ইউনিয়ন পরিষদ
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
ডি-ক্যাটাগরির কারখানা হওয়ায় প্রতিবছর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হয়। সরকারি চালান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক নির্দিষ্ট তারিখে দেখা করতে বলে **প্রায় ২৫,০০০/- টাকা খামে করে দিতে বলেন**। টাকা না দিলে অনলাইনে বিভিন্ন আপত্তি/Show Cause দেওয়া হয় এবং কাগজপত্র পুনরায় জমা দেওয়ার পরও টাকা প্রদান না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র ইস্যু করা হয় না। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এ টাকা অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে দিতে হয়। এছাড়া বছরে দুইবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবের জন্য পানি নমুনা সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান ** ১৫,০০০/- টাকা দাবি করেন**। টাকা না দিলে রিপোর্ট অনুকূলে দেওয়া হবে না এবং টাকা দিলে ভালো রিপোর্ট দেওয়া হবে। সকল টাকা পরিশোধ করেই ছাড়পত্র নিয়েছি । একটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছি
আমি 2020 সালে একটি পুরান মোটরসাইকেল কিনেছি, কিনার পর করে নাম পরিবর্তন এর জন্য সরকারি নিয়মে সঠিক ভাবে সবকিছুই করি, এখন 2026 এখন পর্যন্ত মালিকানা পরিবর্তন হয়নি। এখন বিআরটিএ গেলে কিছু অসাধু লোক আমার কাছে অর্ধেক দাবি করে। এমনও তো অবস্থায় আমার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন হবে কিনা আমি জানিনা।
জমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে যায়, তারা আমার কাছে ৮০০০টাকা দাবি করেন, তারপর আমি না দিয়ে নিজেই আবেদন করি কিন্তু ভুমি অফিস থেকে খসড়া খতিয়ান তৈরি না করে না মন্জুর করে দেই।
রাতের বেলা বাসার মালামাল নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসতেছি, কাঞ্চন ব্রিজ এর এইখানে টহলরত ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করে, এটা আদায় করার পর আবার মদনপুর রোডে আবার আর একদল টহলরত ট্রাফিক পূলিশ ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আদায় করে।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করতে যাই, যাবার পরে তারা আমার কাছ থেকে প্রতিটি ফ্লাট থেকে তিন লাখ টাকা করে মোট 6 লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমাকে ভয় দেখানো হয় যে আমার ফ্ল্যাট এর ক্রয় মূল্য অনেক কম দেখানো হয়েছে, যদি আমি ঘুষ না দেই তাহলে এই মূল্য বাড়াতে হবে।
You have to pay this amount to get a Passport
শহরে আমার মা একটি জায়গা কিনেছিলো বহুবছর আগে; আমার বাবা আলসেমি করে খাজনা প্রদান করেনি, আগের নাম খারিজও করেনি তখন। তিনি চলে গিয়েছেন এইবছর, তাই যা যা কাজ ফেলে গেছেন ওগুলো তাড়াতাড়ি করার সিদ্ধান্ত নেই। যখন এই কাজের জন্য যাই, তারা নতুন নতুন ইনফরমেশন আমাকে দিয়ে বলতে থাকে এটা সম্ভব না ওটা সম্ভব না, এসব বলে বলে আমার থেকে টাকা নিতেই থাকে ভূমি অফিস থেকে প্রতি ধাপে ধাপে
অনলাইনে বিএড স্কেল এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ব্বেও ফাইল রিজেক্ট করেছিল, পরে টাকা নেয়ার পর আবার আবেদন করি এবং ফাইল ফরোয়ার্ড হয়। ২০২০ সালের ঘটনা।
আখাউড়া থেকে চট্রগ্রাম গাড়িতে টিকেট কাটলে ঢাকা চট্রগ্রামের ভাড়া আর টিকেট না কেটে ৩০০ টাকা দিলেই হলো
To need taka 8000 for Mutation but I Paid taka7,000/- by request
জমিটার ছিল তিনজন মালিক রেকর্ড করাইতে হইলে তাদেরকে 9 হাজার টাকা দিতে হবে । তিনি যেই চেয়ারে বসা ছিলেন ওই চেয়ারে বসেই ঘুষ গ্রহণ করেছেন। এবং তার অফিসের অন্যান্য ব্যক্তিরাও এগুলা জানে ঘুষ না দিলে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য রেকর্ডটা নথিভুক্ত হবে না। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট নবাযন করতে গেলে আবেদন ফর্মে নানান ভুল দেখিয়ে ফিরিয়ে দেন প্রতিবারই ভুল সংসোধন করে আনি তারপরও ভুল ধরে পরে বলে নীচে অমুক দোকানে যান তার কথা অনুযায়ী সেই দোকানে গেলে তারা ২হাজার টাকা চান, আমি টাকা না দিয়ে চলে আসি তারপর এক নেতার ঘনিষ্ট বলে আবেদন ফর্ম জমা দিয়ে আসি।
কক্সবাজার সদর আদালতে মামলার শর্ট ডেট প্রদানের জন্য প্রতিবার আনুমানিক ১,০০০/- টাকা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানালে মামলার পরবর্তী তারিখ অস্বাভাবিকভাবে প্রায় ৮ মাস পর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আচমিতা ইউনিয়ন ওয়ারিশান সর্টিফিকেট তুলতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করা হয়।চেয়ারম্যান,অপারেটর,ম্যাম্বার জড়িত আছে
স্কুলের কমিটি বিষয়ে কাগজ রেডি করার জন্য স্যারের সাথে কথা বলা দরকার। অফিস সহকারী ফাইল আটকিয়ে রেখেছিলেন যে ৫০০টাকা না হলে ফাইল যাবে না কথা বলারও সুযোগ পাবেন না।
গর্ভবতী মহিলার ভাতা পাওয়ার জন্য ২০০০টাকা করে নেওয়া হচ্ছে,টাকা না দিলে ভাতা পাওয়ার সম্ভবনা নাই।
বিদেশে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার স্ত্রী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করি। প্রথমে দুজনের আবেদনই বাতিল করে বলা হয়, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। পরে সেটি জমা দিয়ে আবার আবেদন করলে ৩–৫ দিন পর জানানো হয়, কাগজপত্রে স্বাক্ষর ও তারিখ ঠিক নেই। তৃতীয়বার সবকিছু ঠিক করে জমা দেওয়ার পর আমার স্ত্রীর আবেদন আবার বাতিল করা হয়, কারণ হিসেবে তার ঠিকানা নাকি মিল নেই। অথচ আমরা একই উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে থাকি। বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে কারণ জানতে চাই। অনেক অজুহাতের পর ডিউটি অফিসারের সামনেই আমাকে বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। এদিকে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে কম্পিউটার অপারেটরকে ৩,০০০ টাকা দিই।
আমার একটা বোন বিপদে পড়ে গেছে আমি তাকে বাঁচাতে থানায় জিডি করতে যাই আর আমার বিপদের কথা শুনে বলে তোমার বোনকে উদ্ধার করে দেবো ৫০০০ টাকা লাগবে পরে আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলি কোনভাবেই মানে না অবশেষে বাধ্য হয়ে পনেরশো টাকা দেই তারপর আমার বোনকে উদ্ধার করে দেয়
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় টাকা ছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে সরকারি ফি ছিল মাত্র ৫০০ টাকা এটা বাড়িয়ে এখন করা হয়েছে ১৫০০ টাকা শুধু সরকারি ফি আচ্ছা এ প্রযন্ত শেষ হলেও ঠিক ছিল। সকল কাগজ পত্র অনলাইনে আপলোড করে অনলাইন ফি জমা দিয়ে নিশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু থানার অফিসার ফোন দিয়ে দেখা করার কথা বলে টাকা দাবি করে। আর এখানে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট হওয়ার ভয় থাকে। তাই বাধ্য হয়ে আমার টাকা দেওয়া লাগছে।