NID সংশোধনে
এন আই ডি সংশোধনের জন্য আমার থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ওরা বলে সোজাভাবে সংশোধন হবে না টাকা দিলে হবে
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এন আই ডি সংশোধনের জন্য আমার থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ওরা বলে সোজাভাবে সংশোধন হবে না টাকা দিলে হবে
NTRCA থেকে নির্দেশ ছিলো টাকা দাবি করে ফাইল আটকানো যাবে না। কিন্তু ঐ মাসের ৫ তারিখ ছিলো উপজেলা থেকে ফাইল ছাড়ার শেষ সময়, আমরা অপেক্ষায় ছিলাম ফাইল ছেড়ে দেবে কিন্তু ছাড়েনি, ওরা অন্যান্য শিক্ষকদের ফোন করে মিষ্টি খাওয়ার টাকা চেয়েছে। আমাদের ফোন করেনি, ফাইলও ছাড়েনি। আমি অফিসে যাই কথা বলি, কেন ফাইল ছাড়লো না? অনেকক্ষণ বসে থাকার পর একজন টানের কথা বললো আপনারা সময়মতো আবেদন করেছেন, কি কারণে ফাইল ছাড়া হয়নি, কেন হয়নি, কি সমস্যা তা জানিহ! সেই সময় আমি বললাম এখন কি করলে ফাইল জেলায় যাবে? আমার পাশে বসা তখন কোনো এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক তিনিও সকল সমস্যা শুনলেন তিনি শিক্ষা অফিসে ডিল করলেন 3টি ফাইল 9000 দিতে হবে, তখন 6000 দিলাম, বাকি টাকা বিকাশে দিলাম। এক ক্লিকে সন্ধ্যার মধ্যে ফাইল জেলায় চলে গেল।
জন্ম নিবন্ধন সংসদন করার জন্য ১৫০ টাকা করে নেয় এবং আমি দিয়েছি
আমি যখন কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করতে যায়।পাসপোর্ট অফিস থেকে আমাকে ডেইট দেওয়া হয়।পরে ওই ডেইটের মধ্যেই এক পুলিশ অফিসার আমাকে ফোন করে বলে,তোমাকে অফিসে আসতে হবে এবং সাথে ৬,০০০ নিয়ে যেতে।কিন্তু যাওয়ার সময় ৫,০০০ নিয়ে যায় এবং ওই অফিসার ৫,০০০ টাকা দিয়ে বলে যাও টেনশন করো না।এই বলে টাকা নিয়ে আমাকে বিদায় করে দেয়।
বাকি অংশ ==দোকানদারের সাথে কথা বলি। সে আমাকে ২৫০০ টাকার বিনিময়ে একটা সিল দিয়ে দেয় আমার আবেদন পত্রে। তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে যায় আবার আমার কাগজপত্র জমা দেয়,তারা সিল দেখে, আমার পেপার একসেপ্ট করে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। কারা জানে ওই সিলের মূল্য কত, তাই তারা কোন কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই, আমাকে ছবি তোলার জন্য অনুমতি দেই। একটা কথা বলে রাখি, যে দোকানদার থেকে আমি সিলটা মেরে আনছি, ওই লোকে পাসপোর্ট অফিসে আসার আগে আমাকে বলছিল এই সিল ছাড়া, তোমার কাগজপত্র একসেপ্ট করবে না, আমি বললাম কেন করবে না আমার কাগজপত্র তো সবই ঠিক আছে, হা কাগজপত্র ঠিক আছে, তবু একসেপ্ট করবে না, এ সিল ছাড়া
আমাদের আউটসোর্সিং এর মাসিক বেতন বিল ছাড়ার প্রতি মাসে হিসাব রক্ষণ অফিস বা সংক্ষেপে এজি অফিস এ দিতে হয় না দিলে বেতনের বিল দিবে না তারা এর বাহিরে সরকার বেতন ঠিকই দিচ্ছে ৩ মাস পর পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে টাকা ছাড় করা যা খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়
আমি নিজে নিজে আবেদন করে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্যে সিলেটস্থ আলমপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই, আমার যাবতিয় ডকোমেন্টস চেক করে আমার প্রত্যয়ন পত্রের কারণ দেখিয়ে আমাকে বাহির করে দেয়। বাহিরে এসে আমি দালালকে ধরে ২০০০ টাকা প্রধান করি এবং সে আমার আবেদনের কিছু Edite করে রেফারেন্স সহকারে আবেদন করে দেয়। পরের বার পুনরায় জমা করলে সাথে সাথেই আবেদনটি নিয়ে যায়। এবং আমার পাসপোর্ট যথারিতিতে ওকে হয়ে আসে।
My father is an ex foreigner who wanted his income tax files clearance. A senior lawyer from banani complex, tax zone -5 sent his word to my dad’s lawyer that my father has to pay 50k bdt if he wants his documents properly handed. My father in distress had no other option so he ended up paying this large sum.
১.বললো অন্যজনের জিমেইল ব্যবহার করে আবেদন কেন করেছেন...? আমি আবেদন করতে পারি না । ২.কর্মস্থলের সনদ ...? আমি ছোট একটি দোকানে চাকরি করি ছন্দ কোথায় পাবো । তার পর একজন কে ১৫০০ টাকা দিলাম পরে এই কাগজ পত্র ছারা ই হয়ে গেলো
নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম তারা বলেছিলো জন্মের ৪০ দিনের পরের শিশুর আবেদন করতে ১৫০০ টাকা লাগবে।
পাসপোর্টের তত্ত্ব পুলিশ ভেরিফাই করানোর জন্য থানায় যাওয়ার পরে সব ঠিক থাকার পরও পুনরায় চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট আনতে বলে। আমি রিকোয়েস্ট করলেও আমাকে বিদায় করে দেয় এবং বলে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট আনতেই হবে নতুবা স্বাক্ষর করা যাবেনা। আমি যখন আবার গেলাম তখন ফটোকপি দোকানী বলল স্যারকে চা নাস্তার জন্য কিছু দিয়ে দেন তাহলে স্যার স্বাক্ষর দিয়ে দিবে আজকেই। তারপর আমি ফটোকপি দোকানীর মাধ্যমে ৫০০টাকা দিলে বলে ওকে, আমি আজকেই পাসপোর্ট অফিসে পাঠিয়ে দিব।
"প্রথমে আমি নিজেই চেষ্টা করি। তারা আমাকে নানাভাবে আটকানোর চেষ্টা করে, কিন্তু যখন কোনোমতেই আটকাতে পারল না, তখন আমার মায়ের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দিতে বলল এবং বলল যে, আমার মায়ের আঙুলের ছাপ মিলছে না। তখনই আমি বুঝতে পারলাম তারা আমাকে আটকানোর একটা উপায় পেয়ে গেছে। কারণ মনিটরটি তাদের দিকে ঘোরানো ছিল এবং আঙুলের ছাপ রিড করতে পারছে কি না, তা আমাদের পক্ষে বোঝার কোনো উপায় ছিল না। তারপর যখন টাকা দিলাম, তখন সব ঠিক হয়ে গেল।"
নারায়ণগঞ্জের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভুল সংশোধনের জন্য সার্টিফিকেট চাওয়া হয় দুইজন কেরানী বলেন সার্টিফিকেট সাময়িক সময়ের জন্য নিতে হলে ৮৫০ টাকা দিতে হবে। টাকা অফেরতযোগ্য। অথচ এমন কোনো নিয়ম নেই। মিনতি করে ৫০০ টাকা দিয়েছি । এই হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একই অবস্থা। একজন গরিব অসহায় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নিতে তাদের একটুও কষ্ট লাগে না । যে প্রতিষ্ঠান মানুষকে ইনসাফ , আদর্শ শিক্ষা দিবে সেই প্রতিষ্ঠানই ঘুষ , অনিয়ম ও অবিচার শিক্ষা দিচ্ছে ।
Ami akjon nari police , Amadar thanar munshi tk r binimoya sohoz duty dia thaka. Ja sob nari police tk day munshi ra tadar kom duty dai. tara nari police dar satha jouno somporko korta chai na hola bivinno vaba torchar kora,
আমার পাসপোর্ট তুলার সময় সেখানের এক কর্মচারী বলে আপনার পাসপোর্ট এখনো আসে নি, এরপর আমি অনলাইনে দেখি আমার পাসপোর্ট চলে এসেছে। এরপর আমাকে বলে ২দিন পর আসতে আমি যাই ২দিন পর এই রকম কয়েকবার ঘুরায় আমাকে এরপর সে আমাকে বলে কিছু টাকা দিতে হবে আপনার পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য এরপর কত বললে তিনি বলেন ৪০০০ দিতে হবে । এরপর আমি অনুনয় বিনয় করে ২০০০ এ ঠিক করি। এরপর আমার পাসপোর্ট হাতে দেয় আমিও টাকা দিই।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের দ্রুত ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন (দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকা রোগীদের) দালাল চক্র। তারা উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মরত। যদিও টাকার পরিমাণ খুব বেশি নায় কিন্তু এটা তো অবৈধ।
আমি একটা পাসপোর্ট পাঠাব বিদেশে তাই অনুমতিপত্র লাগবে। সে বলল কোন সমস্যা নাই লোক আছে করে দেয়া যাবে। তবে পনের হাজার টাকা লাগবে। আমি ভেবাচেকা খেয়ে গেলাম, কারণ DHL অফিস থেকে বলেছিল এটা ফ্রি সেবা কোন টাকা লাগবেনা। বাড়িতে ফোন দিলাম, আমার বোন জানাল নোয়াখালীতে তার এক দেবর DHL এ চাকরি করে, ওর সাথে যোগাযোগ করতে। পরে S.A পরিবহনে করে পাসপোর্ট নোয়াখালী পাঠালাম ওখান থেকে south africa মাত্র দশ হাজার টাকায়। thi is our bangladesh 🇧🇩 😆.
সরকারী চাকুরির আবেদন করার জন্য ব্যাংক ড্রাফট সম্পর্ণ করার জন্য এবং আবেদন করার পেপার্স গুলো সত্যায়িত করার জন্য উপজেলা কার্যালয়ে যায় তখন বিকাল ৩ টা দায়িত্ব রত কর্মকর্তা বসে ফোন টিপিতেছে আমি গিয়ে ওনাকে সব খুলে বললাম তখন তিনি একটি ফাইল খুলে মনোযোগ দিয়ে কি দেখিতেছেন এবং আমাকে বললেন এখন ব্যাস্ত আছি পরে এসো আমি বললাম স্যার ৫ টায় তো অফিস বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবো তখন তিনি বললেন পরের দিন আসবে এই বলে তিনে আমাকে বিদায় করে দিলেন আমার কাজটি করতে ওনার সময় লাগতো সর্বোচ্চ ২ মিনিট রুম থেকে বের হয়ে দরজায় আসলাম তখন ওনার পাশে বসা ব্যাক্তিও আসলে এবং আমাকে বললেন ৫০০ টাকা দাও আমি ওনাকে রিকোয়েস্ট করে দেখি ৫০০ টাকা দিলে হয়তো কাজটি করে দিবেন তখন আমি একরকম বাধ্য হয়ে ৫০০ টিকা দিলাম এবং তিনি হাসি মুখে পেপার্সে সই করলেন
আমার নাম তোবা,আমি ১০ম শ্রেনিতে পরি,আমি স্কুলের ফি দিতে বাড়ি থেকে ৫০০টাকা নিয়ে যাই, কিন্তু দূরভাগ্য ক্রমে আমার টাকা টা হারায় যায়! কিন্তু পরের দিনে আমার স্কুলের একটা ছোট বোন টাকাটা পেয়ে লাইব্রেরীতে দিয়ে আসে,আমি খবর পেয়ে টাকাটা আনতে যাই,গিয়েই পরি একটা ঝামেলায় স্যাররা বলেন এই টাকা নিতে হলে তাদের ৫০%টাকা দিতে হবে নইলে আমাকে টাকা দিবে না,😔 কী আর করার আমি ২০০টাকার মিস্টি কিনে দিয়ে আমার ঐ টাকা নিয়ে আসতে হয়েছে!
আমি একজন ডিগ্রি পরিখারতি প্রথম বছরে আমাকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি হারায় ফেলছে আমাকে বলছে পথ দ্বিতীয় বর্ষে দিবে দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় বর্ষ তারা কার্ড দেয়নি এখন আমি ফাইনাল দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা দিয়েছি রেজাল্ট এখনো বের হয়নি সামনে মাসে বের হবে তার আগে থেকে আমি রেজিস্ট্রেশন কার্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে যাচ্ছি কিন্তু তারা আমাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটা উল্টো টাকা দাবি করতেছে