আমর জমির দলিল তালাশি ও দলিলের কপি
দলিল তালাশি ও দলিলের কপি
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দলিল তালাশি ও দলিলের কপি
জমির নামজারী করার জন্য
আমি গুলিস্তানে অল্প কিছু রাস্তা প্রায় ১০ গজ হবে উল্টা পথে আসি। তখন একজন ট্রাফিক পুলিশ হাসি মুখে বললেন উল্টা পথে আসলে কেন? তখন আমি বলি ঐ দিক দিয়ে আসলে তো অনেক ঘুড়তে হয়। তখন উনি বললেন কাগজপত্র ঠিক আছে? আমি সব দেখালাম। তার পর তার সহযোগী একজন এসে বললেন উল্টাপথে আসলেন। আমি বললাম হ্যা। উনিও কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ ছিলো। তারপর লোকটি বললো মামলা দিলে ২০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আজকে মাফ করে দেন আর হবে না। তখন ট্রাফিক পুলিশটি আস্তে করে বললো অল্প কিছু দিয়ে মিট করে নেন। তখন পাশে একজন ওভার মোটরসাইকেল চালক আমাকে আস্তে করে বলে ২০০ হাতে ধরিয়ে দেন। তারপর আমি ২০০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিদ্রুপ : আমার গাড়িটি মোটরসাইকেল ছিলো।
গবেষণা অনুদানের ১০০% শেয়ার চেয়েছিলো
এক্সরে, আল্ট্রাসাউন্ড, অন্যান্য পরিক্ষার জন্য
গাড়ি নাকি ওভার লোড তাই মামালা নিতে হবে
Faka highway diye jauyar pothe police dhore checkup kore kisu na peye bole overspeeding er mamla dibe..kothar ek porjaye bole amk kisu dile chere dibo
বয়স সংশোধন পেনশনের জন্য দ্রুত প্রয়োজন,অথচ টাকা নিয়েও কাজ করে দিচ্ছে না।আরো টাকা চাচ্ছে
ওমরা করার জন্য পাসপোর্ট করেছিলাম এই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশের কাছে আসে পুলিশ আমাদেরকে ফোন দিয়ে বলে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এবং এনআইডি কার্ড এবং সাথে এক হাজার টাকা নিয়ে আসতে
অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে আমার দোকান আছে। আমি সেখানে নিয়ম মেনে ভ্যাট দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভ্যাট অফিসের লোক আমার কাছে ঘুষ দাবি করে এবং বলে আমাদেরকে টাকা দিলেই হবে সরকারকে টাকা দেয়া লাগবে না। এমনকি তারা সকল সোনার দোকান এবং সকল দোকান থেকে নিজেরাই টাকা সংগ্রহ করে নিজেরাই রিটার্ন দেয়।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ এলাকায় ভেরিফাই করে আসে। সব তথ্য ঠিক ছিল। তবে আমার জমির খতিয়ান ছিলনা। তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সত্যায়িত ভূমিহীন সনদ ও প্রদান করি। তারপর ও তিনি বলেন হবেনা। ৫০০০ টাকা দিতে হবে। ভিসা প্রসেসিং দ্রুত করতে আমার পাসপোর্ট দরকার ছিল। পরে আমি দিতে বাধ্য হয়।
SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজ জমা করতে গেলে পুলিশ অফিসার কাগজ হাতে নিয়ে সরাসরি ১হাজার টাকা দাবি করছে। বি:দ্র: বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন বন্ধ হওয়াতে একটু সুবিধা হয়ছে।
কোনটা লিখবো জিবনে যতবার সরকারি কোন অফিসে কোন প্রয়োজনে যেতে হয়েছে ততবার ঘুসের মত অনৈতিক কাজে বাধ্য হয়ে লিপ্ত হতে হয়েছে ।এমনকি নতুন পাসপোর্ট এবং যতবার পাসপোর্ট নবায়ন করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি ততবার অফিস খরছ তথা ঘুষ বিহীন কাজটি করতে পারিনি।
৬ নং করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত কর্মচারী দ্বারা সাধারণ মানুষ প্রায়ই ভোগান্তির শিখার। কর্তব্যরত কর্মচারীগন জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এছাড়া এন-আইডি কার্ড বা যেকোনো ধরনের সেবা পেতে গেলে তারা প্রায়ই কাজ না করে মানুষকে হয়রানি করে থাকে এমনিতে টাকা চাইবে না সরাসরি তারা সাধারণ মানুষেকে ব্যাস্ততা দেখাবে বাধ্য হয়ে যখন তাদের যেকোনো পরিমাণ ঘুস বা যেকোনো ভাবে টাকা অফার করা হয় তখনই তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিখার হইতে হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন অফিসে এনআইডি স্লিপ থাকা স্বত্তেও বলে যে কার্ড খুজে পাচ্ছে না। । টাকা দেওয়ার পর খুজে পায়।আমি আর্মির লোক হয়ে ও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে
হেলমেট না থাকায় আমাকে কেস দিবে ৫০০০ টাকা দাবি করপ ছিলো
যেদিন লাস্ট নোটিস পাই যে এখন আমি ক্ষতিপূরণের টাকা তোলতে পারবো আমি এর কিছুদিন পর আবেদন করি। এখন পযর্ন্ত ঘুরাচ্ছে আবার বলছে যে সিরিয়াল মোতাবেক টাকা দিচ্ছে। অতচ আমার আগের অনেকে টাকা পাইছে আবার পরেরও অনেকে পাচ্ছে। আমি খুঁজ নিয়ে জানলাম যাদের কাজ হচ্ছে সবাই কম বেশি ঘুষ দিছে। আমার আপন চাচার কাছেও ৩০,০০০টাকা চাইছে। উনি অর্ধেক পরিশোধ করেছেন। আমি যা বুঝলাম বয়স ২৫ দেখে কেউ আমার কাছে আগ বাড়িয়ে ঘুসের কথা বলতে পারতেছে না, এইদিকে আমার টাকাও আটকে আছে।
খুলনা সদর হসপিটালে ওয়ার্ডবয় চাকরিতে এক বছরের কন্টাকে আমার কাছে দেড় লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমাকে বেতনের কথা বলা হয়েছিল ১৭ হাজার সিভিল সার্জন এর ড্রাইভার এক বছর পরে বেতন হবে বলা হয়েছিল। আমি অবশেষে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
আমাদের দুইটা খতিয়ানের জমির কর এবং নামজারি বাবদ ৫৪ হাজার টাকা নিয়েছে কিন্তু শুধুমাত্র নামজারীর ১১০০ টাকার রশিদ দিয়েছে আর কোন কিছু দেয় নাই, আমাদের তিন অংশীদারির নামে নাম জারি করে দিয়েছে । টাকা নিয়ে কর দেওয়ার কোন রশিদ অথবা টোকেন দেয় নাই, এখন অনলাইনে দেখতে পাচ্ছি কর পরিষদ করা হয়নি।