এরিয়ার বিল
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২০৯ সালে চাকুরীতে জয়েন করার পড় ২ টা অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা। ২০২৬ সালে এই অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি। তাই ২০২৯ থেকে ২০২৬ সালের এরিয়ার বা বকেয়া বিল তোলার জন্য জন প্রতি 1500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে। আমরা মোট ২৫ জনের মত এই সমস্যায় আছি।
পরিবেশ লাইসেন্স এর সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ইনস্পেকটর ২০,০০০টাকা দাবি করে। টাকা কেন লাগবে তিনি বলেন পরিচালক স্যার টাকা ছাড়া ফাইলে সিগন্যাচার করবেন না। আমি বলেছি সব কাগজ ঠিক আছে তাও এটা লাগবে, তিনি বলেছেন টাকা না দিলে আপনার প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট করে ব্যবস্থা নিব। পরিবেশ অধিদপ্তরের মাস্তানির কারনে মনে হয় কোন কাজ ঠিকমতো করা যাবে না।
পাসপোর্ট করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার ১ মাস পর পুলিশের বিশেষ শাখা (এস.বি) হতে এক ’এসআই’ আমাকে কল দেয় এবং বলে তাদের অফিসে দেখা করতে, দেখা না করলে রেড মার্ক করে দিবে আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ, একথা শুনে তাড়াহুড়ো করে তাদের অফিসে যায়, গিয়ে ‘এসআই’ কে পাই নাই, কল দিলে তিনি বলেন তিনি বাসায় লান্স করতে গেছেন এবং বলেন অফিসের একজন মহিলা পুলিশের নাম বলেন এবং তার সাথে দেখা করতে, দেখা করার পর ঐ মহিলা পুলিশ আমাকে বলে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার খরচ বাবদ ১০০০ টাকা দিতে। আমি না পেরে তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে এসে পরি।
নতুন পাসপোর্টের আবেদন করতে গেছিলাম।কম্পিউটারের দোকানে আবেদন করতে গেলে একলোক এসে ১৫০০০ দিতে বলে।আর বলে ১৫ দিনের মধ্যে বের করে দিবে পাসপোর্ট। আমি তাকে টাকা না দিয়ে নিজে আবেদন করি,টাকা জমা দেই।৫ বছরের মেয়াদে ৬০০০ বা এর আশেপাশে লেগেছিলো।এর পর থেকে শুরু হয় নানান বিড়ম্বনা। একে একে ১২ বার গেছি পাসপোর্ট অফিসে।নানা সময় নানা কারন দেখিয়ে আমাকে ফিরিয়ে দেয়।শেষ পর্যন্ত আর পাসপোর্ট টা হাতে পাইনি।আজ ৫ বছর পার হবার পর এখন ফোন দিয়ে বলে আমার পাসপোর্ট রেডি।এখন নিতে যেতে বলে।আমার কথা হলো,ট বছরের মেয়াদে পাসপোর্ট করেছি।৫ বছর পর এখন ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট রেডি।সবই দরবেশ বাবাকে প্রত্যাখ্যান করার ফল এখন বুঝতে পারতেছি।
পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে আমার অস্থায়ী ঠিকানা দেয়া আছে এইটার জন্য থানা থেকে ভ্যারিফিকেশন করে আনতে হবে, আমি বলি বাসা ভাড়া রশিদ দিলে কি হবে? তারা আমার সাথে কোন কথায় বলেনি।পাশে থেকে একজন ডেকে নিয়ে গিয়ে বলে ৩০০০ টাকা দিলে সমাধান।আমি ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করে নেই।এর পর বাইপাল এ পুলিশ ভ্যারুফিকেশন এর জন্য এস বি পুলিশ ১০০০ টাকা নেয়।এর পর আমার স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভ্যারিফিকেশন করার জন্য আরো ২০০০ টাকা দিতে হয়। মোট ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে আমি বাধ্য হই।
সরকারি চাকরি তে বেতন পেতে ঘুষ দিতে হয়,অনেক সময় বেতন এর অর্ধেক ও ঘুষ চায়,না হলে বেতন ৫/৬ মাস বন্ধ রাখে,বদলি হলে যে অফিস থেকে বদলি সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,আবার যেখানে বদলি হয়,সেখানেও ঘুষ দিতে হয়,pension পেতে গেলে লাখ টাকার উপর ঘুষ চায়,না দিলে ১০০ রকম কাগজ চায়, আর বলে একটা কাগজ না দিলে pension পাবে না,অনেকেই আছে ১/২ বছর হলে মারা গেছে কিন্তু সন্তান রা pension পাচ্ছে না,online হওয়ার পর হয়রানি বেড়েছে,এখন বলে online এ আপনার কোন information নাই,বেতন এর অর্ধেক বা তার বেশি দাবি করে।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম দুইটা সব ঠিক আছে তার পরেও বলে ঠিক নাই পরে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে কম্পিউটার এর দোকান আছে সেই দোকানদার বলে পারপিছ ১৫০০ টাকা লাগবে কি আর করার সয়ও ছিলো না ঢাকা চলে যেতে হবে তাই আর কিছু করার ছিলো না পরে দরদাম করে দুইটা পাসপোর্ট ২৮০০ টাকা দিয়ে করি
এই ভূমি অফিস জগন্নাথপুরে শ্রীরামসি বাজার নামক জাযগাতে এখানে আমার প্রযোজনে বাড়ির খাজনা দিতে জাই গিযে দেখি 7800 টাকার খাজনা আমি তখন পরিশোধ না করার সিদ্ধান্ত নেই তখন কম্পিউটার অপারেটর জানান তাকে কিছু তাকা ঘুষ দিলে তিনি খাজনা কমিযে দিবেন তখন আমি বল্লাম সেটা কী ভাবে সম্ভব তিনি জানান কাওকে না বল্লেহ কাজটি করে দেবন আমি কওতুহল বলতও সেটাতে রাজি হই এবং তাকে 4000 হাজার টাকা দিবো বিনিময়ে তিনি আমাকে 125 টাকার খাজনার রসিদ ধরিয়ে দেন হাতে এখন আমার প্রশ্ন এখানে ঔ অফিসার কী আমাকে ঠকালেন না কী সরকারকে ঠকালেন এই বিষয় টি খতিয়ে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবেদন জানাই এই ভাবে অসংখ্য কাজ সেই জাযগাতে চলতেছে এবং সরকার তার রাজ্বস হারাচ্ছে সিলেটের সুনামগঞ্জের জগন্নাথ পুর উপজেলার শ্রীরামসি বাজার নামক ভূমি অফিসে এই কাজ
ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার রতননগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমির খাজনা দেয়ার জন্য হোল্ডিং অনুমোদনের জন্য টাকা চাইলে ১০০০ টাকা দেই কিন্তু টাকা দেয়ার পরও আমার হোল্ডিং অনুমোদন দেয় নি
নোয়াখালী PWD সব দপ্তরের লোক, ঘোষ ছাড়া কোন কথাই বলে না, এমনকি সামান্য একটি ইলেকট্রিক কাজ করাতে গেলেও, ইঞ্জিনিয়ার কে বড় আকারের দোষ দিতে হয়, নোয়াখালী pWd বৃষ্টিতে একটু নজরদারি করার জন্য অনুরোধ করা গেল
আসসালামু আলাইকুম,,, ২০২৩ সালে,আমার পাসপোর্ট এ বয়স এর সমস্যা ছিল সার্টিফিকেট এবং আইডি কার্ড এর সাথে পাসপোর্ট এর বয়স মিল ছিল না বিদায় পাসপোর্ট অফিসের তথ্য কেন্দ্র যোগাযোগ করি তারা জানায় এটা সংশোধন করা সম্ভব না,,পরবর্তী স্টিফে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে আমাকে সংশোধন করতে হয়,
সাধারণত খারিজ অনুমোদন করতে চাইলে যার কাছে যে রেট ২০০০ ৩০০০ ৫০০০ টাকা আদায় করে থাকে কানুনগো, তারা এই টাকা না পেলে খারিজ অনুমোদন করে না, ফাইল পরে থাকে টেবিলের কোনায়।
ডাইবিং ল্যাইসেন্স এবং বাইকের নাম পরিবর্তন কারার জন্য 4000 টাকা ঘুশ নিয়েছে।
আমার বন্ধু লাইসেন্স করছে।লাইসেন্সের অনলাইন কপি আসছে কিন্তু কার্ড আছে না সে বিদেশ থাকে ওখানে কার্ড ছাড়া লাইসেন্সের কোন দাম নাই কার্ডের জন্যে দালালের সাথে আলাপ করছে ১৫০০০ টাকার বিনিময়ে কার্ড দিয়ে দিছে এভাবেই কার্ড আটকিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে
আমার কোম্পানীর সার্ভিস রুলস অনুমোদনের জন্য ঢাকা জেলার এক ইন্সপেক্টর আমার কাছে আট লক্ষ টাকা দাবী করেছিলো। কারণ-উনাদের হেড অফিসের বসদের অনুমোদনের জন্য নাকী এই খরচ। খরচ না দিলে সার্ভিস রুলস অনুমোদিত হবে না। বাধ্য হয়ে আমি 500000-পাঁচ লক্ষ টাকা পরিশোধ করি।
টাঙ্গাইল পৌরসভায় কোন আবাসিক ভবন নির্মানের জন্য অবশ্যই ঘুষ দিতে হয় নচেৎ নকশা অনুমোদন সম্ভব নয়। ডিজাইন ঠিক নেই বলা হয়। পরবর্তীতে নকশা অনুমোদন ভিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে টাকা দেওয়া লাগে তার পর তিনি অনুমোদন করতে সম্মত হন এবং ফাইল বা নকশা জমা রাখেন। টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ফাইল জমা নিতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
I submitted all documents correctly, but custom office holds my application when I contacted them; they excused the officer change in the other zone, so it took time. its a emagine when I give 3000 BDT, I got it within the next day. It not only ended but also started to offer me to take gush. On the other hand, when I submitted my return, I missed my Dropbox, and it was when I got the certificate. Then again, I contract custom office; they offer gush to correction it wonnership for show up my Drop Box. I have no option but to give 3000 BDT to correct my ownership to show up my Dropbox.
আমি লার্নার আবেদন করার সময় ভুলবশত পেশাদার এর জায়গায় অপেশাদার সিলেকশন করি,পরবর্তীতে আমি লার্নার বাতিলের আবেদন করার পর সহকারী পরিচালক এপ্রোভ করার পর কম্পিউটার অপারেটরের কাছে নিয়ে গেলে সে ১০০০/- টাকা দাবি করে।পরে সহকারী পরিচালকের কাছে অভিযোগ করলে তিনি সেই আবেদন কপি জমা রাখেন,তারপর আজ অব্দি ৩ মাস হলো উনি সেই আবেদন কপি ফরওয়ার্ড ও করেনি আর আমার লার্নার বাতিল ও হয়নি।
আমি একজন প্রবাসী ১৫ বছর প্রবাসে আছি আমি দেশে গিয়ে যতবার পাসপোর্ট করতে গেছি ততবারই ভোগান্তি হয়েছি এবং এয়ারপোর্টে টাকা ছাড়া তারা কোন কথা বলে না দালাল ছাড়া এয়ারপোর্টে তো ঢোকাই যায় না এবং এরা যে পাসপোর্ট ব্লক করে দেয় এটাও একটা দালালি টাকা খাওয়ার ধান্দা মালিবাগ সিআইডি অফিস আছে তারাও এক ধান্দাবাজ টাকা ছাড়া কোন কথা বলে না আর তারা টাকা সরাসরি খায়না যেটাই করবেন দালালের মাধ্যমে ভিতরে গেলে বোঝা যাবে তারা একদম ফেরেশতা কিন্তু বাহির থেকে দালাল না ধরলে কোন কাজ করতে পারবে না আমি দীর্ঘ এক মাস ঘুরেছি পাসপোর্ট এর সমস্যার কারণে সিআইডি অফিস অপুর থেকে মিস পর্যন্ত সবাই টাকা ছাড়া কোন কথাই বলবে না কিন্তু তারা নিজেরা জীবনে বলবে না তাদের বিকাশ কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চেক করলে সবকিছু ধরা খেয়ে যাবে
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। অভিযোগ নিয়ে পুলিশ এর কাছে গেলাম। পুলিশ বললো জমা নিবে না। টাকা দিতে হবে ২০০০। এমন কি আমার কম্পিউটার টাইপ করা কাগজ নিবে না। ওই পুলিশ পুলিশ বক্সে বসেই নিজের হাতে ফর্ম পূরণ করলো (লেখার অবস্থা যা তা)। তারপোর্ট আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফর্ম টা দিয়ে বললো জমা দেন। জমা নিয়ে নিলো। এক মিরাকল ঘটালো পুলিশ। মাঝখানে আমার টাকাটা গেলো। পালিশ আমাকে রক্ষা করল না। উল্টা মদন বানিয়ে দিলো।