বিল পাস
অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে আমার দোকান আছে। আমি সেখানে নিয়ম মেনে ভ্যাট দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভ্যাট অফিসের লোক আমার কাছে ঘুষ দাবি করে এবং বলে আমাদেরকে টাকা দিলেই হবে সরকারকে টাকা দেয়া লাগবে না। এমনকি তারা সকল সোনার দোকান এবং সকল দোকান থেকে নিজেরাই টাকা সংগ্রহ করে নিজেরাই রিটার্ন দেয়।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ এলাকায় ভেরিফাই করে আসে। সব তথ্য ঠিক ছিল। তবে আমার জমির খতিয়ান ছিলনা। তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সত্যায়িত ভূমিহীন সনদ ও প্রদান করি। তারপর ও তিনি বলেন হবেনা। ৫০০০ টাকা দিতে হবে। ভিসা প্রসেসিং দ্রুত করতে আমার পাসপোর্ট দরকার ছিল। পরে আমি দিতে বাধ্য হয়।
SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজ জমা করতে গেলে পুলিশ অফিসার কাগজ হাতে নিয়ে সরাসরি ১হাজার টাকা দাবি করছে। বি:দ্র: বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন বন্ধ হওয়াতে একটু সুবিধা হয়ছে।
কোনটা লিখবো জিবনে যতবার সরকারি কোন অফিসে কোন প্রয়োজনে যেতে হয়েছে ততবার ঘুসের মত অনৈতিক কাজে বাধ্য হয়ে লিপ্ত হতে হয়েছে ।এমনকি নতুন পাসপোর্ট এবং যতবার পাসপোর্ট নবায়ন করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি ততবার অফিস খরছ তথা ঘুষ বিহীন কাজটি করতে পারিনি।
৬ নং করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত কর্মচারী দ্বারা সাধারণ মানুষ প্রায়ই ভোগান্তির শিখার। কর্তব্যরত কর্মচারীগন জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এছাড়া এন-আইডি কার্ড বা যেকোনো ধরনের সেবা পেতে গেলে তারা প্রায়ই কাজ না করে মানুষকে হয়রানি করে থাকে এমনিতে টাকা চাইবে না সরাসরি তারা সাধারণ মানুষেকে ব্যাস্ততা দেখাবে বাধ্য হয়ে যখন তাদের যেকোনো পরিমাণ ঘুস বা যেকোনো ভাবে টাকা অফার করা হয় তখনই তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিখার হইতে হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন অফিসে এনআইডি স্লিপ থাকা স্বত্তেও বলে যে কার্ড খুজে পাচ্ছে না। । টাকা দেওয়ার পর খুজে পায়।আমি আর্মির লোক হয়ে ও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে
হেলমেট না থাকায় আমাকে কেস দিবে ৫০০০ টাকা দাবি করপ ছিলো
যেদিন লাস্ট নোটিস পাই যে এখন আমি ক্ষতিপূরণের টাকা তোলতে পারবো আমি এর কিছুদিন পর আবেদন করি। এখন পযর্ন্ত ঘুরাচ্ছে আবার বলছে যে সিরিয়াল মোতাবেক টাকা দিচ্ছে। অতচ আমার আগের অনেকে টাকা পাইছে আবার পরেরও অনেকে পাচ্ছে। আমি খুঁজ নিয়ে জানলাম যাদের কাজ হচ্ছে সবাই কম বেশি ঘুষ দিছে। আমার আপন চাচার কাছেও ৩০,০০০টাকা চাইছে। উনি অর্ধেক পরিশোধ করেছেন। আমি যা বুঝলাম বয়স ২৫ দেখে কেউ আমার কাছে আগ বাড়িয়ে ঘুসের কথা বলতে পারতেছে না, এইদিকে আমার টাকাও আটকে আছে।
খুলনা সদর হসপিটালে ওয়ার্ডবয় চাকরিতে এক বছরের কন্টাকে আমার কাছে দেড় লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমাকে বেতনের কথা বলা হয়েছিল ১৭ হাজার সিভিল সার্জন এর ড্রাইভার এক বছর পরে বেতন হবে বলা হয়েছিল। আমি অবশেষে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
আমাদের দুইটা খতিয়ানের জমির কর এবং নামজারি বাবদ ৫৪ হাজার টাকা নিয়েছে কিন্তু শুধুমাত্র নামজারীর ১১০০ টাকার রশিদ দিয়েছে আর কোন কিছু দেয় নাই, আমাদের তিন অংশীদারির নামে নাম জারি করে দিয়েছে । টাকা নিয়ে কর দেওয়ার কোন রশিদ অথবা টোকেন দেয় নাই, এখন অনলাইনে দেখতে পাচ্ছি কর পরিষদ করা হয়নি।
ময়মনসিংহ বিভাগে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় আমরা পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে, তবে তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি, অথচ অন্যান্য স্কুলে এটি ফ্রি তে প্রধান করে থাকে
ঘটনাটি ঘটে ৩১/০৮/২০২৬ এ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় একজনকে মারধর করলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার ভর্তি দেয় এবং মামলা করার জন্য পরামর্শ দেয়। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি ডাক্তার কেন মামলার পরামর্শ দিবে। পরে আমি মেডিকেল রিপোর্ট চাইলে ওখানের কর্মরত একজন আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়। নানান বাহানা দিয়ে পরে ৫০০ টাকার বিনিময়ে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে রাজি হয়। ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে, জরুরি বিভাগে। ওখানে কয়েকজন কর্মরত ছিলেন, তাদের নাম এবং পদবি আমি জানি না।
পাসপোর্ট অফিসে চরম হয়রানি ও অব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি পাসপোর্ট আবেদন করতে গিয়ে আমাকে চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই যেন সেবা পেতে পারি, সেজন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় সকল মূল কাগজের পাশাপাশি সম্ভাব্য অতিরিক্ত কাগজপত্রও আমি সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাকে নানা অজুহাতে সারাদিন ঘুরানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে আমার "তথ্য সঠিক নয়"। পুরো প্রক্রিয়াটিতে যেসব অব্যবস্থাপনা আমার চোখে পড়েছে: ১. দালাল চক্রের প্রভাব: সাধারণ আবেদনকারীদের প্রতিটি পদে আটকানো হলেও, যারা দালালের মাধ্যমে আসছে তাদের কাজ অনায়াসে সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে—যা আমি নিজে প্রত্যক্ষ করেছি। ২. অহেতুক দেরি ও লাইন থেকে বের করে দেওয়া: পাসপোর্ট অফিসের সেবা প্রদানের গতি অত্যন্ত ধীর। তার ওপর ব
বেতন কাঠামো নির্ধারন করার জন্য। নতুন সরকারি চাকরি জীবী বেতন কাঠামো ঠিক করার জন্য এজি অফিস ২ মাস ঘুরাইছে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ দিলাম।পরে কাজ হয়েছে
Amar passport e thikana vul chilo ei thikana thikana korar jonno officer sorasori step ney ni, ulta bairer ekjon dalal k diye tk chay nahole thikana change korano hobe na jehetu joruri chilo passport tai baddho hoyei tk dewa lagse. Jekhane thikana change korar jonno office e chithi likhlei kaj hoy sekhane barti 1500 tk dabi kora hoy.
টাকা না দিলে ট্রান্সফার ফাইল রেডি করতে অপারগ। ১টা সিন্ডিকেট কাজ করে কেরানি CDA তে। টপ লেবেলে দূর্নীতি আছে কিনা আমি জানি না তবে ফাইল রেডি করে যেসব মানুষ ওনারা অসম্ভব দূর্নীতি গ্রস্ত।আর যদি ট্রান্সফার অতিরিক্ত জমা হয় ওটা রিটার্ন করাতেও ঘুষ চায় আর এই রকম স্লো মনে হয় স্লথও না
বাবার পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য নথি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা চেয়েছিলো। আমি দেইনি কিন্ত আমার বাবা দিয়েছেন।
আমি আমার জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিশোধে গেছি সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর আমার সাথে দুর্ব্যবহার করছে এবং টাকা চাইছে
উপ সহকারী কৃষি কর্ম কর্তা পদের চাকরির জন্য, ১৫০০০০০ টাকা দাবি করে এবং ১৫৭০০০০ টাকা পরিশোধকরা হয়েছে, সংসদ ভবনের একজন আইন বিভাগে চাকরি করে সে টাকা নিয়েছে, ঐ লোকের বাড়ি টাংগাইল,