আদালত একটি হত্যা মামলার তদন্ত cid কে দিয়েছে। ১ বছর হলো
মায়ের হত্যা মামলার তদন্ত আদালত দিয়েছে ১ বছর আগে। আসামি দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনও তদন্ত হচ্ছে না। বাদী বরং বার কারণ জানতে চাইলে এখন আর ফোন ধরে না। কারণ বাদী একজন দুর্বল মহিলা।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মায়ের হত্যা মামলার তদন্ত আদালত দিয়েছে ১ বছর আগে। আসামি দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনও তদন্ত হচ্ছে না। বাদী বরং বার কারণ জানতে চাইলে এখন আর ফোন ধরে না। কারণ বাদী একজন দুর্বল মহিলা।
The story back in 2015, I prepared my application, bank payment slip and each and everything to submit at passport office customer dex. However, the person should present there during office time but I never seen a single time. I visited there everyday morning and returned afternoon. It was day 3, two police man noticed me that, everyday I am coming and going back without any solution. He, offered me like this way, "what everybody do, you do so". Fist time i didn't understand, then he make it clear that, pay some extra money I will do it for you. I denied and left, then on day 4 the dex person I meet and he said your document are correct but we cannot accept it for unknown reason.then Police
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বলছে বাড়ির মিটারে কাগজ লাগবে খতিয়ান লাগবে টেক্স রশিদ কিন্তু আমি তো ভাড়া বাসায় থাকি এগুলা কি বাড়ি ওলা দিবে।পরে বলে।এই টাকা দেন দেখি করে দিবো।
বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন এ স্বাক্ষর করতে গিয়ে এমন হয়েছিল। একজন এটিও আমার কানে কানে ২ লিটার পেট্রোল এর দাম চেয়েছিলেন।
For new license the person who is taking the finger and image had taken 100 taka per person otherwise nobody can pass the exam. The examination was open book, the instructor has told us the answer and we wrote them. For the car test they asked to pay more 300 taka for driving and for final license i have to pay more 6000 taka.
সামাজিক নিরাপত্তা অডিট অধিদপ্তর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত অডিট কার্যক্রমে এসে প্রকল্প পরিচালকের কাছে প্রথমে ৫৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করে। তাতে প্রকল্প পরিচালক কোনভাবে সায় দেয়নি। পরে অডিট টিম দাখিলকৃত বিল ভাওচার ও প্রকল্প সরেজমিনে অত্যন্ত সূক্ষভাবে যাচাইবাছাই করে। পরবর্তীতে নিয়মতান্ত্রিক নানাবিধ ব্যতয় দেখিয়ে আইন-ধারা অজুহাত দিয়ে ৫০ টির বেশি আপত্তি উত্থাপন করে। নিরুপায় হয়ে ডিপিএস ভেংগে ও ঠিকাদারের সহযোগিতা নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে মানসিক যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাই।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে পাসপোর্টের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ৬,১৭০ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে মোট ১২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি ফি ৬,১৭০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত ৫,৮৩০ টাকা কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাকে কোনো বৈধ সরকারি রসিদ বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত এই অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে অনিয়ম/ঘুষ গ্রহণের মতো মনে হয়েছে। আমি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখতে এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে আমি পাসপোর্ট আবেদন, পেমেন্ট/রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।
নামজারি আবেদন করার পর উপজেলা থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রস্তাবনার জন্য প্রেরণ করা হলে, ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তাগন সাধারণ নামজারি আবেদন জমা পড়লে সে ফাইল গুলো খুলে দেখে না, যারা তাদেরকে মোটামুটি হাতে গোপনে টাকা দেয়, তাদের ফাইল গুলো আগে দরে, সাধারণ যারা টাকা দিতে অসামর্থ সেই ফাইল গুলো দূলোর চাপায় পড়ে থাকে। তাদের কাজের অগ্রগতি ০ শতাংশ, অনেকে টাকা দিয়েও পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছে না, সার্ভার আর কাগজের প্রতিবন্ধকতার অজুহাত দেখায়, নতুন ফাইল জমা নিতে চায় না, এছাড়া অনেকে সরকারি ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত না হয়ে অফিস ডেক্স আসনে বসে অবৈধ ভাবে কাজ করছে সরকারি এডমিন এক্সেস এর সাথে। অফিস এর বড় স্যার থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মচারি সবাই এই অফিস কে একটা সিন্ডিকেটে রুপান্তর করেছে।
চট্টগ্রামের একজন আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করে চাকরি দেওয়ার নামে আমার কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা নেই, এমন কোনো মাধ্যম রাখিনি যে টাকা উদ্ধারের কিন্তু কোনো ভাবে টাকা গুলো পেলাম না
আমি রংপুর সুপার মার্কেটের সামনে মোটরসাইকেলেএক্সিডেন্ট করি ডান পা কেটে যায়। পরে রংপুর মেডিকেলে এমার্জেন্সিতে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ১ ঘন্টা বসিয়ে রাখে।বলে সেলাই সুতা নাই সেটা আমার নিজেকে কিনে নিতে হয়েছে। এন্টিবায়োটিক সহ যাবতীয় ঔষধ লিখে দিয়েছে এবং সেটা নাকি দিবে পরের দিন।অসুধ,ইঞ্জেকশন সব আমি কিনে নেই এবং হাসপাতাল থেকে চলে আসি।
চান্দিনা, পুলিশ কর্তৃক আমার কাছ থেকে 500 টাকা দিয়েছে এবং দুইবার আমাকে যেতে হয়েছে। পার্সপোট অফিস অযথা ভূল ধরিয়ে দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। 1000 টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা শেষ। করেছে। অথ্যাৎ অতিরিক্ত ছাড়া আমি পার্সপোট করতে পারিনি।
খাস এর নাম করে ১.০০.০০০/=টাকার উপরে দাবি করে।দেই নি বলে খাজনা, নেয় না। এস এ দাগ নাকি খাস অথচ আমাদের সকল দলিল,আর,এস কাগজ আছে।
আমাকে শুধু ফিঙ্গার দিতে হবে। বাকি সম্পূর্ণ কাজ তারাই করবে। এই জন্য বারো হাজার টাকা দিতে হবে। কোন পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে না আমি লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাব।
চাকরি দিবে বলে পনের লক্ষ টাকা চেয়ে ছিলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এক জন অফিসার আমি রাজি হইনাই পরে আমার চাকরি হয় নাই
মিস কেস নথি ভোলায় ফরওয়ার্ডিং এর জন্য টাকা নেওয়া হয়।যদিও সেটা সম্পূর্ণ সরকারি খরচে যাওয়ার কথা।
হাসপাতালে আমার ভাবির সিজারের পর বাচ্চাটিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে আনার সময়, অপারেশন এর গেটে থাকা আনসার বাচ্চা হওয়ার খুশির ভাগ দাবি করে, নাহলে নাকি বাচ্চা নিয়ে বেরোতে দেবে না। ওটির আয়াকে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো, বাচ্চা মুছে দেয়ার জন্য ৫০০ টাকা।
1 মাসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে দিবে। পরীক্ষা যে ফেল হবে না
পেনশন এর টাকা তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস মোট টাকার ২% হারে দাবি করে। পরে ২০০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
এটি একটি কোম্পানি গামেন্টস সেক্টর এক্সসরিজ অডিট জন্য এই ২০ লক্ষ টাকা ঢাকা উওরা কাস্টমস এক অফিসার দাবী করে এবং এটা কোম্পানি থেকে পরিশোধ করা হয় টাকা না দিলে অডিট পাস করতে চায় না
পোনে একশত জায়গা মিউটেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে তহসিলদার সাহেব টাকা দাবি করে তখন আমি প্রত্যাখ্যান করি