birth certificate
ghus chai samanno birth certificate korar jonno, pore na kore chole asi tarpor onno maddome kori
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ghus chai samanno birth certificate korar jonno, pore na kore chole asi tarpor onno maddome kori
৪৫০টাকার কাজ করতে ৩০০০টাকা লাগে এটাই আমার বাংলাদেশ। দুই কিলো লাইন থেকে পাঁচ কিলো বাড়িয়ে সাত কিলো করার জন্য এই অর্থ প্রদান, টাকা না দিলে আপনার কাজ হবে না, কিছুই করার নেই আমাদের।।
এনজিওদের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রত্যায়নপতের জন্য ডিসি অফিসে আবেদন করতে হয়, অনলাইনে আবেদন করেছি/ এরপর কাগজপত্র তলব করেছে/ সেগুলো জমা দিয়েছি, কিন্তু প্রত্যায়ন দেছে না. জানিয়েছে এটার একটা খরচ আছে এবঙ সকল সংস্থা জানে, এটার জন্য আবেদনপ্রতি ১০ হাজার টাকা দিতে হয় এবং সেটা দিলে তারপর প্রত্যায়নপত্র দিব
শরীয়তপুর এর গোসাইরহাট এ একটি বিদ্যালয়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ এসএসসি পরীক্ষার উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা প্রশংসা পএ আনতে 300 করে টাকা নেওয়া হয় , এবং টাকা না দিলে প্রশংসা পএ দেয় না ।
দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত বিরল থানার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে একটা জমির পর্চা বের করার জন্য ফি চায় ৫০০/- টাকা। যার সরকারি চার্জ মাত্র ১০০/-
license fees 20700bdt including Vat have to pay 5000 bdt each to deputy director, assistant director and inspector. total 36000 instead of 20700.
আমি জামাল খান এলাকার একজন বিদ্যুৎ গ্রাহক। আমার বিদ্যুৎ হঠাৎ চলে যাওয়ার পর , বিদ্যুৎ অফিসে বার বার ফোন দিলে ও ফোন রিসিভ করে না । দীর্ঘ ৪ হতে ৫ ঘন্টা পর ফোন ধরলেন ও কমপ্লেইন লিখে। কমপ্লেইন লিখার অনেক পর মই নিয়ে বিদ্যুৎ এর ৮ জন লোক আসে।অথচ কয়েক বছর আগে ও লোক আসত ২ জন।তারা এসে বলে আপনার সংযোগ লাগানোর পর আবার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে ,যদি আপনি কানেক্টর না লাগান।ওরা বলে ওদের কাছে কাছে কানেক্টর আছে। ২ হাজার টাকা দিতে হবে ওদের। অথচ আমি এতদিন কানেক্টর ছাড়া বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে আসতে ছিলাম। পরে আমি বিদ্যুৎ বিভাগের এক ইন্জিনিয়ারকে দিয়ে ফোন করিয়ে ওদের সাথে কথা বলানোর পর ,ওরা আমার সংযোগ লাগায়।এইভাবে আমাদের আশেপাশের সবাইকে হয়রানি করতেছে। অফিসে জানানোর পর ও কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
পল্টনের ট্যাক্স অফিসে যাওয়ার পর ট্যাক্স এর ফাইল করার জন্য আমার কাছ থেকে ১২০০০ টাকা গহুস চাওয়া হয়। এরপর আমাকে অনেকদিন অনেকভাবে ঘুরায় কিন্তু আমার ট্যাক্স ফাইল করে ট্যাক্স জমা দিতে দিচ্চিলো না । আমি লিগ্যাল ভাবে আমার ট্যাক্স যা আসছে তাই দিতে চাচ্ছিলাম কিন্তু ট্যাক্স অফিসের কর্মকর্তা ১২০০০ টাকা ঘুসের জন্য আমার ফাইল একমাস ধরে আটকে রাখে। শেষ এ না পেরে আমি ১২০০০ টাকা ঘুস দেই সেই ট্যাক্স কর্মকর্তাকে ।
গত জুন ২০২৪ সালে আমার বাবা (এমপিওভুক্ত একটি কলেজের শিক্ষক) অবসর গ্রহন করেন। অনেকদিন হয়ে গেলেও যখন অবসর ভাতা সম্বলিত কোন আপডেট পাওয়া যায়না তখন তিনি গত সেপ্টেম্বর ২০২৫ এ ঢাকায় শিংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রনালয়ে যান যোগাযোগ করতে। সেখানে এক কর্কমর্তা বাবার সাথে এসম্পর্কে আলোচনার এক পর্যায়ে বাবাকে বলেন যে
আমি সার্ভিস বুকে এন্ট্রি দিতে গেলে আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে। না দেওয়ায় কাজ ফেলে রাখে তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
Police ra cng driver der theke monthly tk nay. Jdi knu cng sohor er vitor hospital e rogi nia jay tin asar somoy garo dhore . Jdi mash er tk deua thake tahole chera day . Ami Pakundia theke Kishoreganj asar somoy ak traffic police cng driver ke call dia mash er tk chayse abong aro koyekta driver er gari jte tare tk day eta bolsa
সরকারি চাকরিতে ১০ বছর হলে (পে স্কেলের আগে), এক ধাপ উচ্চতর গ্রেডে বেতন পাবে, এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে, কিন্তু আমাদেরকে জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে দিতে হয়, আমরা জটিলতার জন্য প্রথমে ৫০০ দিয়েছি, পরে আবার ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা না দিলে ফিক্সিশন করে না এবং বেতন বৃদ্ধিও করে না, এমন অবস্থা প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন যদি আমি আমার গ্রাচুয়িটি ফান্ড থেকে লোন নেই সেখানেও লোন নিতে ঘুষ দিতে হয়। অভিযোগ এসএফসি নৌ এর বিরুদ্ধে।
কয়টা বলব, রেলের দুর্নীতি শত শত, হাজারে হাজার। ২০২৩ এর দিকে চাকরি করতাম রেলের ১৮তম গ্রেডে, পরে আবার রেলেই চাকরি হয় ১৫ গ্রেডে।দুর্ভাগ্য যে রেল ছাড়তে পারিনি।লাস্ট ২৪ দিনের বকেয়া বেতন এখনো পায়নি।অনেকবার গিয়েছি এপ্লিকেশন দিয়েছি কাজ হয়নি। পরের ঘটনা আইবাস কেনসেন করতে গিয়ে ৭/৮ মাস বিভিন্ন অফিসে দৌড়াতে হয়েছে বিভিন্ন সময়ে ৫০০, ১০০০, ২০০০ এমন ভাবে টাকা দিয়ে দিয়ে কাজ করেয়েছি।১ বছরের মত লেগেছিল। তারপর সেইম ভুগান্তি আবার নতুন আইবাস ফিক্সেশন করতে গিয়ে হয়েছে।টাকা দিছি কয়েকবার ৫০০/১০০০/১৫০০ এরকম।এমনকি হোটেল ভাড়া নিয়ে থাকতে হইছে একদিন এই কাজ করতে গিয়ে। আইবাস ফিক্সেশন হলেও বেতন আটকে ছিল এটা চালু করার জন্য আবার টাকা একবার বকেয়া সব মাসের বেতনের জন্য, আবার দিতে হয়েছে বকেয়া বোনাসের টাকার জন্য।তাও আটক ৩০০০ ট
দাবিকৃত বীমার অর্থের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে তারা মোট দাবির ৫% থেকে ১০% বা তারও বেশি অর্থ দাবি করে; অন্যথায়, তারা নিজেদের ইচ্ছামতো প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে দেখানোর হুমকি দেয়। এছাড়া, সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্যও তারা অর্থ দাবি করে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তারা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলোকে একটি লাভজনক সুযোগে পরিণত করেছে।
ঘুষ বা অনৈতিক অর্থ প্রদান না করা হলে ইচ্ছাকৃতভাবে আমদানির অনুমতিপত্র আটকে রাখা হয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন তোলা হয়। এই চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসের সকল কর্মকর্তা ও সহকারী জড়িত থাকেন। প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে এই অর্থ নিচ থেকে ওপরের স্তর পর্যন্ত ভাগ-বাঁটোয়ারা করা হয়।
মেডিকেল সার্টিফিকেট সত্যায়নের জন্য নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জনের অফিসে গিয়েছিলাম। সত্যায়নের জন্য ১০০০ টাকা নিয়েছে
আমি মোবাইল থেকে আমার স্ত্রীর জন্য অতি দ্রুত পাসপোর্ট এপ্লিকেশন করি। তারপর বিকাশের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা পে করি। যতদূর সম্ভব এ চালান এর মাধ্যমে । আমার confirmation mail আসে।তারপর আমি দোকানে যাই চালান download করতে। কিন্তু কোন দোকানদার চালান download করতে সক্ষম হয় না। ফলে আমাকে দালালদের আশ্রয় নিতে হয়। বলে ২০০০/- দিলে সব ok হয়ে যাবে। আমি বিকাশের মাধ্যমে ২০০০/- পাঠাই। আমাকে ২০৫ নং রুমে ..........এর কাছে যেতে বলে । এখানে আসার পর দেখি সার্ভার নাই। আজকাল মনে হয় সার্ভার নাই এটা সরকারি অফিস সমূহের একটি বৈধ দূর্নীতি। অপেক্ষায় আছি।
গাড়ী ফিটনেস করাতে গেলে বলেছে যে গাড়ির কালার ঠিক নেই। পরে বাম্পার আর ব্লাক পেপারের (যেটা গাড়িতে লাগানো নেই) অযুহাত দেখিয়েছে। পরবর্তীতে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে ফিটনেস করে দিয়েছে।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে চলছে ঘুষ বাণিজ্য। সাধারণ একজন মানুষকে ভোটার করতে তারা সময় নেই 2-3মাস করে। অথচ দালাল এর মাধ্যমে ভোটার হতে সময় লাগে 2-3 দিন। বিনিময়ে দালাল কে দিতে 3-4 হাজার টাকা পর্যন্ত।আর এই দালাল চক্র পরিচালনা করে-উপজেলা নির্বাচন অফিস কেন্দুয়া এর কর্মকর্তারা ও নিরাপত্তা প্রহরী। প্রতিটি ভোটার থেকে কর্মকর্তারা 1500-2000 টাকা বানিজ্য করে থাকে। সঠিক তদন্ত করে এদের দূত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
প্রতি সপ্তাহে শনিবার, রবিবার অ্যাসেসমেন্ট অনুষ্ঠিত হয় NSDA এর অধীনে। অ্যাসেসমেন্ট এর জন্য অ্যাসেসর নির্ধারণ করে দেয় এনএসডিএ এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অ্যাসেসর নির্ধারণ করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে অবশ্যই। কিন্তু তারা হাজার খানেক টাকা ঘুষ নিয়ে একই ব্যক্তিকে প্রতি সপ্তাহে অ্যাসেসর হিসেবে নিয়োগ দেয়। যোগ্য লোক দিলেও ধরে নিতাম এ জন্য হয়তো প্রতি সপ্তাহে একই ব্যক্তি আসেসর হয়, কিন্তু এরা একদম অযোগ্য। নিজেই পারেনা অথচ অন্যদের পরীক্ষা নিতে যায়। আর এই দুর্নীতির সুযোগ করে দেয়। ফলশ্রুতিতে অনেক যোগ্য অ্যাসেসর দেখা যায় ৩-৪ সপ্তাহে কোন অ্যাসেসমেন্ট পায়না, বঞ্চিত হয় আর দুর্নীতিগ্রস্থ রা প্রতি সপ্তাহে লুটপাট করে।