হিসাবরক্ষক নিয়োগ
দাখিল মাদ্রাসায় একজন অফিস সহকারি নিচ্ছে 15 লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দাখিল মাদ্রাসায় একজন অফিস সহকারি নিচ্ছে 15 লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে
আমি পাসপোর্ট অফিস এ যাওয়ার পর থেকে হকার এর মতো কতক্ষন পর পর কয়েক জন আসে ভাই আপনার কি পাসপোর্ট এর কাজ করাবে। আমি বলছি একজন কে দিছি এর পর বলে ওনার থেকে তারাতাড়ি হবে। দেন 2000/- আধা ঘন্টার মধ্যে বাড়িতে যাইতে পারবে। এই দিন 8 টার পর কাজ শেষ হয়েছে।
আমার ভিসা প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল তারপর আমি বাধ্য হয়ে (ময়মনসিংহ বি আর টি এ) যাই গিয়ে বললাম বিস্তারিত তারপর সেখানে থাকা ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাকে এমন কিছু শর্ত পূরণ করতে বলেন যেমন : ১/ মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ২/ ভিসা কপি ৩/ অগ্রিম বিমান টিকিট আরও অনেক কিছু। আমি সকল কিছু দেওয়ার পর কর্মকর্তা আমাকে বলেন আপনি চলে যান। পরে আপনাকে জানানো হবে। কিন্তু কোন সময় নির্ধারণ করে দেন নি। ১৫ দিন পরে আমি নিজে থেকে কল দিলাম কর্মকর্তা বললো এভাবে হবেনা আপনি অফিসে আসেন আমি অফিসে গেলাম তিনি বললেন বাংলাদেশে টাকা হলে সবকিছুই সম্ভব আপনি ২০০০০ টাকা দেন ৩দিনের মধ্যে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে যাবেন। আমি বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হল। পরে লাইসেন্স পেয়েছি।
এই যে ভূমি অফিস তারা টাকা ছাড়া কোন কথা বলে না তারা জীবনেও ডাইরেক্ট টাকা খায় না দালালের হাত ধরে যাবেন আপনার যত সমস্যা সব সমাধান হবে যদি আপনি ডাইরেক যান দিনের পর দিন বছরের পর বছর আপনাকে ঘুরতে হবে যদি দালাল ধরে যান অল্প দিনের মধ্যে সব কাজ হয়ে যাবে এরা এমন একটা জাতি যে ঘুষ ছাড়া কোন কিছু বোঝেনা প্রত্যেকটা ভূমি অফিস সবগুলো একই রকম
আমার মোটর সাইকেলের কাগজ স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করতে গেলে ঘুষ চায় আমার বাধ্য হয়ে দিতে হয়
আমার একজন রোগীর জন্য ইমারজেন্সি এ পজেটিভ ব্লাড এর প্রয়োজন। তিন ইউনিট ব্লাড এর প্রয়োজন ছিল।যখন আমি ব্লাড ব্যাংকে যাই। আমার ইমারজেন্সি খুব দরকার। বললাম ভাই আমার ব্লাডটা খুবই ইমারজেন্সি দরকার। উনারা বলল ক্রস মেশিনের জন্য দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। আর একশত টাকা দিলে দুই মিনিট লাগবে। তারপর ১০০ টাকা দিয়ে দুই মিনিটে করে নিয়ে আসলাম কি করার বলেন। এই হচ্ছে বাংলাদেশ।
আজকে আইডি কার্ড করে দিব। টাকা লাগবে ১০০০ আর আমার খুব তারাতরি দরকার ছিল।
আমার একটি কাজের জন্য আমার মায়ের মৃত্যু সনদ দরকার ছিলো। আমি ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করি তারা বিভিন্ন প্রসেস ও বিভিন্ন ডকুমেন্ট দেখাতে বলে যা অনেকটা লম্বা সময়ের দরকার। তাই আমি একজন গ্রাম পুলিশের কাছে বিষয়টি জানাই। সে আমাকে জানায় যে, কাজটি আমি ২ দিনের মধ্যে করে দিতে পারবো কিন্তু আমাকে ৬০০ টাকা দিতে হবে। সে বিভিন্ন ক্ষাতে টাকা দেয়া লাগে বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি উপায় না পেয়ে তার কথায় রাজী হই। পরের দিন বিকালে আমাকে "মৃত্যু সনদ" দেয় তখন আমি তাকে ৩০০ টাকা দেই আর বলি এখন টাকা নেই পরে দেবো। তারপর আমি আর কোন টাকা তাকে দেইনি কিন্তু আমার সাথে দেখা হলেই সে বাকি ঘুষের টাকা চাচ্ছে। একটা "মৃত্যু সনদ" ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিতে গেলে সর্বোচ্চ ৫০/১০০ টাকা লাগে। আমি তাকে ৩০০ টাকা দিয়েছি তার পরেও আমার কাছে
নামজারি করার জন্য প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কে অনুরোধ করলে ১০০০ টাকা দাবি করা হয়, টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে মিউটেশন কেসটি বাতিল করে দেয়া হয়। অনলাইনে এটাচমেন্ট পেপার সঠিক নেই/অস্পষ্ট লিখে উল্লেখ করা হয়।
উপজেলা মহেশখালী ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার/ভারপ্রাপ্ত কানুনগো ও সংশ্লিষ্ট উম্মেদারদের বিরুদ্ধে নামজারি কার্যক্রমে প্রতি আবেদনের বিপরীতে ৫,০০০/-–১০,০০০/- টাকা এবং ভূমি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ২০,০০০/-–৩০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঘুষ/অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান না করলে ফাইল/নথি আটকে রাখা, কার্যক্রমে অযথা বিলম্ব করা এবং বিরূপ প্রতিবেদন প্রদানের মাধ্যমে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট অবহিত বা প্রতিকার প্রার্থনা করতে গেলে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলি হওয়ার পরও পূর্বের কর্মস্থলে অবস্থান করে দায়িত্ব পালন/কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাড়ির সবকিছু ঠিক ছিল। দাঁড়া করিয়ে বলে স্পিড জরে গেছি বলে। পনেরশো টাকা দেনা ৫০০০ টাকার মামলা দিবো
আমাকে প্রতারণা করে চাকরি দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে
মা তার মেয়েকে দান পত্র দলীল দিয়ে ছিলো, ১৯৮৪ সনে, কিন্তু বর্তমান রেকর্ড তার মায়ের নামে হয়েছে, মেয়ের নামে নামজারী করতে যাওয়ার পরে তসিলদার প্রশ্ন করলো তখন রেকর্ড আপমার নামে নিলেন না কেনো, এখন ১৫০০০/- পনের হাজার লাগবে। মেয়ের উত্তর ছিলো আমার বয়স তখন ১০ বছর ছিলো।
আমার জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য আমি আমার আইনজীবীর সাথে ৫০,০০০ টাকায় যোগাযোগ করেছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাকে আরও ৫০,০০০ টাকা দিয়ে সেই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে হয়। এতে আমার মোট খরচ হয় ১,০০,০০০ টাকা, যা আমাদের পূর্বের চুক্তির চেয়ে দ্বিগুণ ছিল।
আমার একটি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম সেটি ঢাকা আগারগাও হতে আমাকে একটি তদন্ত সাপেক্ষ রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল রাজিবপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন এর পক্ষ থেকে কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট করতে এসে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিভিন্ন কৌশলে অবলম্বন করে নিয়েছে
আমি ভূমি অফিসে যাই নামজারি করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে তারপর আমি আট হাজার টাকা দিতে হয়েছে
টাকা ছাড়া বিল পাশ করেনা। দিন শেষ এই টাকার ভাগ ৬০% হিসাবরক্ষণ অফিসার। বাকী ৪০% টাকা ঐ অফিসের অডিটর, সুপার, পিয়ন নেয়। এই ৫% কমিশন প্রতিটি হিসাবরক্ষণ অফিসের অলিখিত নিয়ম। শুধুমাত্র UNO অফিসের বিলে কিছুটা ছাড় দেয়। পেনশন বা কোন উচ্চতর গ্রেড/এককালীন বিল উত্তোলনে ক্ষেত্র বিশেষে ২০%-৪০% টাকা নিয়ে থাকে। যেকোন বিলেই ৫% কমিশন নেয় কিন্তু কেউ প্রকাশ করেনা।
ব্যাবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে আমার কাছে ৭০০০ টাকা এক্সটা দাবি করে। পরে ৫০০০ টাকা এক্সটা দিয়ে আমার ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়
অনলাইনে ভুমি রাজস্ব প্রদান করা যাচ্ছিল না। তাই সরাসরি ভুমি অফিসে গেলে প্রথমে বলে এখন করা যাবে না, পরবর্তীতে ৫০০ টাকার বিনিময়ে অনলাইনে পেমেন্ট অপশন খুলে দেয়ার কথা বলে। পরবর্তীতে টাকা দেয়ার পরে অনলাইনে পেমেন্ট অপশন চালু করে দেয় এবং রাজস্ব পরিশোধ করি।
2022 সালে নতুন এমপিও করার সময় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে এমপিও এর ফাইল জেলাতে Send করেছিল, প্রথমত না দেওয়ার আমার ফাইলটি ১ম মাসে এমপিও হয়েছিল না! এর সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধানও জড়িত!