নামজারি
নামজারির জন্য্ ঘুষ না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয়ে।এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই নামে ঘুষ চাই না দিলে নামজারি হয় না।যা কালিয়াকৈর ভূমি অফিস হয়ে থাকে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারির জন্য্ ঘুষ না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয়ে।এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই নামে ঘুষ চাই না দিলে নামজারি হয় না।যা কালিয়াকৈর ভূমি অফিস হয়ে থাকে।
যেমন ১। সিভিল মামলা দায়ের করতে ৫০০-১০০০ টাকা দিতে হয়। ২। নিষেধাজ্ঞা , আপত্তি দাখিল,জবানবন্দি দাখিল ও অন্যান্য এর জন্য সিভিল কোর্টের সেরেস্তাদারের কাছে এভিডেভিড দিতে ৫০০-১০০০ দিতে হয়। সিভিল মামলায় সংশোধনের জন্য পেশকারকে ৩০০-১০০০ দিতে হয়,জবানবন্দি / সাক্ষীর জন্য ১০০০-২০০০ দিতেই হয় আরো অনের সার্ভিস এর জন্য টাকা দেওয়া বাধ্যতামুলক হয়ে গেছে
এটা ২০১৫ সালের, অফিসের একজন পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল মোটরসাইকেলর রেজিস্ট্রেশন কার্ড করে দেবার জন্য, আমি দেইনি তার জন্য তিন বছর গাড়ির স্টেশন পাইনি,
ঘটনাটি ঘটেছিলো, আমি একটা পুলিশ বাদি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলাম, দোকান থেকে ডিবি-পুলিশ তারাঅল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতার করে একজন বা দুইজন শাক্ষি নাম ঠিকানা নিয়ে চলে যাবে। জব্দ তালিকা শাক্ষি কে ঠিক মতো দেখাবে না ১২০,০০০ হাজার টাকা দোকান থেকে নিলেও তারা, উল্লেখ করেছে ৫০০০টাকা দোকানে পেয়েছে। শাক্ষিকে না দেখিয়েই উক্ত জব্দ প্রক্রিয়া করেছেন। গ্রেফতার ১ তারিখে করলেও ২তারিখে গ্রেফতার দেখানো হয়। এতে, ব্যাংক ও বিকাশ থেকে তারা জোরপূর্বক পাসওয়ার্ড পিন নিয়ে টাকা চুরি করে। পুলিশ দের গ্রেফতারের সময় যদি তারা, গ্রেফতারের তারিখ ও সময় সহ পুলিশের বিপি নাম্বার সহ জব্দ মামলাল সহ কিছু ও গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি কে কাগজে সাইন ও পুলিশের সাইন সহ ঐ কাগজ শাক্ষি ও গ্রেফতার কৃত ব্যাক্তির পরিবারকে ঐ কাগজ দেওয়া উচিত।
ভূমি অফিসে ডি সি আর নবায়ন করতে গেলে তারা ২ লাখ টাকা দাবি করে। এটা নাকি তাদের অফিসিয়াল খরচা দি। যেখানে সরকারি কোষাগারে যত সামান্য টাকা জমা করবে। তারা বাড়তি টাকা দাবি করেছে।
আমি আদিবাসীর পারমিশন আবেদন জমা দিন রাজস্থর পিয়ন আমার থেকে টাকা চায় এক হাজার না দিলে পাশ করে দেবে না
“নারায়ণগঞ্ পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ কোড সম্বলিতে মেইল কোডে আবেদন জমা না দিলে।প্রচুর হয়রানি করা এবং জমা নেওয়া হয়না। পাসপোর্ট ফরমের ৭৯ নং কলামে একটি বিশেষ মেইল থাকে যা বাইরের দালালদের কোড। এই কোড মূলত অফিসের অসাধু সিন্ডিকেটের দেওয়া যা বাইরের দালালদের দেওয়া হয় এই কোড ব্যবহার করে আবেদন করলে কোন হয়রানি করা হয়না। এই কোড ব্যবহারকারী দালাল প্রতিটি আবেদনের জন্য ১২০০ টাকা করে অফিসকে দিতে হয়।প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিস ৫০০-৬০০ আবেদন জমা হয় যার ৯৮% বিশেষ কোডসম্বলিত। প্রতিদিন ৬০০ ফাইলের মধ্যে কোন কোডের মাধ্যমে কতটি আবেদন জমা হয়েছে এটা হিসাব রাখা হয়। এই হিসাব অনুযায়ী বাইরের দালালরা সপ্তাহে একবার অফিসে টাকা দিয়ে যায়।প্রতিটি দালালের জন্য আলাদা কোড বরাদ্দ। যার কোডে যতটি ফাইল জমা হয় সে ততটাকা প্রতি সপ্তাহে দেয়।”
অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীন আমাদের পঞ্চগড় জেলায় পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তিনটা একটা আমার একটা আমার মেয়ের একটা আমার ওয়াইফের কিন্তু ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট এর হলো তখন ছিল আমাদের এক একটা আনুমানিক ৪৪০০ টাকা করে কিন্তু তাহলে আমার দাঁড়ায় ১৩২০০ কিন্তু কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও তারা আমার কাছে টাকা বেশি নেই কিন্তু দালাল ছাড়া টাকা নেয় না আবার সরাসরি তারা টাকা নেয় না আমি বলছিলাম যে ভাই আমার কঠিন সমস্যার ভিতরে যাইতেছি আমার মেয়ের চিকিৎসা করা লাগে টাকা যেটা হয় সেটাই নেন কিন্তু তারা নেননি কিন্তু কথা রাখেননি কি বলব আমরা সাধারণ জনগণ যখন বলি আমাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না সরকারি লোকজন কি বলবো ভাই সরকারি কাজে যেখানেই যান টাকা ছাড়া কথা বলে না তারা খুব কষ্ট হয় আমাদের সাধারণ জনগণ মানুষের তারা ঘুষ
আমি ভূমি অফিসে একটা নামজারি আবেদন করার জন্য যাই, আমার কাগজ দেখে বললো আমি আবেদন করে দেব , তার কয়দিন পর আমি তার সাথে যোগাযোগ করতে গেলে আমার কাছে টাকা চাইলো আমি জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা দিবো ওনি বললো ত্রিশ হাজার টাকা লাগবে আমি এতো টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কয়েক দিন পরে আমার আবেদন টি নামঞ্জুর হয়ে যায়, আমি আর যোগাযোগ করি নাই।
নামজারি করতে সরকারি ফ্রি ১১০০ টাকা এরা কোনটাকে না গেলে নামজারি করতে দেয় না এবং বিভিন্নভাবে এরা হয়রানি করে এরা কন্টাকে ছয় হাজার টাকা দিয়ে করে নেয়
আমি পাসপোর্ট করেছিলাম সাতক্ষীরা থাকা কালীন ফলে দুই থানায় তদন্ত হয়।।কোরিয়া যাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট এর দরকার ছিল।তদন্ত পুলিশ কে বললে বলে দেরি হবে পরে ৫০০ টাকা দিলে বলে তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।পাইকগাছার পুলিশ ছিল
১১০০ টাকার সেবা নিতে লেগেছে ১০ হাজার টাকা। টাকা না দিলে জমির মিউটেশন হয় না। ১ বছর অপেক্ষার পর টাকা দিয়ে মিউটেশন করে নিছি।
প্রথমত তার কথা হচ্ছে আপনি অনেক দেরি করে এসেছেন এখন এটি করে দেয়ার সম্ভব না আগামীকাল আসবেন, এখন যারা সার্টিফিকেট উঠাইতে যায় তারা বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকেই যায় এখন এই সামান্য টাকার জন্য যদি আবার ব্যাক করে পরের দিন যেতে হয় তাহলে দেখা যাচ্ছে তার চেয়ে বেশিখরচ পড়ে যাচ্ছে তাই সকলে বাধ্য হয়ে দিতে শিকার হয় কিন্তু যেই না দেওয়ার শিকার হয় তখন আর কোন সমস্যা নেই তখন সময়ের কোন সমস্যা নেই দ্রুত কাজ করে সার্টিফিকেট দিয়ে দিচ্ছে।
খতিয়ার এবং খাজনা ক্ষারের হিসেবে তারা টাকা নিয়েছে তারা বলছে টাকা না দিলে তারা খাজনা খারিজ এবং খতিয়ান দিবে না যেখানে খরচ হয় আনুষঙ্গিক সেখানে অতিরিক্ত টাকা তারা আদায় করছে।
They trying to contract with me…but I didn’t meet I send my office staff. They demanded 15 lac Taka for solve this matter. My office staff asking how much government taxes need to pay they said is not issue we will solved your case. A minimum amount you have to pay government. But this help I have to give 15 lac!!!!.
New car registration every car registration I am paying an amount of 5000 including our agent fee he is saying he got arround 2000 approximately from this transaction. so The rest Amount is spending in BRTA Office located in Dhaka Mirpur Uttara and Purbachal
আমি একজন শিক্ষক। আমার বিএড স্কেল পাওয়ার জন্য যখন আবেদন করি তখন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। আর ও বলা হয় যদি তা পরিশোধ না করি তাহলে আমার আবেদনের ফাইল রিজেক্ট করা হবে।তাই আমি ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। আপসোস বাংলাদেশের।
railway theke dewa lalmonirhat railbazar e amader ekta dokan acche jekhane amader proti bochor 7k taka tax pay kora lage sekhan theke amader rail kormokorta file noranor jonno 3k taka niyeche. sudhu tai noy aro ekta dokan bikroy er jonno 250000 hazar taka ghush dite hoyecche tader
সলকারি ফি,,,,,,,1100 ছিল।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আপনার আফতাব নগর আমার ছোট ভাই পড়াশোনা করে ইউনিভার্সিটিতে নোয়াখালীতে। এখানে সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দেওয়া হয়। তারপর বলা হয় ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড নোয়াখালীতে তাই দরখাস্ত বাতিল হবে। পরে ২০০০ টাকা দিয়ে এপ্লিকেশন সাবমিট করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি দালালের মাধ্যমে করা হয় যা কিনা পাসপোর্ট অফিসের এপ্লিকেশন গ্রহণকারী নিজেই জড়িত। দালালকে টাকা দেওয়ার পর পুনরায় এপ্লিকেশনটি গ্রহণ করে কোনরকম কথা ছাড়াই।