এরিয়ার বিল (বেতন) নিতে ১০% হারে ঘুস দাবি
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।
19,084 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি ও আমার ৪ কলিগ বকেয়া বেতন এরিয়ার হিসেবে পেয়েছিলাম। টাকা ছাড় করতে আমাদের ১০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।টাকা না দেয়া পর্যন্ত বিভিন্ন হয়রানি করেছে।
জমির নামজারি খারিজ করার জন্য জমা করি সরকারি ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়।
Amar baba, Maa'r passport korar jonno 2500 tk ghush dewa lagse
Driving license korar jonno ghush dite hoyeche 7000tk. tk na dile license hobe na brta Ekuria office a tai এই tk diyechilam.
আমি খাজনা যে নাম্বার পরিশোধ করি সেই নাম্বার ভুলে গিয়েছিলাম। সেই নাম্বার রেব করার জন্য ১00 টাকা নিয়েছে।
সবকিছু শতভাগ সঠিক থাকার পর ও নানানভাবে নানা ইস্যু দেখিয়ে হয়রানি করে।অসুস্থ মাকে নিয়ে অনেকক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করেও শেষ পর্যন্ত ঘুষ দিয়েই কাজ করাতে হয়েছে
আমি জমির খাজনা মিটিয়ে মিউটিশন করতে গিয়েছিলাম,তারা বললো ৭৫০০ টাকা খরচ হবে।আর যদি ১৫ দিনের মধ্যে করে দেয় তাহলে ২৫০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হবে।
আমি পাসপোর্ট করতে যাই। অনলাইনে আবেদন করার পর যে সব কাগজ পএ দিছে! ওই গুলা নিয়া যায়। তখন সকাল ১০ টা থেকে ২ টা পযন্ত দারিয়ে থাকার পর ও সিরিয়াল পাই না। কাজগপএ জমা দিতে পারলাম না। কিন্তু যারা আমার পরে এসে চলে যাচ্ছে ফাইল জমা দিয়ে। তাদের মধ্যে আমি একজনকে জিগাইলাম। আপনি ভাই এখন এসে এত তারাতারি কিভাবে জমা দিলেন ভাই। ওনি আমাকে বললো বাহির থেকে মাল দিয়ে আসলে আপনার ও সারা দিন দরে দাড়াই থাকা লাগতো না। পরের দিন আমিও দালাল কে ১৫০০ টাকা দিই ১০ মিনিটের মধ্যে আমার কাগজ ও ওই দালাল জমা দিয়ে দেয়।
সেবাটি ছিল নাগরিকত্ব সনদ উত্তলোন। টাকা সরাসরি চায়না কিন্ত নাগরিকত্ত সনদ নেওয়ার জন্য অনেক হয়রানী করা হয়েছে যেই সেবাটা আগে আমরা 10 মিনিটে পেতাম সেটা এখন 15 থেকে 1 মাসেও হচ্ছে না। পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে হয়রানী করা হচ্ছে এমনো প্রমান রয়েছে যে নাগরিকত্ব সনদের জন্য আমাদের শ্রীপুর পৌরসভায় গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য 500 থেকে 1500 টাকা পর্যন্ত থানার পুলিশ ভেরিফিকেশন অফিসার ঘুষ চায়। টাকা না দিলে জমা ফরম হারিয়ে গেছে বলে জানায়।
আমার কলিং আমার কাছে ৫৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিল, কিন্তু সে সেটা পরিশোধ না করে চাকরি ছেড়ে তার বাসায় পালিয়ে যাই। সে টাকা উদ্ধারের জন্য আমি থানায় জিডি করেছিলাম। এবং সেটা একটা এস আই এর হাতে পড়েছিল। এসআই আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার কাছে তখন এক হাজার টাকায় ছিল। আমি রকেটে টাকা দিতে চাইলাম কিন্তু সে রকেটে নিবে না বিকাশও নিবে না। শুধু হ্যাং ক্যাশ নেবে। পরবর্তীতে আমার কাজ না করেই টাকাটা মেরে দিল। পরে বুঝলাম সে আসলে বিকাশে টাকা নিতে চাই নাই কারণ সেখানে ডকুমেন্ট থেকে যাবে।
আমি আমার মোবাইল দিয়ে ই- পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে একটি আবেদন করি ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট এর। সরকারি নির্ধারিত ফি ৫৭৫০৳ সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। এমন কোনো ডকুমেন্টস নেই যা আমার কাছে অনুপস্থিত ছিল না, এক কথায় যা যা প্রয়োজন সব সাথে ছিল। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসে আমার ফরম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে একেবার একেকটা অহেতুক সমস্যা উল্লেখ করে। পরবর্তীতে আমার বড় ভাই অফিস সংলগ্ন এক দালান কে হেল্প করতে বললে সে বলে ১১০০ টাকা অফিস ফি আমাকে ৫০০ দাও আমার রেফারেন্স দিব সাথে সাথে সব কাজ হয়ে যাবে। যেই কথা সেই কাজ, আমার সেইম ফাইল অফিসে এক কর্মকর্তার নিকট জমা দিলে সাথে সাথে আমার ইনরোলমেন্ট হয়ে যায়। বি:দ্র: উক্ত অভিযোগ নতুন নয়। উপর মহলের ইশার দালাল আর অফিস কর্মকর্তার রমরমা ব্যবসা চলছে।
আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য আমি চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা আমার কাছে এলার্ট ফি নামে ১৮০০ টাকা দাবি করে যা ঘুষ হিসেবে গন্য, আমার পুরাতন পাসপোর্ট থাকা সত্বেও ব্যাংকে সরকারি ফি দেওয়ার পর তারা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে এমতাবস্থায় আমি ১৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি, যা ১৬১ দ্বারা মূলক দণ্ডনীয় অপরাধ।
গাছা ভূমি অফিস, গাজীপুর অফিসে অনলাইনে আবেদন করে জমি খারিজ করতে গেছিলাম ৮ শতক জায়গার। ভূমি অফিসের এক লোক আবেদনের কাগজ পত্র বের করে দেখে ১,০০০০০ টাকা দাবি করে। অনুনয়বিনয় করলে ৬০০০০ হাজার বলে যা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিলো না, যার কারণে বাধ্য হয়ে চলে আসি। আজ ৮-৯ মাস হয়ে গেলো আমার খারিজ করতে অসস্তি লাগছে।
নাগরিক সনদ অনলাইন সার্ভারে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর হালকা। অনলাইনে যেমন থাকবে, তেমনইতো আসবে। এটায় নাগরিকের তো ইচ্ছা মত কোন স্বাক্ষর দিতে পারবে না।। তার করনে অনলাইনে চেক দিলে হালকা আসে। এর জন্য ১৫০০ টাকা আনসার কে ঘুস দিয়ে পাসপোর্ট করা লাগছে।। নাহলে নাকি জমা হবে না।।
বর্তমানে গর্ভবতী ভাতার জন্য আবেদন করা যাচ্ছে যেটি প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে দিয়ে থাকে ৩৬ মাস পর্যন্ত এটার জন্য যে কোন মানুষ আবেদন করলে তাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছে 2000 থেকে শুরু করে 5000 টাকা পর্যন্ত। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ না করলে তারা আবেদনটি অনুমোদন দেয় না পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা। আমার থেকে ৩ হাজার টাকা চাওয়া হলে দুই হাজার টাকা দিয়ে আসি
আমার ব্যক্তিগত জায়গা দখল করে সরকারি রাস্তা তৈরি, সে জায়গায় সরকারের নিয়ম অনুসারে আমার যে অর্থ পাবার কথা অসংখ্য গাছ নষ্ট করার কারণে তার অর্থ আমাকে দেয়া হয়নি যে কারণে আঞ্চলিক জজ কোর্টে মামলা হয় পরবর্তীতে আসামি পক্ষের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঘসির মাধ্যমে আমার মামলাটি ইনজেকশন জারি হওয়ার পরেও বিনা কারণে খারিজ করে দেয়া হয়। এর পিছনে কাবাব শাড়ির লোক ও বিপুল পরিমাণ ঘোষ বাণিজ্য পরিচালিত হয়েছে কিশোরগঞ্জ কোর্ট।
License Renew korar somoy fire exit plan nqa tahakay ey tk dewa hoye che companay theker
আমার বাসা হচ্ছে ঠাকুরগাঁ। বর্তমান থাকি নীলফামারীতে। কিছুদিন আগে এখানে পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমার সব কাগজ নিয়ে গিয়েছিলাম কাগজ পাত্তি সবই ছিল তবে তবে ভিতরে যায় আমাকে বলল যে তোমার পাসওয়ার্ড এখানে হবে না তুমি ঠাকুরগাঁও চলে যাও। তো তারপরে আমি বাইরে আসে এক দোকানের সাথে কথা বললাম যে যারা আর কি পাসপোর্ট এপ্লাই করে তাদের সাথে কথাই বলার পর তারা বলল যে হে তোমার এখানে পাসপোর্ট করা যাবে ১৭০০ টাকা লাগবে। পরে তিনি বলল 1700 টাকার ভিতরে ওনারা নিবে ৭০০ টাকা আর পাসপোর্ট অফিসে ওখানে কাকে জানি দিবে 1000 টাকা।
আমার বাবা-মা আমাদের ভাই বোনদের মাঝে সম্পত্তি ভাগাভাগি করে দিয়েছেন। সেই মর্মে আমরা দলিল লেখকের শরণাপন্ন হই এবং পরবর্তীতে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য সাব রেজিস্টার এর অফিসে যাই। দলিল লেখক এবং সাব রেজিস্টার বিভিন্ন উপায়ে আমাদের কাছে অতিরিক্ত প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক সময় নষ্ট করেছেন। বারবার আমার অসুস্থ বাবা মা কে হাজিরার নাম করে ডেকে সাব রেজিস্টার এর অফিসে হেনস্থা করেছেন।
টাকা না দিলে জীবনে পাসপোর্ট পাবনা।