নামজারি
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসে নাম জারি করানো বাবদ অর্থ চাওয়া হয়
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসে নাম জারি করানো বাবদ অর্থ চাওয়া হয়
৬০ বছর + মুরুব্বি বসে ছিল। আমাকে বলল ২০০ টাকা দিতে হবে। আমি একপ্রকার বাধ্য হয়ে দিয়ে দিলাম।
LGED Exen Office ঠিকাদারি কাজের বিলের বিপরীতে, পিডি অফিস বাবদ ০.৫%, Exen অফিস এবং AG অফিস বাবদ ১.৭৫% Exen office Lab ০.২৫% উপজেলা LGED 2.5% ঘুষ দিয়েছি,, এটা ছাড়া বিল হয়না, এখানে এটাকে ঘুষ বলা হয়না, PC বা Percentage Commition বলা হয়
জমি খারিজ. সরাসরি চাওয়া হয়েছে
Jomi namjari bisoye na caitei 1000 dear por aro 1000 ceyesilo kintu diasi 500
খতিয়ানের কপি তুলতে গিয়ে ঘুষের স্বীকার
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে ১৫০০ টাকা চালান লাগে তারা আমার কাছে থেকে আর ১২০০ টাকা বেশি নিছে
বগুরা ঢাকা রেল যোগাযোগ এর জন্য সরকার ভূমি অধিগ্রহন করে । এর জন্য সরকার যাদের জমি নিছে তাদের টাকা দিচ্ছে । এই টাকা নিতে গেলে ৫% করে ঘুষ দেয়া লাগতেসে । আমি নিজে এর ভুক্তভোগী । টাকা ছাড়া কোন কাজ করে দিচ্ছে না বগুড়া ভূমি অফিস ।
বাইকের কাগজপত্র সব ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ট্রাফিক পুলিশ আমার কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে ১ প্যাকেট বেনসন সিগারেট নিয়ে নিয়েছে।
তিনমাসের ড্রাইভিং কোর্স করার পর বলতে লাগলো যে লাইসেন্স এর জন্য অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা করে লাগবে। যারা দিতে পারবে না তাদের প্রাকটিকাল পরিক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। একপর্যায়ে স্টুডেন্টদের হুমকি ধামকি দিয়ে প্রত্যেকের থেকে ৫০০০ করে টাকা নেওয়া হয়। এটা অনেকটা বলা যায় ব্লেকমেইল করে বা চাঁদাবাজি স্টাইলে টাকাটা আদায় করেছে৷ একজন স্টুডেন্ট যখন দীর্ঘ তিনমাস রেগুলার ক্লাস (প্রাকটিক্যাল ও থিওরি) করে এবং সময় ব্যয় করে কিন্তু ড্রাইভিং পরিক্ষার জন্য তার সব কিছু বৃথা যাওয়ার উপক্রম হয় তখন তারা একপ্রকার কোনঠাসা হয়ে টাকাটা দেয়। এক্ষেত্রে শুধু টিটিসি একা নয় বিআরটিএ এর কর্মকর্তারাও এর সাথে জড়িত আছে।
বেবিদের পার্সপোর্ট করতে গিয়ে হয়রানীর স্বিকার হয়েছে, দালালের পাসপোর্ট মেইল লিংক দিয়ে 4000 বেশি নিয়েছে।
পাসপোর্ট রিনিউ। ৪৫০০ টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছিল।
আমি নতুন পাসপোর্ট বানাতে দিয়েছিলাম। ডকুমেন্টস জমার দিন যত ডকুমেন্টস লাগে এবং লাগতে পারে অর্থাৎ ১০০% এ ২০০% ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো এরপরেও আবেদনপত্রটি বাতিল করে দেই। বলে আবার এপ্লাই করে আনেন আর নাগরিক সনদ হালনাগাদ করে আনেন। তো আমি নিরুপায় হয়ে বের হয়ে আসি পরে। পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে থাকা ৪/৫ জন লোক ঘুরাঘুরি করে একজন আমাকে ডেকে বলে ভাই করতে পারেন নাই? আমি বললাম না। তারা বললো ২০০০ লাগবে ফিক্সড তাহলে এই বাতিল আবেদনটাই সব ঠিক করে ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনি ছবি ফিংগার দিতে পারবেন। পরে আমার জরুরী পাসপোর্ট করানো প্রয়োজন তাই কি আর করা ২০০০ দিয়েছি দেখি আসলেই আমার এত কোনো ডকুমেন্টস কিছুই লাগেনি। শুধুমাত্র আমার ভোটার আইডি আর বাবা-মার ভোটার আইডি নিয়েছে। আর কিছুই লাগেনি।
আমার nid নাম এবং বয়স সমস্যা আমি ইউনিয়ন উপজেলা নির্বাচন অফিস সব ঘোরা শেষ সবাই একেই কথা সার্ভার বন্ধ হবে না | কিন্তু 1 লাখ 20 হাজার টাকা দিলে হবে | আমি একজন সৌদি প্রবাসী এখন আমার id সংসদন না হলে e পাসপোর্ট পাবো না আর বিদেশ ও যেতে পারবো না আমার ব্যবসা সব শেষ হয়ে যাবে
একটি অনলাইন খারিজ যেটার জন্য সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা আর আমার থেকে নিছে ২৫০০০ টাকা,আমার সব ডকুমেন্টস থাকার পরেও আমার থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করতে যাই (আমি অনলাইনে শতবার চেষ্টা করেছি)। একজন কর্তব্যরত অফিসার ছিলো ডেস্কে বসা, আমি জিডির কথা বললে উনি জানতে চান কিসের জিডি? আমি বললাম আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে তাই। তারপর তিনি আমাকে রুমে বাহির নিয়ে আসলেন ( রুমে সিসি ক্যামেরা ছিলো তাই) এবং টাকা দাবি করলেন আমি বললাম আমি চাকরি জন্য চেষ্টা করছি বেকার মানুষ আমার কাছে কোন টাকা নেই দিতে পারবোনা। তারপর বলল তাহলে বাহিরে কম্পিউটার দোখান থেকে অনলাইনে করে নেন টাকা দিয়ে, এদিন পিরে আসলাম। আবার অন্য একদিন গেলাম আবারও নিলোনা জিডি তারপর আর জিডি করি নাই।
তীর্থ ভ্রমনে জন্য নতুন পাসপোর্ট আবেদন অনলাইনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ব্যাংক চালান জমা দেয়া পর পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে এ কাগজ নেই ঐ কগজ বলে ঘুরিয়ে রাখে। যেহেতু বয়স্ক মা-বাবা দুর থেকে আসা কারণে অনেক সময় নষ্ট হওয়ায় কাজ হয়না দেখে খুব চিন্তিত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিস হতে বের হয়ে জানতে পারলাম যে, কিছু টাকা না দিলে কাজ হবে না। তাই উপায় না দেখে অবশেষে কোনো এক কম্পিউটার দোকান তাদের সাথে লিংক আছে বলে তাদের মাধ্যমে টাকাটা নগদ তাদের হাতে দিয়ে দিই। পরে আবার পাসপোর্ট অফিসে গেলে কোনো কথা ছাড়া কাজ হয়ে গেলো।
নামজারি করতে গেলে টাকা ছাড়া নামজারি করে দিতে রাজিনা
ঘুষের টাকা পরিশোধ করার পরও সেবা পাইনি আরও ঘুষ চায়
My father was an employee of RHD Department. After My father's death, to transfer his pension to my mother's name I paid 25000 taka as per their demand.