নামজারি
আমার এক চাচা ওয়ারিশ সম্পত্তির না জানিয়ে বিক্রি করেছে এবং ভূমি অফিসার কে টাকা দেওয়ার কথা ছিলো, না দেওয়ায় এখন কোন তথ্য আমাদের দেয় না, আগের টাকা আমরা দিলে আমাদের তথ্য দিবে বলেছেন।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার এক চাচা ওয়ারিশ সম্পত্তির না জানিয়ে বিক্রি করেছে এবং ভূমি অফিসার কে টাকা দেওয়ার কথা ছিলো, না দেওয়ায় এখন কোন তথ্য আমাদের দেয় না, আগের টাকা আমরা দিলে আমাদের তথ্য দিবে বলেছেন।
নাম পরিবর্তন ও ও টাকা জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবি করে বিআরটিএর ভিতরে ব্যাংকের অফিসাররা এক্সট্রা টাকা দিলে টাকা তাড়াতাড়ি নেয়। মিরপুর 14 নম্বর বিআরটি তে এরকম অবস্থা ভিতরে সব কয়টা মহিলা অফিসার ঘুষ খায় সিরিয়াল বন্ধ রেখে মোবাইলে যে কাজ আসে সেই কাজগুলো করে আর বাইরে থাকা লাইনের মানুষদের বলে সার্ভার নাই নেট নাই
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে প্রত্যেকটি নামজারির শুনানিতে ১৫০০ করে টাকা নিচ্ছে না দিলে দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। টাকা দিলে দ্রুত শুনানি হয়ে কাজ হয়ে যাচ্ছে, টাকা না দিলে তার ভোগান্তির শেষ নাই। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে, এই অফিসের প্রায় সবাই এতে জড়িত।
জমীর খাজনা পরিশোধ আমাদেরকে বলে যে তাকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে ভূমি অফিসে যে নায়েব থাকে আমাদের টাকা দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা এবং আমাদের টাকার রশিদ দেবে অনলি দশ হাজার টাকা বলুন কত বড় ঘুষখোর এবং বলে অনলাইনে দিতে গেলে আমাদের নাকি লাগবে ২৭ হাজার টাকা
পেনশন চালু করতে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে জানায় কল্যাণ ট্রাস্ট ভাতা চালু করতে আলাদা খরচ দিতে হবে এবং সে খরচ দাবি করা হয় 15 হাজার টাকা। দুই ধাপে আলাদা আলাদা একই অফিসে দুটি টেবিলে এ টাকা পরিশোধ করতে হয়। একটি টেবিল থেকে আরো পরিষদের দাবি অব্যাহত আছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ আড়াইসিধা দিয়ে নবীনগর টু আশুগঞ্জ রাস্তা যাবার জন্য সরকার জনগণের কাছ থেকে রাস্তা অধিগ্রহণ করেছে সে রাস্তা টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভূমি অধিগ্রহণ অফিস থেকে তুলতে হয়। সেখানে ৫% থেকে ১০% ঘুষ না দিলে কেউ টাকা পাচ্ছে না। আমরাও চার লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে টাকা তুলতে হয়েছে এবং এটা সবার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষটা নেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রনালয়ের সায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান (এস ডি এফ) এর নোয়াখালী চরমটুয়া ক্লাস্টার অফিসে জুনে চলমান বি-স্ট্রং প্রজেক্টে(বন্যা পরবর্তী) নাম বসানোর আগে মানুষ থেকে ২০০০ টাকা এবং নাম ভুল হলে ৫০০ এবং এসডিএফ থেকে জনগন বিকাশে ৫০৩০ টাকা পাওয়ার জন প্রতি ৩০০ এবং প্রতি মাসে ১০০ করে টাকা আদায় করছে। এসব কথা এসডিএফ অফিসের লোকেরা বি-স্ট্রং প্রজেক্টে নামরত দের প্রকাশ করতে নিষেধ করেছে। এসব বাড়তি টাকা নেওয়ার কথা প্রকাশ করলে তাদেরকে এই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসডিএফ এর দায়িত্বরত রা এই টাকা গুলো গ্রাম সভাপতিদের মাধ্যমে আদায় করে নিচ্ছে গোপনে। অভিযোগটি ক্লাস্টার অফিসের লোকদের না জানিয়ে সরাসরি এলাকা ভিত্তিক যাচাই করলে সম্পূর্ন তথ্য পাওয়া যাবে।চলমান প্রজেক্টের প্রতিটি এলাকায় দুর্নীতি হচ্ছে
পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমার ডকুমেন্ট সব থাকার পরও গুষ দিতে হয়েছে
আমি গত অর্থবছরে পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করি। দলিলের নকল তুলতে চাইলে এই অফিসের নকলনবিশ ২,০০০ টাকা দাবি করে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খরচ ছিল ৬৩০ টাকা। এই অফিসে দলিলের নকল নিতে হলে ২০০০ টাকা দিতেই হবে, অন্যথায় কোন নকল আজ অবধি দেয় নি এই অফিসের সিন্ডিকেট। বাধ্য হয়ে তাই ২,০০০ টাকা দিয়ে নকল উত্তোলন করতে হয়েছে।
সিটির অটোরিকশা শৃঙ্খলায় নিয়ে আসার নাম করে চিকন চাকার রিকশা: ৫,৪০০টি অজানা মোটা চাকার মিশুক: ৫,৫৭১টি ×৮০০= 4,456,800 লম্বা অটোরিকশা: ৫,৯৬৮টি ×১৫০০=8,952,000 এবং চালক ১১৫৩৯× ৫০০=5,769,500 সর্ব মোট= 20,178,300 টাকা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু টাকার রশিদ দেওয়া হয়নি। টাকার রশিদ ছাড়া টাকা আদায় একটা দুর্নীতি। একটি টোকেন দেওয়া হয়েছে টোকেনে টাকার কথা উল্লেখ নেই। যে সেবার জন্য নেওয়া হোক রিসিপ্টে টাকার কথা উল্লেখ থাকতে হবে না হলে স্পষ্ট দুর্নীতি। 2 কোটি 17 লক্ষ 8হাজার 300 টাকার দুর্নীতি হয়েছে। নোট: অটোরিকশার সংখ্যা। টাকার পরিমাণ ঠিক আছে। আমি নিজে একটা অটোর জন্য অপারেশন টাকা পরিশোধ করেছি। এবং আমার ড্রাইভার 500 টাকা পরিশোধ করেছে।
আমাদের একটি জায়গা রয়েছে বরিশালের সেই জায়গাতে এমন একজনের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল যে আমাদেরকে সব ধরনের ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয় এজন্য যখন আমরা ওই জায়গাটি বিক্রি করতে যাই তখন বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় পড়ে যায় এই কাগজ নাই সেই কাগজ নাই এই ধরনের কথাবার্তা বলে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়! পরবর্তীতে আমরা সব ধরনের কাগজপত্র উঠাই এবং এতে অনেক টাকা পয়সা যায় তারপরও একটা কাগজ নিয়ে খুবই আপত্তি ছিল যে কাগজটি উঠানো খুবই জটিল ছিল কোন ধরনের সুযোগ ছিল না সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আমরা যখন মামলা দায়ের করি মামলায় অনেক টাকা পয়সা চলে যায় সে টাকা পয়সার কথা এখনো উল্লেখ করিনি একটা পর্যায়ে চার-পাঁচ বছর যখন চলে যায় তখন ওদের কাছে বলি এত দেরি হচ্ছে কেন তখন বলে টাকা ঢালেন টাকা ধরলে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে
পানির মিটার নষ্ট হলো কিনা তাদের আসাদগেটে ল্যাব আছে তারা বলবে কি করতে হবে। কিন্তু গ্রাহককে সেখানে যেতে দেয়না। তারা নিয়ম করেছে অলিখিত পুরতন মিটার তাদের দিলে নুতন মিটার তাদের থেকে ২১০০০টাকা দিয়ে নিতে হবে পিরাতন ফেরত দিবে না।
কয়েক মাস পূর্বে আমার ক্রয়কৃত জমির নামজারি পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম, যেখানে সরকারি খরচ লেখা মাত্র ৫০০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়া হয়েছিল। ঘুষ এখন আমাদের দৈনন্দিন খরচ হয়ে গেছে, না দিলে কাজ করে না সরকারি অফিসারেরা।
সেবাটি ছিলো,,, একজন ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার একটি বিধবা ভাতা কার্ড করে দেয়ার সার্থে তিনি ৫০০০টাকা চেয়েছেন! সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক ভাবে জমা দেয়া হয়েছে কিন্তু আরো ৮ থেকে ৯ মাস আগে এখনো সেই কার্ড টি দিতে রাজি নন সেই মহিলা মেম্বার! তার দাবি ৫০০০টাকা না দেয়া পর্যন্ত উনি কার্ড এর এপ্রুবাল দিতে পারবেন না!
৯০০০ টাকায় বিলে উনি ২৫ পার্সেন্ট হারে টাকা চাইছে ফোন করে। কিন্তু আমি এখনো কিছু বলিনি
টাইম স্কেল লাগানোর জন্য ৭০০০ টাকা ঘুষ চাইলে দফারফা করে ৫৫০০ টাকা দেই
অফিস থেকে বলে টাকা দিলে কাজ হবে আর টাকা না দিলে কাজ হবে না
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স গারির লাইসেনস সবই ছিল সুধু হালকা জান, মোটরসাইকেল সংযোজন ছিল না তাই আমাকে কেস দেয়।সার্জেন্টের সামনে দিয়ে ১০০ সহ সহ মানুষ হেলমেট ছারা গাড়ি চালাচ্ছে, তাদের কোন কাগজ নাই,এটা তাদের কোন সমস্যা না, আমাকে কেস দেয়।বর্তমান পরিস্থিতি এরকম চলতেছে ।
আমি আমার বর্তমান বউকে ভালোবেসে বিয়ে করি। আমার শ্বশুরপক্ষ এটা না মেনে আমার নামে নারী ও শিশু অপহরণ মামলা করে। যদিও আমার বউ প্রাপ্তবয়স্ক ছিল। পরে আমাদের সন্তান সন্তানাদি হলে আমার শ্বশুরপক্ষ কোর্ট থেকে কেসটি উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সকল সাক্ষ্য প্রমাণসহ আমরা কোর্টে উপস্থিত হই কেসটি উইথড্র করার জন্য, কিন্তু সরকার পক্ষের উকিল কেসটি উঠিয়ে নিতে বাধা দেয়। এবং অনেক হয়রানির শিকার করে।পরে উকিলদার পার্সোনাল সহকারীকে দিয়ে আমাদের কাছে পাঠায় এবং বলে ৩০ হাজার টাকা হলে আমাদের উকিলের সাথে বসে কাজটি করে দিবে। আমরা ৩০ হাজার টাকা দিতে অশিক্ষিত জানালে পরে 2০ হাজার টাকা নিয়ে আমাদের কাজটি করে দেয়। আমি মনে করি প্রত্যেকটা কোর্টের সরকারি উকিল এ ব্যবসার সাথে জড়িত।