পাসপোর্ট করা।
আমি ও আমার বাবার পাসপোর্ট করার জন্য পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই।আবেদন ও ফি পরিশোধের পর জমা নিতে তারা অনিহা প্রকাশ করে।এরপর এক আনসার সদস্যকে বললে সে নিচতলায় সিড়িতে উঠার ডানপাশের রুমে নিয়ে ২৫০০ টাকা চায়।২৩০০ ছিল তাই দিয়ে এসেছি।আধাঘন্টার ভিতর কাজ হয়ে গিয়েছে।মজার ব্যাপার হলো সেদিন এক নারী ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিল দুর্ণীতি দেখতে।তো সে সেইখানের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়াই আমাদের জিজ্ঞাসা কাউকে টাকা দেয়া লাগছে কিনা! সবচেয়ে সেদিন খারাপ লাগছে এই ম্যাজিস্ট্রেট কে নিয়া।