অনলাইন কর (খাজনা) এ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে ঘুষ দাবি করন
অনলাইনে কর (খাজনা) পরিষোধের জন্য অ্যাকাউন্ট করতে গেলে ১৫০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি ১০০ টাকা পরিষোধ করেছি।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনলাইনে কর (খাজনা) পরিষোধের জন্য অ্যাকাউন্ট করতে গেলে ১৫০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি ১০০ টাকা পরিষোধ করেছি।
নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিল্ডিং এরিয়ার কিছুটা বাইরে সাবস্টেশন টি বসানো হয়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ই এল বি সার্টিফিকেট দিতে অসম্মতি জানায়। কিন্তু আমরা যদি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নগদে তাকে পরিশোধ করি তাহলে যেমন আছে ঠিক এমন অবস্থায় ই সার্টিফিকেট প্রদান করবে বলে জানান। কিন্তু আমরা উক্ত অর্থ দিতে অসম্মতি জানাই এবং সঠিক জায়গায় বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
My father was a retired school teacher died in August 2022 and my mother was eligible for pension since then. The office did not make the payment unless I had paid TK20000 on April 2026. The Govt Office is fully corrupted and officers needs to be punished.
১২০ শতক নামজারি করতে ১ লক্ষ ৮০ হাহাজার দেওয়া হইছে।
আমি বিমান বাহিনী তে নতুন গাড়ি চালক পদে চাকরিতে জয়েন করেছি।আমার চাকরি ৫ মাস রানিং চলে আমার বেতন চালু করতে বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স একাউন্ট সদর দপ্তর যোগাযোগ করতে গিয়েছিলাম। তারা আমার বেতন চালু করতে ২০০০ হাজার টাকা নিয়েছেন
I have deposited 1 lakh taka with the Department of Family Planning headquarter kawran bazar for my wife's transfer.
আমি ইতালির একটি দূতাবাসে সেম পারসোন সারটিফিকেট করতে গেলে ৫০০ইউরো ঘুস চাওয়া হয়
Amar sob document thik chilo but ora sudu bul dore . Dalal chara ekahne kaj kora jai na .
আমার একটি অটো রিক্সার গ্যারেজ আছে। অটো রিক্সা ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়ি থামিয়ে বললেন রং পার্কিং হয়েছে। এজন্য অর্থ দিতে হবে না হয় মামলা দিয়ে দেব তাই আমি ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি নামজারির জন্য আবেদন করছি ওনি আমার থেকে ২০০ টাকা নিছে পরে শুনানির জন্য আরো ৫০০ এখন সব শেষে বলে আমাকে ৭৫০০ টাকা দিয়ে যান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ৪০ নং ওয়ার্ডের মাজুখান মৌজায় একটি হোল্ডিং নং এর মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের তালুটিয়া অফিসে যোগাযোগ করলে জানানো হয় যে, বাড়িটির ক্রয় মূল্যের ১% সমমান ৩০ হাজার টাকা লাগবে। তবে ২০ হাজার টাকায় করে দেয়া যাবে।
আমার কাছে এসিলেনট অফিসের নাজির সাহেব সবার সামনে টাকা চেয়েছেন।কিছু করার নাই সবাই টাকা দিয়ায় কাজ করে।আমি আর কি করবো বলেন।
অনিয়ম ও দুর্নীতি উৎকোচ/ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানি বিভিন্ন ফাইল ও অনলাইন কাজের জন্য অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ কর্মক্ষেত্রে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ
আমার বাবার জমি বাঁধের আওতাভুক্ত হয় জমির টাকা উত্তোলনের জন্য ভূমি অফিসে যান সেখানে গিয়ে জানতে পারেন প্রতি ১ লক্ষ টাকার জন্য আমার বাবা ও তার ভাই,বোনদের পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হবে এছাড়া টাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং জমির ফাইল পাস হবে না।
কেসে রায় হওয়ার পরও ৪ মাস কেটে গেছে কিন্তু আজও রেকর্ড সংশোধনী হয়নি। ইতোমধ্যে ১২০০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ফলাফল শুন্য। অথচ রায়ে বলা আছে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন করতে। ভুমি রেকর্ড রুমে বারবার যোগাযোগ করে একজন অফিসের স্টাফ বলেছেন শতক প্রতি আরও ১০০০ করে টাকা লাগবে নতুবা রায়ের কোন দাম নাই। টাকা দিলেই দাম হবে।
আমার পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দেওয়ার সময় অফিস কতৃপক্ষ জমা নেয় না, বলে একটা কাগজে সমস্যা, কিন্তু আমার সাথে পাসপোর্ট করতে আশা অন্য লোকদের দেখলাম আমার মতো কাগজ একই কিন্তু তাদের টা জমা নেওয়া হয়েছে, আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম আমার টা জমা নেয় না কেন কি সমস্যা, তখন একজন বললো তুমি কি দালাল ছাড়া আসছো, আমি বললাম হুম, তখন আমি বের হয়ে গেলাম এমনি এক দালাল বললো তোমার সমস্যা আমি সমাধান করে দিবো ২০০০ হাজার টাকা দিবা পরে আমি ১৫০০ টাকা দিবো বলে ঠিক করে তারপর উনি আমার আবেদন কপিতে একটা কিছু লিখে দিছে তারপর অফিস জমা নিছে।
সেবাটি জমি নামজারি করার বিষয় ছিলো, টাকা সরাসরি চাইছিল পেমেন্ট দেওয়ার পরে কাজ হয়ে গেছে।
প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য শিক্ষককে দিতে হবে
সিটি কর্পোরেশনে চাকরি দেয়ার কথা বলে 5 লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের উর্দ্ধতন এক কর্মকর্তা। টাকা পরিশোধ করলেও সে কোন চাকরি প্রদান করেনি।