পাসপোটে জনাম তাখির ভুল ছিল
টাকা না দিলে জীবনে পাসপোর্ট পাবনা।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা না দিলে জীবনে পাসপোর্ট পাবনা।
কয়েকদিন আগে আমার আম্মা উমরাহ করার জন্যে যেতে চাইলে, আমরা নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাই, গিয়ে দেখি দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করা সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে দালালকে সরকারি ফি ছাড়াও, ছয় হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এবং দালালের কথা হলো এই টাকা সে একা নিবেনা, উপরমহল পর্যন্ত যাবে।
সেবা জন্ম নিবন্ধন করতে স্থায়ী জায়গায় নাহ থাকায় স্থায়ী ঠিকানা হবে এতে জন্ম নিবন্ধন ও হবে নাহ।মানে টাকা দিলে সব হয়।
আপনাদের সাইটটি সীমাবদ্ধ হওয়ার কারণে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না । এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর , রোডস্ এন্ড হাইওয়ে, ত্রাণ ও দূ্র্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর , পানি উন্নয়ন বোর্ড ,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর , গণপূর্ত সহ যতগুলো প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সব প্রতিষ্ঠানের সকল ঠিকাদার কে কোন কাজ পেলে কার্যাদেশ নেয়ার জন্যে প্রকল্প পরিচালককে বা ক্ষেত্রমত তার অধন্তন কর্মকর্তার কাছে দপ্তর ভেদে .৫%- ২% পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। তারপর কাজ শুরু করার সময় সাইট বুঝে নিতে উপসহকারী প্রকৌশলীকে একটা টাকা দিতে হয়। সেটার অবশ্য নির্দিষ্ট পারসেন্টেজ নেই । কাজ চলমান থাকাকালীন বিভিন্ন অজুহাতে দায়িত্বরত প্রকৌশলীকে ঘুষ দিতে হয়। নতুবা বিভিন্ন অজুহাতে কাজে বাধা সৃষ্টি করে । কাজ শেষে বিলের জন্যে ৪-১২%
মটর সাইকেল ড্রাইভিং ও গাড়ি রেজিস্ট্রেশন এখন টাকা ছাড়া হয় না।
তারা হাতে টাকা নেয় না.. দালালা মাধ্যমে টাকা
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট করতে যাই তখন সব ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা ভিন্ন অযুহাত দেখায় যার কারণে আমি পাসপোর্ট করতে পারিনি তখন আমি পাসপোর্ট অফিসের পিওনের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা বেশি দিয়ে পাসপোর্ট করি
licence er jonno porikkhai pass koranor jonno 3k chaise,,, tk na diyar 20m dhore viva dhore fail korai dise jara tk dise tara ekta ans dilei pass korai disee,,, eder tricks vaa viv alar kivabe jane setau buschi lurner er signature ekta thake dag er opor ekta thake nice jara tk dei tader thake dag er opr jara deina tader thake niche
জমি বিক্রির জন্য জমি খারিজ করা প্রয়োজন ছিল। দলিল, পর্চা, নকল ইত্যাদি নিয়ে জমি খারিজ করতে যাই আমরা। মূল ফি ১১০০ এর মতো ছিল। অনেক দাবি করেছিল। শেষ পর্যন্ত ৬০০০ হাজারে ঠিক হয়। এখানে এটা ওপেন সিক্রেট। ৪০০০/৫০০০ হাজার থেকে ৮০০০/১০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে জমি খারিজ করাতে হয়।
আমার আয় কর ফাইল অডিটে পড়েছে। শুনানি জন্য চার বার যেতে হয়েছে। সব ডকুমেন্ট দিয়েছি। কিছু টাকাও দিয়েছি। ব্যাংক স্টেইটমেন্ট দেখে বলেছিল Bank Reconciliation দেন, দিলাম। আমার টেক্স দেওয়া নগদ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে Bank Transfer মাধ্যমে কাউকে টাকা ধার দিয়েছিলাম, পরে সেই টাকা আমার একাউন্টে জমা দিয়ে টাকা ফেরত দিয়েছিল। এখন অফিসার বলিতেছে আপনার একাউন্টে যাহা জমা হয়েছে সবটুকুর উপর কর দিতে হবে। অতপর সার্কেল অফিসার পজিটিব রেজাল্ট দিয়েছিল কিন্তু রেঞ্জ অফিসার এই রিপোর্ট বাতিল করে ব্যাংকে যত টাকা জমা হয়েছে কর দেওয়া এমাউন্ট বাদ দিয়ে বাকিটুকুর উপর কর প্রদান করার জন্য আদেশ দিয়েছে। আমার ভুল এখানে উনাকে কিছু দিতে পারিনি। পরে শুনলাম তিনি টাকা ছাড়া কাজ করেন না। এখন এই চিঠির জন্য অপেক্ষায় আছি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আমার রোগীকে কুমিল্লা বাড়ি নিয়ে যেতে বাহিরের এম্বুলেন্স ভাড়া করে নিয়ে আসি ৪০০০ টাকা।কিন্তু রোগী অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর সময় কিছু অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার যারা ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশেই থাকে তারা তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া বাহিরের কোন এম্বুলেন্সে রোগী নিতে দিবে না এবং তাদের ভাড়া ১০ হাজার টাকা দাবী করে যা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি।
আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে (NID) জন্মতারিখ ভুলভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আমার প্রকৃত জন্মতারিখ ৫ নভেম্বর ১৯৬৭, কিন্তু NID কার্ডে ভুল করে ৫ নভেম্বর ১৯৭৬ দেওয়া হয়েছিল। এই ভুলের কারণে প্রায় ২ বছর ধরে আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ঘুরতে হয়েছে। সেখানে আমাকে বলা হয়েছিল, জন্মতারিখ সংশোধন করতে ১,৫০,০০০ (এক লাখ পঞ্চাশ হাজার) টাকা খরচ হবে। পরবর্তীতে ইউনূস সরকারের সময় আমার NID-এর জন্মতারিখ সংশোধন করে দেওয়া হয়। তবে এ কাজের জন্য আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। ভুল জন্মতারিখের কারণে আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে।
প্রাইমারি স্কুলের বরাদ্দে, স্কুল কতৃপক্ষ কাজ করা সত্তেও সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি। যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, ১০০% কাজ হওয়া সত্ত্বেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে টাকার ভাগ না দেওয়ায় দুই বছর যাবত টাকা আটকে রেখেছে। এবং মহিলা শিক্ষকদের সাথে খারাপ ব্যবহার ও হয়রানি।
আমার আসামির পিসি কার্ডে জমা দেওয়ার জন্য টাকা দিলে টাকা জমা না করে ১০০০/- টাকা খাই ফেলে, এবং কাপড় আর নাস্তা দেওয়ার জন্য ১০০০/- টাকা ঘুষ নিয়েছে।
আমার শশুর প্রবাসে দীর্ঘদিন যাবত থাকে। বয়স প্রায় ৫৫ বছর। ওনার পাসপোর্ট আছে কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র নাই। প্রবাস থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিল। জমি কেনা-বেচা সম্পর্কিত একটি কাজে ওনার জাতীয় পরিচয় পত্রের প্রয়োজন হলো। তাই উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়েছিল জাতীয় পরিচয় পত্র করার জন্য। কিন্তু ওনারা বিভিন্ন কারন দেখিয়ে হয়রানি করলো। তারপর অনেক কথা বলার পরে, ৭০০০ টাকা দেয়ার বিনিময়ে জাতীয় পরিচয় পত্র করে দিতে সম্মত হয়। আমাদের জরুরী প্রয়োজন থাকাতে টাকা দিতে রাজি হয়। পরে তারা ঐদিনেই ছবি তুলে এবং কিছু দিন পরে জাতীয় পরিচয় পত্র দেয়।
আমার বাবার নামে একটি ফ্লাট এর খতিয়ান রেকর্ড তুলতে গেলে, এবং একটি কপি চাইলে দীর্ঘ তিন মাস টালবাহানা করে এই টাকা দাবি করে।আমি ইতালি প্রবাসী। বাবার মৃত্যুর পর ঐ ফ্লাটের দলিল না পেয়ে বাধ্য হয়ে এই টাকা দিয়ে দলিল তুলি।
নামজারি করার জন্য বলতেছেন এখানে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে তাহলে হয়ে যাবে না হয় অনেক ঘুরাঘুরি করতে হবে পাশাপাশি দেরি হবে এই হলো অবস্থা সবচেয়ে বেশি ভূমি অফিসে ঘুষের বানিজ্য হয় আমি চাই এই অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাড়ি জমি জমার ও তার বেতনের টাকা এর হিসাব নেওয়া বাংলাদেশ টা ঘুষের মাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে এর থেকে আমরা রেহাই চাই।
আমি বিকাশে টাকা প্রেমেন্ট করেছি কিন্তু তারা বলে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না আমার কাছে টাকা জমা দেওয়ার বিকাশ প্রেমেন্ট রিসিট আছে বলে চালান লাগবে বলে কম্পিউটার দোকানে যাও, যাওয়ার পরে কম্পিউটার দোকানদার বলে 2000হাজার টাকা দিতে হবে এবং অফিসে 1500 আর আমি চালান এনে দিবো 500 সর্বমোট 2000টা । এরক হলে কি আমরা গরিব কীবাবে বাঁচব।
সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ টাইফয়েড টিকাদানের বরাদ্দকৃত টাকা অফিস কর্তৃক প্রতি ইউনিয়ন এ ১০ হাজারের বেশি করে দূর্নীতি করা হয়। ফেনীর অন্য উপজেলার সাথে সোনাগাজীর ইউনিয়ন গুলো প্রায় ১০০০০+ টাকা কম পায়। ৯ টা ইউনিয়ন প্রায় ৯০ হাজারের বেশি টাকা তারা দূর্নীতি করে। স্বাস্থ্য সহকারীদের বঞ্চিত করা হয়। আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।
আমার পাসপোর্ট ক্লিয়ারেন্স করার সময় একজন সরকারি কর্মকর্তাকে (আমার থানায় দায়িত্বরত পুলিশকে)১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন ভেজাল্মুক্ত পাসপোর্ট চাইলে টাকা দিতে হবে। না হয়। উনার সাথে দেখা করতে হবে। মানে চলেবলে কৌশলে আমার থেকে উনি টাকা নিয়েই ছাড়ব্বন। অথচ তিনি সরকারি কর্মকর্তা।