Police verification
জবের পুলিশ ভেরিফিকেশিনে। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও টাকা নিছে। বাংলাদেশ কি কখনো চেঞ্জ হবে না!
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জবের পুলিশ ভেরিফিকেশিনে। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও টাকা নিছে। বাংলাদেশ কি কখনো চেঞ্জ হবে না!
তাদের ভাবসাব এমন ছিলো,আমি টাকা না দিলে,আমার অনেক ভুল ধরিয়ে দিবে।এমনকি আমাকে হয়রানি করবেে,,,
নিজেদের কৃষি জমিতে সেচ কাজের জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, প্রথম আমাদের বিদ্যুৎ অফিস থেকে জানাই না হয়. আবেদন করে ত্রিশ হাজার টাকা দিলে আপনারা বিদ্যুৎ পেয়ে যাবেন. আবেদন করার পর বিভিন্ন অজুহাত নিয়ে তারা এক লাখ টাকা দাবি করে.কাজ অর্ধেক সম্পন্ন করে পরবর্তীতে তারা এক লাখ 50 দাবি করে, আমরা না দেওয়ায় আগে টাকা ফেরত দিবে না পেরে জানিয়ে দেয়, কোন উপায় না পেয়ে আমরা দেড় লাখ টাকা পরিশোধ করি, কাজটি ৮০% সম্পন্ন করে, আমারে জানাই যে বিভিন্ন লোকে অভিযোগ করছে, আপনাদেরকে অফিসে যেতে হবে, আমরা অফিসে যাওয়ার পর আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা মোট দুই লাখ টাকা প্রতিশোধ করি, ত্রিশ হাজার টাকার বিদ্যুৎ আনতে আমাদের মোট দুই লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে , এছাড়াও আমাদের অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে।
মূল কথা হলো টাকা ছড়া তারা ডকেট নাম্বার ফেলিতেছিল না পরে ১০০০টাকা দিয়ে মামলা গ্রহণ করিয়েছি, তারপরে আর নোটিশ জারি করে না, পরে ১০০০ দিয়ে নোটিশ করিয়েছি। অভিজ্ঞদের সাথে কথা বলে জানতে পারি এটা সফলভাবে শেষ করতে চাইলে ২০০০০/২৫০০০ টাকা কর্মকর্তাদের দিতে হবে।অন্যথায় ফাইল এমনেই পরে থাকব।আরেকটা বিষয় হলো ঘুষ আমার হাত থেকে নেয় না। তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ দালালগুলোর মাধ্যমে গ্রহণ করে।
আমি ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি ৬ মাস হয়ে যায় তাদের কাছে জিজ্ঞেসা করলে বলে জানাবো কবে হবে এর মধো এক জন পিয়ন দিয়া টাকার জন্য বিভিন্ন ভাবে তারা বলে টাকা না দিলে কিন্তু আপনার লাইসেন্স হবে না এর পরে ওখান থেকে সব লোক পরিবর্তন হয় নতুন লোক আসে সে খানে আমার একজন কলিগ এর বউ জয়েন্ট করে তার কাছে জিগাসা করলে বলে তাদের নাকি আইডি পাসওয়ার্ড হতে ছয়মাস লাগে।
নাম জারির জন্য সরকার নির্ধারিত ফি হলো ১২০০ টাকার মতো, কিন্তু আবেদনের পর বিভিন্ন ভুল ধরতে থাকে। তারপর বলে আমাদের লোক দিয়ে আবেদন করেন এবং ১০০০০ টাকা দেন হয়ে যাবে। অতপর বাধ্য হয়ে দাবিকৃত টাকা দিলে কোন সমস্যা ছাড়াই নাম জারি হয়ে যায়।
NTRCa এর মাধ্যম ১৮ তম নিবন্ধন এ সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করলাম। বেতন ধরানোর জন্য mpo করা লাগে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সেন্ড করবে না টাকা ছাড়া। এ দিকে আমার বাসা থেকে ৩৫০ কিমি দূরে না আছে কোন আপজন আমার বেতন না হলে চলবো কিভাবে বাধ্য হয়ে ঘুষ ূদিতে হচ্চে
আমার আইডি কার্ড ঠিক থাকার পরে-ও বলে এই সমস্যা সেই সমস্যা পাশে কম্পিউটার এর দোকানে গেলাম বললো ১৫০০ টাকা লাগবে দিলাম। সেই লোক পাসপোর্ট অফিসার এর ফোনে আমার আইডি পাঠিয়ে দিলো। তার পর যাওয়ার পরে বলে সব ঠিক আছে। আমার কাজ হয়ে গেলো। এরেকম আরো অনেক অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছি।
ঠিকাদার কোন কাজ কমপ্লিট করে বিল আনতে গেলে
বাংলাদেশ একটি আমদানি নির্ভর দেশ এবং আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা সবসময়ই সকল পন্য সামগ্রী আমদানি করে থাকে। কিছুদিন আগে একটি পন্য হটমেল্ট গ্লু আমদানি করার সময় পোট শিপিং সেকশন এইটা হোল্ড করে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এইগুলা নাকি ডেঞ্জারাস গুডস! কিন্তু ইন্টারন্যাশনালি এইটা কোনো ডেঞ্জারাস গুডস নয়। যার কারণে আমদানিকারকের থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি ঘুষ হিসেবে ওরা নিয়ে নে। এবং আমদানিকারক নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য। উল্লেখ্য এইধরনের ঘটনা চট্টগ্রাম পোট শিপিং সেকশনে রেগুলার এক্টিবিটিতে পরিনত হয়েছে। যা এখন স্বাভাবিক মনে হয়।
মাতৃকালিন ভাতা কাঠ করে দিবে ৫০০০০ টাকা লাগবে আসলেই কি এই কাঠ করতে টাকা দরকার হয়
পরিসংখ্যান বিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেনির কর্মকর্তা বদলি করানোর কথা বলে আমার কাছে ১০০০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরবর্তী আমি দিতে প্রত্যাখ্যান করি বলে আমার বদলি হলো না।আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বদলি হতে চেয়েছিলাম।
ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু ভুল ধরে আমাকে বলা হলো আশি হাজার টাকা দিলে নামজারি হবে অন্যথায় হবে না।
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির ৩ বছর পূর্তি হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা "শ্রান্তি বিনোদন ভাতা" পেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ভাতা নিতে গিয়ে আমাকে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, আমার অফিস এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যোগসাজশে কোনো কর্মচারীর বেতন-ভাতা বা iBAS++ এ কোনো বিল তুলতে গেলেও ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মচারী কল্যান তহবিলের ক্লার্ক ফাইল মেইটেইনেন্সের জন্য টাকা লাগবে দাবি করে এক মাস কাজ পেন্ডিং রেখে সরাসরি টাকা চায়। পরে ৫০০০/- নেয়ার পরও কাজটি করে নি। দ্বিতীয় পর্বে টাকা চাওয়ায় আর এ বিষয়ে সেখানে যাই নি। কাজও হয় নি।
সাইন দিতে টাকা চেয়েছিল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পরে এম্পিওভুক্তির সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের মাধ্যমে আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২ জন যোগদান করি তাই (৫০০০*২) দুইজন মিলে পরিশোধ করি।
আপনি যদি এই টাকা টা দেন তাহলে কাজ টা চালু হবে ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া কিছু কাজ করে না এবং সকল কর্মকর্তা টাকা চাই
জমি খারিজ করার জন্য আবেদন করি। আজ হচ্ছে না কাল আসেন, এভাবে করে ৭ দিনের মতো ঘুরানোর পরে টাকা চায়। ৮০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা আমার কাছে ১০০০০৳দাবি করে।তারপর আর ভিন্ন অজুহাত দেখায় যে আমার জমির খাজনা নাকি আরও বেশি। তাই খুব একটা জোড়াজুড়ি করে ৬০০০৳টাকা দিয়ে খাজনা কাটা লাগছে।। জমির পরিমান ১৫শতাংশ ছিল।