ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অফিসে গেলে নবায়ন ফি ১১৫০ টাকার বিপরীতে তাহারা আমার কাছে ৪৬০০ টাকা দাবি করে। অতিরিক্ত টাকা আমি দিতে অপারগতা জানাইলে তাহারা বলে আপনার লাইসেন্স নবায়ন হবে না, ফলে আমি লাইসেন্স না করেই ফিরে আসি।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অফিসে গেলে নবায়ন ফি ১১৫০ টাকার বিপরীতে তাহারা আমার কাছে ৪৬০০ টাকা দাবি করে। অতিরিক্ত টাকা আমি দিতে অপারগতা জানাইলে তাহারা বলে আপনার লাইসেন্স নবায়ন হবে না, ফলে আমি লাইসেন্স না করেই ফিরে আসি।
২০২০ সালে৷ আমার ইমারজেন্সি মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রয়োজন হয়,আমি রানারের জন্য আবেদন করি এবং জমা দেই, আমার পরীক্ষার ডেট পড়ে ছয় মাস পর আমি খুব বিপদে পড়ে যাই তারপর বিআরটিএ তে যোগাযোগ করলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে,তাহলে পরীক্ষার তারিখ এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ে আসবে আমি বাধ্য হয়ে তার বিকাশ নাম্বারে টকা পাঠাই এবং পরীক্ষার ডেট এক সপ্তাহের মধ্যেই দিয়ে দেয়।
আমি একজন সংবাদকর্মী, আমার এলাকার এক ছোট ভাই তিনি সরকারী চাকরী করেন। হোসেনপুর উপজেলা জিনারী ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা তার কাছে জমির খারিজ করাতে যান তার তাছে ৭৪ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ভোক্তভোগী বিষয়টি আমার কাছে শেয়ার করেন। পরে ভূমি অফিসে ঐ কর্মকর্তা সাথে আমি ভূমি অফিসে গিয়ে কথা হলে আমার কাছেও ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমি চলে আসি
উত্তরা ১২ নং সেক্টর সিটি কর্পোরেশন অফিস ২ কর্মকর্তা নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার উপলক্ষে আমার দোকান ভিজিট করে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কর ছিলো ২০০০/- টাকা কিন্তু তারা জানালেন ৫৩০০+ ব্যাংক জমা সহ মোট ৯০০০/- দাবি করে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আমি পরীক্ষায় পাস করেছিলাম। কিন্তু এরপরও আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। পরে আবার নতুন তারিখ নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়। সেই পরীক্ষার জন্য ঘুষ হিসেবে ৩,৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর আমাকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়া হয়।
জমি খারিজ বা( নাম জারী)করার জন্যে বাড়তি ৮৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে, অন্যথায় কাজ করা যাবে না,
৬৫০০ টাকা বাড়তি দিলে পরিক্ষায় পাশ করানো হবে অন্যথায় কয়একবার পরিক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে
৫০০০ টাকা না দিলে ফাইল তৈরি করবেন না। ফলে আমি প্রতিবছর হোল্ডিং ট্যাক্স ট্যাক্স দিতে পারব না। ঘুষ দেওয়াটা একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোটামুটি সবাইকে দিতে হয়। কর কমানোর জন্য আপিল করতে দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে সিআরবি চট্টগ্রাম, পেনশন শাখায়, একটি হয়রানি বা পেরেশানি শাখা। ঐখানে প্রচুর হয়রানি বা অপদস্থ হতে হয় সেবা গ্রহণকারীদের ঘুষের চক্রের সিন্ডিকেটের কাছে। সারাজীবন রেলওয়েতে সৎভাবে শ্রম দিয়ে, চাকরি শেষ ঐ ব্যক্তি বা তার পরিবারকে পেনশন শাখায় কঠোর অপমান অপদস্থ বা হয়রানির শিকার হতে হয়।
আমার ছোট ভাইকে অহেতুক পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো, টাকা দিতে পারিনি তাই ৫৪ ধারায় জেলে দিয়েছিলো,কক্সবাজার, মহেশখালী উপজেলা, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন, এখানে পুলিশ ফাড়ির যে এস আই থাকে, সে এইখানে রাজার মতো,ওনি আদালতের মতো বিচার করেন, বাংলাদেশের ভিতরে আরেকটা দেশের মতো,। রাজনৈতিক নেতারা তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে। এখানে পুলিশ না চাইলে কিছুই হয় না। প্রতিদিন বিকালে শালিসি আদালত বসে এখানে,বিচারক এস আই সাহেব। আমার বুদ্ধির বয়সে এমনই দেখে আসছি...১৪ বছর পরে বিদেশ এসে দেখি আখনো সে একি অবস্থা
“ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,5865 টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত 5135 টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস”
পিজি হাসপাতালে আমার ওয়াইফের আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে ৪০০ টাকার আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে আরো ৪০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
সিজিডিএফ এর অডিটর চাকুরির বয়স ১০ বছর হলে উচ্চতর গ্রেড নির্ধারনের জন্য ৫০,০০০.০০ টাকা ঘুষ চায়। শুধু তাই নয়। তাদের কাছে যে কোন কাজে গেলে ঘোষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। যেমন টিএ ডিএ বিল পাস করতে ঘোষ লাগে, পেনশন এর কাজে ঘোষ লাগে, জিপি ফান্ড এর হিসাব খুলতে ঘোষ লাগে, চিত্ত বিনোদন এর বিল পাস করতে ঘোষ লাগে, প্রমোশন হলে পে ফিক্সেশন করতে ঘোষ লাগে। মোট কথা তাদের সাথে যে কোন কাজ থাকলেই ঘোষ লাগে
ভূমি অফিস থেকে আমাকে অফার করেছে ১৮০০ টাকা দিবেন তাহলে আপনার কাজটা আগে করে দিব।
আমি দীর্ঘ ২ বছর যাবত বাঞ্ছারামপুর একাউন্ট অফিসে ঘুরতেছি কিন্তু হবে, হয়ে যাবে এসব বলতে বলতে জীবন টা অতিষ্ঠ। পরে একজন চা নাস্তার টাকা দাবি করছে ৫০০০। আমি বলে এসেছি যেদিন টাকা ছাড়া সেবা পাবো সেদিন আসবো। আশা করি দেশটা একদিন পরিবর্তন হবে।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম যাওয়ার পর । আমার চারটা ভুল ধরছে যেই ভুলগুলা যদি আমি সংশোধন করতে যাই তাহলে । আমার কমসে কম এক মাস ঘোরাঘুরি করা লাগবে । 1) ভুল আমি স্টুডেন্ট ছিলাম এখন কাজ করি না তো বেকার সনদ আলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিন্তু ইউনিয়নে তো ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাই এখন কি করব 2) ভুল বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ২৫ সালের টা নিয়ে গিয়েছিলাম ২৬ সালের টা লাগবে 3) ভুল আমার আব্বুর পুরাতন আইডি কার্ড হওয়ার কারণটা জন্মস্থান লেখা ছিল না এটাকে সংশোধন করতে হবে বলেছে এটাকে যদি সংশোধন করতে যাই কমসেকম এক মাস লাগবে আরো অনেক ভুল ধরেছিলো আরো অনেকের অনেক ভুল ধরেছে অনেকে দুইদিন তিনদিন চারদিন ধরে ঘুরছে কিন্তু সমস্যা সমাধান হচ্ছে না যারা দালাল ধরে টাকা দিচ্ছে তাদের ফিঙ্গার হয়ে যাচ্ছে
রাস্তার পাশে ভ্যান নিয়ে ব্যাবসা করতে গেলে স্থানীয় কিছু নেতা কোন কারন ছাড়া প্রত্যেক গাড়ি প্রতি ২৫০/২৮০/৩০০ মাল ভেদে প্রতিদিন নিয়ে থাকেন।
আমি একজন সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগী। আমাদের একটি জমির সমস্যার জন্য জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মামলা দায়ের করি। তাই সরকারি খরছে আমার বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য একজন সার্ভেয়ার / কমিশনার এর সাথে পরামর্শ করলে উনি একটা দরখাস্ত লিখে আমার থেকে ২ দুই হাজার টাকা দাবি করেন আর বলেন সে সুপারিশ করবে। আমি খুশি হয়ে তাকে ২০০০ টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করি। আমার মামলার তারিখ দেওয়া হয় ২ মাস। দুই মাস পর আসলে বিবাদী পক্ষ আসে নাই। তখন অফিসে এক ছেলে নোটিশ জারি ও বাড়িতে পৌছে দিবে বলে আমার নিকট থেকে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি উপায় না পেয়ে সার্ভেয়ার এর নিকট গেলে সে বলেন, তাকে ১৫ হাজার টাকা যদি দেয় এর বিনিময়ে সব ১ মাসের ভিতরে করে দিবে। পরে লক্ষ করলাম এম গঠনা অনেকের সাথে হচ্ছে। কিন্তু জজ অনেক ভালো। আমলারা অনেক টাকা হাতাচ্ছে।
আমি অত্যন্ত ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগের সঙ্গে এই লিখিত অভিযোগটি জানাচ্ছি যে, ঢাকা ওয়াসার মিরপুর জোনে আমার বাসার পানির মিটার প্রতিস্থাপনের সময় আমার কাছ থেকে ২৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকার একটি রসিদ আমাকে প্রদান করা হলেও অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা নেওয়ার পর কোনো রসিদ, চালান বা সরকারি প্রমাণপত্র আমাকে দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি নিম্নরূপ: অর্থ দাবির লিখিত হিসাব ক্রম খাত দাবি করা অর্থ ১ নতুন পানির মিটার ২০,০০০ টাকা ২ অন্যান্য খরচ ৬,০০০ টাকা ৩ Installation Charge ১,০০০ টাকা মোট ২৭,০০০ টাকা আমি ২০,০০০ টাকা পরিশোধ করি এবং তার বিপরীতে রসিদ পাই। কিন্তু অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা রসিদ ছাড়া নেওয়া হয়। এখানে আমার সরাসরি প্রশ্ন হলো—যদি ২৭,০০০ টাকা বৈধ সরকারি খরচ হয়, তাহলে পুরো ২৭,০০০ টাকার সরকারি রসিদ কেন দেওয়া হলো ন
কিডনি রোগীদের একটা টেস্ট আছে যেটা কিডনি অপারেশন আগে, পরে করা হয়, যেটার নাম রেনোগ্রাম,যেটা করতে নিউক্লিয়ার মেডিসিন লাগে, এটা করানোর জন্য আগে থেকে সিরিয়াল নিতে হয়, সিরিয়াল নিতে গেলে, যে লোক সিরিয়াল নেয়,সে কোন না কোন ভাবে বুঝাবে এখন মেডিসিন নাই, তাই পরিক্ষা বন্ধ, আপনি আমার সাথে যোগাযোগ রাখবেন,মেডিসিন আসলে আপনাকে আমি বলবো, প্রতি সাপ্তাহিক কল দিতে বলে, কিছুদিন এই ভাবে চলতে থাকে তার পরে বলে, অনেক লাম্বা সিরিয়াল কিছু খরছ পাতি হবে যদি আপনি করতে চান, টেস্ট হচ্চে ৩ হাজার টাকা, তখন ৫ হাজার দিতে বলে, এখন আমার অপারেশন করতে হবে চট্টগ্রাম এই টেস্ট আর কোথাও করানো হয় না, তাই আমি ৫ হাজার দিয়ে এই টেস্ট করতে বাধ্য। এই পযন্ত আমি ৩ বার টেস্ট করছি,৬ হাজার টাকা বেশি দিতে হয়ছে না হলে সিরিয়াল দেয় না। যত রোগী আসে সবার