বাইকের নাম পরিবর্তন
বাইকের নাম পরিবর্তন, বিআটিএ অফিসে আসার পর এদিকে জান ওদিকে জান করতে,করতে দিন শেষ,তারপর দরবেশ বাবাদের স্বাক্ষাত ,তারপর কি আর করা ক্লন্ত হয়ে ঘরে ফেরা
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাইকের নাম পরিবর্তন, বিআটিএ অফিসে আসার পর এদিকে জান ওদিকে জান করতে,করতে দিন শেষ,তারপর দরবেশ বাবাদের স্বাক্ষাত ,তারপর কি আর করা ক্লন্ত হয়ে ঘরে ফেরা
আমি একদিন লাইসেন্স নিয়ে বের হয় নাই কিন্তু আমার কাছে ছবি ছিলো সেটা দেখাই তারা চেক করে সব ঠিক ও থাকে কিন্তু তারা কি কি মামলা দিবে বলতেছিলো মামলা দিলে বাইক ও নিবে সাথে টাকা ও দেওয়া লাগবে, পরে সাথর যে ছোট একজন অফিসার ছিলো সে আমাকে সাইট করে নিয়ে বলে যে ১০ হাজার দিলে ছেড়ে দিবে কিন্তু আমার কাছে ছিলো ৫ হাজার২০০-৩০০ পরে অনেক কথার পর আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে ওখান থেকে ফিরে আসি
গাজীপুর সদর সরকারি ভেটেরিনারি হাসপাতালে, কুকুর ও বিড়ালের জন্য Rabies ও Flu vaccine বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও, দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার প্রতি ভ্যাকসিনের জন্য ১৫০০ টাকা করে দাবি করেন। দুইটি ভ্যাকসিনের জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করা হলেও পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে প্রতি ভ্যাকসিন ৮০০ টাকা নেওয়া হয়। মোট ৪টি ভ্যাকসিন প্রয়োজন হওয়ায় প্রতিবারই এই টাকা দিতে হচ্ছে। আমি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বিড়াল ও কুকুরকে সেখানে ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা করিয়েছি এবং প্রায় প্রতিবারই বিভিন্ন সেবার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। এমনকি সম্পূর্ণ ফ্রি ক্রিমি লবণের জন্যও দপ্তরিকে ২০ টাকা দিতে হয়। ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য প্রতি ভ্যাকসিন ১০০ টাকা বকশিশ না দিলে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না
আমরা রেগুলার কর পরিষদ করি প্রতি মাসে। আমরা প্রতি মাসে কর আদায় করি এবং আমাদের কাছে জমা দেওয়ার রশিদ আছে তারপরও অফিসার আসছিল আমাদের কাছে বাড়তি টাকা নেওয়ার জন্য আমরা না দেওয়াতে আমাদের মামলা করার জন্য হমকি দেয় । তারপর ওনাদের মধ্যে আরেকজন অফিসার আমার ম্যানেজার সাথে গিয়ে আলোচনা করে এবং ১০ হাজার টাকা দিলে মামলা করবেনা বলে । আমার বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় ।
হুইল চেয়ারে রোগী নিয়ে যাওয়ার ৫০ টাকা দিতে বাধ্য করছিল
জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। সরকারি সব ফি বাবদ ৪০ হাজার টাকা হয়েছিলো। কিন্তু সেটি ৫১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।তা নাহলে জমি রেজিস্ট্রেশন হবে না বলেছে।এটাতে নাকি সাব রেজিস্টরের ভাগ আছে।
আমার অফিসের ক্যাশ সরকার নতুন বেতন চালু করার জন্য আমি এবং আমার ব্যাচের অন্যদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে চেয়েছিলো। চাকরি নিয়ে টাকা লাগে নাই কিন্তু বেতন চালুর জন্য টাকা দিয়ে বাধ্য হয়েছিলাম। অন্যথায় বেতন আটকে থাকবে। ক্যাশ সরকার বলেছিলো এজি অফিসকে মিষ্টি খাওয়ানোর টাকা। তবে একটা অংশ সম্ভবত ক্যাশ সরকারের পকেটেও যায়।
লালবাগ কেল্লার সামনে ও আসে পাশে অনেক খাবার রেস্তোরাঁ আছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের কিছু সংখ্যক রেস্তোরাঁয় সরকার কর্তৃক SDC অনলাইন ভ্যাট মেশিন দিয়েছে,,, কিন্তু এর কার্যকর ব্যবহার নাই বললেই চলে, শুধু আমি যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি সেই প্রতিষ্ঠানের থেকে লালবাগ কেল্লার সামনে ভ্যাট ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রতিমাসে 18000 টাকা দিতে হয়,,, আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিমাসে সেল 30 লক্ষ টাকা সেখানে রেস্টুরেন্টে 5% হলে 1 লক্ষ 50 হাজার টাকা,, কিন্তু 18 হাজার ঘুষের কারনে সরকারকে 1 লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে,, এইটা একটা প্রতিষ্ঠান আরো অনেক রেস্টুরেন্ট আছে,,
জন প্রতি ২০ টাকা করে প্রতিদিন প্রত্যেকে ফিঙ্গার দিলে দিতে হয়। আনুমানিক প্রতিদিন ৬,০০০ টাকা করে অফিস এর ঠিকানা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
আমার একজন আত্মীয় অসুস্থ হয় তাকে নিয়ে যাই সদর হাসপাতালে সেখানে বেড এ ভর্তি করাই, একদিন থাকার পর পরের দিন ফাইনাল রিপোর্ট দিবে ডাক্তার ছাড়পত্র সে টা নিতে ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আমাকে অপ্রক্ষা করতে বলে অন্যের জায়গায় সে রিপোর্ট নিয়ে আসে অনেক দেরিতে আর পরে বুঝতে পারলাম ওরা দুর্নীতি করছে তখন জোর করে টাকা নেয়
নোয়াপাড়া, ভুমি অফিসে কর্মরত কর্মচারী, আমার কাছে টাকা দাবি করেন, ১২ হাজার, টাকা দিতে অস্বীকার করলে সে বলে এই দাগে সমস্যা ওই দাগে সমস্যা, অথচ সব কিছু ঠিক ছিলো আমার কাগজে। এক কথায় ভুমি অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না!
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরিক্ষায় আমার ভালো প্রস্তুতি থাকা শর্তেও স্থানীয় বিআরটিএ কর্মকর্তা ও পরিক্ষক আমি সহ সকল পরীক্ষার্থীকে ভয় ভীতি দেখায় ফেল করিয়ে দিবে। এই ভয়ে সকল পরীক্ষার্থী ৩৫০০ করে টাকা ঘুষ দেয়। আমিও দেই। খোঁজ নিয়ে জানলাম এখনো এই লেনদেন চলমান আছে।
জন্মনিবন্ধনের নাম সংশোধনের জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি যা দেইনি।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, রহনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। এখানে গেছিলাম মূলত, সরকার কতৃক প্রদত্ত বিভিন্ন বড় বড় রোগের জন্য ৫০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়। সেই টাকা পাওয়া জন্য সমাজসেবা অফিস থেকে আবেদন করতে হয়। আমার মায়ের ক্যান্সার, অনেক টাকা খরচ হয়। কিছু টাকা পাওয়া আশায় সেখানে যায়। অফিসে যাওয়ার পর, দায়িত্বরত কমকর্তা জানায়, আপনাকে ৫০,০০০ টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবো, কিন্তু আমাকে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে, বিষয়টা অতি গোপনীয়। ব্যাধ্য হয়ে তাকে আমাদের সেই টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের টাকার জন্য ষুষ দেওয়া লাগে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,রহনপুর, গোমস্তাপুরে।
মার্ক শীট সার্টিফিকেট বা অন্য কোনো কাগজ তুলতে গেলে ওদেরকে চা খাওয়ার মিষ্টি খাওয়ার টাকা দেওয়া লাগে। আমরা তো চাকরি করি না। টাকা কই পাবো? ওরা যে টাকা চায় এটা তো অবৈধ।
Even though I had paid all my taxes correctly and on time, my tax lawyer informed me that my file had been selected for an audit. He warned me that if we did not resolve the matter immediately, it could lead to an official legal case with severe consequences. Initially, I ignored his warnings, but he eventually pressured me into a corner. He suggested that negotiating an informal payment would be the best way to protect my file and avoid litigation. Ultimately, I fell into the trap and agreed to a settlement of 100,000 BDT to ensure my file remained secure.
দেশি প্রজাতির আম জাম কাঁঠাল কদম তুলা ইত্যাদি গাছ, এবং গাছের লাকড়ি ট্রাকে লোড করতে,বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে গেলে ফরেস্ট কে ঘুষ দিতে হয়। ফরেস্ট অনুমতি পত্র (টি বি)থাকলেও ঘোষ দিতে হয়।গাড়ি আটকে রাখে, ড্রাইভারকে ভয়,গাছের ভিতরে অবৈধ গাছ আছে ,গাছ নিচে নামাও চেক করবো ইত্যাদি হয়রানির শিকার হচ্ছি,পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে কুমিল্লার সুয়াগাজি পোস্ট অফিস। গত ২/৩ বছরে আনুমানিক এক লক্ষ টাকারও বেশি ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন ফরেস্ট অফিসে।
কাজটি করে দেবে তাই টাকা নিছে কিন্তু করে দায় নায়
নকল দলিল উঠাতে গিয়ে, ৫৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে, এই টাকা দেওয়া ছাড়া, নকল দলিল দিতে আগ্রহী নয়।
বিক্রয় অনুমতি, নিতে হলে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ্ টাকারও বেসি ঘুস প্রদান করতে হয়