জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রেশন
আমার মায়ের নতুন জন্ম নিবন্ধন, এবং আমার জন্ম নিবন্ধন, সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হয়েছে,
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার মায়ের নতুন জন্ম নিবন্ধন, এবং আমার জন্ম নিবন্ধন, সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হয়েছে,
আমি আদালতের রায় ডিগ্রি মূলে নিজ নামে খতিয়ান করার জন্য ভূমি অফিস যাই।ভূমি অফিস থেকে আমাকে মিস কেস করতে বলে।মিস কেস করার পর একেক বার একেক দরনের কথা বলে আমাকে ঘুরাইতে থাকে দীর্ঘ চার বছর এবং আমাকে দিয়ে তিন বার মিস কেস করায় এবং নানান অজুহাতে ৫০০-১,০০০ টাকা করে চার বছরে প্রায় ১৭০০০টাকা নেয়। কিন্তু দিন শেষে আমার কোন কাজ হয় নাই। পরে অফিসের একজন বলে ভাই এভাবে আসবেন যাবেন টাকা দিবেন কোন কাজ হবে না আপনি উনার সাথে কন্টাক করেন কাজ হয়ে যাবে। পরে ঐ অফিসারের সাথে কথা বলে কন্টাক করি ৪০,০০০ টাকা তার পর মাত্র ৭ দিনে আমার কাজ হয়ে যায়। যদি শুরুতে আমি কন্টাক করে কাজটা করতাম সময় বাছতো হয়তো এতগুলো টাকাও লাগতো না। এখন নিজে নিজে অঙ্গীকার করছি বৈধ ভাবে আর কোন কাজ করাবো না।কারন এই দেশে বৈধ কাজ করাতে গেলে জুতার তলা ক্ষয়
আমি BIWTC তে কর্মরত আছি। আমি biwtc তে জাহাজে মাস্টার হিসাবে আছি। আমার প্রতি ২ বছর পর পর পোস্টিং নিতে হয়। প্রতিটা পোস্টিং এ ১লাখ থেকে ৩. ৫ লাখ টাকা ঢাকা হেড অফিস আমার আমাদের কাছে দাবি করে। কেউ যদি এই টাকা দেয় তাকেই ভালো জাহাজে বা ফেরিতে পোস্টিং দেয়, আর টাকা না দিলেই নিজেত্তন নেমে আসে। আমি টাকা দেয়নি দেখেই আমাকে কয়েক দিন পর পর একটা টার পর একটা জাহাজ পরিবর্তন করতে হয়। আর যে জব জাহাজ বন্দ ডক এ এই সব জাহাজে দিয়ে রাখেই পোস্টিং
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে দিবে তাই ৫০০০০টাকা দিতে হবে
আমি টাকা না দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি এবং আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলার টেন্ডারে একটি জলমহালের রিপোর্ট দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করা হয়। এটা গত ফেব্রুয়ারির ঘটনা।
ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আনতে যাওয়ায় ৫০০০ পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে পরবর্তিতে কথা বলে কমিয়ে ৪০০০ চার হাজার টাকায় ফিক্স করা হয়
পাসপোর্ট তৈরি করতে টাকা চেয়েছিল প্রথমে দিতে অস্বীকার করার ফলে । কাগজ জমা নেয়নি পরে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট করতে পেরেছি
Proti dolil er 5-7percent
নিয়োগের পত্র আনতে গিয়ে দেখি কেরানী ড্রয়ার খুলে রাখছে।সবাই ৫০০,১০০০,২০০০ দিয়া সহকারী শিক্ষক এর নিয়োগপত্র নিচ্ছে।১৬ বছর আগের কথা।কিন্তু এখনো মনে পরে।
মেম্বার ঘুষ চেয়েছে ।৷।
Kaj Pete hole 2% dite hobe Tar por approved er jono 1% Bill theke 2%
টাকা না দিলে রেজিস্ট্রি করে দিবে না
i applied for my police clearance certificate and paid the govt's fee of 500bdt. The officer in charge literally took weeks before he issued it. i usually never pay bribes, but this was for my visa application, so i paid and voila! i received the pcc the next day.
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা চাইলো।
একটি ফ্ল্যাট এর নামজারি করতে আমার ২৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে
কুমিল্লা সড়ক জোনের কর্মকর্তারা ঐ অঞ্চলের কিছু ঠিকাদারকে ছাড়া অন্য কাউকে কাজ দেয়না। স্বৈরাচারী শাসন আমল থেকে একটি কুখ্যাত সিন্ডিকেট ঐ জোনের সকল জেলার কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। কেউ তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অচল করে দেয়। পরিকল্পিতভাবে মহাসড়কের ক্ষতি করে দীর্ঘদিন জ্যামের সৃষ্টি করে মন্ত্রণালয় ও হেডঅফিসকে জিম্মি করে ফেলে।
আমি একটি মামলা জামিন সংক্রান্ত কারনে আমার জেলার দায়রা ও জজ আহালতে যাই, সেখানে পেশকার জামিনের দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় আমার কাছে ওনার জন্য ১০০০/- এবং পিওনের জন্য ২০০/- টাকা দাবি করে না দিলে কাজ হবে না আমি নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তখন আমি ভিবিন্ন এজলাসে গিয়ে এমন টাকা দাবি করার বিষয় দেখতে পাই। জি আর ও অফিস থেকে শুরু করে জুডিসিয়াল কোটেও। তখন একজন আইনজীবী সহকারীকে ঘুসের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ওনি যানায়। জামিনের দরখাস্ত জমা, নকল উত্তলন, হাজিরা জমা, মামলা পাইলিং, মামলার আদেশ, জামিন নামা জমা, নথি তল্লাশি সহ যেই কাজই করে না কেন কোটের পেশকার,পিওন, লিপিকারক, জারি কারক, অফিস সহায়ক সহ সবাই টাকা দাবি করে আর ওনাদের দাবীকৃত টাকা না দিলে নানা ভোগান্তিতে পরতে হয় এবং নিরুপায় হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করা লাগে।
সরকারি চাকরিতে জয়েন দেয়ার পর আনোয়ারা হিসাবরক্ষণ অফিসের একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমার কাছে অর্থ দাবি করে
ট্রেড লাইসেন্স এর মধ্যে দেওয়া আছে ৫০০ টাকা ও ৭৫ টাকা ভ্যাট কিন্তু আমার কাছ থেকে অন্য আরেকটি রশিদে ১১০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে এবং ওই রশিদ অনুযায়ী আমার ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই কাজটি হয়েছে হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।