লাইসেন্স করা
আমাকে শুধু ফিঙ্গার দিতে হবে। বাকি সম্পূর্ণ কাজ তারাই করবে। এই জন্য বারো হাজার টাকা দিতে হবে। কোন পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে না আমি লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাব।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমাকে শুধু ফিঙ্গার দিতে হবে। বাকি সম্পূর্ণ কাজ তারাই করবে। এই জন্য বারো হাজার টাকা দিতে হবে। কোন পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে না আমি লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাব।
চাকরি দিবে বলে পনের লক্ষ টাকা চেয়ে ছিলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এক জন অফিসার আমি রাজি হইনাই পরে আমার চাকরি হয় নাই
মিস কেস নথি ভোলায় ফরওয়ার্ডিং এর জন্য টাকা নেওয়া হয়।যদিও সেটা সম্পূর্ণ সরকারি খরচে যাওয়ার কথা।
হাসপাতালে আমার ভাবির সিজারের পর বাচ্চাটিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে আনার সময়, অপারেশন এর গেটে থাকা আনসার বাচ্চা হওয়ার খুশির ভাগ দাবি করে, নাহলে নাকি বাচ্চা নিয়ে বেরোতে দেবে না। ওটির আয়াকে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো, বাচ্চা মুছে দেয়ার জন্য ৫০০ টাকা।
1 মাসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে দিবে। পরীক্ষা যে ফেল হবে না
পেনশন এর টাকা তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস মোট টাকার ২% হারে দাবি করে। পরে ২০০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
এটি একটি কোম্পানি গামেন্টস সেক্টর এক্সসরিজ অডিট জন্য এই ২০ লক্ষ টাকা ঢাকা উওরা কাস্টমস এক অফিসার দাবী করে এবং এটা কোম্পানি থেকে পরিশোধ করা হয় টাকা না দিলে অডিট পাস করতে চায় না
পোনে একশত জায়গা মিউটেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে তহসিলদার সাহেব টাকা দাবি করে তখন আমি প্রত্যাখ্যান করি
কাগজ পাতি তে তারা ভুল ধরে এবং, বলে হবেনা তারপর বলে কিছু টাকা দিলে কাজ হবে নাহলে হবেনা।
My Father died and I wanted to transfer in my name. After paying All fees they said Namjari of this Mouja has been stopped by higher authority. We cannot give report. If higher authority agrees then we can do. And Authority fee is 2 Lacs. Another table need 20000 and mine is 7000. If you can manage this it will only possible otherwise Namjari is stopped due to unknown reason no one knows.
আমি আমার সমস্ত জমি জমার ট্যাক্স ক্জমা করার জন্য হোল্ডিং খুলতে গিয়েছিলাম, হয়রানি ও অবজ্ঞা, শেষমেশ আমাকে বাধ্য করে ১০০০ টাকা রশিদ ছাড়া, ও একাউন্ট খুলতে ৫০০ নিয়েছে,
নামজরির জন্য গাজীপুর সদরের মির্জাপুর ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ৫১ শতাংশ জমির নাম জারির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবি করেন,অবশেষে বিপদে পড়ে ৩০০০০০ টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয় এবং টাকা পরিশোধ করতে হয়।
লাইসেন্স ছিল, তবে নাম ট্রান্সফার ছিল না। সুতরাং সে ঘুস দাবি করে
২০২৪ সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে আমার চাকুরি হয়। চাকুরির ভেরিফিকেইশন আসে রামগতি থানায়। তৎকালীন এই থানার এস.আই আমাকে ফোন দেয় থানায় যাওয়ার জন্য। আমি গেলে আমাকে ২০০০ টাকা দিতে বলে। এটা ২০২৪ সালের ৮ ২০ আগষ্টের ঘটনা। আমি ১০০০ টাকা দিতে বললে ওনি বলে এত কম টাকায় হবে না। পরে আমি ২০০০ টাকা দেই।
আমার বাবার ও চাচার যৌত সকল সম্মত্তির খাজনা দেওয়া হয়নি অনেক বছর। আমি খাজনা আদায় করতে গেলে। ২৪,০০০ হাজার উপরে চাদিদা দেয়। কিন্তু আমি অন লাইনেও ২৪০০০ হাজার এর উপরে অপরিশোদ দেখায় ছিল। আমাকে বলা হলো। ১৬,০০০ হাজার টাকা দিলে সব হয় যাবে। কিন্তু ১৬০০০ হাজার টাকা দেওয়াতে পড়ে দেখা গেলো আমাকে ৬০০০ হাজার এর একটি স্লিপ দিয়ে দিলো। সরকারের কোষাকাগে মাত্র ৬০০০ হাজার জমা করেন।
খাজনা আসছে ২ হাজার, দাবি করছে ৩৫ হাজার, তারপর ১০হাজারের মধ্যে নেগোসিয়েশন হয়
ভূৃমি অফিস - রেজিষ্ট্রি অফিস অপেন ঘুষ নেয়, এটা কি বন্ধ হবে?
রাজউকের আওতাভুক্ত প্রোপার্টি নামজারি করতে গেলেই ৩৫০০০-৪০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। তারা বলে এটায় নাকি অফিস রেট। ভূমি অফিসে ঘুষ না দিলে খসড়া খতিয়ান ও প্রস্তাবপত্র হয়না। এসি ল্যান্ড অফিসে শুনানি প্রতিবেদন হয়না।
আমার বাবার রেটিয়ার এর টাকা দিচ্ছিল না । লমগ্রান্ড ও ভবিষ্যৎ তহবিল এর টাকা প্রসেস করছিল না । এর জন্যে মিষ্টি হওয়ার টাকা বলে 1 লক্ষ টাকা নিয়েছে। আর পেসব চালু করতে 2 লক্ষ টাকা নিয়েছে
আমার বাবার অফিশিয়াল ভাবে ট্রান্সফার নোটিশ আশে, চাকরি জীবনের শেষ জেলা পরিশদ থেকে এল জি ইডি তে যেতে হবে। শেষ বয়সে নিজের এলাকাতেই সবার ট্রান্সফার হয়। বাবা একটু অসুস্থ ছিলেন তাই আমি সহ ঢায়া এজ জি ই ডি অফিসে যাই। অফিসের ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সেখানকার এক লোক ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তা না হলে দূরে কোথাও ট্রান্সফার করার ও ফাইল আটকে রাখার ভয় দেখান। পরে ৫০ হাজার টাকায় মানেন।