নতুন পুরাতন পাসপোর্ট তৈরি
প্রতি পাসপোর্ট ১০০০ টাকা নিচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এইভাবে হাজার হাজার পাসপোর্ট তৈরিতে প্রতিদিন কোটিকোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে জালিয়াতি হচ্ছে
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি পাসপোর্ট ১০০০ টাকা নিচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এইভাবে হাজার হাজার পাসপোর্ট তৈরিতে প্রতিদিন কোটিকোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে জালিয়াতি হচ্ছে
নামজারি করতে নাকি অনেক ঝামেলা, সময় বেশি লাগে।এসিল্যান্ড সই করতে চায় না।টাকা না দিলে কাজ হবে না।
আমি সিউর না এটা সরকরি কোষাগারে যায় কি না। কেননা তারা তো কোন রশিদ দেয় না 🤔
আমার লাইসেন্স ছাড়া হচ্ছিল না
I need to pay extra 2 thousand taka to get the fitness certificate as my car is old but don't find any problem to complain then they said as your car is more then 25 years old you have to pay "GHUSH" to get the certificate.
I am new to here so I am straight gonna go to the actual problem, The "kerani" of adamdighi 150 or 250 "shojja" hospital (forgot the exact shojja number) are too much professional at the bribe. They take big numbers like some lac for retiring. You maybe get half crore retirement fund at retirement. They want big percentage. So much so tons of people there are that even after paying they don't work so one has to pay multiple times of 2 lac bribe. They spent maybe 10% of thier retirement funds crazy ain't it? So after taking the first payment that kerani literally retired and didn't do the job, so one had to pay another time for it. situation is absolutely shit. Prob THA is part as well
পাসপোট করতে 5750 টাকা লাগে আমি ঘুষ সহ আট হাজার পাচ শ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে যদি নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে চান হাজার টা ভূল ধরে সময় ক্ষেপন করে আর দালাল ধরলে এক বারে কাজ শেষ
ভূমি উন্নয়ন কর সরকার ৩১০ টাকা পাবে কিন্তু ঘুষ দিতে হয় ২০০০ টাকা
একটি অপ্রত্যহারযোগ্য পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নিবন্ধনের জন্য ৩০০০০ টাকা দাবি করা হয়, যার সরকারি খরচ এক থেকে দেড় হাজার টাকা।
BRTA te fitness update er time a 1500tk ghush nise.
আমি একটি মোটর সাইকেল লাইট এর লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারলাম লিগ্যাল ওয়েতে লাইসেন্স হওয়ার কোন সুযোগ এখানে নাই মাধ্যম বা দালাম ধরতে হবে এগুলো ওই অফিসের কর্মকতাদের তৈরী করা একটি চক্র, যারা মোট ৫০০০ টাকার জন্য ১২/১২ হাজার টাকা নিয়ে লাইসেন্স বা সকল পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়
আমি পাসপোর্ট নিছিলাম নর্মাল যেটা, ৫৮০০ এমন হবে কিন্তু এক দালাল কে ৯০০০ টাকা দেওয়া লাগছে। দালালদের সাথে ঐ অফিসের একটা কানেকশন থাকে যারা কাজ করে। কোন প্রব্লেম হলে দালাল ফেস করে এন্ড টাকার বিনিময়ে অফিসে যারা কাজ করে তাদের হ্যান্ডেল করে। এটা শুধু এখানে না সব খানে দালালী চলে। আমার একটা অনুরোধ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা / কেন্দ্র আগে বাচান। কোন টেস্ট হয় না সরকারিভাবে, একটা এক্স রে তাই হয় না যেটা সরকারি ভাবে করলে ৭০-৮০ টাকা বাহিরে নেয় ৫০০ টাকা। সাধারণ মানুষের, খেটে খাওয়া মানুষের কি অধিকার নাই সরকারি সেবা পাওয়ার?
মিরপুর ১৩ নম্বরে বিআরটিএ তে গাড়ির ফিটনেস চেকিং এর নামে মানুষকে হয়রানি করা হয়, ১০ নাম্বার লাইনে প্রথমবার ফেল আসলো, বের হতেই এক ভদ্রলোক এসে বলল, ভাইজান আপনার ফেলে আসছে আমি চাইলে আপনাকে আজকেই হাতে দিতে পারি, অন্যথায় আপনাকে নাভানা থেকে গাড়ির কাজ করিয়ে এনে আবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চেক করাতে হবে, উনি ১৬ হাজার পাঁচশো চাইছে আমি ১১ হাজার টাকায় ওনাকে কন্টাক্ট করেছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই উনি আমাকে ফিটনেসের কাগজ নিয়ে হাতে ধরিয়ে দিল। বেশী লেখার অপশন নাই তাই শর্টকাট লিখে দিয়েছি। এভাবেই ফিটনেস চেক করার নামে হয়রানি ও ঘুষ দাবি করে থাকে।
যেই কাজ করতে লাগবে সর্বোচ্চ 1 ঘণ্টা সেটা বলবে এক সপ্তাহ পরে আসেন। জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়ে ঘুষের পথে হাঁটতে হ্য়। তারা তো আপনার কাছে চাইবে না ঘুষ কিন্তু আপনাকে ভোগান্তিতে ফেলবে। আপনি কি করবেন?
রাজউকের ইন্সপেক্টর, সাংবাদিক, তারা সবাই মিলে টাকা দাবি করেছে টাকা দিলে আপনি নিয়মে আসেন না দিলে আপনি অনিয়ম করেছেন, কোন প্রতিকার নাই এই দেশে জনম নেওয়া ও পাপ
আমি বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ৫০০০টাকা টাকা ঘুষ দিয়ে ৮/৯ মাস পরে বিদ্যুৎ পেয়েছি । হয়রানির তো শেষ নেই ।
পরিবেশ লাইসেন্স এর সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ইনস্পেকটর ২০,০০০টাকা দাবি করে। টাকা কেন লাগবে তিনি বলেন পরিচালক স্যার টাকা ছাড়া ফাইলে সিগন্যাচার করবেন না। আমি বলেছি সব কাগজ ঠিক আছে তাও এটা লাগবে, তিনি বলেছেন টাকা না দিলে আপনার প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট করে ব্যবস্থা নিব। পরিবেশ অধিদপ্তরের মাস্তানির কারনে মনে হয় কোন কাজ ঠিকমতো করা যাবে না।
পাবনা পাসপোর্ট অফিসে প্রথমে পাসপোর্টের আবেদ করি। কয়েক বার নানা অযুহাতে প্রত্যাখ্যান করে, তবে আশেপাশের দালাল ধরলে আর কোন সমস্যা নাই। আমি একজন সিভিল প্রকৌশলী, কেন দালাল ধরব এই জিদ করে ৩-৪ দিন ঘুরে ঘুরে অবশেষে জমা দিতে পারলেও পাসপোর্ট ডেলিভারির দিনও পাসপোর্ট না পেয়ে আবার অফিসে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট এর কাগজ ওভাবেই ফেলে রেখেছে, আমার সাথে যারা দালাল ধরেছিল সবার হয়ে গেছে অলরেডি। সেদিন আমার কাগজ আপডেট করে দিল, তার ৭/৮ দিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ চাটমোহর থানায় ডাকলে সকল তথ্য দিলাম SB অফিসার কে, আর বলল ২০০০ টাকা লাগবে, জোর করে ২০০০ টাকা নিয়েছিল। আমার জীবনে ২য় ঘুষ ছিল এটা
গত আমন মৌসুমে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন রাইস মিলকে সরকারি চাল সরবরাহের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি কেজি চাল ৪৮ টাকা। কিন্তু আমাদের অভিযোগ অনুযায়ী, রাইস মিলারদের কাছ থেকে চাল নেওয়ার পর প্রতি কেজিতে ৮ টাকা করে অবৈধভাবে আদায়/কেটে নেওয়া হয়েছে, ফলে মিলাররা প্রকৃতপক্ষে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা পেয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই অর্থ জেলা খাদ্য অফিস ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মিলারদের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির আর্থিক পরিমাণও অত্যন্ত বড়। উদাহরণস্বরূপ, ৪০০ টন চালের ক্ষেত্রে: ৪০০ টন = ৪,০০,০০০ কেজি ৪,০০,০০০ × ৮ টাকা = ৩২,০০,০০০ টাকা (৩২ লাখ টাকা)। অর্থাৎ ৪০০ টন চালের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৮ টাকা করে অবৈধ অর্থ আদায়
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস , পাকুন্দিয়া , কিশোরগঞ্জ । উনারা যেকেনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কিছুই করেনা । উপরন্তু টাকা দিলেও উনারা ব্যবহার খুব খারাপ করে শিক্ষকদের সাথে । মেডিকেল ছুটি নিলেও বলে অফিসারের সই লাগবে ৫০০ টাকা দেন । আবার ছুটি শেষে যোগদান করতে গেলেও বলে বিল ছুটাইতে ২০০০ টাকা লাগবে । কোনো শিক্ষক প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হয়।