আয়কর
নির্ধারিত টাকা ২০০ হতে ৩০০ টাকা মতো আসলেও ১০০০ টাকা দিতে হয়। এটা অন্যায়
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নির্ধারিত টাকা ২০০ হতে ৩০০ টাকা মতো আসলেও ১০০০ টাকা দিতে হয়। এটা অন্যায়
যিনি নাজির ওনার টেবিলে উনি থাকেন না উনার সহকারী দুজন থাকে তাদেরকে যদি বলা হয় আমার অনলাইনে ডিসিআর এর টাকা জমা দিয়েছি পূর্বের খতিয়ান থেকে নতুন খতিয়ানে জায়গার পরিমাণ কি মাইনাস হয়েছে এই কথাটা জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে ওখানে মিস কেস করা হয়েছে ওখানে দিতে হয়েছে বিশ হাজার টাকা
সরাসরি আমাকে বলা হয়েছে
আমাদের এখানে ইউনিয়ন পরিষদ এ জে কোন কাজের জন্য তারা টাকা দাবি করে।যেমন জন্মনিবন্দন করা /সংশোধন /ইংরেজি থেকে বাংলা / বাংলা থেকে ইংরেজি,নাগরিক সনদ,মৃত্যু সনদ,মোট কথা সকল কাজের জন্য তারা সরকারি ফী ছাড়া আরও অতিরিক্ত টাকা চায় আমাদের কাছে। কেউ বাড়তি টাকা না দিলে তার কাজ করবে না বলে জানিয়ে দেয়।৫০ টাকার কাজ ২০০ টাকা নেয়, ফ্রি কাজ ১০০ টাকা নেয়।এদের কারনে সকল পর্যয়ের মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে
এরপর বলে ১ লাখ হলে সাথে সাথে সংশোধন হয়ে যাবে পরে ৭০ হাজার ঠিক করা হয়, এরপর বলে বড় স্যারকে না দিলে হবে না পরে আরও ১০ হাজার দেয়া হয়, হয়রানি আর হয় রানি
নামজারি করার জন্য। টাকা চেয়েছে ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা আমি পরিশোধ করেছি। এবং আমার নামজারি হয়েছে।
আমার jsc, ssc সার্টিফিকেটে নামের কয়েকটা ভুল ছিল। আমার নামে (.) dot ছিল না। মা এর নামে একটা অক্ষর উঠে নাই। সব মিলিয়ে ৩ টা ভুল ছিল। স্কুলের রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বললেন প্রত্যেকটা ভুলের জন্য ২ হাজার করে দিতে হবে এবং তাকে ভাড়া বাবত আরও ২ হাজার টাকা দিতে হবে। টোটাল ১০ হাজার টাকা দাবি করলেম। পরে আমার বাবার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন বাবা ও রাজি হন নি তিনি বললেন তাহলে আমি নিজে বোর্ডে গিয়ে ই করব। তারপরও আমার বাবাকে হয়রানি করা হয়। স্কুলের EIIN and password দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েব সাইটে লগইন করতে হয়। এবং সেখান থেকে আবেদন করতে হয়। এর জন্য আমার বাবাকে ১ মাসের বেশি সময় ঘুরিয়েছেন। আমার বাবা নিজে বোর্ডে গিয়ে করেছেন টোটাল ৫ হাজার টাকার মত লেগেছে। এখানে এরপরও বিভিন্ন কারনে স্কুলকে ২০০ টাকার মত হ
আমার সহকর্মী জমি খারিজ করতে চান্দিনা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিল, সেখানে জমি খারিজের জন্য ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল হিন্দু একজন মহিলা অফিস সহকারীকে!! আনুমানিক ৭ মাস আগে। ঘুষ সাইটে ব্যাপারটা শেয়ার করতে পেরে ওনার অনেক ভালো লাগছে, আধুনিক যুগ, সবকিছু বদলাচ্ছে, কিন্তু ঘুষের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না!! ওনার একান্ত অনুরোধ যেনো একটি ঘুষ প্রতিরোধ কঠোর পদক্ষেপের জন্য দুদকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়।
ছোট বোন স্বামীর কাছে বিদেশ যাবে, স্বামী ছাত্র থাকা অবস্থায় বাহিরে গিয়েছিল, তখন তার NID হয়নি, পরে NID হয়েছিল দেশে আসার পরে। NID তে ভুল ছিল পরে আমরা ছোট বোনের বাচ্চার ও ছোট বোনের পাসপোর্ট করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়ি। কারন ছোট বোনের জামাইর পাসপোর্ট কপি দিলে নাকি হবেনা NID লাগবে। পরে কোন এক পীরবাবার ইমেল/কি একটা কোড দিয়ে এপ্লাই করলে কোন NID তো দূর পাসপোর্টের কপি ছাড়াই সব হয়ে যায়। বাধ্য হয়েই দিয়েছিলাম ঘুষ।
আমার জরুরি পাসপোর্ট করা দরকার ছিলো যার কারণে তারা আমার কাছে ১৮হাজার টাকা ডিমান্ড করে আর আমি তখন এমন পরিস্থিতিতে ছিলাম আমার ওদের চাহিদা অনুযায়ী দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন এক দরজা থেকে আরেক দরজায় গিয়েছি, দায়িত্বরত অফিসার বলে আজকে হবে না, বড় স্যার ছুটিতে আছেন। ২/৩দিন পর আসেন, তারপরও কাজ হবে কিনা সিউর না, অনলাইন আবেদন করতে হবে, এই করতে হবে, সেই করতে হবে, এরপর টাকা পেতে প্রায় ১/২ মাস লেগে আবে। সারাদিন এই দরজা ওই দরজায় ঘুরাঘুরির পর ১জন এসে বলল, ৫০০০টাকা দিন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। পরে আমার সাথে ৩০০০ টাকা ছিল, সেটা দেই। টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের ভিতর ওই অফিসার কাজ শেষ করে দিল, বলল আর কিছু করতে হবে না, আপনার ভাতা ২দিনের ভিতর পেয়ে যাবেন।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর পেনশনের টাকা মায়ের নামে ট্রান্সফার করার জন্য প্রায় ৬–৮ মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি। পরে নওগাঁর একজন স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে SP অফিসের পেনশন সংক্রান্ত কাজ যিনি দেখেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলি এবং পেনশনটি মায়ের নামে ট্রান্সফার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি কাজটি করে দেওয়ার কথা বললেও পরবর্তীতে এ কাজের জন্য তিনি আর কোনো টাকা নেননি। তবে ট্রেজারি অফিসে ফাইল ছাড়ানোর জন্য প্রায় ২–৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। এছাড়া পেনশন বই তোলার সময় আরও প্রায় ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল বলে মনে আছে।
শরীয়তপুর জেলার রাজগঞ্জ ব্রিজের সামনে থেকে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমার বাইক থামায় এবং কাগজপত্র না থাকায় ঘুষ চেয়েছে। তা না হলে গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে উপায় না পেয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ইউনিয়ন ভূমি সেবা কেন্দ্র লাইসেন্স এর জন্য সরকারি শর্ত হলো ফেরত যোগ্য ৫০ হাজার জামাত ও ৩ হাজার লাইসেন্স ফি। এগুলো মেনেছি যখন অফিসে ফান্ড ১০ হাজার চাইছে আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। লাইসেন্স নিবো না।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন ভুক্তভোগী আমার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আবেদন করেছিলাম প্রায় দুই বছর আগে কিন্তু আমি কোন দালাল ধরি নাই দুই মাস পরে পরীক্ষার তারিখ হলে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমি ময়মনসিংহ বি আর টি এতে যায় উনারা আমাদেরকে একটি হল রুমে নিয়ে যাই নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলছে আমি মনে করেছিলাম যাইহোক দেশটা মনে হয় অনেকটা ভালো হয়ে গেছে কিন্তু বক্তব্য দেওয়ার শেষে আমাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয় খাবার শেষ করার পর আমরা মাঠে পরীক্ষা দিতে যাই পেকটিকেলে পরীক্ষার শেষে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো কার মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করেছি কিন্তু আমি বলি যে আমি নিজেই আবেদন করেছি আমার এ কথাটা যেন তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল আমি এটা বুঝতে পারি নাই আমার এডমিট কার্ডে লেখা ছিল পাস
সারাদিন বসে থেকো এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজের সমস্যা।আপনি আগামীকাল আসেন । এরকম টাকা নেয়ার জন্য তালবাহানা শুরু করছে। পরে ওই জায়গার লোকেরা টাকা নিয়ে করে দিছে।
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য, ১ব্যাক্তি টাকা গুলো নিয়েছেন ওনি কম্পিউটার দোকান করে থাকেন বর্তমানে।
jara taka chaicilo dokan a taray dekhi bhumi office kaj kore. office a gele tara amader dekhe obak hoye jai amra online apply korce. land officer bole amra acland er kace gece but amra jai nai then 15 din a eta ses hoi. jedin amader sunani cilo sedin acland office sign korer jnno 200 ghus dite hoice, terpor kisudin por jokon khaj na dite gece tokon 400 taka asce 1000 taka diyece baki ta return dei nai. sobceye obak kora jinish deklam bikal bela office er onno staff ra bhumi officer k bole ajk ja income hoice seta den divide kore amader samne. amr bndu police er lok cilo terpor o kisu hoi nai
আমি পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে আমাকে,হয়রানি করে ফেনী পাসপোর্ট অফিসের কর্ম কর্তারা,যারা এজেন্সি রেফারেন্স এ গেছে তাদের কোন হয়রানির শিকার হতে হয়নি,আমি নিজে ফাইল পুরন করে গেছি আর তারা হয়রানি করছে,খুব দেরি করছে আমার পাসপোর্ট দিতে,বিভিন্ন ধাপে ধাপে পাসপোর্ট আটকিয়ে কয়েকবার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছে।