১ বছর আগের।
জমির খাজনা আসছিল-৪০০ টাকা, কর্মকর্তা দাবি করেছে-১০০০ টাকা. স্লিপ ও কেটেছিল -৪০০ টাকা, বাকি ৬০০ টাকা ঐ কর্মকর্তার পকেটে গেছে।