আগুনে পুড়ে যাওয়ার প্রত্যায়ন পত্র
গত ১৮/১০/২০২৫ ঢাকা বিমান বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে আমার ৯ টি কনসাইনমন্ট ৮ টি বিমানের গুডাউনে ছিল ১ টি ছিলো এওয়াই জেট কোরিয়ার এর গুডাউনে। ৮ টির কনসানমেন্টর প্রত্যায়ন পত্র নিতে দিতে হলো ১০০০০ টাকা।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গত ১৮/১০/২০২৫ ঢাকা বিমান বন্দরে আগুনে পুড়ে গেছে আমার ৯ টি কনসাইনমন্ট ৮ টি বিমানের গুডাউনে ছিল ১ টি ছিলো এওয়াই জেট কোরিয়ার এর গুডাউনে। ৮ টির কনসানমেন্টর প্রত্যায়ন পত্র নিতে দিতে হলো ১০০০০ টাকা।
সরকারি মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য কোনো ধরনের সরকারি ফি দিতে হয় না। সরকার কর্তৃক প্রদত্ত এই সেবাটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে 5000 টাকা দাবি করেছে, এবং সেটা দিতে হয়েছে না হলে আমাকে সেবাটি দিবে না,
আমার আমার নামের জমি আমার বড় ভাইকে দানপত্র দলিল করেছিলাম, প্রিয়ন দিতে হয়েছে ২০০ টাকা, সাব রেজিস্টার স্যারকে 10000 টাকা চেয়েছিল, আমরা অনেক জড়াজড়ি করে ৬০০০ টাকা দিয়েছি। উনি পিয়ন এর মাধ্যমে ঘোস লেনদেন করেন
চেকের মলার তারিখে আমার ফাইল উপরে থাকবে বিনিময়ে ৫০০০ টাকা দিতে হবে এবং মাসে একবার তারিখ পড়বে। টাকা না দেওয়ায় ৪ মাস পরে তারিখ পড়েছে।
দলিল নকল উত্তলন করিতে দেয় নাই।
নামজারী করতে ১০০০০ টাকা দিতে হবে, না দিলে ফাইল রিজেক্ট হবে।
প্রথম্বার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিয়ে পাস করার পর ও রেজাল্ট ফেইল এসেছিলো, আমার পাশেই অন্যজন কিছু না পেরেও পাস করেছে তাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম সে ঘুষ দিয়েছে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করিনি। এটাই বাংলাদেশ।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি, কোম্পানির আইডি কার্ডসহ আমি জমা দিয়েছি , উনি আমার কথা বিশ্বাস করে না , আমার মুখে দাড়ি আছে এনআইডি কার্ডে দাড়ি নাই, অজুহাত দিয়া আমার আবেদন ফরম জমায় নেবেন না, নিরুপায় হয়ে আমি দালালের মাধ্যমে উনাদের কে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যতগুলা লোক আছে সবাই দালালের মাধ্যমে কাজ করে. এটার অবস্থা পুলিশের মত টাকা দেবে না এক জায়গা থেকে সামনের টেবিলে আবেদন পত্র অন্য জায়গায় যাবে না আল্লাহ এটা হেদায়েতদেক আমাদের প্রশাসনের লোকগুলা কে আল্লাহতালা হেদায়েতদেক
খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি ১টি তুলা ৬০০ করে টাকা চাইছিল,আমি বললাম সরকারি ফি ১৬০ টাকা ডাকমাশুল সহ। তিনি বললেন এভাবে ১ মাসে ও পাবেন না, তাই বাধ্য হয়ে মুহুরীর মাধ্যমে ১২০০ টাকা দিয়ে ২ টি খতিয়ানের সাটিফিকেট কপি তুলেছি ১ সপ্তাহের মধ্যে।
আমি একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ছিলাম। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় বিশ্বনাথ উপজেলা সদর থেকে সিলেট শহরতলীর একটি প্রতিষ্ঠানে পুনর্নিয়োগের জন্য আবেদন করার পর আমার সম্পর্কে তদন্তের দায়িত্ব আসে বিশ্বনাথ থানার একজন এসআইর কাছে। সে আমাকে থানায় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলে। আমার সবকিছু জেনুইন ছিলো। বিদায় নিয়ে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর সে আমাকে ফোন করে চা-পানি ও আমার গ্রামে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া গাড়িভাড়া চায়। আমি সোজা বলেছিলাম যে, আমি কি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে জব করবো? না। তাহলে ঘুষ দিবো কেনো?
আমার বড় ভাইয়ের একটি ফার্মেসি ছিলো কিন্তু আমার বড় ভাই দেশের বাইরে চলে যাওয়ার কারণে লাইসেন্সটি সময় মত রিনিউ করা হয়নি ফলে ২০২২ সালে লাইসেন্স এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। এরপরে আমি গত জুলাই মাসে লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য এক বড় ভাইকে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ ড্রাগ অফিসে যাই। যাওয়ার পরে সে হিসেব করে সেই বড় ভাই এর সামনে বলে ৪ বছরের জরিমানা ও ২ বছরের নতুন নবায়ন ফি সহ ৪২০০ টাকা আর অফিসে দিতে হবে ১০০০ টাকা মোট ৫২০০ টাকা কিন্তু আমি কাগজপত্র জমা দিতে বলে ৫২০০ টাকা বাদেও প্রতি বছরের জন্য ৫০০ করে মোট আরো ৩০০০ টাকা দিতে হবে তা না হলে স্যার রাজি হবে না। পরবর্তীতে আমি ৬০০০ টাকা দিয়ে আসি লাইসেন্স হলে হয়তো আরো টাকা দিতে হবে।
আমি ভারত যাচ্ছিলাম ঘুরতে , যশোর বেনাপোল সীমান্তে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ইমিগ্রেশন সিল দেয়ার জন্য ১০০০ টাকা চেয়েছে, আমি ঐ সময় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করলে আমার পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ ইমিগ্রেশন সিল দিয়ে দেয়।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে সাব রেজিস্টারকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে অন্যথা দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না
আমি যতবার বাংলাদেশে পাসপোর্ট করেছি ততবার হয়রানি শিকার হয়েছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া দালালদের প্রভাব এত বিস্তৃত যে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা কোন না কোন ভুল ধরে বলবে সংশোধন করে আবার আসুন। দেখা যায় পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যায় তবুও নিজের সরাসরি পাসপোর্ট করা যায় না অবশেষে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির লাগাম না টানতে পারলে সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে দুর্নীতির মহারাষ্ট্র হয়ে যাবে।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংলিশ করতে সরকারি কোনো ফ্রি লাগেনা, কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করেছে তা না পরিশোধ করলে আমাকে সেই সেবাটি দিবে না, এবং আমাকে কাগজ পাতির অনেক হয়রানি করেছে
আমরা ঘুরতে যাই আমাদের কাছে দেশিও মদ থাকায় বান্দরবান লামা যাচ্ছিলাম ড্রাইভার কোন ভাবে বুঝে সেনাবাহিনীকে জানিয়ে দেয় তবে সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলাম শখের বয়সে নিচ্ছিলাম লামা যাওয়ার সময় এনাইডি জমা দিতে হয় ওইখানে কাউকে চেক না করে আমাদের কে করে সেনাবাহানি পুলিশ ব্যাটেলিয়ন লোক মিলে এক পর্যায় হুমকি দিয়ে ৩০০০০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০০০০ দেই । তারা বলে চায়ের দোকানে আইডি কার্ডের ফটোকপি তে টাকা দিতে বাজ করে সেই কাজই করেছি প্রশ্ন হলো বড় বড় মাদক চালানের সময় একই কাজ করে?
জরুরি কাজে আমার এন আই আইডি প্রয়োজন ছিলো, তারা বলেছিল জরুরি কাজে টাকা লাগবে, ঘুষ কেনো দিবো বলায় তারা উত্তর দেয় সময় মতো আইসেন। সেজন্য বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
ঠাকুরগাঁও ডিসি অফিসের ২৫ শতাংশ জমির খারিজ বাতিলের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫০০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। না দিলে খারিজ বাতিল করে দেয়।
বন্ড টু বন্ড ট্রান্সফার এর জন্য দিতে হলো গত ১৮/৮/২০২৬
আমি সৌদি প্রবাসি। বাংলাদেশে এসে পাসপোর্ট ১০ বছরের করবো বলে আমার আগে সৌদি থাকা অবস্তায় পাসপোর্ট দিয়ে করতে গেলে তারা বলে, আপনার পাসপোর্ট সৌদি থেকে করা এখন আমাদের এখান থেকে করতে গেলে আপনাকে জবসলভেন্সি করা লাগবে যার কারনে আপনাকে তিনহাজার টাকা দিতে হবে,আমার প্রশ্ন হলো আমি আগে যে পাসপোর্ট করে ছিলাম সৌদি দুতাবাস থেকে তাহলে কেন আমাকে এত গুলো টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হলো,,,,