Building permission
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
শিক্ষা অফিস থেকে ২৫ জনের মতো শিক্ষকের স্কেল সমন্বয় করে একটা বিল করেছে সেখানে প্রতিজন শিক্ষকের বকেয়া বাবদ ১ লাখ টাকার মতো বিল হয়েছে। সেই বিল পাস করানোর জন্যে একাউন্টস অফিসে জমা দিলে তারা প্রতি শিক্ষক বাবদ ২০০০০ টাকা করে চেয়েছেন। এখনো টাকা দেয়া হয় নাই দেখে কাজটি ঝুলে আছে।
আমি জমি দখল এবং অবৈধভাবে বেচে দেওয়ার জন্য একটি আবেদন পত্র জমা দিতে চাই পাকশী ভূ-সম্পত্তি রেলওয়ে অফিসের অফিস সহায়ক শুধু একটি আবেদন পত্র জমা নিতেই ২০০০ টাকা দাবি করেন আমার কাছে ভিডিও রয়েছে
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
নতুন জয়েনিং এ, সার্ভিস বুক, সেলারী চালু করার জন্য দাবী করেছিলো।
ভূমি খারিজ করার উদ্দেশ্যে গেলে তারা টাকা ছাড়া কাজ করতে অপারগতা দেখিয়েছে।অনেকদিন ফাইল আটকে রেখে ছিল।তারপর ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
আমাদের ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ, যাহা আশুলিয়া থানায় অবস্থিত, আমার এই ইউনিয়নে কোন সেবা যেমন: নাগরিক সনদ, জন্ম নিবন্ধন বা ট্রেড লাইসেন্স সহ অন্যন্যা সকল সেবার জন্য গেলে সেখানে সরাসরি কোন টাকা চাওয়া হয় না বরং নানা অজুহাত দেখানো হয় যাতে আপনি ওনাদের টাকা দিয়ে ঐ কাজ করতে বাধ্য করা হয়। যেমন নাগরিক সনদ পত্রের জন্য যাওয়া হলে বলবে আপনি এই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন আরো অনেক কিছু জন্য হবে না, আবার সেক্ষেত্র তাদের 200-300 টাকা দিলে তখন তারা ঠিকই নাগরিক সনদ পত্র প্রদান করেন। এবং ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচ 230 টাকা সেখানে তারা 1500-1700 টাকা নেন। যারা টাকা দিতে চায় তাদের জন্য প্রেয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র। কিন্তু টাকা দিলে আর কোন কাগজপত্র প্রেয়োজন হয় না।
এই থানায় আমার ভাই বোনের নামে একটা মিথ্যা মামলা হয়েছিল।মামলার রিপোর্ট ও ছিল পজেটিব।কিন্তু এই থানার অসি।আমাদের কে টাকার জন্য খবর দেয়,এবং বলে কি যে টাকা নিয়ে আসলে মামলা টি একেবারে শেষ করে দিবে। তারপর আমরা গেলাম। বলে কি উপর মহলে টাকা দিতে হবে। আমরা বললাম কত টাকা লাগবে? তিনি বললেন প্রায় ৪/৫ লাখ তো লাগব। আরও অনেক কাকুতিমিনতির পর আমাদের কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু আমরা বললাম যে স্যার আপনারাও তো জানেন যে,এট একটা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। তাহলে এতো টাকা লাগবে কেন? অবশেষে আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়েছে এবং আরও আনুসংগিক ভাবে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে।এবিষয়ে উকলসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে।অথচ ওরাও জানে যে এটা একটা মিথ্যা মামলা
জমির bars সংশোধন করতে যেয়ে সব থেকে বেশি হয়রানি হয় তদন্ত রিপোর্ট করার সময়।জমি আমার দখলে, দলিল আমার,আদালতের রায় থাকার পরেও তদন্ত করে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। টাকা ছাড়া রিপোর্ট জমা দেয়া হয় না।৬০০০টাকা রিপোর্ট করাই। জানুয়ারি মাস ২০২৬ঘুষের টাকা দেই।সাভার ভূমি অফিসে প্রচুর হয়রানি করে। টাকা না দিলে শুধু গুড়াবে বিভিন্ন ওজুহাত দেখাবে। যাতে আপনি নিজেই বলবেন কত টাকা লাগবে।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে একজন কর্মচারী বলেছিল ৮০০০ টাকা দিলে সে সব কাজ করে দিবে। অন্যথায় আমি পাশ করলেও আমাকে ফেল করে দেওয়া হবে।
একটা জমি ডেভেলপমেন্ট এর জন্য রাজউকের নিয়ম মোতাবেক ১০% জমি রাজউক কে ইজমেন্ট ডিড এর মাধ্যমে সমর্পণ করতে হবে। কিন্তু ল্যান্ডওনার এর পাওয়ারে রাজউকের সমস্ত কাজ ব কলমে এটর্ণী করার অধিকার আছে। কিন্তু সাব রেজিষ্ট্রার বলে পাওয়ার এ ইজমেন্ট শব্দটা উল্লেখ নাই তাই ঘুষ না দিলে করবে না।
জমি খারিজ করতে গিয়ে টাকা দাবি
আমি একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা ( সৌদি প্রভাসী) গত ৩০/০৮/২০২৬ ইং আমার এনআইডি কাডের সাথে পাসপোর্ট এর ২ বছর কম বেশি এটা সমাধনের জন্য নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কাছে যায় সে আমাকে এটা প্রকিয়া জানায় যে ৪ মাস সময় লাগবে এবং কোর্টে যেতে হবে এবং আরো অনেক কাগজ লাগবে যা আমার ছুটির সময়ে মধ্যে সম্ভব নয়, আমি উনাকে বুঝাতে ব্যার্থ হয় কারন আনার ছুটি ২.৫ মাস আলরেডি ২০ দিন চলে গেছে উনি ৪ মাসের আগে হবে না জানায় এবং মোবাইল নাম্বার রেখে দেয়, সে রাত কল করে বলে যে এটা দূত ব্যাবস্তা করা যাবে এবং ৩০০০০ টাকা লাগবে ৭ দিনে পরিবর্তন করে দিবে কোনো ধরনের কাগজ এবং কোর্টের কাগজ লাগবে নাহ, এই হলো আমাদের কষ্টের কাজের টাকা রেমিট্যান্স দিয়ে পুষা কাল সাপ, আমি লিগ্যাল নিয়মেই এগুচ্ছি ৩১/০৮/২০২৬ এ কোর্টে গ
দলিল আনতে গিয়েছিলাম ২০০ টাকা ছাড়া দিবেনা। পরে ২০০ টাকা দিয়ে দলিল আনছি
আমার পৈতৃক সম্পত্তির আমার নামে নামজারি করলে উনারা ১৫০০০ টাকা দাবি করেন অথচ অনলাইনে নাম জারি খরচ দেখাচ্ছে মাত্র ১১৭০৳ টাকা।
Land mituation korar jonno ghush dita hoyasa.bola na hola kaj hoba na.
ঢাকা ওয়াসার পানির গাড়ি ফোন দিলে মাঝে মাঝে পানি নিয়ে আসে কিন্তু পানি নামানোর আগে চলে দর কষাকষি নূন্যতম অতিরিক্ত ৫০০ টাকার নিচে পানি নামায় না,
আমি সেখানে আমার বাড়ির দলিল নিয়ে যাই বলি যে আমি জায়গাটি নতুন ক্রয় করেছি এটিকে নামজারি করতে হবে তুমি আমাকে বলল যে ১৫ হাজার টাকা খরচ হবে পরবর্তীতে আমি তাকে বলি যে কিছু কম রাখা যায় না তিনি আমাকে বলল লাস্ট ১৪ হাজার টাকা
Report stuck. Asked me to find out the report. After going to multiple police stations, figured out it was in Dhaka. The police officer asked $3K.
খতিয়ান বাবদ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।