নাম সংশোধন
কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসুত্রিতা, সময় লাগবে, ফাইলের খরচ
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসুত্রিতা, সময় লাগবে, ফাইলের খরচ
সেখানে তাদের দালানের মাধ্যমে গেলে কাজ হয় তা নাহলে কাজ করতে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।
১৮ তম নিবন্ধনে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর বেতন চালু করার জন্য টাকা দেয়া লাগছে। নাহলে সিস্টেম থেকে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফাইল সব কিছু ওকে থাকার পরেও( অন্যান্য কারন দেখিয়ে) রিজেক্ট করে দেয়। টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেতন চালু করা লাগছে। এটা শুধু আমার কথা নয়, হাজারো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শেরপুর জেলা নকলা খাশা থেকে সিসি লোন তোলার জন্য ৩০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়
গাজীপুর শ্রীপুর পৌরসভা ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার এই ঘুষ দাবি করেন,
সাধারন সরকারি দলিল খরচ এর থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়,, দলিল লেখক ও ভূমি অফিসের লোক সরাসরি জরিত
৫০০০টাকা দাবি করে ছিল ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি
বেতন-ভাতা বিল ফিক্সেশন ও যাতায়াত ভাতা বের করে দিবে বলে ১০০০ টাকা মিডিয়াকে দিয়েছি।
টাকা না দিলে মিউটেশন রিপট দিচ্ছিল না।
টাকা ছাড়া পাসপোর্ট বানাতে পারি নাই টাকা দিলে সবকিছু ওকে প্রতিটি আবেদন পেপারের নিচে পাসপোর্ট অফিসের কোন লোকের একই হাতের লেখা দিয়ে একটি তারিখ লেখা থাকে যেই পেপারের মধ্যে হাতের লেখা তারিখ লেখা থাকে ঐই ফাইলটি তারা গ্ৰহন করে আর অন্য গুলো ফাইলের মধ্যে তারিখ না থাকলে ফাইলের মধ্যে শুধু সমস্যা দেখায়
বদলি জন্য ঘুষ দেওয়া হয়েছিলো
শেরপুর শহরের ভিতর ৮ শতক জায়গা খাজনা খারিজের এর জন্য শেরপুর ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা ৪৫ হাজার টাকা দাবি করে। শেষমেষ ৩৫ হাজারে কন্টাক হয়। ২৫ হাজার দেওয়া হয়েছে বাকি ১০ হাজার বাকি আছে সেই ১০ হাজার দেওয়া হচ্ছে না বলে খাদিজের কাজ মাঝপথেই আটকে দিয়ে বাকি ১০ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলে কাজ আর এগোবে না বলে জানিয়েছে।
প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য একটা ভেরিফিকেশন লাগে পুলিশ ভেরিফিকেশন সেই ভেরিফিকেশন একবার করেছে চক্রটি আবার কাগজ হারিয়ে গেছে অজুহাত দেখিয়ে আবার ভেরিফিকেশন করতে হবে এই মর্মে সবার কাছ থেকে মোট সর্বমোট শিক্ষক ১২০ জন প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে দাবি করেছে ভেরিফিকেশন করে দেবে বেলকুচি থানা কর্মকর্তা দাবি করেছে এমনকি চাকরি স্থায়ী করানোর জন্য পরবর্তীতে আবার শিক্ষা অফিসার নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা দিতে হবে প্রতিটি শিক্ষককে
আলিগঞ্জ মৌজায় জরিপের কারণে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে আমি আমার কয়টি তো জমির বিডিএস জরিপে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে আমার সকল ডকুমেন্ট জমা দিন কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের ৪০০০ টাকা বলা হয় এর বিনিময়ে বিডিএস জরিপের সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা প্রদান করি
নামজারি করার আবেদন করতে গেলে তহশিল অফিসের লোক উক্ত টাকা চায়। আমি না দিয়ে চলে আসি।পরে অন্য মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করি।
নির্ধারিত টাকা ২০০ হতে ৩০০ টাকা মতো আসলেও ১০০০ টাকা দিতে হয়। এটা অন্যায়
মামলার নিস্পত্ত্যি হয়েগেসে৷ তবু ও নকল এর একটা কপি দেবে বলে ৫০০০ টাকা দাবি করে
যিনি নাজির ওনার টেবিলে উনি থাকেন না উনার সহকারী দুজন থাকে তাদেরকে যদি বলা হয় আমার অনলাইনে ডিসিআর এর টাকা জমা দিয়েছি পূর্বের খতিয়ান থেকে নতুন খতিয়ানে জায়গার পরিমাণ কি মাইনাস হয়েছে এই কথাটা জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে ওখানে মিস কেস করা হয়েছে ওখানে দিতে হয়েছে বিশ হাজার টাকা
সরাসরি আমাকে বলা হয়েছে
আমাদের এখানে ইউনিয়ন পরিষদ এ জে কোন কাজের জন্য তারা টাকা দাবি করে।যেমন জন্মনিবন্দন করা /সংশোধন /ইংরেজি থেকে বাংলা / বাংলা থেকে ইংরেজি,নাগরিক সনদ,মৃত্যু সনদ,মোট কথা সকল কাজের জন্য তারা সরকারি ফী ছাড়া আরও অতিরিক্ত টাকা চায় আমাদের কাছে। কেউ বাড়তি টাকা না দিলে তার কাজ করবে না বলে জানিয়ে দেয়।৫০ টাকার কাজ ২০০ টাকা নেয়, ফ্রি কাজ ১০০ টাকা নেয়।এদের কারনে সকল পর্যয়ের মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে