দাপ্তরিক বিল পাস সংক্রান্ত
সরকারি বিল পাসের ক্ষেত্রে বিভাগীয় একাউন্টস অফিসের একাউন্টস অফিসারকে ২৫-২৬ অর্থবছরে আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। অন্যথায় বিল পাস হয়না। ফলে দাপ্তরিক কাজ বিঘ্নিত হয়।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারি বিল পাসের ক্ষেত্রে বিভাগীয় একাউন্টস অফিসের একাউন্টস অফিসারকে ২৫-২৬ অর্থবছরে আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। অন্যথায় বিল পাস হয়না। ফলে দাপ্তরিক কাজ বিঘ্নিত হয়।
নতুন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য খরচ বাবদ অর্থ দাবী।
প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় কিন্তু এই টাকাটা সাবরিষ্ঠ অফিস নেয় না এটা নাই পরে এই ভাগ বন্টন হয় এবং এটা পুলিশ প্রশাসন ডিবি মাস্তান প্রত্যেকটা রন্ধে রন্দে এই টাকার ভাগ যায় এবং প্রতিদিন ১০০টা রেজিস্ট্রি হয় তাহলে ১৫ লক্ষ টাকা উঠে মাসে তাড়াতাড়ি প্রায় তিন কোটির উপরে এবং প্রত্যেকটা সার্টিফাইড কপি জমা হয় তাতে ফ্রি নাই দুই হাজার টাকা মরিবার এবং সেখান থেকেও ২ লাখ টাকা কারেকশন হয় খরচা করলেও কমসে কম ২৫ লাখ টাকা দাঁড়ায় তাহলে মোট প্রায় ৪ কোটির মত অতিক মাসে ইনকাম ইনকামটা পুরা সংস্থার মধ্যে চলে যায় সরকারি বেসরকারি মাস্তান হবার মধ্যে ভাগ বন্টন হয়
কামরাঙ্গীরচর থানায় জিডি করতে গেলে ১০০ টাকা অনলাইন চার্জ বাবদ দাবি করে।
নামজারি করতে দালাল চেয়েছে
every month we have to pay 1000 taka for smooth business operation otherwise they disturb over phone.
১৬-০৯-২০২৬ইং। জেলা: টাংগাইল, উপজেলা: কালিহাতী। কালিহাতী সদর হাসপাতালে সকাল ১০ টার পর, টিকাদান কক্ষে গেলাম, বাচ্চার শিশুটিকা কার্ড করার জন্য। কর্মরত ব্যক্তি দুই ঘন্টা অপেক্ষা করতে বলল, এবং আশ্বাস দিলো যে ভিড় কমলে বাচ্চার টিকাকার্ড করে দিবে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলাম এবং ভির কমলো। প্রায় ১ টার দিকে আবার গেলাম কথা বলতে। ঐ ব্যক্তি ৫০ টাকা চাইল। আমি বললাম, ""কেন, টাকা তো লাগে না?"" টাকা না দিলে বলে টিকাকার্ড করায় দিবে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিলাম। টাকা নেওয়ার পরেও আমাকে অরিজিনাল শিশুটিকা কার্ড দেয়নি, টিকা কার্ডের ফটোকপি কাগজ দিছে। এমনকি, পরবর্তী টিকা কখন দিতে হবে সেটাও বলে নাই। ব্যবহারও খারাপ ছিল। এই আমার সোনার বাংলাদেশ ?
সিটি স্ক্যানের জন্য ট্রলি চাইলে বলে দুইশ টাকা দিলে ট্রলিতে রোগী উঠাবে। আবার রোগীর ছুটির পর ট্রলি চাইলে বলে একশ টাকা দিলে ট্রলি পাবেন। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
যখন আমি আমাদের জমিত খারিজ করতে যায়।
আমার ভাইয়ের মামলা ছিল। তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে দেবার জন্য মিষ্টি খাওয়ার জন্য ২০০০০ টাকা চেয়েছে। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি কিন্তু আমার বিপক্ষে রিপোর্ট করেছে।
এনজিও প্রকল্প কার্যক্রমের অনুমোদন এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে প্রত্যয়ন পত্র গ্রহনের জন্য ঘুস দাবি করে। ঘুস না দিলে অনুমোদন এবং প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে না। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এনজিও সেলের অফিস সহকারী/ডিএ এবং চকরিয়া, সদর, উখিয়া এবং টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের ডেস্ক থেকে (সহকারী/ডিএ) ঘুস দাবী করে এবং ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না। যাহার ফলে কার্যক্রম বাস্তবায়ন দেরী হয়। পরবর্তীতে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে অবহিত করলে তাহা অনুমোদন পাওয়া যায় আবার মাঝে মাঝে দেরী হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ডেস্ক থেকে (সহকারী/ডিএ) অনেক অপমানিত করে এবং দাখিলকৃত নথি খুজে পায় না। যদিও নথি দাখিলের প্রমান দেখানো হয় তখন বলে আবার দাখিল করতে হবে।
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স এর ফি দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত আরো ১ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে। টাকা না দিলে দেরি হবে।
ডগাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার মেয়ে পড়াশুনা করে। এক-সময় একই স্কুলে আমিও পড়েছি। কিন্তু কথা হল আমার জানা মতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাবতীয় খরচ বহন করে সরকার (সরকারি ফান্ড)। তবে আমাদের ডেমরায় অবস্থিত এই- ডগাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী-রত স্কুলের বুয়ার বেতন প্রতি মাসেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জন-প্রতি ১২০ টাকা(একশত বিশ) হারে প্রতি মাসেই উত্তোলন করা হয়। আমার কথা হল, ধরি স্কুলে ২৫০ জন শিক্ষার্থী আছে, আর প্রতিজন শিক্ষার্থী হতে ১২০ টাকা। আসলে অংকটি হলো, (২৫০*১২০)= ৩০,০০০/(ত্রিশ হাজার টাকা)। প্রশ্নটি হল:(১) বুয়ার বেতন কত? (২) একটা শিক্ষার্থী কেন বুয়ার বেতন দিবে? (৩) এটা কি দুর্নীতির ভিতরে পড়ে কিনা? এর সাথে অবকাঠামো-গত বিভিন্ন খরচ তো আছেই।
আমার মাধ্যমিক সনদপত্রের অভিভাবকের নামের ভুল সংশোধন ও ভাষা পরিবর্তনের আবেদন করেছি । সব প্রক্রিয়া ঠিক করেছি । তবুও তারা আমাকে কোন প্রকার সাহায্য করছে না বা আমার কাজে গুরুত্ব দিচ্ছে না । শুধু আমাকেই নয় সবাইকেই সাহায্য করছে না, বরং সবাইকে অবহেলা ও লাঞ্ছনা শিকার হতে হচ্ছে । তারা একজন থেকে আরেক জনের কাছে অর্পণ করছে । প্রত্যেকেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ আবেদন করছে । তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করায় তারা অপমান লাঞ্ছনা করা সহ কোন কাজ করছেই না । এটা শুধু আমার সাথেই না সবার সাথেই হচ্ছে ।
কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের যোগাযোগ শাখায় যে কোন চিঠি জমা দিতে ১৫০/- করে দিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দেখা যায় যে, সরকারি ফি এর পরও অতিরিক্ত ৫-৬ হাজার টাকা দিতে হয়। অত্যন্ত কৌশলে অভিনব কায়দায় ডিসি অফিসের জেএম শাখার কিছু কর্মচারী বিশেষ করে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং বাহিরের কিছু দালাল শ্রেণির লোক সেট করা হয় মধ্যস্থতা করার জন্য, মূল অপরাধীরা থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, যেন ধোঁয়া তুলশী পাতা। যাঁদের নিকট থেকে টাকা পাওয়া যায় না, তাদেরকে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ দেখিয়ে বাতিল করা হয়। মজার বিষয় হলো এমন অনেক আছেন ড্রাইভিং এর কিছুই জানেন না এমনকি মোটর সাইকেল চালানোও জানেন না, অথচ তাকে গাড়ির ( হালকা ) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মনোনয়ন করা হচ্ছে শুধু টাকার বিনিময়ে। এক কথায় আর্থিক লেনদেন কিংবা উচ্চ পর্যায়ের সুপারিশ ছারা একটা কাজও এখানে হচ্ছে না।
ইউনিয়ন পরিষদ এ জন্ম নিবন্ধনের বাবা মা র নাম ঠিক করার জন্য।চার দিন ঘুরাইছে আমার মা কে আজ না কাল আসেন এই বলে।পরের বার বলা হইছে ৩০০০ টাকা লাগবে শেষমেশ ১৬০০ টাকায় করে দায়
একটি বন্দোবস্ত কেস বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসকের অফিসে এক কর্মকর্তা র কাছে যাওয়া হয়। এবং সে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন আমরা তাতে সহমত পোষণ করলাম কিন্তু তাকে অগ্রিম 10000 টাকা প্রদান করা হলো কিন্তু আমার কাজটি তিনি করার আগে অন্য উপজেলায় বদলি হয়ে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে আমার সঠিক বন্দোবস্ত কেস বাতিল করতে পারেনি তিনি অন্য অফিসারের কাছে আমাদের শরণাপন্ন হতে বললেন সেই ব্যক্তি বলে অন্য কথা আবার এভাবে হয়রানীর সম্মুখীন হইতেছি বিগত তিন বছর যাবত। এই বন্দোবস্ত কেসটি বাতিলের প্রসঙ্গে একটি তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তোসিলদার কে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি সঠিকভাবে তদন্ত রিপোর্ট তারপরও দেয়নি বিরোধীদলের পক্ষ থেকেও তিনি কিছু অর্থ গ্রহণ করেছে বলে আমার ধারণা।
ফায়ার লাইসেন্স অনলাইন রিনিউ এবং পুনঃ মাশুলের কথা বলে প্রত্যেক লাইসেন্সের বিপরীতে ৩৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। ঘুষ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
মাঠ পরচার কাগজ উত্তলন করতে গিয়েছিলাম বগুড়া সেটেলমেন্ট অফিসে। প্রিন্ট কপি ও অফিসিয়ালি সাক্ষর সহ কাগজ পাবো কিন্তু 1০০০ টাকা দিতে হবে।