পাসপোর্ট বানানো
পাসপোর্ট বানাতে গেলে অফিস কর্মকর্তারা বাধা দেন। নানান অজুহাত দেখান। পরবর্তীতে দালাল ধরে গেলে এবং ২০০০টাকা দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করেন
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট বানাতে গেলে অফিস কর্মকর্তারা বাধা দেন। নানান অজুহাত দেখান। পরবর্তীতে দালাল ধরে গেলে এবং ২০০০টাকা দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করেন
নামজারী আবেদন করেছিলাম, বলেছিল হবে না। কিন্তু 8,000 টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলেছিল
visar sob kaj ami nije korechi but appointment er jonno tk nibe naile kaj hobe na
চরফ্যাশন কোটে আমার একটি জমি সংক্রান্ত মামলা করেছিলাম কোর্ট থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিলে এক মাসের মধ্যে জমি দলিল অনুযায়ী রিপোর্ট কোর্টে পেশ করার জন্য কিন্তু চরফ্যাশনের সরকারী সার্ভেয়া উক্ত জমি মাপায় বিলম্ব করেন। পরে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উক্ত কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছ থেকে ২০০০০টাকা দাবি করেন। আমি টাকা না দেওয়ায় তিনি উক্ত জমি আর মাপতে যান নি। অপর পক্ষের থেকে টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে রিপোর্ট করেন। চরফ্যাশন ভূমি অফিসে টাকার বিরাট বানিজ্য হয়। উক্ত ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কর্মকর্তারা কিছুিই বুঝেন না। যে খানে যাই সেখানেই টাকা দাবি করে। না দিলে কাজের ক্ষেত্রে কালক্ষেপন করে। সাধারন ভূক্ত ভুগী মানুষ এই সব কর্মকর্তাদের কারনে অতিষ্ট।
আমার বোনের বাচ্চা হয় অপরিপক্ক। শিশুটিকে আইসিইউ তে ভর্তি করাতে গেছিলাম। বলেছিলো সিট নাই। ১০০০ টাকা দিলে সিটের ব্যাবস্থা করে দিতে পারবে। পরে নানা রকম ভয় ভিতি দেখিয়ে সিট নিই।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গেলে কর্মকর্তারা আমার ফাইল জমা নেন নি। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ২০০০টাকা বেশি পাসপোর্ট বানাতে হয়
টাকা না দিলে পাস দেয় না,, আমার দেখা মতে ১০০ তে ১০ জনও টাকা ছারা পাস দেয় না
আমার গাড়ির ফিটনেস করারনোর জন্য বি আর টি এ কর্মকর্তা ২০০০ টাকা চেয়েছিল। শেষে ১২০০ টাকা দিতে হয়েছে।
Kroy kora jomir Nam-Jari korar jonne register officer er ghush khor officer amar ammu er kache 50000 taka dabi kore onnothay tara ata aager maliker name record kore diben bole voy prodan kore. baddho hoye amar ammu oi dabi kora taka diye asye.
জমি নাম জারি করার আবেদন করার পর আবেদন গ্রহণ করেনা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল
জমির সকল কাগজাদি ঠিক থাকার পরও সার্ভেয়ারের কাছে স্ট্রেসম্যাপ চাইলে উনি খরচাপাতি বাবদ টাকা চেয়েছেন।
খাজনা দিতে গেলে অতিথি টাকা দিতে হয়-যেমন রশিদ হবে ২০০০/ দিতে ১০-১২০০০/টাকা
আমি অনলাইনে জমে খারিজ করতে দেওয়ার পরে ভূমি অফিসে গেলাম হোল্ডিং খাতাতে ইনসি করার জন্য কিন্তু তখন সেখানে আমার থেকে দেড়শ টাকা চাই রশিদ দিতে রাজি হয় না পরবর্তীতে আমি সেটাকে না দিয়ে যে চলে আসি
১০ দিন পরের এডভ্যান্স টিকেট অনলাইনে না পেয়ে স্টেশনে কাউন্টারেও পাই নি। পরে এক দুইজন স্টেশনের গার্ড বললো টিকেট আছে। পরে ৪০০ টাকার টিকিট ৬০০ টাকা দিয়ে নিয়েছি। ১০ দিনের পরের টিকেট ও নিজেরাই ব্ল্যাক নিয়ে নেয়। আর আগে ভোটার কার্ড চেক করত। এই সরকার আসার পর ট্রেন কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ব্ল্যাক এর সাথে জড়িত। ভোটার কার্ডের চেক করে না।
আমি সরকারি ভাবে পাসপোর্ট এপ্লাই করি, টাকা জমা দি সকল কিছু ঠিক আছে তাও আবেদন জমা নিচ্ছে না, পরে দালাল কে ২০০০ দি করিয়ে নিলাম পাসপোর্ট। স্থান : লক্ষীপুর পাসপোর্ট অফিস
ঘুষ গ্রহনের নিমিত্তে ঈঙ্গিত প্রদান করেছিল।
LPR এর বিল ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও আজ ছয় মাস চলছে এখনো বিলটি পাইনি কারণ আমি তাদের চাহিদা কৃত অর্থ অর্থাৎ ঘোষ আজও পরিশোধ না করায় আমার বিলটি তারা পেন্ডিং রেখেছে
আমরা আবাসিক ভবনে কেন স্কুল করলাম রাজউক এসে আমাদের থেকে অঙ্গীকার নামা নিয়েছে যে আমরা যাতে রাজউকের অনুমোদন নিই তিন মাসের মধ্যে । আমি বললাম ঢাকাতে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান আছে আবাসিক বিল্ডিংয়ে । পরবর্তীতে তাদের লোক আমার সাথে communicate করে আর বলে টাকা লাগবে | জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা বললো পাঁচ লক্ষ |
হাত ভাঙ্গা রুগী নিয়ে হরিরামপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়,, সেখান থেকে বলে আগে এক্সরে করে নিয়ে আসেন.. হসপিটালের বাহির থেকে এক্সরে করায় পরবর্তীতে এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে দেখালে, তারা বলে ব্যান্ডেজ করতে হবে, বা প্লাস্টার। ১০০০ টাকা দিন, আমি তাদের জানায় কিসের টাকা, তারা বলে যাবতীয় খরচ বাইরে থেকে সব জিনিসপত্র কিনতে হবে প্লাস্টার করার জন্য, আমি নিরুপায় হয়ে তাদের সাথে আর কথা বাড়ায়নি,, ইমারজেন্সিতে আসা প্রত্যেকটা রোগের সাথে এই হসপিটালে এমন ব্যবহার করা হয়..
সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও দালাল ছাড়া পাসপোর্ট এর অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয় না। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে হয়েছে।