জমি রেজিস্ট্রি
সর্বশেষ আমাকে ১৩০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হয় জমি রেজিস্ট্রি করছিলো না। এখানে নানা অজুহাতে টাকা দাবী করা হয়।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সর্বশেষ আমাকে ১৩০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হয় জমি রেজিস্ট্রি করছিলো না। এখানে নানা অজুহাতে টাকা দাবী করা হয়।
পাসপোর্ট অফিসে গেলে কাগজপত্র দেখে বলে হবেনা আমি বের হয়ে আসলে একজন আনসার ডেকে বলে দিকে আসেন পাসপোর্ট করাবেন আমি বললাম জী তিন হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে
খতিয়ানে নাম ভুল হয় এনআইডির সাথে মিল নাই এইটা ঠিক করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে ঠিক করে নিয়ে আসছি।
০৯/০৬/২০২৬ থেকে ১৮/০৬/২০২৬ মন্ত্রণালয় থেকে এমপিও প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের জন্য আসে। শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে ছয়টা প্রতিষ্ঠান থেকে 24 লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা সাথে করে নিয়ে ঢাকাতে গিয়ে পরিশোধ করা হয়।
নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত সকল শিক্ষকগণের নিকট হতে বাধ্যতামুলক ৫০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য নেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে নানা রকম হয়রানী করা হয়।
আমার ভাইয়ের ও আমার স্ত্রীর নামের জমির তামিল করতে দুদিন যাই প্রথম দিন একটার জন্য ৪০০ টাকা দিয়েছি অন্য দিন দুটার জন্য ৮০০?টাকা নিয়েছে, একজন মহিলা আছে ওনি আমার কাছে মনে হল ভালো মানুষ আর আমার টাকা নিয়েছে কালো করে দাড়ি ওয়ালা লোকটা যে ওখানে তামিল করে বলে বই কিনতে টাকা লাগে আরও অনেক খরচ আছে
ছোট কর্মচারী কে ভাল পোষ্টিন এবং অধিদপ্তরের ভাল ডেক্স এ বসানোর জন্য অথবা ভাল জায়গায় পোষ্টিন দেওয়ার জন্য এডমিন ক্যাডার এর অফিসার গণ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না । তারা তো এ দেশের হর্তাকর্তা ,শুধু এডমিন ক্যাডার এর অফিসার যতি ভাল হয় তা হলে এ দেশে ঘুষ বানিজ্য বন্ধ হবে ।কারণ সব ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান হলো এডমিন ক্যাডার ।
আমার সরকারি দপ্তরের কোন কন্টিজেন্সি বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে উত্তোলনের জন্য দিলেই মোট বিলের ৫% দিতে বাধ্য করে।
নয় ছয় বলে টাইম বাড়ানো।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে লোন নিতে গিয়েছিলাম, তিন লক্ষ টাকা, লোন নেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার টাকার ঘুষ চেয়েছিল আমি ফিরে এসেছি।
MPO করার জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাপরুভ করে না,পরে ৩০০০ টাকা দিলে এ্যাপরুভ করে, জেলা অফিস এ যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার ভাল মানুষ উনি টাকা ছাড়া যথা সময়ে এ্যাপরুভ করে দেন, ঢাকা শিক্ষা অফিস ফাইল গেলে ৪ মাস ফাইল ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয়, পরে আবার আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা অফিস আবার ৩ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল পাঠায়,এবার ঢাকা শিক্ষা অফিস এ আগের একই ফাইল একই কাগজ দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে ফাইল এ্যাপরুভ হয়,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা
আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে,তারপর ও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে একাধারে ৫ দিন হয়রানি করা হয়েছে। তারপর আমাকে একটা দোকান দেখিয়ে দিল (আরেকজন বহিরাগত)বল্ল ওনার কাছে যান সব ঠিক করে আসেন, গেলাম ওনি ৫০০০ টাকা চাইলো অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিলাম এখন আর কোন ভুল নাই! দরবেশ বাবার কেরামতি passport done.
একজনের মাধ্যমে করতে হয়েছে । আমার আম্মুকে ওমরাহ করানোর জন্য পাসপোর্ট বানিয়ে ছিলাম 2023 সালে। আমাকে বলেছে এখনকার সিস্টেম এমনি আপনার পাসপোর্ট করাতে চাইলে বারতি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং কি থানা ভেরিফিকেশন করতে ও 1000 টাকা দিতে হয়েছে।
Taxi driver license এর জন্য একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল । সরকারি চালান ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর থানায় ৯০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
এক্সিডেন্ট এর একজন রোগী নিয়ে আমি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে যাই।সেখানে আমার রোগীর সিলাই দেয়ার পর সিলাই বাবদ ১০০০ টাকা দাবী করে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
নতুন পাসপোর্ট বানানো
এখানে সরকারি চালানের পর অতিরিক্ত টাকা না দিলে কোনো কাগজপত্র ছাড় দেওয়া হয় না ।
দুইবার আমাকে অনলাইন থেকে আবেদন বাতিল করে দেয়।তারপরে ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন অফিসে যাই। তারপরে তারা বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায় যেগুলো জোগাড় করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। ওই ডকুমেন্টগুলো আমি ম্যানেজ করে তারপরে আমাদের এলাকার থানা নির্বাচন অফিসে যাই। তারা বলে এই কাজ আমাদের না। এটা নিয়ে বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসে যাই । তারপরে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করি।তারপর নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা বলে স্যার এখন নাই ছুটিতে আছে আপনার ফোন নম্বর দিয়ে যান স্যার আসলে আপনাকে ফোন করবো। তখন আমি ফোন নাম্বার দিয়ে চলে আসি। আমাকে একদিন ফোন দিয়ে বলে স্যার আসছে আপনার সাথে কথা বলতে চান।আমি অফিসের কর্মকর্তার সাথে দেখা করি। তখন তিনি আমার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।পরে ৮ হাজার টাকায় করে দেয়।
টাকা দিলে ফ্লোরের বদলে সীটে বরাদ্দ দেয়।তাছাড়া দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় আর আনসার সদস্যরা হুদাই টাকা নেয়
জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার