পাসপোর্ট বানানো
পাসপোর্ট বানানোর জন্য অক্ষরে অক্ষরে সকল কাগজ ঠিক নিয়ে যাবার পরেও এটা সেটা ভুল ধরে আমাকে ২ দিন ফেরত দেয়া হয়। পরে ৩য় বার ফেরত দিলে, বাহিরে এসে ১৩০০ টাকা দেয়া মাত্র ভিতরে নিয়ে গিয়ে সেইম একই কাগজ দিয়ে কয়েক মিনিটেই ছবি ও ফিঙ্গার হয়ে যায়।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট বানানোর জন্য অক্ষরে অক্ষরে সকল কাগজ ঠিক নিয়ে যাবার পরেও এটা সেটা ভুল ধরে আমাকে ২ দিন ফেরত দেয়া হয়। পরে ৩য় বার ফেরত দিলে, বাহিরে এসে ১৩০০ টাকা দেয়া মাত্র ভিতরে নিয়ে গিয়ে সেইম একই কাগজ দিয়ে কয়েক মিনিটেই ছবি ও ফিঙ্গার হয়ে যায়।
পাসপোর্ট এর পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে। এসবি পুলিশ কল দেয়। তারপরে কাগজপত্র নিয়ে গেলে পর, থানা থেকে আরেক জায়গার ঠিকানা দেয়। একটা বাসার। সেখানে গেলে ওইখানে এসবি পুলিশকে পাই। সব কাগজপত্র দেওয়ার পর বলে, এগুলা পাঠাতে তো খরচাপানি আছে। তারপর ১৫০০ দাবি করে। সর্বশেষ ১ হাজার টাকা নেয়। নাহলে ভেরিফিকেশন নেগেটিভ পাঠাবে। অর্থাৎ বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগে।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে গ্রহন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়।
আমার পক্ষে হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় থাকার পরও ভিপি কেসের নামজারি করাতে ৫০,০০০/ টাকা দাবি করেছে আমি দেইনি বলে নামজারি বাতিল করে দিয়েছে আর অন্য একজন ৪৯০০০/ টাকা দিয়েছে বলে তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
এটা হল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিস সেখানে আমি আমার নিজের জায়গার নামজারি করতে গিয়েছিলাম বিভিন্ন তারাভিবিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার ফাইল রিটার্ন করে দিত, এভাবে আমাকে প্রায় তিনবার আবেদন করতে হয়েছে তারপরও আমি নামজারি করতে পারিনি। একেক বার একেক সমস্যা দেখায়, পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারলাম যে এটা আমি নিজে করতে পারবো না দাঁডরাল ধরতে হবে তখন দালালের মাধ্যমে যে নাম জারি করতে ১১০০ টাকা লাগে ওই নাজারি করতে হয়েছে পনের হাজার টাকা দিয়ে আমি তো নিরুপায় কি করব নাম জারি আমার করতেই হবে তাই দিয়েছি। নাম জারি করার পর এখন খাজনা দিব আরেক সমস্যা খাজনা আমার আসছে ৯০০০ টাকা সেখানে তারা প্রায় আমার টাকার ৪গুন বারিয়ে জরিমানা লেখে রাখছে সবমিলিয়ে জরিমানা দিয়া দেখাইতেছে আমার ৩০ হাজার টাকা আসছে খাসনা, ওই খাজনাই দালালের
টিএ ডিএ বিলের টাকা খেয়েছে। তাদের ৫% না দিলে ফাইল নড়ে না।
আমার ফ্ল্যাটটি ভূমি অফিসে রেকর্ড আছে কিনা যাচাই করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ডিসি অফিস থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি রাগা রাগি করে ৩০০০ টাকা দিয়ে ১সপ্তাহ ঘুরে রিপুর্ট নেই।
এক ব্যক্তি আমার থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে এখন আর কল ধরতেছে না বাড়িতে নাই চলে গেছে এখন পুলিশের কাছে গিয়ে মামলা করার পরে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে টাকা উদ্ধার করার জন্য আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাচ্ছে আমি দিনে-বিধে আমার মামলা যে এখনো পেন্ডিং অবস্থায় আছে আজকে প্রায় দেড় বছর এখনো এ মামলা নিয়ে কোন কাজ করা হয়নি
ঠাকুরগাঁও পাসপোর্ট অফিস আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট আবেদন করি তিনট আমি, আমার বোন ও আমার ভগ্নিপতি । ভগ্নিপতি ব্রেন স্ট্রোক করার কারনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চাইছিলাম দালালের মধ্যে না করাতে প্রায় তিন মাস হয়ে যাচ্ছে এখনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়নি😭 মোট ছয় বার গেলাম তারা বলেন আজকে এটা বানান ভুল এরপর বলে এটা ভুল কিন্তু সমাধান দেইনি টাকা অলরেডি পেমেন্ট করে দিছি এখন বলতেছে এটা আর হবে না কিন্তু পার্শ্বের কম্পিউটারের দোকানদার বলে হবে 2000 টাকা করে লাগবে লাস্ট দর কষাকষি করে 1200 করে 3600 টাকা দরদাম হয়েছে আমি এখনও টাকা দেইনি এদিকে রোগীর খুব সমস্যা প্যারালাইসিস এক হাত ও এক হ্যাঁ অচল বয়স 34
আমার এপ্লিকেশন ডেট ভুল ছিল তাই বলছি নতুন করে আবেদন করে আসতে অনেক সময় লাগবে ক্যানসেল করে দিতে তারা বলছি যদি টাকা দেই তাহলে আর কিছুই করতে হবে
ভিসা সংক্রান্ত কাজ এর জন্য মেডিকেল রিপোর্ট লাগে আর সবকিছু পরীক্ষার পর সিভিল সার্জন এর সিল & স্বাক্ষর লাগে সত্যায়িত করার জন্য। আমাকে সেই স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হয় অফিস এর সহকর্মী এর কাছে।
টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়েছে যেই টাকা দিয়েছি সাব সমাধান হয়েছে
আমাদের প্রতিষ্ঠানের তিনটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি, দুইটা গত বছর নবায়ন করা হয় নাই। জরিমনা দিতে হবে না কিন্তু ত্রিশ হাজার টাকা ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন করবে না।
আমরা নতুন সরকারি কর্মচারী, প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী প্রতি ৩ বছর পরপর শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ছুটির পাশাপাশি একটি মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকে তো সেই অর্থ সরকার কর্তৃক আমাদের পরিশোধের জন্য হাসপাতালে চেকপ্রদান করে, হাসপাতালের প্রধান সহকারী টাকা উত্তোলন করে আমাদের সবার নিকট হতে সর্বনিম্ন ৬৮০ টাকা হতে ১০০০ এর উপর টাকা কেটে রেখে দিয়েছে টোটাল কর্মচারি ছিল ৩৯ জন
পৌরসভার রাস্তার ডেনের জন্য ২ শতাংশ জায়গা নিছে ৫০০০০ টাকা দিছে বাকি টাকার খবর নাই
কিশোরগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম নতুন পাসপোর্ট করতে। অনলাইনের ফর্ম ফিলাপ করে, সব ডকুমেন্ট নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা রিজেক্ট করে। তখন সিলেট জব করতাম। সিলেট থেকে কিশোরগঞ্জ গিয়ে ছিলাম ৩বার এই পাসপোর্ট করার জন্য। ২বার রিজেক্ট করে। ৩য় বার দালালরা বলে আমাদের ১৫০০ টাকা দিন আমরা আজকের মধ্যেই সব ওকে করে দিচ্ছি। যেই কথা সেই কাজ। টাকা দিলাম এখন সব ওকে।
Epz কুমিল্লা, এখানে দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্য বানিয়ে রেখেছে। বাহিরের কোন সাপ্লায়ার কাজ করতে গেলেই তাদের কে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কিছু করা যায় না।
পরিচ্ছন্ন কর্মিরা বেড ফাঁকা থকার পরেও উঠানোর জন্য ঘুষ দিতে হলো আর ব্যবহার তো নিক্রিষ্ট
আমার School থেকে Testimonial নিতে গেলে ৫০০ টাকা দাবী করে । পরবর্তীতে রিকুয়েস্ট করে ৩০০ টাকা দিয়ে নিয়ে এসেছি । আমার প্রশ্ন Testimonial নেওয়ার জন্য কোন টাকা দিতে হবে ? এবং পরবর্ততী আবার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য কী টাকা দিতে হবে ?
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।